প্রকাশ : 2018-05-20

তরুণ জনশক্তি হয়ে উঠুক মানবপুঁজি

সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ প্রতিবছর বেকার থেকে যাচ্ছে। তাদের কর্মসংস্থান হচ্ছে না। কয়েক বছর ধরে দেশে বিনিয়োগ কম হওয়ায় শিল্প খাতে নতুন প্রকল্প হচ্ছে কম। সরকারি খাত বড় কিছু বিনিয়োগ হলেও এতে কর্মসংস্থানের গতি খুবই ধীর। অন্যদিকে দেশের আইটি খাতে চাহিদার তুলনায় বর্তমানে শ্রমিক কম রয়েছে ১৭ লাখ ২৭ হাজারের বেশি। সঙ্গে রয়েছে মধ্যম সারির কর্মকর্তা সংকটও। ফলে অনেক বেশি বেতনে বিদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি আনতে হচ্ছে বিভিন্ন সেক্টরে। বর্তমানে বাংলাদেশ ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, চীনসহ বিভিন্ন দেশের প্রায় ১০ লাখ ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারী পেশাজীবী বিভিন্ন এনজিও, তৈরি পোশাক, বস্ত্র খাতসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন। বছরে তারা বাংলাদেশ থেকে নিয়ে যাচ্ছেন ২০ হাজার কোটি টাকা। ইউএনডিপি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে এ দেশে বেকারের সংখ্যা সাড়ে তিন কোটি। তার মধ্যে শিক্ষিত বেকার হচ্ছে ২ কোটি ২০ লাখ। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন বেসরকারি খাতে শ্রমিক ও প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন জনবলের দরকার হয় ৭০ শতাংশ। কিন্তু বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিতদের ৯০ শতাংশই সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত, যার সঙ্গে শিল্প-কারখানা ও ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা সর্ম্পক থাকে না। চাকরি বা সন্তোষজনক চাকরি পাওয়া নিয়ে সাধারণ শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত তরুণদের মধ্যে হতাশা ক্রমেই বাড়ছে। অথচ শিক্ষা পরিচালনা কর্তৃপক্ষ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন নতুন বিভাগ খুলছেন, কিন্তু এসব বিভাগের আদৌ প্রয়োজন আছে কি না, তা পরখ করে দেখছেন না। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার উপাত্ত মতে, বাংলাদেশের শ্রমশক্তি বছরে গড়ে ২ শতাংশ হারে বাড়ছে। এক হাজার শূণ্যপদের বিপরীতে এক লাখ মানুষের আবেদন পড়লে তা কাজের কথা নয়। সরকারের কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষার ভূমিকা ছাড়া এই বিপুল মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এর জন্য দরকার যথাযথ রাষ্ট্রীয় নীতি, যা সব সরকারকে মেনে চলতে হবে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র শুধু বিশেষ গোষ্ঠীর স্বার্থ দেখবে না, তাকে সবারটাই দেখতে হবে। সকলের কর্মক্ষম শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। আমরা ১৯৭১ এর ত্যাগের মহিমাকে ধারণ করে নিজস্ব শক্তিমত্তার ওপর দাঁড়িয়ে দেশ পরিচালনায় না গিয়ে খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, প্রশাসন সবকিছুর জন্য বিদেশিদের সাহায্যের ওপর নির্ভর করেছি। এতে শ্রেণি বিশেষের বিত্তবৈভব বাড়লেও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান তেমন বাড়েনি। শিক্ষা হয়ে পড়েছে অর্জনমুখী, কর্মমুখী নয়। কর্মঅর্জন শিক্ষায় বিকল্পতার কারণে এখনও মোট জনগোষ্ঠীর এক-চতুর্থাংশ অর্থাৎ প্রায় চার কোটি মানুষ দারিদ্রসীমার