প্রকাশ : 2018-08-08

পেয়ারা চাষ করে ভাগ্য পরিবর্তন ফটিকছড়ির অাবুল মনছুর

সজল চক্রবর্ত্তী , ফটিকছড়ি ,চট্রগ্রাম : চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে পেয়ারা চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন আবুল মনসুর তিনি ফটিকছড়ি উপজেলা সুন্দরপুর ইউনিয়নের কৃতি সন্তান। তার বাপ দাদার রেখে যাওয়া জমিতে প্রায় আড়াই কানি জমিতে ফটিকছড়ি উপজেলা কৃষি অফিসারের সহযোগিতা হাটহাজারী কৃষি উন্নয়ন অধিদপ্তর হতে সাড়ে ৩ শত পেয়ারার চারা এনে গত বছর কাজী পেয়ারার চাষ করলেও এ বছর পেয়ারা ধরতে শুরু করেছে। গত একমাস আগে ফটিকছড়িতে দুইবারের বন্যায় (ফসল) পেয়ারা নষ্ট হয়েছে বলে জানিয়েছেন চাষী আবুল মনসুর। তিনি দীর্ঘদিন প্রবাস জীবন থাকার পরে ভাগ্যের চাকা পরিবর্তন করতে না পেরে তিনি আবার দেশে ফিরে এসে এক বছর বেকার জীবনযাপন করার পর তিনি হঠাৎ করে সিদ্ধান্ত নেন পেয়ারার চাষ করবেন । এজন্য তিনি সহযোগিতা নেন ফটিকছড়ি উপজেলা কৃষি অফিসার লিটন দেব নাথের। আবুল মনসুর আরও জানিয়েছেন দীর্ঘ ১৫ বছর প্রবাস জীবন থাকার পর তিনি ভাগ্য পরিবর্তন করতে না পেরে প্রবাস জীবন ছেড়ে এসে বেকার জীবন যাপন করার পর তিনি পেয়ারা চাষ করতে বাপ দাদার রেখে যাওয়া কিছু সম্পদ তিনি বন্ধক রেখে, কিছু জমিতে পেয়ারা চাষ করবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সহযোগিতা নিয়ে চট্টগ্রামের হাটহাজারী হতে ২০ টাকা করে পেয়ারা গাছের চারা এনে রোপণ করেন। গত এক বছর তিনি নিজে ও এলাকার কিছু শ্রমিক নিয়ে কাজ করার পরে এ বছর তার গাছে পেয়ারা ফসল দেখে মনটা ভরে উঠলো বলে জানিয়েছেন। তিনি আরো বলেন, ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস যখন আমি পেয়ারা তুলতে যাব এর আগে বন্যার আমার ফসল অনেক নষ্ট হয়ে যায়। এর পরও আমি ভেঙ্গে পড়েনি তারপরও পরিশ্রম করে যাচ্ছি প্রতিদিনই এ পেয়ারা বাগান থেকে ৮০ থেকে ১০০ কেজি পেয়ারা তুলে স্থানীয় বাজার ফটিকছড়ি বিবিরহাট বাজার, নাজিরহাট বাজারে পাইকারি দরে বিক্রি করি। প্রথম প্রথম আমি নিজেও বিক্রি করি প্রতি কেজি ১০০ টাকা, এবং পরবর্তীতে ৬০ থেকে ৫০ টাকা করে বিক্রি করতে পেরেছি এখন শেষ পর্যায়ে এসে ৩০ টাকা করে বিক্রি করছি। আমি মনে করছি আরও তিন থেকে চার মাস পর্যন্ত বিক্রি করতে পারব। গত এক বছরে প্রায় তিন লাখ টাকা খরচ হয়েছে বলে জানিয়েছেন এবং পেয়ারা বিক্রি করে প্রায় লাখ টাকা উঠে এসে। আমি আশাবাদী এই ফসল বিক্রি করে আমি লাভবান হতে পারব। তার পিয়ারা বাগান ফটিকছড়ি উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের হালদা নদীর তীরে অবস্হিত। সে সুন্দরপুর ইউনিয়নের আজিমপুর গ্রামের কাসেম আলীর বাড়ির হাছি মিয়ার পুত্র।

সারা দেশ পাতার আরো খবর