শুক্রবার, এপ্রিল ২৭, ২০১৮
প্রকাশ : 2018-04-14

নাচে গানে বিভিন্ন আয়োজনে মঙ্গল শোভাযাত্রায় মানুষের ঢল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে মঙ্গলশোভাযাত্রা শুরু। নাচে গানে বিভিন্ন আয়োজনে সকাল ৯ টা থেকে শুরু হয়েছে মঙ্গলশোভাযাত্রা। ঢাক-ঢোল আর বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রে এগিয়ে চলেছে শোভাযাত্রা। শনিবার সকাল সোয়া নয়টার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে এই শোভাযাত্রা বের করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আখতারুজ্জামানের নেতৃত্বে চারুকলা অনুষদ থেকে বের হওয়া এই শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছে লাখো মানুষ। বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখে নতুন একটি বার্তা নিয়ে হাজির হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা। দেশ ও জাতির জন্য অকল্যাণকর অশুভকে প্রতিহত ও সুন্দর-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যয় থাকে প্রতিপাদ্যে। তাই এবারের পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রতিপাদ্য ধরা হয়েছে লালনের অমর বাণী মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি। এই বার্তা নিয়েই বাঙালির প্রাণের উৎসব বাংলা নববর্ষের মঙ্গল শোভাযাত্রা শনিবার সকাল ৯টায় শুরু করন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থীরা। আজকের দিনটির প্রধান আকর্ষণ মঙ্গল শোভাযাত্রা। এছাড়াও রমনা বটমূল, রবীন্দ্র সরোবর, কলাবাগানসহ ও রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে রয়েছে পহেলা বৈশাখ উদযাপনে নানা আয়োজন। ইতোমধ্যে মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন শেষ হয়েছে। সকাল ৯টায় শুরু হবে এই শোভা যাত্রা। ১৯৮৫ সালে চারুপীঠ নামের একটি সংগঠন যশোরে প্রথমবারের মতো নববর্ষ উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা আয়োজন করে। পাপেট, বাঘের প্রতিকৃতি ও পুরনো বাদ্যযন্ত্র এবং অনেক শিল্পকর্ম নিয়ে এই শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ১৯৮৯ সাল থেকে ঢাকা চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থীরা প্রতিবছর পহেলা বৈশাখে মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করে। ২০১৬ সালে ৩০ নভেম্বর জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (ইউনেস্ক) মঙ্গল শোভাযাত্রাকে অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসাবে স্বীকৃতি দেয়। বাঙালির প্রাণের এ উৎসব উদযাপনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, ইনস্টিটিউট এবং ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সংগঠনও পৃথকভাবে বর্ণাঢ্য কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

জাতীয় পাতার আরো খবর