প্রকাশ : 2019-10-17

আগামীতে ডিজিটাইল ডিভাইস রফতানিকারক দেশ হবে বাংলাদেশ

১৭অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শুধু উৎপাদক নয়, আগামীতে ডিজিটাইল ডিভাইস রফতানিকারক দেশ হবে বাংলাদেশ। এ লক্ষ্য অর্জনে দেশে ২৮টি হাইটেক পার্ক স্থাপনসহ তথ্য প্রযুতিখাতে দক্ষ জনবল গড়ে তুলতে আইটি ট্রেনিং সেন্টার ও আইসিটি ল্যাব প্রতিষ্ঠা করছে সরকার। বুধবার (১৬ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। আগামী ২০২০ সালে বাংলাদেশ ৫ বিলিয়ন ডলারের হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার ও তথ্য প্রযুক্তি সেবা রফতানি করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। পলক বলেন, দেশে প্রতিবছর পাঁচ কোটি স্মার্টফোন এবং চার লাখ ল্যাপটপ আমদানি করতে হয়। অথচ আমাদের এখানেই পাঁচ কোটি মধ্যবিত্ত গ্রাহক শ্রেণি রয়েছে যা একটি বিশাল মার্কেট। এমন অবস্থায় আমরা শুধু আমদানিকারক দেশ হিসেবে থাকতে চাই না। নিজেদের দেশে এসব ডিভাইস প্রস্তুত করে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করতে চাই। আমরা হতে চাই রফতানিকারক দেশ, ছড়িয়ে দিতে চাই মেইড ইন বাংলাদেশ। এজন্য যেসব খাতে কাজ করা দরকার সরকারি নীতি সেভাবেই প্রণয়ন করে কাজ করে যাচ্ছি আমরা। যুব উদ্যোক্তাদের সব স্বপ্ন পূরণ করতে চাই। এ লক্ষে স্টার্টআপের জন্য ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত বরাদ্দ রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সঙ্গে সম্পর্কিত ইমার্জিং টেকনোলজি নিয়ে গবেষণার জন্য প্রধানমন্ত্রী রেখেছেন ৫০ কোটি টাকা। মেলায় প্রদর্শিত ৩০টি উদ্ভাবনীর মধ্যে অনুষ্ঠানে তরুণদের শীর্ষ ১০ উদ্যোগকে মোট এক কোটি টাকার বঙ্গবন্ধু উদ্ভাবনী অনুদান তুলে দেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। এ সময় তিনি বলেন, বর্তমানের মেধাবী তরুণ প্রজন্ম বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নেবে। টানা তিন দিনের আয়োজন শেষে পর্দা নামলো ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো-২০১৯ এর। জাঁকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো দেশে প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই অনুষ্ঠান। পরে অ্যাওয়ার্ড নাইটের মধ্য দিয়ে শেষ হয় এ আয়োজন।