প্রকাশ : 2018-08-08

সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারীদের খুঁজছে সরকার

অনলাইন ডেস্ক :শিক্ষার্থীদের অান্দোলনে সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারীদের খুঁজে বের করতে সরকার কাজ করছে ব‌লে জা‌নি‌য়েছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং দলের অন্যতম মুখপাত্র ড. হাছান মাহমুদ। বুধবার (৮ অাগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত ‘বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৮৮তম জন্মদিন’ উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। হাছান বলেন, যারা শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনে উস্কানি দিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করেছে এবং সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালিয়েছে তাদের চিহ্নিত করে খুব শিগগির আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের এই অান্দোলনে ২৫-৩০ বছরের যুবকদের স্কুলের ড্রেস পরিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থী বানিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ায় একটি মহল প্রচণ্ড হতাশ। এরা কারা? এরা বিএনপি-জামায়াত ও ১/১১-এর কুশীলব। সেই ১/১১-এর কুশীলবদের নেতা ছিলেন ড. কামাল হোসেন। তিনি ওয়ান-ইলেভেনের পরবর্তী সরকারের সময় বিবৃতি দিয়ে বলেছিলেন 'এ সরকার যতদিন ইচ্ছা ততদিন ক্ষমতায় থাকতে পারবে' অর্থাৎ তিনি ১/১১-এর কুশীলবদের নেতা ছিলেন। সাবেক বন ও পরিবেশ মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, অাগস্ট মাস বাঙালির জন্য শোকের মাস। এ বছরও অাগস্ট মাসকে ঘিরে কুচক্রী মহল বিএনপি-জামায়াত এবং ১/১১-এর কুশীলবরা দেশে একটি বিশেষ পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করেছিল। এমনকি সাম্প্রতিক শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ভর করেও দেশে একটি বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি করতে চেয়েছিল। শিক্ষার্থীদের এই অান্দোলনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ আমরা সবাই তাদের সমর্থন দিয়েছিলাম। কিন্তু পরে দেখলাম এই অান্দোলনে বিভিন্ন বয়সের বিএনপি-জামায়াতের ক্যাডাররা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঢুকে পড়েছে। তিনি বলেন, এখন ১৪ কোটি মানুষের হাতে ক্যামেরা এবং রাস্তায় সিসি ক্যামেরা, সুতরাং কোনো কিছুই লুকানোর সুযোগ নেই। ফলে অামীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, মাহমুদুর রহমান মান্না, ফজলুল হক মিলন, অাসিফ নজরুলসহ সবাই কোমলমতিদের উস্কানি দিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করেছে। অাবার কিছু কিছু অভিনেত্রী এমন অভিনয় করলেন যেন সবকিছু নিজের চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছেন। অাপনারা নাচ-গান নিয়েই থাকতেন। অাপনারা কেন শিশু-কিশোরদের উস্কানি দিতে গেলেন। গুজব রটনাকারী এসব অভিনেত্রীর পেছনেও কারা অাছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, যারা এই ষড়যন্ত্র করেছে, যারা পিছন থেকে বাতাস দিয়েছে এবং দিচ্ছে তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হোক। যেন দেশে এ ধরনের বিশৃঙ্খলা আর কেউ সৃষ্টি করতে না পারে। আয়োজক সংগঠনের উপদেষ্টা লায়ন চিত্তরঞ্জন দাশের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, খাদ্যমন্ত্রী এ্যাড. কামরুল ইসলাম এমপি, বিচারপতি সামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, আওয়ামী লীগ নেতা বলরাম পোদ্দার, বেলজিয়াম আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর অালম চৌধুরী রতন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি অাবু জাফর সূর্য, অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস, কণ্ঠশিল্পী এস.ডি রুবেল, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা প্রমুখ।

রাজনীতি পাতার আরো খবর