প্রকাশ : 2018-05-03

আজ বিশ্ব গনমাধ্যম দিবস

দেশে গণমাধ্যমের বিপুল বিকাশ ঘটলেও এখনো সাংবাদিকদের নানা ধরনের হয়রানি ও হুমকির মুখোমুখি হতে হয়। সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিকরা বলছেন- সন্ত্রাসী জঙ্গি ও প্রভাবশালী মহলের হুমকির পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্বেগের নতুন কারণ প্রস্তাবিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কিছু ধারা। মুক্ত গণমাধ্যম নিশ্চিত করতে সাংবাদিক নেতাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া এবং নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টির জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান। গণমাধ্যম ও গণতন্ত্র পরস্পরের পরিপূরক। মুক্ত গণমাধ্যম নিশ্চিত করা না গেলে ব্যহত হয় গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাও। দেশে গণমাধ্যমের সংখ্যা যেমন বাড়ছে তেমনি বাড়ছে সাংবাদিকতা পেশার মানুষও। তবে হুমকি হয়রানি নির্যাতন ও উদ্বেগের জায়গাও কম নয়। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য মতে, গত দুই দশকে ২৩ সাংবাদিক হত্যা ও প্রায় সাড়ে ৩ হাজার সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এ পরিস্থিতি স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য বড় হুমকি বলে মনে করেন সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিকরা। নতুন উদ্বেগের বিষয় প্রস্তাবিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কিছু ধারা। প্রতিষ্ঠানের গোপনীয় তথ্য-উপাত্ত কোনো ইলেকট্রনিক মাধ্যমে ধারণ, প্রেরণ, সংরক্ষণ এবং পরোয়ানা ছাড়া আটক ও তল্লাসির ক্ষমতা’সহ এই আইনের ছয়টি ধারা নিয়ে উদ্বেগ ও আপত্তি জানিয়েছেন, গণমাধ্যমের সম্পাদকরা। তারা মনে করেন, গণমাধ্যমকে স্বাধীন করতে সবচে জরুরি রাজনৈতিক বিভক্তির উর্ধ্বে উঠে সাংবাদিক নেতাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া। সেইসাথে সরকারকে আরো ধৈর্যশীল হওয়ার পরামর্শ তাদের।