সোমবার, মার্চ ১৮, ২০১৯
প্রকাশ : 2019-02-19

টেকসই উন্নয়নের জন্য গুণগত শিক্ষার বিকল্প নেই

১৯ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি (সিআইইউ) সুদূরপ্রসারি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহফজুল হক চৌধুরী। তিনি বলেছেন, গুণগত শিক্ষা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন মানসম্মত শিক্ষক, শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি নগরের জামালখানের সিআইইউ ক্যাম্পাসের কনফারেন্স কক্ষে অনুষ্ঠিত অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন উপাচার্য। এই সময় বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য, ডিন, অধ্যাপক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহফজুল হক চৌধুরী বলেন, সিআইইউ সময়ের আগে এগিয়ে যেতে চায়। তাই শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে আরও কিছু সার্টিফিকেট কোর্স ও প্রোগ্রাম চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই এই বিশ্ববিদ্যালয়কে মডেল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছি। শিক্ষার্থী, দক্ষ শিক্ষকমণ্ডলী, পাঠ্যক্রম, পাঠ্যসূচি, ল্যাব সুবিধা, প্রশাসনিক কাজে স্বচ্ছতা, গতিশীলতা, উপযুক্ত মূল্যায়নসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর দিকে অধিক মনোযোগ দিয়েছি। উপাচার্য বলেন, শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে সর্বাগ্রে দক্ষ ও মেধাবী শিক্ষকের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছি আমরা। মানবিক মূল্যবোধ, নৈতিকতার উৎকর্ষ ও মেধার বিকাশ ঘটানোর মাধ্যমে শিক্ষাকে সবার কাছে পৌঁছে দিতে তিনি নানামুখী উদ্যোগের কথা বৈঠকে তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য সৈয়দ মাহমুদুল হক, সাফিয়া রহমান, লুৎফে এম আইয়ুব, সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক মাহমুদুল হক, অধ্যাপক ড. এম আইয়ুব ইসলাম, অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য সচিব ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার আনুজুমান বানু লিমা প্রমুখ। বৈঠকে ২০১৯ সালের অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুমোদন, টিউশন ফি, সিলেবাস আপডেট, মাঠ পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, স্কলারস ডে, ক্রিয়েটিভ রাইটারস ক্লাব গঠনসহ নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য সৈয়দ মাহমুদুল হক বলেন, চট্টগ্রামে গুণগত মান নিশ্চিত করা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা হাতে গোনা। সিআইইউ তার অন্যতম। তাই অভিভাবকদের আস্থা ধরে রাখতে আগামিতে নিজেদের সেরা শিক্ষাটা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। সাফিয়া রহমান বলেন, কর্মমুখী সিলেবাসের কার্যক্রম হিসেবে ক্লাস রুমের বাইরে অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। তবেই মেধার বিকাশ ঘটবে শিক্ষার্থীদের। লুৎফে এম আইয়ুব বলেন, আমরা এখন দেশের গন্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিকমানের শিক্ষার দিকে ধাবিত হচ্ছি। বিষয়টি নিঃসন্দেহে আনন্দের, গৌরবের। সিআইইউ এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে এমনটা চাওয়া আমার। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর