প্রকাশ : 2019-11-24

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো নিয়ন্ত্রনে সু-দৃষ্টি দিন

২৪নভেম্বর,রবিবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: বর্তমানে তথ্য-আদান প্রদানের অন্য যে কোন মাধ্যমের তুলনায় অধিক শক্তিশালী ভূমিকা পালন করছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মোট ব্যবহারকারীর তরুনদের সংখ্যাই বেশি। এতে পুথিবীর যে কোন প্রান্তে ঘটে যাওয়া ঘটনা প্রকাশ হওয়ার সাঙ্গে সঙ্গে ছড়িয়ে পড়ছে। আর ব্যবহারকারীরা তা দেখার পাশাপাশি তাদের মতামত দিতে পারছেন। প্রথমেই প্রশ্ন আসে কতটুকু সহায়তা বা উপকৃত হওয়া যাবে?এই মাধ্যমগুলো থেকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হচ্ছে ইন্টারনেটভিত্তিক আ্যাপ্লিকেশনগুলোর একটি গ্রুফ। এটি ওয়েব ২.০ এর আদর্শ ও প্রযুক্তিগত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। এখানে ব্যবহারকারীরা তাদের তৈরি করা কনটেন্ট বিনিময় করে থাকে। এখানে সমস্যা হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রত্যেক ব্যবহারকারীরাই কনটেন্ট তেরি করছেন এবং তা শেয়ার করছেন। এটি অনেক সময় খুবই বিপদজ্জনক। প্রসঙ্গত ফেলে আসা ২০১২ সালে কক্সবাজারের রামুতে দেখেছি। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ভোলার বোরহানউদ্দিনে ও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখছি। নিয়ন্ত্রনের দিক দেখলে বলা যেতে পারে ব্যবহারকারীরা নিয়ন্ত্রনের মধ্যেই নেই। অনেক সময় দেখা যায় যাচাই-বাচাইয়ের বিষয়টি ও নেই। অনেকাংশে ব্যবহারকারীরা নিজেরাই কনটেন্ট তৈরি করছেন এবং তা শেয়ার করছেন। এই কনটেন্ট সঙ্গে সঙ্গে থামানো অনেক সময় প্রশাসনের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। কোনো তথ্য পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যে প্রতিক্রিয়া,তা নিয়ন্ত্রনে আমরা এখনো অভ্যস্ত হইনি। তথ্যটি গুজব,নাকি সত্য-তা যাচাই করার ক্ষমতা আমরা এখনো অর্জন করতে পারিনি। এর প্রদান কারন কোনো তথ্য পাওয়ার সাথে সাথে কোনো ধরনের যাচাই-বাচাই না করে আমরা তা গ্রহন করছি নিজের মতো করে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোর মধ্যে ফেসবুক ব্যবহারে বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম। ভালো-মন্দ মানুষ নিয়েই এই পৃথিবী। তাই ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মধ্যেও কিছু মানুষ রয়েছে যারা খারাপ মনমানসিকতা নিয়ে ফেসবুক ব্যবহার করে। এই ধরনের মানুষগুলো নানান পন্থায় হ্যাক করছে অন্যজনের একাউন্ট ও। অসংখ্য নিরাপরাদ বাংলাদেশি কতিপয় এবং খারাপ স্বাভাব চরিত্রের মানুষের কাছে প্রতিনিয়ত মানমর্যদা হারাচ্ছে। তাই মাননীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানাব,উক্ত বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহনের মাধ্যমে দেশের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোর সুরক্ষা প্রদানে ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রী মহোদয়ের সু-দৃষ্টি কামনা করছি।লেখক: মো: ইরফান চৌধুরী,প্রকাশক: ই-প্রিয়২৪,(ছাত্র)।