সোমবার, মার্চ ৮, ২০২১
প্রকাশ : 2021-01-24

একটি আধুনিক ওয়ার্ড উপহার দেওয়াই আমার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য- নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু

২৪,জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ড উত্তর কাট্টলী। ৪ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এ ওয়ার্ডটিতে এক লাখ ৩৫ হাজার মানুষের বসবাস। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল যখন কোনো আন্দোলন-সংগ্রামের ডাক দেয় তখন প্রথমেই পরিকল্পনা করে নগরীকে অবরুদ্ধ করার। আর সেই স্থানটি বেছে নেয়া হয় এই ওয়ার্ডে অবস্থিত সিটি গেইট এলাকাকে। নানান কারণে দেশজুড়ে আলোচিত এই ঐতিহ্যবাহি ওয়ার্ডটি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও রাজনীতির তীর্থস্থান বলে খ্যাত। এই ওয়ার্ডে যেমন দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা জন্মগ্রহণ করেছেন, তেমনি প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ নানান পদে নেতৃত্বও দিচ্ছেন এই ওয়ার্ডের অধিবাসীরা।চট্টগ্রাম- ৪ সংসদীয় আসনে নগরের যে দুটি ওয়ার্ড সংযুক্ত এর একটি ১০ নম্বর উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ড। এই আসনের সংসদ সদস্যের আবাসস্থলও এই ওয়ার্ডে। সাবেক মন্ত্রী মরহুম নূরুল হক চৌধুরী, জহুর আহমদ চৌধুরী, সাবেক প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য ও মন্ত্রী মাহমুদুন্নবী চৌধুরী, আলিমুল্লাহ চৌধুরী, গবেষক মওলানা তমিজুর রহমান চৌধুরী, শিক্ষক মোহাম্মদ জামান হেডমাস্টার, ভাষা সৈনিক বদিউল আলম চৌধুরী, সাবেক মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী যেমন এই এলাকার সন্তান, তেমনি সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম, ডেপুটি মেয়র এম আবু নাছের চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. অধ্যাপক ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরীসহ দেশের অন্যতম বৃহত ব্যবসায়ী গ্রুপের কর্ণধার, সরকারের সচিব, যুগ্মসচিব, জনপ্রিয় অভিনেত্রী, জাতীয় খেলোয়ার, আন্তর্জাতিক আম্পায়ার ছাড়াও চট্টগ্রামের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নানান অঙ্গণের খ্যাতিমান ব্যক্তিত্বদের নাড়ির সূত্র এই উত্তর কাট্টলী। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে নগরজুড়ে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রচার-প্রচারণা। ১০ নম্বর উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডে গত দুইবার কাউন্সিলর পদে জনপ্রতিনিধিত্ব করছেন নগর আওয়ামী লীগের সদস্য ড. নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু।বিগত দুই বারের মেয়াদকালে তিনি উক্ত ওয়ার্ডে যে পরিমান উন্নয়ন করেছেন, সেই পরিমান উন্নয়ন চসিকের অন্য ওয়ার্ডে হয়েছে কিনা আমার জানা নেই। কাউন্সিলর থাকা অবস্থায় রাস্তা-ঘাটের উন্নয়নের পাশাপাশি ওয়ার্ডে সুপেয় পানির যে ঘাটতি রয়েছে তা মেটানোর জন্যে অধিকাংশ বাড়িতে ওয়াসার সংযোগ স্থাপন করেছেন, তবে কিছু জায়গা দুর্গম হওয়ায় সেখানে ওয়াসার সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি। এছাড়াও এলাকার সৌন্দর্য বর্ধনে অলংকার মোড়ে শেখ রাসেল চত্বর নির্মাণ, সিটি গেইটের সৌন্দর্য বর্ধন, কর্ণেলহাট ফুটওভার ব্রিজের সৌন্দর্য বর্ধনসহ বেশ কিছু কাজ করেছেন। সব মিলিয়ে গত ৫ বছরে আমি ৬০ কোটি টাকার বরাদ্দ পেয়েছি, যার মধ্যে ৪০ কোটি টাকার কাজ সমাপ্ত করেছেন । তিনি করোনা মহামারীতে নিজের নিরাপত্তার কথা চিন্তা না করে এলাকা বাসির সেবায় রাত দিন অকাতরে কাজ করে গেছেন। এলাকার যে কোনো কাজে থানা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের এবং অংগসংগঠনের নেতৃবৃন্দের এবং এলাকার সাধারণ মানুষের মতামতকে প্রাধান্য দিতেন এবং তাদের সঙ্গে নিয়ে একসাথে এলাকার উন্নয়নে কাজ করতেন। বর্তমানে চসিকের নির্বাচনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাকে মূল্যায়িত করে পুনরায় উক্ত ওয়ার্ডের দলীয় কাউন্সিল হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছেন। ইতিমধ্যে এলাকাবাসীর সুখে দুঃখের সাথী, পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ যোগ্য কাউন্সিলর নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে করোনা মহামারীর শুরু থেকে সর্ব্বখনিক এলাকার জনসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন এবং জোনভিত্তক লকডাউনের আওতায় চট্টগ্রামে প্রথম লকডাউন এলাকা ১০ নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডে মেধা এবং যোগ্যতার মাধ্যমে লকডাউন সফল করেছেন তিনি। তিনি বলেন, আমি বিগত দিনে উত্তর কাট্টলী বাসির সেবায় সর্বদায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি , এবারও ১০ নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডে নৌকা ও মিষ্টি কুমড়া প্রতীকের জনজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে , আমি নির্বাচিত হলে আমার এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে ১০ নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডকে মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত একটি আধুনিক ওয়ার্ড হিসেবে উপহার দিবো।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর