রবিবার, ফেব্রুয়ারী ১৬, ২০২০
প্রকাশ : 2020-02-13

সংসদে কোম্পানি বিল উত্থাপন ও বাতিঘর বিল পাস

১৩ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণে ,কোম্পানি (সংশোধন) বিল-২০২০ নামে একটি বিল সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। গতকাল সংসদ অধিবেশনে বিলটি উত্থাপনের পর তা অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। এছাড়া সংসদ অধিবেশনে ,বাংলাদেশ বাতিঘর বিল-২০২০ নামে একটি বিল পাস হয়েছে। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুন্সী ,কোম্পানী (সংশোধন) বিল-২০২০ সংসদে উত্থাপনকালে এর বিরোধীতা করেন বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সদস্য মো. ফখরুল ইমাম। কিন্তু তার আপত্তি কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। পরে বিলটি অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। বিলটি পরীক্ষা শেষে কমিটিকে এক দিনের মধ্যে সংসদে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। বিলে কোম্পানি রেজিস্ট্রেশনের সময় লোগো রেজিস্ট্রেশনের বিধান তুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে এখন শুধু কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন করলেই চলবে। ফলে সংশোধিত বিলটি পাস হলে কোম্পানীর কমন সিল, সাধারণ সিল ও অফিসিয়াল সিল নিবন্ধনের বিধান বিলোপ হবে। বাতিঘর বিল, এদিকে, জাতীয় সংসদে ,বাংলাদেশ বাতিঘর বিল-২০২০, নামে একটি বিল পাস হয়েছে। নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী সংসদে বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। এরআগে বিলটির উপর বিরোধী দল জাতীয় পার্টি ও বিএনপি সদস্যদের আনা জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব নাকোচ হয়ে যায়। বিলে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের জলসীমায় চলাচলের সময় জাহাজের মালিক, এজেন্ট বা মাস্টারকে বাতিঘর মাশুল পরিশোধ করতে হবে। মাশুল আদায় করবেন সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কমিশন। বাতিঘর মাশুল পরিশোধ না করে কোনো জাহাজ নৌপথে চলাচল করলে তা আটকে রাখা হবে। আটক জাহাজ অতিরিক্ত মাশুল দিয়ে ৬ মাসের মধ্যে আবেদন করলে তা ফেরত দেয়া হবে। এর আগে গত ১৫ই জানুয়ারি সংসদে বিলটি উত্থাপন করা হয়। ১৯২৭ সালের ,দ্য লাইট হাউজ অ্যাক্ট, বাতিল করে নতুন আইন করতে এই বিল আনা হয়।

জাতীয় পাতার আরো খবর