প্রকাশ : 2018-02-16

বেড়েছে চালের দাম, কমেছে পেঁয়াজ-রসুনের

কয়েকদিনের ব্যবধানে রাজধানীর পাইকারি বাজারে সব ধরনের চালের দাম বেড়েছে কেজিতে এক থেকে দেড় টাকা পর্যন্ত। সরবরাহ ঘাটতি না থাকলেও আড়তদাররা বলছেন আমদানি করা চালের মূল্য বেশি হওয়ায় প্রভাব পড়েছে দেশিয় চালে। তবে গেল সপ্তাহের তুলনায় কমেছে পেঁয়াজ, রসুন ও আলুর দর। অন্যদিকে কেজিতে ৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে খোলা তেলের দর। কিছুদিন আগেই বাজারে এসেছে নতুন আমন চাল। পাশাপাশি আমদানি করা চালের সরবরাহও রয়েছে যথেষ্ট। দু'য়ে মিলে বাজারে চালের কোন ঘাটতি নেই। কিন্তু তার কোন প্রভাবই নেই চালের বাজার দরে। উল্টো গেল কয়েকদিনে কেজিতে ১ থেকে দেড় টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বাজারের সব ধরনের চালের দাম। দোষটা বরাবরই বাড়তি পরিবহন খরচ আর মিলমালিকদের ঘাড়েই চাপাচ্ছেন চালের পাইকারি ব্যবসায়ীরা। এক ব্যবসায়ী বলেন, 'এই সময়ে দেশের বাজারে চালের দাম একটু বাড়েই। যেহেতু আমরা পরনির্ভরশীল, ভারত থেকে চাল না আসলে আমাদের চালের বাজার স্থিতিশীল থাকে না। ভারতের বাজারে চালের দাম বেশি তাই আমাদের এখানেও দাম বেড়েছে।' তবে ক্রেতাদের জন্য সুখবর রয়েছে পেঁয়াজ-রসুনের বাজারে। গেল সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে কেজি প্রতি ৩ থেকে ৪ টাকা কমেছে পেঁয়াজের দর। আদা কমেছে ১০ টাকা পর্যন্ত । কমেছে রসুনের দরও। বাজারে সব থেকে কম টাকায় মিলবে আলু। কেজি প্রতি মাত্র ৮ থেকে ১১ টাকায় পাইকারি দরে চলছে এই নিত্যপণ্যটি। নিত্যপণ্যের বাজারে ডালের পাইকারি দর আগের মত থাকলেও খোলা তেলের দর বেড়েছে কেজিতে ৫ টাকা পর্যন্ত। এক ব্যবসায়ী জানান, 'ডালের ডাম আগের মতোই আছে। ভারতীয় মসুর ডাল ৫৫টাকা এবং দেশি মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ৮৫টাকা কেজি দরে।' এদিকে রাজধানীর পাইকারি বাজারে গেল কয়েক সপ্তাহ ধরেই বাড়তি দরে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের মসলা।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর