প্রকাশ : 2018-01-02

বই উৎসবের মধ্য দিয়ে সারাদেশের স্কুলগুলোতে উদযাপিত হলো নতুন বছরের প্রথম দিন

বই উৎসবের মধ্য দিয়ে সারাদেশের স্কুলগুলোতে উদযাপিত হলো নতুন বছরের প্রথম দিনটি। সোমবার সকালে রাজধানীর আজিমপুর সরকারি গার্লস স্কুলে শিক্ষামন্ত্রী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে গণশিক্ষামন্ত্রী বই উৎসবের উদ্বোধন করেন। বই হাতে পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছিল উৎসবের আমেজ। এবার সারাদেশে ৪ কোটি ৩৭ লাখ ৬ হাজার ৮৯৫ জন শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যে বই তুলে দেয়া হয়। এ যেন এক বইয়ের ভুবন। হাতে বই আর মুখে স্বপ্নের ঝিলিক। একটুকরো আগামীর বাংলাদেশ। শীতের পরশমাখা স্নিগ্ধ সকাল, আনন্দ-উচ্ছ্বাস আর উদ্দীপনায় ভরা। বছরের প্রথম দিন রঙ্গিন বই পাওয়ার রীতি তো চিরচেনা। তবুও প্রাণের সজীবতার কমতি ছিলনা এতটুকু। হাতে যখন নতুন বই আনন্দ তখন বিহঙ্গের মতো উড়ছে আকাশে। শিক্ষার্থীরা বলেন, আজ বই পেয়ে খুবই ভালো লাগছে। এমন উৎসব প্রতিবছরই হওয়া উচিত। আমরা খুবই উপভোগ করেছি। উপচে পড়া এই আনন্দের ভাগীদার অভিভাবকরাও। তাদের প্রত্যাশা, নতুন সম্ভাবনায় এগিয়ে যাবে তাদের সন্তানরা। অভিভাবকরা বলেন, বিশাল উৎসবের মাধ্যমে বই পাচ্ছে বাচ্চারা। বাচ্চাদের মতো আমরাও খুবই খুশি। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি এই উৎসব শিক্ষকদের কাছেও সমান আনন্দের। তারা বলেন, আমরা যখন পুরাতন বই পেতাম তখন খুবই ভালো লাগত। বাচ্চারা এখন নতুন বই পাচ্ছে তাদের আনন্দের মাত্রাটা আরও অনেক বেশি। বছরের প্রথম দিন তাদের বই দিতে পেরে আমরা খুবই আনন্দিত। এবছর বই উৎসবের কেন্দ্রীয় আয়োজন ছিল দুটি। সোমবার সকালে আজিমপুর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষামন্ত্রী এবং প্রাথমিক স্তরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে গণশিক্ষামন্ত্রী উৎসবের উদ্বোধন করেন। তারা বলেন, কোমলমতি এই শিক্ষার্থীদের হাত ধরে গড়ে উঠবে মানবিক বাংলাদেশ। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখেই বই প্রণয়ন করা হয়েছে। যাতে পড়ার পাশাপাশি তারা বিষয়গুলোকে উপভোগ করতে পারে। ২০০৯ সালে শুরু হওয়া এই উৎসবে এবার প্রায় পাঁচ কোটি শিক্ষার্থীদের মাঝে বই বিতরণ করা হল। নির্ভুল বইয়ে গড়ে উঠবে স্বপ্নের আগামী, বিকশিত শিশু সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।

জাতীয় পাতার আরো খবর