বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯
প্রকাশ : 2019-06-09

বহুবার বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী

৯জুন২০১৯,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরে যেতে হবে।এবিষয়ে চীন, রাশিয়া, ভারত সহ সব দেশ একমত। কিন্তু মুস্কির হচ্ছে মিয়ানমারকে নিয়ে। তারা রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে চায় না। আমরা চেষ্টা করছি রোহিঙ্গারা যাতে তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে পারে। তিনি বলেন,আমরা তো চুক্তি করেছি। সব রকম ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাদের (মিয়ানমার সরকার) সঙ্গে যোগাযোগও আছে। কিন্তু ওইভাবে তাদের সাড়াটা পাই না।রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার আগ্রহী না। ১১ দিনের ত্রিদেশীয় সফর নিয়ে রোববার বিকেলে গণভবনে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন,জাপানে সফর করেছি। চীনেও হবে। ইতোমধ্যে চীনে যাওয়ার দাওয়াত ছিল আমার। কিন্তু সে সময় বোধ হয় সংসদে জরুরি কিছু চলছিল। তখন যেতে পারিনি। আগামী জুলাই মাসে যাওয়ার দাওয়াত আছে। চীনের প্রেসিডেন্ট দাওয়াত দিয়েছেন। ৩০ জুন আমাদের বাজেট পাসের ব্যাপার আছে। বাজেট পাস হওয়ার পর চীনে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক সামিট। সামার সামিটটা হবে ওখানে।তখন যাব। বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে প্রধান মন্ত্রী বলেন,বঙ্গবন্ধুকে সবাই সম্মান করে। যদিও বাংলাদেশ থেকে বহুবার বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু ইতিহাস থেকে তো আর মুছতে পারেনি। বঙ্গবন্ধুর জীবদ্দশায় যারা ছাত্র ছিলেন, যুবক ছিলেন, আজ তাদের অনেকেই রাষ্ট্র ক্ষমতায়। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে তাদের একটা আগ্রহ আছে। কাজেই সেদিক থেকে আমাদের একটি ভালো সম্পর্ক আছে। তাড়াতাড়ি চীনে যাওয়ার একটা কর্মসূচি আছে। তিনি আরও বলেন,দাওয়াত তো এত বেশি যে, সব জায়গায় যেতে হলে দেশি থাকব কখন? সব দেশ থেকে আমাকে চায়। এখন তো বয়স হয়েছে, সব জায়গায় যাওয়া সম্ভব হয় না। তবে চীনে যাব এবার। জুলাইতে চীনে যাচ্ছি। এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন,সবাই চায় যে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান হোক। কিন্তু মিয়ানমার তাদের নিতে চায় না। এখানেই সমস্যা হয়ে গেছে। সবাই মিলে সহযোগিতা করলে একটা ব্যবস্থা হবে। না হলে এত লোকের ব্যবস্থা করা কঠিন। প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ২৮ মে থেকে ৭ জুন পর্যন্ত জাপান, সৌদি আরব ও ফিনল্যান্ড সফর করেন। ১১ দিনের সফর শেষে শনিবার (৮ জুন) সকালে তিনি দেশে ফেরেন। প্রধানমন্ত্রী তার ত্রিদেশীয় সফরের শুরুতে গত ২৮ মে জাপানের রাজধানী টোকিও যান। সেখানে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। ওই বৈঠকের পর বাংলাদেশ-জাপানের মধ্যে ২৫০ কোটি ডলারের অফিসিয়াল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিসটেন্স (ওডিএ) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সফরের দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৩১ মে সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদের আমন্ত্রণে পবিত্র মক্কা নগরীতে অনুষ্ঠিত ১৪ তম ওআইসি সম্মেলনে যোগ দেন। সৌদি সফরকালে তিনি মক্কায় পবিত্র ওমরাহ পালনসহ মদিনায় হজরত মোহাম্মাদ (সা.)-এর রওজা মোবারক জিয়ারত করেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর