বুধবার, জানুয়ারী ১৭, ২০১৮
প্রকাশ : 2018-01-04

ডিজিটাল বাস টিকেট সিস্টেম-৬ লেন ফ্লাইওভার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ফেনীর মহিপালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে আজ বৃহস্পতিবার ছয় লেনের উড়াল সেতু উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি এই উড়াল সেতু উদ্বোধন করেন। এরপরই যানবাহন চলাচলের জন্য উড়াল সেতুটি খুলে দেওয়া হয়। সকাল থেকে উদ্বোধনের অপেক্ষায় উড়াল সেতুর দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে কয়েক হাজার মানুষ জড়ো হয়। মহিপাল উড়াল সেতু ছয় লেনের হলেও দুপাশে দুই লেন করে সার্ভিস লেন চালু থাকবে। এতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট মহিপালে বস্তুত ১০ লেন সড়কই হচ্ছে। ২০১৫ সালের পয়লা এপ্রিল উড়াল সেতু প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। ২০১৮ সালের ৩০ জুন কাজ সম্পন্ন করার কথা থাকলেও সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ছয় মাস আগেই কাজটি সম্পন্ন হয়েছে। মূল উড়াল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬৬০ মিটার, প্রস্থ ২৪ দশমিক ৬২ মিটার। এতে ১১টি স্প্যান ও ১৩২টি গার্ডার রয়েছে। আছে সংযোগ সড়কও। ফেনী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ছয় লেন উড়াল সেতু উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফেনী-২ (সদর) আসনের সাংসদ নিজাম উদ্দিন হাজারী, সংরক্ষিত আসনের নারী সাংসদ জাহান আরা বেগম, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার আবদুল মান্নান, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মনির উজজামান, সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল আহমেদ জামিউল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মনোজ কুমার রায়, পুলিশ সুপার এসএম জাহাঙ্গীর আলম সরকার, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজ আহম্মদ চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী সংগঠন ও পরিবহন সমিতিসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার নেতারা। একইসময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মহিপাল এলাকায় উড়াল সেতুর দক্ষিণ পূর্ব প্রান্তে কোব্বাদ আহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে স্থাপিত নামফলকের মোড়কও উন্মোচন করা হয়। সেখানে উড়াল সেতু নির্মাণকাজে সেনাবাহিনীর সহযোগী প্রতিষ্ঠান আবদুল মোনেম লিমিটেডের প্রকল্প পরিচালক রবীন্দ্র কুমার দাস, ফেনী পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও মহিপাল এলাকার বাসিন্দা নজরুল ইসলাম মিয়াজি উপস্থিত ছিলেন। ফ্লাইওভারটি উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী অন্তঃজেলা পরিবহন যাত্রীদের কাছে মহীপাল এক সময় একটি দুঃখের স্থান ছিল উল্লেখ করে বলেন, এই এলাকার যানজটে সকলকেই ভোগান্তী পোহাতে হত। সেই ভোগান্তী লাঘবের জন্যই এই ফ্লাইওভারটি করা হয়েছে। এই ফ্লাইওভারটি ফেনী হয়ে ঢাকা, কুমিল্লা, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, পার্বত্য জেলাসমূহ, কক্সবাজার, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ভোলা, বরিশাল, ফরিদপুর, সিলেট অঞ্চলে যাতায়াতকারী বিভিন্ন যানবাহন নিয়মিত যানজটের কবল থেকে মুক্তি পাবে, স্বস্তি পাবেন যাত্রীরাও।

সারা দেশ পাতার আরো খবর