প্রকাশ : 2019-07-10

গ্যাসের দাম বাড়ানোর ঘোষণা স্থগিত করুন: রিজভী

১০জুলাই২০১৯,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: কোনো প্রকার অজুহাত না দেখিয়ে অবিলম্বে গ্যাসের দাম কমাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বুধবার (১০ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর নয়পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ আহ্বান জানান রিজভী। তিনি বলেন,প্রধানমন্ত্রীকে বলবো, কোনও অজুহাত দেখাবেন না। গ্যাসের দাম কমান। গ্যাসের দাম বাড়ানোর কারণে জনজীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধিতে জনগণ ক্ষোভে ফুঁসছে বলে মন্তব্য করে রিজভী বলেন, অনতিবিলম্বে গ্যাসের দাম বাড়ানোর ঘোষণা স্থগিত করুন। অন্যথায় রাজপথে নেমে জনগণ দাবি আদায় করে নেবে। তিনি অভিযোগ করেন,গ্যাসে এই মুহূর্তে কোনও ভর্তুকি নেই। এলএনজি আমদানি করে তার ভর্তুকি দেওয়ার জন্য গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে। সরকারের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত মন্ত্রী, উপদেষ্টা এবং তাদের অত্যন্ত প্রিয়ভাজন এলএনজি আমদানিকারক ব্যবসায়ীদের বাড়তি খরচ মেটাতে জনগণের ঘাড়ে গ্যাসের দাম চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এলএনজি ব্যবসায়ীদের সুবিধা দিতে সাধারণ ভোক্তাদেরকে কেন বাড়তি দাম দিতে হবে বলেও প্রশ্ন তুলেন বিএনপির এই নেতা। পৃথিবীর সব গণতান্ত্রিক দেশে গ্যাস-বিদ্যূৎ-পানিতে ভর্তুকি দেওয়া হয় বলে উল্লেখ করে রিজভী বলেন, সরকার ভর্তুকি দেয় জনগণের টাকায়। কারণ, এই ক্ষেত্রগুলোতে ভর্তুকি দিয়ে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসসহ জীবনযাত্রার মান সহজ ও স্বস্তিদায়ক রাখা হয়। গ্যাসের দাম বাড়ার ফলে কলকারখানায় উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে। তার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে সর্বত্রই। সরকারের প্রতিটি পদক্ষেপে দুর্নীতি, অদক্ষতা এবং তারা যে দেশ পরিচালনায় অক্ষম তার প্রমাণ এই গ্যাসের দাম বাড়ানো। গত ছয় মাসে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম শতকরা প্রায় ৫০ ভাগ কমে গেছে। বিশ্ববাজারে দরপতনের এই সময়ে বাংলাদেশের গণবিরোধী সরকার গ্যাসের দাম গড়ে ৩২ দশমিক ৮ শতাংশ বাড়িয়েছে। কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্পে বেড়েছে ৪৬ শতাংশ। সার উৎপাদনে বেড়েছে ৬৪ শতাংশ।