প্রকাশ : 2018-12-06

চূড়ান্ত মনোনয়নের চিঠি বিতরণ শুরু মহাজোটে

অনলাইন ডেস্ক: আগামী জাতীয় নির্বাচনের লড়তে দলের চূড়ান্ত মনোনয়নের চিঠি বিতরণ করছে আওয়ামী লীগ। হাত আরো তিনদিন সময় থাকলেও আগামীকাল শুক্রবারের মধ্যেই প্রার্থিতা চূড়ান্ত করার কথা জানিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলীয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির বৈঠকে এ কথা জানান ক্ষমতাসীন দলের নেতা। গত ২৫ নভেম্বর বিভিন্ন আসনে দলের প্রার্থীদের মনোনয়নের চিঠি দেয় আওয়ামী লীগ। আর যাচাইবাছাই শেষে ২৬৬ আসনে দলের ২৭৮ জন বৈধ প্রার্থী থেকে যায়। এর মধ্যে ১২টি আসনে একজন করে বিকল্প প্রার্থী রয়েছে। আবার মহাজোট করতে জাতীয় পার্টি, যুক্তফ্রন্ট এবং ১৪ দলকেও আসন ছাড় দিতে হচ্ছে। এর মধ্যে জাতীয় পার্টিকে ৩০টি, ১৪ দলকে ১৫টি এবং যুক্তফ্রন্টকে ছয় থেকে সাতটি আসনে ছাড় দেয়ার কথা রয়েছে। এর বাইরে আরও ২০টির মতো আসন নিয়ে জোটের সঙ্গে আলোচনা চলছে। কাদের জানান, বৃহস্পতিবার থেকেই জোটের প্রার্থীদের হাতে চূড়ান্ত মনোনয়নের চিঠি তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। আগামীকাল শুক্রবারের মধ্যে ৩০০ নির্বাচনী আসনের প্রার্থীদের হাতে এই চিঠি পৌঁছে যাবে। আমাদের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দলের এবং জোটের মনোনয়ন নিশ্চিত করা। আমরা আমাদের নেত্রী দলের সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ইতিমধ্যে দলের এবং জোটের মনোনয়ন প্রক্রিয়া শেষ করেছি। আওয়ামী লীগের জন্য মনোনয়ন প্রক্রিয়া সহজ ছিল না জানিয়ে কাদের বলেন, দল অনেকদিন ধরে ক্ষমতায়, অনেক প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিল এবং জমা দিয়েছে। এর মধ্য থেকে সঠিক প্রার্থী বাছাই করা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ ছিল। তারপরও একটা সুবিধা ছিল আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত সাত বছর ধরে ছয় মাস অন্তর অন্তর সার্ভে রিপোর্ট সংগ্রহ করেছেন। পাঁচ থেকে ছয়টি দেশি-বিদেশি সংস্থা এই জরিপ কার্য সম্পাদন করেছে। ছয় মাস পর পর এটা আপডেট হয়েছে। আমাদের এবারের নমিনেশনে এই জরিপ রিপোর্টগুলো মূল ভূমিকা পালন করেছে। জরিপ রিপোর্টগুলো আপডেট করাতে আমরা আমাদের প্রার্থীদের জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতার বিষয়টি পরিষ্কার হয়েছি। জরিপ এর বাইরে ও প্রশাসনিকভাবে পুলিশ প্রশাসন সিভিল প্রশাসন বিভিন্ন লেভেলেও আমরা সার্ভে করিয়েছি। শরিক এবং বিরোধী পক্ষের প্রার্থীদের নিয়ে একই প্রক্রিয়ায় জরিপ করা হয়েছে বলেও জানান কাদের। বলেন, এতে করে আমরা আমাদের প্রতিপক্ষের যেমন বিএনপি এবং অন্যান্য অপজিশন যারা আছে এলাকায়, তাদের অবস্থান কী সে সম্পর্কে কিছুটা হলেও জানতে পেরেছি। এতে শুধু আমাদের দলের অবস্থানটাই পরিষ্কার হয়নি, আমরা অন্যান্য দলের জনমত জরিপের অবস্থান বুঝতে পেরেছি। এসব বিচার-বিবেচনা করে আমরা মনোনয়ন বোর্ড কয়েক দফা মিটিং করে মনোনয়ন পর্ব শেষ করেছি।

রাজনীতি পাতার আরো খবর