প্রকাশ : 2017-12-24

শীগ্রই কমছে পেঁয়াজের দাম অপরিবর্তিত থাকছে চলের দাম

এক মাসেই ৩০ টাকায় নামবে পেঁয়াজের দাম, আপাতত কমছে না চালের ।আগামী এক মাসের মধ্যেই রাজধানীর বাজারে পেঁয়াজের দর নেমে আসবে ৩০-৩৫ টাকায়, এমন আশা পাইকারি পর্যায়ে। ব্যবসায়ীদের যুক্তি নতুন পেঁয়াজ আমদানির সঙ্গে ক্রমেই উন্নতি হচ্ছে পরিস্থিতিরও। তবে, ব্যতিক্রম চালের বাজার, আড়তদাররা বলছেন, নাজিরশাইল মিনিকেটের দাম কমবে না বৈশাখের আগে। এদিকে, হঠাৎ করেই অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে সব ধরনের মশলার দাম। স্বাভাবিক নিয়ম মেনে রাজধানীর পাইকারি বাজারে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে আসতে শুরু করেছে শিকড় থেকে চাষ করা পেঁয়াজ। আড়াই মিলিয়ন টন বার্ষিক চাহিদার খুব সামান্যই পূরণ হয় এ সময়ে উৎপাদিত পেঁয়াজ দিয়ে। তবে, আশার কথা হলো উন্নতি হয়েছে আমদানি পরিস্থিতির, ভারতের বাজারেও কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম। ব্যবসায়ীরা বলছেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যটির দাম ক্রেতাদের নাগালে আসতে সময় লাগবে এক মাস। ব্যবসায়ীরা বলেন, আবহাওয়া ভাল থাকলে আমাদের পেঁয়াজ উঠে যাবে। এক মাসের মধ্যে ৩০ থেকে ৪০ টাকার মধ্যে চলে আসবে। ঠিক বিপরীত চিত্র চালের আড়তে, চলতি সপ্তাহে আবারো চড়া হয়েছে দেশীয় চালের বাজার। মিনিকেট, নাজিরশাইল কিংবা আটাশ, বাজারে সরবরাহ কম প্রত্যেকটি চালের। আমদানি করা ভারতীয় চাল থাকলেও তার প্রতি আগ্রহ কম ক্রেতাদের, এমন মত পাইকারদের। তারা বলেন, দেশি আর আমদানি চালের মধ্যে আট দশ টাকা ফারাক। এই সপ্তাহে বাজার বেশি। বেনাপোল থেকে ১৫ টনের জায়গায় ১৩ টন আসছে। মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে বড় পরিবর্তন এসেছে মশলার বাজারে, এলাচ গোলমরিচ, লবঙ্গ, জিরা কিংবা বাদাম, বেড়েছে সব কিছুরই দাম। ব্যবসায়ীরা বলেন, এলাচের দাম ২০০ থেকে ২৫০ টাকা বেড়েছে। পেস্তা বাদাম ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা বেড়েছে। যারা আমদানি করে তারা বলছে ডলারের দাম বৃদ্ধির কারণে এমন হয়েছে। তুলনামুলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে গুড়োদুধ, চিনি, আর সব ধরণের ডালের দাম। বোতলজাত সয়াবিনের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও প্রতিকেজি খোলা সয়াবিন আর পাম অয়েলের দর বেড়েছে কিছুটা।

অর্থ-বাণিজ্য পাতার আরো খবর