প্রকাশ : 2019-10-31

মিয়ানমার থেকে আমদানিকৃত ১ হাজার ৩৩৮ মেট্রিকটন পেঁয়াজ টেকনাফে খালাস

৩১অক্টোবর,বৃহষ্পতিবার,টেকনাফ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে মিয়ানমার থেকে একদিনে ১৩টি ট্রলারে ১ হাজার ৩৩৮মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে। চলতি মাসের ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ হাজার ৯৫৮ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছিল। বুধবার ১৩টি ট্রলারে মিয়ানমার থেকে আমদানি করা ১ হাজার ৩৩৮ মেট্রিকটনের পেঁয়াজের চালান ট্রলার থেকে খালাস করা হয়েছে। আরো ১৫ থেকে ২০টি ট্রলারে পেঁয়াজ খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে । (প্রতি বস্তায় ৪০ কেজি)। মিয়ানমার থেকে ১ হাজার ৩৩৮ মেট্রিকটন পেঁয়াজ নাফনদীর টেকনাফ স্থলবন্দরের জেটিতে এসে পৌঁছে। শ্রমিকেরা পেঁয়াজগুলো ১৩টি ট্রলার থেকে খালাস করে ট্রাকে বোঝাই করেছেন। প্রতিটি বস্তায় ৪০ কেজি করে পেঁয়াজ রয়েছে। সন্ধ্যার পর থেকে এসব পেঁয়াজ ভর্তি ট্রাকগুলো দেশের বিভিন্ন প্রান্তে রওনা দেয়। পৌর শহরের বাজার ও বিভিন্ন দোকানে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় বাজারের অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি এবং বাজার মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ আদালত না থাকার সুযোগে ভোক্তাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে অতিরিক্ত টাকা। প্রতিদিন শত শত টন পেঁয়াজ আমদানি করা হলেও স্থানীয় বাজারে প্রতি কেজি ১১০ থেকে ১২০ টাকা দামে বিক্রি করা হচ্ছে। স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এহতেশামুল হক বাহাদুর বলেন, একদিনে মিয়ানমার থেকে ১ হাজার ৩৩৮ মেট্রিক টন পেঁয়াজ স্থলবন্দরে এসেছে। বন্দরে পর্যাপ্ত শ্রমিক ও অবকাঠামো ঠিক থাকলে আরো বেশি পেঁয়াজ আমদানি করা সম্ভব হত। তবে ভারতে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের খবরে মিয়ানমারেও পেঁয়াজের দাম বাড়িায়ে ফেলেছে। তারপরও ব্যবসায়ীরা মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রেখেছে। টেকনাফ স্থলবন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা আবছার উদ্দিন বলেন, মিয়ানমার থেকে স্থল বন্দরে প্রচুর পরিমান পেঁয়াজ আমদানি করছে ব্যবসায়ীরা। বুধবার ১ হাজার ৩৩৮ মেট্রিক টন পেঁয়াজ খালাস করা হয়েছে। খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে আরো ১৫ থেকে ২০টি ট্রলার। জেটিতে পৌঁছানো পেঁয়াজের ট্রলারগুলো দ্রুত খালাস প্রক্রিয়া শেষ করে দেশের বিভিন্ন জেলায় পৌঁছাতে চালান করা হচ্ছে। তবে দেশের স্বার্থে সংকট মোকাবিলায় ব্যবসায়ীদের পেঁয়াজ আমদানি বাড়াতে আরো বেশি উৎসাহিত করা হচ্ছে।

সারা দেশ পাতার আরো খবর