প্রকাশ : 2018-01-31

মুশফিক মুমিনুলের ব্যাটিং নৈপুন্যে বড় সংগ্রহের পথে বাংলাদেশ

ব্যাটসম্যানদের দাপটে প্রথম দিনটা নিজের করে নিলো বাংলাদেশ। তামিম ইকবাল এবং মুশফিকুর রহিমের ব্যাট থেকে এসেছে ফিফটি। আর সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে অপরাজিত আছেন মুমিনুল হক। তাকে সঙ্গ দিয়ে যাচ্ছেন অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। চোটে পড়ায় দলে নেই নিয়মিত অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। তার পরিবর্তে এদিন টস করেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। চট্টগ্রামে টসভাগ্যও সহায় হয় মাহমুদুল্লাহ'র। সিদ্ধান্ত নেন আগে ব্যাট করার। অধিনায়কে সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল এবং ইমরুল কায়েস। দলীয় ৭২ রানে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। মাত্র ৫৩ বলে ৫২ রান করে দিলরুয়ান পেরেরার বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন তামিম। লাঞ্চ বিরতির আগের বলে আরেক ওপেনার ইমরুল কায়েসকে এলবিডব্লি'র ফাঁদে ফেলেন সান্দাকান। রিভিউ নিলে হয়তো বেচে যেতেন পারতেন। তবে অপরপ্রান্ত থাকা মুমিনুলের সাড়া না পাওয়ায় সাজঘরে ফেরেন ইমরুল। এরপর শুরু হয় মুমিনুল কাব্য। টেস্টের প্রথম দিনে সবচেয়ে বেশি রান করা বাংলাদেশি মুমিনুল হক। তবে যেকোনো দিনে সর্বোচ্চ রান করা ব্যাটসম্যান সাকিব আল হাসান। ওয়েলিংটনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় দিনে ২১২ রান করেছিলেন সাকিব। এদিক থেকে মুমিনুলের অবস্থান সাকিবের পরেই। এদিন আরও একটি মাইলফলক স্পর্শ করেছেন মুমিনুল। বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে দ্রুততম সময়ে দুই হাজারি ক্লাবে পা রেখেছেন মুমিনুল (৪৭ ইনিংসে)। এ ম্যাচে নামার আগে তার দরকার ছিলো ১৬০ রান। সাবলীল ব্যাটিংয়ে তামিমকে (৫৩ ইনিংসে) ছাড়িয় যান তিনি। সাকিব না থাকায় বাড়তি দায়িত্ব ছিলো মুশফিকের ওপর। দলে লিটন দাস থাকায় কিপিংও হয়তো করত হবে না। তাই আগেভাগেই ব্যাটে নামানো হয় মুশফিককে। ব্যাট হতে আস্থার প্রতিদান ঠিকই দিয়েছেন মুশি। এদিন সেঞ্চুরির সংখ্যায় তাকে স্পর্শ করেছেন মুমিনুল। মুশির সুযোগ এসেছিলো ফের মুমিনুলকে ছাড়িয়ে যাবার। তবে মাত্র ৮ রানের আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। দিনের খেলা তখন বাকি মাত্র ছয় ওভারে মতো। উইকেটে এসে শ্বাস নেবার আগেই ফিরে যান লিটন দাস। লাকমলের বলে বোল্ড হয়ে ফিরে যান তিনি। শেষ বিকেলে টাইগারদের কিছুটা অস্বস্তিতেই ফেলে দেন লাকমল। তবে মাহমুদুল্লাহ'র সঙ্গে অপরাজিত থেকেই দিনের খেলা শেষ করেন মুমিনুল। টেস্টে নিজের ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস থেকে মাত্র ৬ রান দূরে আছেন তিনি। প্রথম দিন শেষে সংক্ষিপ্ত স্কোর: বাংলাদেশ (প্রথম ইনিংস): ৩৭৪/৪ (তামিম ৫২, ইমরুল ৪০, মুশফিক ৯২, মুমিনুল ১৭৫*, মাহমুদুল্লাহ ৯*; লাকমল ২/৪৩)