প্রকাশ : 2018-05-05

শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

১লা মে বিকাল ৩ ঘটিকায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা শ্রমিক ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ আওয়ামী নির্মাণ শ্রমিক লীগের উদ্যোগে জাতীয় শ্রমিক দিবস ও স্বাধীনতার ৪৭ বছর পদার্পণে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মরণোত্তর সম্মাননা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য সমাজবিজ্ঞানী প্রফেসর ড. অনুপম সেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ গড়ার শ্রমিকদেরও অন্যতম ভূমিকা ছিল। কারণ মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিল গরিব, কৃষক, শ্রমিক সমাজের মধ্যবিত্ত মানুষরা। তাদের অধিকার আদায়ে যা যা করা করণীয় আমি তাতে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবো। প্রধান আলোচক ছিলেন সাবেক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ডীন বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. গাজী সালেহ্ উদ্দীন। সম্মানিত অতিথি ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রদূত ওসমান সরওয়ার আলমের সুযোগ্য কন্যা কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজনীন সরওয়ার কাবেরী, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি নাজিমউদ্দীন শ্যামল, চ্যানেল-আই এর ব্যুরো চীফ চৌধুরী ফরিদ, জননেতা এম.এ. আজিজ এর সুযোগ্য পুত্র মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেচ্ছা মুজিব বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান সুরজিত দত্ত সৈকত। বিশেষ অতিথি ছিলেন জননেতা জহুর আহমদ চৌধুরীর সুযোগ্য পুত্র আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান- মহানগর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শরফুদ্দীন চৌধুরী রাজু, গ্রামাণী ব্যাংকের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা সগীরুর রশিদ চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান রোজিনা বেগম, মো: নোমান, সিরাজ মিয়া, আফজাল চৌধুরী। বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা শ্রমিক ফাউন্ডেশনের ও বাংলাদেশ আওয়ামী নির্মাণ শ্রমিক লীগ এর সভাপতি মো: দুলাল হোসেনের সভাপতিত্বে সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক টিংকু পালিত। অনুষ্ঠানটির সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেচ্ছা মুজিব শ্রমিক ফাউন্ডেশন। ঐতিহাসিক জাতীয় শ্রমিক দিবস উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মরণোত্তর সংবর্ধনা পেয়েছেন যাঁরা- জননেতা এম.এ. আজিজ, জহুর আহমদ চৌধুরী, এম.এ. মান্নান, ওসমান সরওয়ার আলম চৌধুরী, আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু, এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী, ্এস.এম. জামাল উদ্দিন, সেকান্দর হায়াত খাঁন ও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা নেপাল চন্দ্র দত্ত। নেতৃবৃন্দ বলেন, শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠার শেখ হাসিনার সরকার নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে সফল হয়েছেন। সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ন্যায় যাতে সাধারণ শ্রমিকরা ন্যায্য মজুরী পায়, সেজন্য এই সরকারের শ্রমনীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করে প্রশংসা অর্জন করেছেন। পরিশেষে কক্সবাজার বারোয়াখালী লবণের মাঠ ভরাট না করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি জোর দাবি জানান। এখানে প্রায় ১শ পরিবার এই লবণ বিক্রি করে দিনযাপন করেন। তাই এদের কথা বিবেচনা করে অনাবাদি চাষী ভূমিতে উৎস গ্রাম করার জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু। প্রেস বিজ্ঞপ্তি