নিচে বাস করছে। আজও মাত্র ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা বেতনের চাকরির আশায় নৌকা ভর্তি হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্র পাড়ি দিতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করছে। সচ্ছল জীবনের আশায় দেশের মেয়েরা মধ্যপ্রাচ্যে শেখদের হাতে দৈহিক, মানসিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছে, যা শুধু দুঃখজনক নয়, বিপুল আত্মত্যাগ পাওয়া স্বাধীন দেশের জন্য অমর্যাদাকর। এতকাল উন্নয়নের অন্তরায় হিসেবে শুধুই অভাবের কথা বলা হতো। এখন কিন্তু তা নয়। অর্থ এখন গৌণ। মূখ্য বিষয় শিক্ষার বিষয় বৈচিত্র্যতা। গতানুগতিক শিক্ষার ধারা থেকে বেড়িয়ে আসা। কর্মের হাতছানি দেওয়া শিক্ষাকে প্রতিপালন করা। অথচ আমরা দেখি ২০১৭ সাল বাংলাদেশের জাতীয় জীবনে আরও অনেক গুরুতর চ্যালেঞ্জ রেখে গেছে, যেগুলো এ বছর এবং তারও পরে জাতির ভবিষ্যতের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠবে। ক্রমেই এক অন্ধকারের মধ্যে আমরা প্রবেশ করছি। বিগত কিছু ঘটনা পর্ববেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করলে মনে হয়, আমাদের জাতিয় গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোকে পঙ্গু করতেই সুপরিকল্পিত ও ধারাবাহিকভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে। এই আক্রমণ ভেতর ও বাইরে- দুই জায়গা থেকে হচ্ছে। আক্রমণ হচ্ছে আমাদের তরুণ সমাজের ওপর মাদক নামক হাতিয়ারের ব্যবহারের মাধ্যমে। আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে অর্থনৈতিক অঙ্গনে ব্যাংক লুট আর হাজার হাজার কোটি টাকা দেশ থেকে পাচারের মাধ্যমে। কত হাজার কোটি টাকা এ পর্যন্ত পাচার হয়েছে, তার সঠিক পরিসংখ্যান নেই। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে শুরু করে সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকগুলো নির্লজ্জভাবে লুণ্ঠিত হচ্ছে। আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু হিসেবে সাংস্কৃতিক অঙ্গনও আছে। আমাদের তরুণদের লক্ষ্যবস্তুতেই আঘাত করছে। শুধু চাকরি করাটাই জীবনের লক্ষ্য হতে পারে না। আমদের উদ্যোক্তা হওয়ার মানসিকতা অর্জন করা জরুরি। উদ্যোক্ত হওয়াটা নিজের নয়, সমাজ ও জাতির রাষ্ট্রকে এর জন্য শিক্ষা, প্রযুক্তি, অবকাঠামো, উপকরণ যোগানের ব্যবস্থা করতে হবে। সহজে ব্যাংক ঋণ সরবরাহ করতে হবে। এক্ষেত্রে বিপরীত চিত্র দেখি। যাঁরা ঋণ ফেরত দেবেন না, তাঁদেরই ঋণ দেওয়া হচ্ছে। এতে প্রকৃত উদ্যোক্তারা ঋণ পাচ্ছেন না। এটা আর্থিক খাতের সুশাসনজনিত সমস্যা, যার সমাধান করতে পারে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সরকার। বর্তমান পৃথিবী দ্রুত পরবর্তনশীল, পরিবর্তনই তার একমাত্র নিয়তি। দৈনন্দিন জীবনে পরিবর্তন আনতে প্রতিনিয়ত আসছে নিত্যনতুন প্রযুক্তি। এ কারণে প্রযুক্তিবিশ্বের কোন প্রযুক্তিগুলো শীর্ষে থাকবে, তা বলা কঠিন। তবে প্রযুক্তিবিশ্লেষকদের মতে, ২০১৮ সালে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ক্রিপ্টো-কারেন্সি ও স্বচালিত বাহন- তিন ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসবে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, স্যোশাল মিডিয়া বিহেভিয়ার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিস্তৃত ব্যবহার, ব্যবসায় ডিপ লার্নিং, এআই ও আইওটিভিত্তিক আর্থিক সেবা এবং অগমেন্টেড রিয়ালিটিতে ব্যাপক অগ্রগতি ঘটবে। এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ব্যাংকিং খাতে ইন্টারনেট অব থিংস বা আইওটির ব্যবহার বাড়বে। ইউরোপে লেনদেন সেবা নিয়ে নতুন নীতিমালা প্রকাশ করা হবে। এতে আর্থিক খাতের প্রযুক্তি বা ফিনটেকভিত্তিক স্টার্টআপগুলো ব্যাংক গ্রাহকদের তথ্য কাজে লাগানোর সুযোগ পাবে। এতে ব্যাংকিং খাতে নতুন উদ্ভাবনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বছরটায় আমাদের ব্যবহার করা অনেক যন্ত্র যেমন চাবির রিং, স্মার্টফোন, ইন্টারনেটে যুক্ত গাড়ি, স্মার্টঘড়ি লেনদেনের যন্ত্র হিসেবে আবির্ভূত হবে। ২০১৯ সালের মধ্যে ৫জি ফোন বাজারে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। সে হিসেবে ৫জি নেটওয়ার্ক চালুর বেশিরভাগ কাজ সম্পন্ন করতে হবে ২০১৮ সালের মধ্যেই। ইতোমধ্যে কয়েকটি দেশে ৫ জি নিয়ে জোর প্রস্তুতি চলছে। পরীক্ষামূলকভাবে একাধিবার চালু করে দেখা গেছে, তাতে ৪জির তুলনায় ১০ গুণ পর্যন্ত বেশি গতির ইন্টারনেট পাওয়া সম্ভব, যা ইন্টারনেট অব থিংসের ব্যবহার আরও বাড়িয়ে দেবে। এখন শুরু হবে পঞ্চম প্রজন্মের নেটওয়ার্ক। এবছর রাস্তায় নেমে আসবে রোবট। রেস্তোঁরা কিংবা হাসপাতালে মানুষকে সাহায্য করতে বা খাবার সরবরাহের কাজে রোবট নিয়ে কাজ করছে অনেক প্রতিষ্ঠান। এ রোবটগুলো জিপিএস, সেন্সর ও ক্যামেরার সাহায্যে চলাচল করে। এর সংখ্যা বাড়বে এবছরে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলেজিন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে প্রবেশ করেছি আমরা। এই প্রযুক্তি দিন দিন শুধু যে উন্নত হচ্ছে তা নয়, একই সঙ্গে বাড়ছে এর ব্যবহারও। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের ক্ষেত্রও বাড়ছে প্রতিনিয়ত। আগে শুধু কিছু গেম এবং মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য এ প্রযুক্তির ব্যবহার সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন নিত্যনতুন প্রায় সব ধরনের প্ল্যাটফর্ম, অ্যাপ কিংবা ডিভাইসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা জুড়ে দেওয়ার হচ্ছে। এসবের সাথে সংযুক্তির মেলবন্ধন সমসাময়িক শিক্ষা দিকদর্শনভিত্তিক শিক্ষা বৈক্যলের ফলে তরুণের প্রতিভা ও মেধাশক্তি থাকলেও তা প্রকাশের ক্ষেত্রে একধরনের আত্মকেন্দ্রিকতা তৈরি হয়েছে। তবে ঢালাওভাবে বিষয়টি সত্য নয়। সামাজিক, বৈজ্ঞিানিক, মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণে উল্লেখ করা যেতে পারে যন্ত্রমানব সোফিয়াকে দেশে আনার মাধ্যমে একটা ইতিবাচক ঘটনা ঘটেছে। সোফিয়াকে আনার পর আমরা জানতে পেরেছি, আমাদের মেধাবী তরুণরা ডিজিটাল বাংলাদেশের মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়েছে। আমাদের মতো দেশে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে ডিপ্লোমা শিক্ষার অভাব। এটা না থাকায় দেশে প্রযুক্তিদক্ষ লোকবলের অভাবে কাক্সিক্ষত হারে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ছে না। পণ্য ও পেশাভিত্তিক ডিপ্লোমা প্রযুক্তিবিদ নিশ্চিত করতে পারে সরকার। সরকার যদি বিনিয়োগ বাড়ানোর পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে, তাহলে বেকারত্ব সমস্যা এমনিতেই অনেকটা ঘুচে যাবে। এটাই এখন সবচেয়ে বেশি জরুরি। অন্যদিকে আমাদের