রবিবার, ফেব্রুয়ারী ২৩, ২০২০
প্রকাশ : 2020-01-17

আমরা প্রতি মুহূর্তে আন্দোলেনর মধ্যে আছি

১৭জানুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেছেন, অনেকেই বলছে এক যুগেরও বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপি আন্দোলন করতে পারছে না। আমি বলি বিএনপি একটি উদারপন্থী দল। এর কাছে কেউ বিপ্লব আশা করলে হবে না। এই দল তার নিজস্ব চরিত্র নিয়ে এগিয়ে যাবে। আমরা প্রতি মুহূর্তে আন্দোলেনর মধ্যে আছি। আমরা কোর্টে যাই, আলোচনা করি, নির্বাচনে যাই সবই আন্দোলনের অংশ। এই আন্দোলনগুলোকে একসঙ্গে করে আমরা বড় আন্দোলনের দিকে এগিয়ে যাব। শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ আয়োজিত নির্বাচনে আস্থাহীনতা, ইভিএমর ব্যবহার: বর্তমান প্রেক্ষাপট শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের অভিজ্ঞতা আছে যে ২০১৪ সালের নির্বাচনের সময় এবং ২০১৫ তে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমাদের যে ক্ষতি হয়েছে সেই ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে আমাদের এখনো অনেক বেগ পেতে হচ্ছে। বিএনপির বিভিন্ন মিছিল বা RAILLYতে জনসমাগম হলেও আন্দোলনে নামতে গেলে রাস্তায় লোক কম হচ্ছে কেন? এমন সমালোচনার জবাবে বিএনপির মহাসচিব বলেন, রাজনৈতিক কর্মী নির্যাতনের শিকার হলে, গুম হত্যার শিকার হলে তখন তার মধ্যে হতাশা কাজ করতে পারে। তাদের অনুপ্রাণিত করেই এগিয়ে যেতে হবে। রাজনৈতিক নেতাদের কাজ তাদের অনুপ্রাণিত করে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। পরিবেশ এবং ক্ষেত্র তৈরি হলে কর্মীরা উঠে আসে। ঢাকা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনী প্রচারণার মিছিলে এখন অনেক বেশি মানুষ অংশ নিচ্ছে। এদেরকে সংহত করে আন্দোলনে নিয়ে যেতে পারলে তারা সফল হবেন। তিনি বলেন, ঢাকা সিটি নির্বাচনে জয়ী হওয়ার জন্যই অংশ নিয়েছি। জনগণকে এক করতে পারলে বিএনপি এই নির্বাচনে জয়ী হবে। নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ইভিএম একটা গজব। মানুষ যা তৈরি করে, তা নিজের জন্যই করে। ক্ষমতাসীনেরা নিজেদের জন্য নির্বাচন কমিশনকে ইভিএম আমদানি করিয়েছে। ২০১৮ সালের ভোটের নামে যে ডাকাতি হয়েছে তা পুনরায় করার সুযোগ নেই। তাই তারা ভিন্ন একটা পথ নিয়েছে। একটি মেশিন বের করেছে। তারা সমস্ত দায় মেশিনের ওপরে দেবে। তিনি বলেন, ২০১৮ সালে ছেড়ে দিলেও এবারের নির্বাচনে ছেড়ে দেয়া যাবে না। এবারে সিটি নির্বাচনেও ধানের শীষকে জিততে দেবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপিকে আরও শক্তভাবে মাঠে থাকতে হবে। বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক শওকত মাহমুদের সভাপতিত্বে বৈঠকে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক মো. আখতার হোসেন।

রাজনীতি পাতার আরো খবর