প্রকাশ : 2018-05-19

গোল্ডেন শু পুরস্কারের দোরগোড়ায় মেসি

ইউরোপিয়ান গোল্ডেন শু পুরস্কারের দাবি আরো জোরালো হলো লিওনেল মেসির। আর এবার এ পুরস্কার পেলে তিনি ছাড়িয়ে যাবেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে। উভয়ের ঝুলিতে রয়েছে চারটি করে গোল্ডেন শু পুরস্কার। রোববার ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ ফুটবল লীগের খেলা শেষে এমন পুরস্কারে প্রতিদ্বন্দ্বী বাকিদের অনেকটাই পেছনে ফেলেছেন বার্সেলোনার আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড লিওনেল মেসি। বার্সেলোনার এক ম্যাচ বাকি রেখে স্প্যানিশ লা লিগায় মেসি পেয়েছেন ৩৪ গোল। যদিও বার্সেলোনার সর্বশেষ ম্যাচে দলের বাইরে ছিলেন মেসি। রোববার পর্দা নেমেছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগ আসরের। এতে সম্ভাবনা শেষ মোহাম্মদ সালাহ ও হ্যারি কেইনের। এবারের ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগে সালাহ ৩২ ও কেইন পেয়েছেন ৩০ গোল। এবার সুযোগ খোলা আছে কেবল চিরো ইম্মোবিলে, মাউরো ইকার্দি ও এডিনসন কাভানির। তবে, মেসিকে ছাড়িয়ে যেতে হলে অসাধারণ কিছু করে দেখাতে হবে তাদের। সিরি আ ফুটবল লীগে শেষ ম্যাচে ছয় গোল চাই ইম্মোবিলের। আর ইকার্দির চাই সাত গোল। ইতালিয়ান লীগে নিজেদের শেষ ম্যাচে ইকার্দির ইন্টার মিলানের মুখোমুখি হবে ইম্মোবিলের ল্যাজিও। আসরে ইতালিয়ান স্ট্রাইকার ইম্মোবিলে ২৯ ও আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড ইকার্দি পেয়েছেন ২৮ গোল। মেসির মুঠো থেকে গোল্ডেন শু পুরস্কার ছিনিয়ে নিতে ফরাসি লীগ ওয়ানের শেষ ম্যাচে কাভানির চাই সাত গোল। প্যারিস সেইন্ট জার্মেইর (পিএসজি) জার্সি গায়ে চলতি মৌসুমের এক ম্যাচ বাকি রেখে ২৮ গোল রয়েছে কাভানির ঝুলিতে। তবে, আফসোস হতে পারে বেনফিকার ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার হোনাস গনসালভেস অলিভিয়েরার। পর্তুগিজ শীর্ষ লীগে এবার মেসির সমান ৩৪ গোল পেয়েছেন হোনাস। তবে, পর্তুগিজ লীগের জন্য গোলপ্রতি ধরা হয় ১.৫ পয়েন্ট। এ কারণে তালিকার অষ্টম স্থানে অবস্থান করছেন হোনাস। ক্যারিয়ারে মেসি গোল্ডেন শু পুরস্কার জিতেছেন ২০০৯-১০, ২০১১-১২, ২০১২-১৩ ও ২০১৬-১৭ মৌসুমে। রোনালদোর হাতে এ পুরস্কার ওঠে ২০০৭-০৮, ২০১০-১১, ২০১৩-১৪ (যুগ্ম) ও ২০১৪-১৫তে। এবারের ইউরোপিয়ান গোল্ডেন শু পুরস্কারের দৌড়ে ২৫ গোল নিয়ে তালিকার নবম স্থানে রয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের এ পর্তুগিজ স্ট্রাইকার। লীগের সর্বোচ্চ গোলদাতা খেলোয়াড় ক্লাব আসর পয়েন্ট (গোল) লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা) বার্সেলোনা স্পেন ৬৮ (৩৪) মোহাম্মদ সালাহ (মিশর) লিভারপুল ইংল্যান্ড ৬৪ (৩২) হ্যারি কেইন (ইংল্যান্ড) টটেনহ্যাম ইংল্যান্ড ৬০ (৩০) চিরো ইম্মোবিলে (ইতালি) ল্যাজিও ইতালি ৫৮ (২৯) রবার্ট লেভানদস্কি (পোল্যান্ড) বায়ার্ন মিউনিখ জার্মানি ৫৮ (২৯) এডিনসন কাভানি (উরুগুয়ে) পিএসজি ফ্রান্স ৫৬ (২৮) মাউরো ইকার্দি (আর্জেন্টিনা) ইন্টার মিলান ইতালি ৫৬ (২৮) হোনাস অলিভিয়েরা (ব্রাজিল) বেনফিকা পর্তুগাল ৫১ (৩৪) রোনালদো (পর্তুগাল) রিয়াল মাদ্রিদ স্পেন ৫০ (২৫) লুইস সুয়ারেজ (উরুগুয়ে) বার্সেলোনা স্পেন ৫০ (২৫)