বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১৪, ২০১৯
প্রকাশ : 2019-08-14

পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস উৎসর্গ কাশ্মীরিদের প্রতি

১৪আগস্ট,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম :বুধবার পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস পালিত হবে কাশ্মীর সংহতি দিবস হিসেবে। অন্যদিকে ভারতের স্বাধীনতা দিবস ১৫ই আগস্ট পাকিস্তান পালন করবে কালোদিবস হিসেবে। কাশ্মীরিদের প্রতি ১৪ই আগস্ট, বুধবার পুরো পাকিস্তান পালন করবে কাশ্মীর সংহতি দিবস। এদিন পাকিস্তান শাসিত আজাদ কাশ্মীরের রাজধানী হিসেবে পরিচিত মুজাফফরাবাদ সফর করবেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। জাতীয় পর্যায়ে এ দিবসটি পালনের অংশ হিসেবে তিনি এ সফরে যাবেন। সেখানে কাশ্মীরের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে তিনি আজাদ কাশ্মীরের পার্লামেন্টে বক্তব্য রাখবেন। এ খবর দিয়েছে অনলাইন ডন। এর আগে পবিত্র ঈদুল আযহার দিনে আলাদাভাবে মুজাফফরাবাদ সফরে যান পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি ও বিরোধী দল পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি। তারা রোববার রাতে আলাদাভাবে ওই শহরে পৌঁছে একসঙ্গে পবিত্র ঈদুল আযহার নামাজ আদায় করেন। এর মধ্য দিয়ে তারা কাশ্মীরের জনগণের প্রতি তাদের সমর্থন প্রকাশ করেছেন। পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস কাশ্মীরিদের প্রতি উৎসর্গ করা ও তাদের আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের প্রতি উৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটি (এনএসসি)। ভারতীয় জনতা পার্টি নেতৃত্বাধীন ভারত সরকার জম্মু কাশীরের অধিকার কেড়ে নেয়ার দুদিন পরে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এতে আরো সিদ্ধান্ত হয় যে, ১৫ই আগস্ট ভারতের স্বাধীনতা দিবস। ভারত দখলীকৃত জম্মু-কাশ্মীরে চলমান নৃশংসতা, ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘন ও কারফিউ আরোপের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এ দিনটি পাকিস্তান পালন করবে কালোদিবস হিসেবে। ওদিকে পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসের বিশেষ লোগো প্রকাশ করেছে পাকিস্তান। তাতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে কাশ্মীরি জনগণের প্রতি সংহতি। এটা তৈরি করা হয়েছে কাশ্মীর বানেগা পাকিস্তান থিমের ওপর ভিত্তি করে। এতে কাশ্মীর শব্দটি লেখা হয়েছে লাল কালিতে। এটা ব্যবহার করা হয়েছে স্বাধীনতা আন্দোলনে জীবন উৎসর্গ করা কাশ্মীরি স্বাধীনতা যোদ্ধাদের উদ্দেশে। হকাররা বিভিন্ন স্টলে বা দোকানে বিক্রি করছেন জাতীয় পতাকা, ব্যানার, ব্যাজ, জাতীয় বীরদের ছবি যারা দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলিমদের অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে অক্লান্তভাবে সংগ্রাম করে গেছেন। ছেলে ও মেয়েদের জন্য দুই রঙে তৈরি করা হয়েছে বিশেষ পোশাক। তাতে ব্যবহার করা হয়েছে সবুজ ও সাদা রঙ। এটা জাতীয় পতাকার রঙ। এসব পোশাক বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন শহরে। বিভিন্ন সংগঠন আয়োজন করছে সেমিনার, খেলাধুলা, জাতীয় সঙ্গীত ও বক্তব্য প্রতিযোগিতা। সরকার জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও স্মৃতিসৌধগুলোকে সুসজ্জিত করেছে।

আন্তর্জাতিক পাতার আরো খবর