প্রকাশ : 2018-07-10

রণবীরের সঞ্জয় দত্ত হওয়ার গল্প

অনলাইন ডেস্ক: সাঞ্জু সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্তের জীবনের নানা ঘটনা নিয়ে। রাজকুমার হিরানি পরিচালিত চলতি বছরের অন্যতম আলোচিত সিনেমা এটি। গত ২৯ জুন ভারতে প্রায় চার হাজার এবং বিশ্বের ৬৫টির বেশি দেশে ১৩০০ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি। এরপর থেকেই বক্স অফিসে একের পর এক রেকর্ড গড়ে চলেছে সিনেমাটি। সিনেমাটিতে সঞ্জয় দত্তের চরিত্রে অভিনয় করেছেন রণবীর কাপুর। কিন্তু রণবীর কাপুরকে সঞ্জয় দত্ত হয়ে উঠতে অনেক কাঠ-খড় পোড়াতে হয়েছে। সঞ্জয় দত্ত হয়ে উঠার পেছনের সেই গল্প শুনিয়েছেন পরিচালক রাজকুমার হিরানি ও রণবীর কাপুর। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে এ প্রসঙ্গে রাজকুমার হিরানি বলেন, প্রথম চ্যালেঞ্জ ছিল সঞ্জয় দত্তের চরিত্রে কে অভিনয় করবেন? এমন একজনকে প্রয়োজন যে চেহারায়, কথাবার্তা ও আদবকায়দায় পুরোপরি সঞ্জয় হবেন। রণবীর সেই জায়গায় একশ-তে একশ পেয়েছেন। মূল রহস্য উন্মোচন করেছেন রণবীর কাপুর নিজেই। ঘটনা ২০১৬ সালের। হঠাৎ রাজকুমার হিরানির মেসেজ আসে রণবীর কাপুরের মুঠোফোনে। চমক শুরু তখন থেকেই। প্রথমে চরিত্রটির জন্য রাজি ছিলেন না রণবীর। পরে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন তিনি। তারপর শুরু হয় যুদ্ধ। পুরোপুরিভাবে সঞ্জয় দত্ত হয়ে উঠার আগে একের পর এক লুক টেস্ট বাতিল করা হয়। প্রস্থেটিক মেকআপের জন্য দিনে ছয় ঘণ্টা পোজ দিতে হতো রণবীকে। প্রথমে শুরু হয় সঞ্জয় দত্তের মতো চেহারা ফুটিয়ে তোলার লুক টেস্ট। এ প্রসঙ্গে রণবীর কাপুর বলেন, প্রতিদিন অন্তত ছয় ঘণ্টা প্রস্থেটিক মেকআপ টিমের সঙ্গে আলোচনায় বসতে হতো। একের পর এক লুক টেস্ট বাতিল হয়েছে। চূড়ান্ত লুক প্রকাশ্যে আসার আগে কমপক্ষে ছয়বার আমার লুক বদল করা হয়েছে। ছয় ঘণ্টা চেয়ারে বসে পোজ দিয়েছি। মেকআপ নিয়ে আলোচনা করেছি। কিন্তু দিন শেষে বলা হতো টেক ক্যানসেল। পরের দিন একইভাবে আবার বসতে হতো। লুক টেস্টের পর শুরু হয় শারীরিক কসরত। রণবীর বলেন, প্রতিদিন রাত ৩টায় উঠে এক গ্লাস প্রোটিন শেক খেতে হতো। তারপর ৮-৯টার মধ্যে মিল। সেই সঙ্গে জিম সেশন। জিম করা আমার একেবারেই অপছন্দের। তবে এই বায়োপিকে চেহারার খুবই গুরুত্ব রয়েছে। সঞ্জয় দত্তের মতো পেশি বানাতে আমাকে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ নিতে হয়েছিল। মাস খানেকের চেষ্টায় চেহারার পরিবর্তন দেখে নিজেই খুব অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। আমার শরীরে পেশির ঢেউ খেলছিল। জীবনে এমন চেহারার কথা ভাবিনি। সেটে সবাই আমাকে দেখে বলেছিল, এবার আমরা সফল হতে চলেছি।আলোকিত বাংলাদেশ