প্রকাশ : 2019-10-12

কন্যা সন্তানের পেছনে বিনিয়োগ মানে শ্রেষ্ঠ ভবিষ্যতের পেছনে বিনিয়োগ

১২অক্টোবর,শনিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস-১৯ উদযাপন উপলক্ষে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন একটি আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্ট গভর্নমেন্টের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিমা আবদুল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এইউডব্লিও রেজিস্ট্রার ড. ডেভ ডোল্যান্ড। প্রধান আলোচক ছিলেন ইউনিসেফ বাংলাদেশ চট্টগ্রাম বিভাগের ফিল্ড অফিস প্রধান মাধুরী ব্যানার্জী। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করতে মেয়েদের জন্য বিনিয়োগ করতে হবে। কেননা মেয়েদের জন্য বিনিয়োগ মানে একটি ভাল ও শ্রেষ্ঠ ভবিষ্যতের পেছনে বিনিয়োগ করা। এরপর এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের প্রাক্তন ছাত্রী ও বর্তমানে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে কর্মরত অক্সফামের সিনিয়র পাবলিক হেলথ প্রমোশন অফিসার মৌরি রহমান রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বাল্য বিবাহের ঝুঁকি ও ভয়াবহতা সম্পর্কে তুলে ধরেন। জাতিসংঘ ২০১২ সাল থেকে ১১ অক্টোবরকে আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ছিল কন্যা শিশুর অগ্রযাত্রা, দেশের জন্য নতুন মাত্রা। এরই ভিত্তিতে কন্যা সন্তানদের বাল্য বিবাহ শীর্ষক একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের শিক্ষার্থী শ্রাবস্তী রায় নাথ। উপস্থিত ছিলেন, সংসদ সদস্য ওয়াসিকা আয়শা খান, ইনার হুইল ক্লাব চট্টগ্রামের প্রেসিডেন্ট প্রফেসর রেহেনা আলম খান, ইউসেপ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান পারভীন মাহমুদ এফসিএ এবং এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শেহরিন শাহজাহান নাওমী। আলোচনায় প্রফেসর রেহেনা আলম খান অল্প বয়সী মেয়েদের বাল্য বিবাহের কারণে তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ঝুঁকির ভয়াবহতা সম্পর্কে আলোকপাত করেন। পারভীন মাহমুদ তার বক্তব্যে বাল্যবিবাহের অন্যতম কারণ দারিদ্র্যতার ভূমিকা নিয়ে কথা বলেন। পাশাপাশি নারীর ক্ষমতায়নে অন্যতম পাথেয় হিসেবে কর্মমুখী শিক্ষার উপর জোরারোপ করেন। অধ্যাপক শেহরিন শাহজাহান নাওমী তার বক্তব্যে বাল বিবাহ প্রতিরোধে সবার অভ্যাসগত পরিবর্তনে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। সাংসদ ওয়াসিকা আয়শা খান বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে বাংলাদেশ সরকারের গৃহিত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে তুলে ধরেন। বিশেষ করে শিশু সুরক্ষা ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে ১০৯ ও ৯৯৯ হেল্প লাইনের ভূমিকা সম্পর্কে সবাইকে অবগত করেন। তিনি বলেন, মেয়ে সন্তানদের গুরুত্ব আগে পরিবারকে অনুধাবন করতে হবে, তারপর সমাজ এবং দেশ করবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর