প্রকাশ : 2018-07-04

কোয়ার্টারে ইংল্যান্ড

নকআউট পর্বের প্রায়সব ম্যাচই উত্তেজনার রেণু ছড়িয়েছে। ব্যতিক্রম হলো না কলম্বিয়া-ইংল্যান্ডের মহারণটাও। কাল মস্কোতে ল্যাটিন আমেরিকা ও ইউরোপিয়ান জায়ান্ট দল দুটির লড়াইটা শেষ অবধি নিষ্পত্তি হলো টাইব্রেকারে। যেখানে কলম্বিয়াকে হারিয়ে বাজিমাত করল ইংল্যান্ড। রাশিয়া বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডের শেষ লড়াইটা জমে উঠেছিল ম্যাচের শুরু থেকেই। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ম্যাচের রোমাঞ্চ উঠে গিয়েছিল বৃহস্পতির তুঙ্গে। কিন্তু মুহুর্মুহু আক্রমণের পরও গোলমুখ খুলতে পারেনি কোনো দলই। তাই নিষ্ফলাভাবেই শেষ হয়েছে প্রথমার্ধের খেলা। বিরতির পর পুরোদমে জমে ওঠে দুই মহাদেশের দুর্দান্ত লড়াইটা। অবশেষে ৫৭ মিনিটে গর্জে ওঠে গ্যালারি। এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। ৫৪ মিনিটে কর্নার কিকের সময় হ্যারি কেনকে কোমড় ধরে টানতে টানতে ডি-বক্সে ফেলে দেন কার্লোস সানচেজ। অবধারিতভাবেই পেনাল্টি পায় ইংল্যান্ড। পেনাল্টি থেকে রাশিয়া বিশ্বকাপে নিজের ছয় নাম্বার গোলটি করেন হ্যারি কেন। তন্মধ্যে ইংলিশ অধিনায়কের তিনটি গোলই হলো স্পট কিক থেকে। এতে নিজেকে সবার ধরাছোঁয়ার বাইরে নিয়ে গেলেন এই টটেনহাম স্ট্রাইকার। গোল্ডেন বুট জয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রোমেলু লুকাকু এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তারা দুজনই করেছেন সমান ৪টি গোল। শেষের জন ইতোমধ্যে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়ায় কেনের নাগাল আর তিনি পাচ্ছেন না। তিনটি করে গোল করেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে, এডিনসন কাভানি, আর্টেম ডিজুবা, ডেনিশ চেরিশেভ ও ডিয়েগো কস্টা। কেনের গোলকে অবলম্বন করে জয়ের স্বপ্নই দেখছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু নাটকটা জমে উঠল দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি টাইমে। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে কুয়াদ্রাদোর দুর্দান্ত ক্রসে মাথা ছুঁয়ে ইংল্যান্ডের জালে বল জড়ান ইয়েরি মিনা। আর তাতেই নির্ধারিত সময়ে ম্যাচটা অমীমাংসিত থাকল ১-১ গোলে। ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে। কিন্তু তাতেও দ্বিতীয়বার গোলের দেখা পায়নি কোনো দল। ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে চূড়ান্ত আশ্রয় হিসেবে নেওয়া হয় পেনাল্টি শ্যুট আউটের।