বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৯, ২০২০
প্রকাশ : 2020-02-20

গ্রামীণফোনকে ১ হাজার কোটি টাকা বিটিআরসিকে দেয়ার নির্দেশ আপিল বিভাগের

২০ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে সাত বিচারপতির পুর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন। বাকী টাকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত সোমবার। এসময় আদালত বলেন, শুধু টাকা কামালে হবে না, দিতেও হবে। গ্রামীণফোনের কাছে বিটিআরসির পাওনা প্রায় ১২ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা। এর আগে নিরীক্ষা দাবির পাওনা সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকার মধ্যে ২ হাজার কোটি টাকা তিন মাসের মধ্যে পরিশোধ করতে গত ২৪ নভেম্বর গ্রামীণফোনকে নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ। নির্দেশনায় দেয়া সময়সীমা শেষ হচ্ছে ২৩ ফেব্রুয়ারি। গ্রামীণফোন রোববারের মধ্যে ওই অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে নিরীক্ষা আপত্তি দাবির ওপর হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ বাতিল হয়ে যাবে। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি আদালতের বাইরে সমঝোতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণফোন। এর অংশ হিসেবে গতকাল ১০০ কোটি টাকা দিতে চেয়েছে কোম্পানিটি, যদিও তা প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। আদালতের নির্দেশনার বাইরে সমঝোতার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গ্রামীণফোনের পরিচালক ও হেড অব করপোরেট অ্যাফেয়ার্স হোসেন সাদাত বলেন, বিটিআরসিকে ১০০ কোটি টাকা দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছি। কিন্তু এ মুহূর্তে তারা তা নিতে অপারগতা প্রকাশ করেছে। এখনকার পরিস্থিতিতে তারা টাকা নিতে পারে না বলে আমাদের জানিয়েছে। তাদেরও নিশ্চয়ই এক ধরনের চিন্তাভাবনার বিষয় আছে। তবে আলোচনা এগিয়ে নিতে চাই আমরা। এর মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজে পাওয়া যাবে বলে আমরা আশাবাদী। বিটিআরসির সঙ্গে আমাদের যে আলোচনাটা চলছে, সেটিকে আরো ত্বরান্বিত করতেই এ প্রস্তাব দেয়া হয়। তিনি বলেন, পথ দুটো, একটা আইনি, আরেকটা আলোচনার মাধ্যমে। দুটো ভিন্ন বিষয়। একটার সঙ্গে আরেকটাকে মিলিয়ে ফেলা যাবে না। আদালতের মাধ্যমে যে নির্দেশনা পাওয়া যাবে, সেটার ভিত্তিতে এগোতে হবে। দেশের আদালতের প্রতি আস্থা রাখছি, বিশ্বাস রাখছি। তবে আলোচনাও এগিয়ে নিতে চাই আমরা। আলোচনার মাধ্যমে একটা ট্রান্সপারেন্ট প্রক্রিয়ায় দুই পক্ষ মিলে যদি একটা সমাধানে পৌঁছা যায়, সেটা দারুণ একটা বিষয় হবে। কিন্তু তার পরও যেহেতু আমরা স্থগিতাদেশের জন্য আদালতে গিয়েছি ও রিভিউ পিটিশন সাবমিট করেছি, তাই আদালত থেকে নির্দেশনা আসবে সেটির ওপর ভিত্তি করে আমাদের পরবর্তী সিদ্ধান্ত কী হবে, সেটা বুঝতে পারব।

জাতীয় পাতার আরো খবর