মধ্যবিত্তের মানসিকতায়ও পরিবর্তন আনা জরুরি। তাদের ছেলে মেয়েরা যেন ডিপ্লোমা শিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী হয়। ক্ষুদ্র ভূখ-ের অধিক জনসংখ্যার ঘনবসতির এই দেশকে গড়ে তুলতে দিন-রাত পরিশ্রম করতে হবে প্রতিটি তরুণকে। আজ ও আগামীর বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে তরুণদের মধ্যে এর ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করতে হবে। যেখানে নেতিবাচক বিষয়গুলো হবে নির্বাসিত। শিক্ষাও প্রযুক্তিকে উপেক্ষা করে দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব না। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের পথে বিশ্ব। এই বিপ্লবের প্রধান হাতিয়ার তথ্যপ্রযুক্তি। আর তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমেই ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করছে সরকার। এই কার্যক্রম আরও বেগবান করতে ডিপ্লোমা শিক্ষাকে তৃণমূলে প্রসার ঘটাতে হবে। প্রতিবছর ১৪ লক্ষ তরুণ এসএসসি পরীক্ষা উত্তীর্ণ হয়। এরমধ্যে ১১ লক্ষই গ্রামের কৃষক, শ্রমিক, জেলে, তাঁতী, কামার, কুমারের ছেলে। তারা দুর্গম হাওর, বাওড়, দ্বীপ, উপকূল, বরেন্দ্র, পাহাড়, পর্বত সীমান্তের অধিবাসী। তাদের মেধা ও মণনে শহরের আলালের দুলালের চেয়ে কম নয়। তাদের রোগ প্রতিরোগ ক্ষমতা বেশী। সামান্য সোহাগ ভালবাসা দিক নির্দেশনা অর্থ ও মামার জোরের অভাবে তারা সামনের দিকে অগ্রসর হতে পারে না। অথচ গ্রামকে ব্যাপকভাবে উপেক্ষা করা হয়। তারা শহরমুখী হয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়। গ্রামে যদি গ্রাম বাংলার গর্বিত সন্তানদের সম্মান ও কদর না থাকে তাহলে তারা গ্রামে যাবে কেনো? মনে রাখতে হবে গুণীর কদর যে সমাজে নেই সে সমাজে গুণী জন্মায় না। তারপরও নাড়ির টানে আমাদেরকে গ্রামে যেতে হবে, গ্রামকে বাঁচাতে হবে, রক্ষা করতে হবে গ্রামের পরিবেশকে। আমাদের অনিন্দ্য-সুন্দর গ্রামগুলোকে সব দিক থেকেই এগিয়ে নিতে হবে। এছাড়া যে আমাদের গত্যন্তর নেই। গ্রামের অপরিচিত ছেলে মেয়েটাই ডিপ্লোমা শিক্ষা গ্রহণ করে কদিন পরে হয়ে উঠতে পারে তুমুল জনপ্রিয় কেউ। আত্মবিশ্বাস, দৃঢ়তা, প্রতিভা আর পরিশ্রম সব কিছু দিয়ে চমকে দিতে পারে সবাইকে। প্রত্যয়ী এই তরুণদের নিজেকে তুলে ধরার মঞ্চ তেরি করার সময় এখনই। গ্রামের অধিকাংশ তরুণকে ডিপ্লোমা শিক্ষার সুযোগ করে দিতে হবে। ডিপ্লোমা শিক্ষা গ্রহণ করে নিজ গ্রামে শিল্প খামার, হাসপাতাল ক্লিনিক স্কুল গড়ে তোলার আদর্শে প্রনীত হবে। বেকারমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে হলে নারী, পুরুষ, প্রতিবন্ধী সবার জন্য ডিপ্লোমা শিক্ষা। প্রতিটি উপজেলায় কমপক্ষে ১০টি সরকারি/বেসরকারিভাবে কৃষি, ভেটেরিনারি, লেদার, পলিটেকনিক, টেক্সটাইল, মেডিক্যাল টেকনোলজি, নার্সিং, ইনস্টিটিউট অব প্রাইমারি অ্যাডুকেশন, মেডিকেল ও ডেন্টাল অ্যাসিস্ট্যান্ট স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে হবে। ইনস্টিটিউট স্থাপনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শিক্ষা-দীক্ষা ব্যবসা-বাণিজ্যে গ্রামগুলোতে প্রাণ চাঞ্চল্য ফিরে আসবে। পূরণ হবে সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার বাস্তবভিত্তিক রূপরেখা। খন রঞ্জন রায়, মহাসচিব ডিপ্লে¬ামা শিক্ষা গবেষণা কাউন্সিল, বাংলাদেশ। [email protected]