প্রকাশ : 2019-10-20

ভারত-বাংলাদেশ ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড প্রদান ২১ অক্টোবর

২০অক্টোবর,রবিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারত-বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নিয়ে ২১ অক্টোবর ঢাকার বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে দেয়া হবে ভারত-বাংলাদেশ ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড। বাংলাদেশ ও কলকাতার সেরা বাংলা ছবি, অভিনেতা-অভিনেত্রীসহ ১৭টি শাখায় দেওয়া হবে এই অ্যাওয়ার্ড। অনুষ্ঠানে দুই বাংলার শীর্ষ বহু তারকা উপস্থিত থাকবেন। শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) কলকাতার একটি পাঁচতারকা হোটেলে ওই পুরস্কারের লোগো উন্মোচন এবং ঐ আয়োজনের চূড়ান্ত সূচি প্রকাশ করা হয় করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, জিৎ, অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, তনুশ্রী চক্রবর্তী প্রমুখ। বাংলাদেশের পক্ষে ছিলেন অভিনেতা আলমগীর হোসেন। দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় বলেন, দুই বাংলার চলচ্চিত্র একসঙ্গে কাজ করলে পাঁচ বছরের মধ্যে বাহুবলির মতো চলচ্চিত্র তৈরি করা সম্ভব। বাংলা সিনেমাকে বাঁচিয়ে রাখতে টালিগঞ্জ এবং ঢালিউডকে হাতে হাত ধরে কাজ করতে হবে। ওই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রখ্যাত অভিনেতা আলমগীর হোসেনও উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, এখন আমাদের হাতে জিৎ আছে, ঢাকার শাকিব আছে, ঋতুপর্ণা আছে। আমরা এখন কিসে কম ওদের থেকে। আমাদের একটা সমস্যা আমি অনুভব করি, তা হলো আমাদের মানসিকতা নেই। তাই আমরা এগিয়ে আসতে পারছি না। দুই বাংলার চলচ্চিত্র হাতে-হাত ধরে এগিয়ে যাবে- এই স্বপ্ন লালন করেন দুই বাংলার চলচ্চিত্রপ্রেমী বহু শিল্পী-কলাকুশলী। সেই লক্ষ্যেই বেশ কয়েক বছর ধরে প্রখ্যাত অভিনেতা আলমগীর এবং প্রসেনজিৎসহ বেশ কয়েকজন নীরবে কাজ করে গিয়েছেন। সেই প্রচেষ্টার সফল রূপ ভারত-বাংলাদেশ ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড। ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য প্রথমবারের ভারত-বাংলাদেশ ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড-এ দুই দেশের মোট ১০টি ছবিকে চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় মনোনীত করা হয়েছে। বাংলাদেশের দিক থেকে পাঠশালা, দহন, সুপার হিরো, দেবী, নোলক এবং পশ্চিমবঙ্গের দিকের এক যে ছিল রাজা, নগর কীর্তন, সোনার পাহাড়, ব্যোমকেশ গোত্র প্রতিযোগিতায় স্থান পেয়েছে। এই অ্যাওয়ার্ড-এ দুই দেশের মোট দশজন জুড়ি সদস্য রয়েছেন। তারা হলেন, বাংলাদেশের আলমগীর হোসেন, কবরী সারোয়ার, ইমদাদুল হক মিলন, হাসিবুর রেজা কল্লোল, খুরশেদ আলম এবং পশ্চিমবঙ্গের জুড়ি বোর্ডের সদস্যরা হলেন গৌতম ঘোষ, গৌতম চক্রবর্তী, অঞ্জন বসু, ব্রাত্য বসু এবং তণুশ্রী চক্রবর্তী।