রবিবার, ফেব্রুয়ারী ১৬, ২০২০
প্রকাশ : 2020-02-14

চসিক নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে নাছিরের বিকল্প নেই,ঘোষণা আগামীকাল

১৪ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শূন্য হওয়া পাঁচ সংসদীয় আসন ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে দলীয় মনোনয়নের জন্য আবেদনপত্র বিক্রির শেষ দিন আজ শুক্রবার। ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিকাল ৫টা পর্যন্ত আগ্রহীরা মনোনয়ন ফরম কিনতে ও জমা দিতে পারবেন। আগামীকাল শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার বাসভবন গণভবনে দলের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ড ও স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানেই চূড়ান্ত হবে দলীয় প্রার্থী। এর আগে গত শনিবার সকালে দলীয় সভানেত্রীর ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে তপসিল হওয়া তিন আসনে (গাইবান্ধা-৩, ঢাকা-১০ ও বাগেরহাট-৪) ফরম বিক্রি শুরু করে আওয়ামী লীগ। শূন্য হওয়া অন্য দুটি সংসদীয় আসন (যশোর-৬, বগুড়া-১) এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য এক দিন পর থেকে দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশীদের কাছে ফরম বিক্রি শুরু করে ক্ষমতাসীনরা।জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নের জন্য আবেদনপত্র সংগ্রহ করেছেন ১৭ জন। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নৌকার প্রার্থী হতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছেন বিএনপির সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম। তিনি আগে বলেছিলেন, দল থেকে ডাক পেলে তিনি মনোনয়ন ফরম কিনবেন। সেই ডাক পেয়েছেন কি না, তা জানা যায়নি। বৃহস্পতিবার মনজুরের পাশাপাশি নগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা এ কে এম বেলায়েত হোসেনও মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন। বর্তমান মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন ও নগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ আব্দুচ ছালামও মেয়র প্রার্থী হতে মনোনয়নের জন্য আবেদনপত্র ক্রয় করেছেন। ২০১৫ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আ জ ম নাছিরের কাছেই হেরেছিলেন সেই সময়কার বিএনপি নেতা মনজুর। সেবার ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তুলে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন তিনি। একসময় আওয়ামী লীগ থেকে কাউন্সিলর হওয়া মনজুর পরে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে পরাজিত করে চসিকের মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। গত নির্বাচনেও বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে নির্বাচনের দিন কারচুপির অভিযোগ এনে নির্বাচন বর্জন করেছেন। একসময় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা মনজুর দীর্ঘদিন রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় থাকলেও মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে অনেকদিন ধরেই তৎপর ছিলেন। শেষ মুহূর্তে হয়তো নাছিরকেই মনোনয়ন দেয়া হবে। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, মেয়র পদে নির্বাচনের জন্য কয়েকজন ব্যবসায়ীর নাম শোনা গেলেও তারা আগ্রহী নন। ফলে দলীয় প্রার্থী হিসেবে নাছিরের বিকল্প নেই।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর