প্রকাশ : 2020-04-21

চট্টগ্রামে জনসেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ১০ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর

২১এপ্রিল,মঙ্গলবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাত দিন মানুষের সেবায় নিজেকে নিযোজিত রেখে জনসেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ১০ নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ড.আলহাজ্ব নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু। তিনি এখনো পর্যন্ত দ্বিতীয় বারের মত একজন সফল কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ইতি মধ্যে চসিক নির্বাচন (২০২০) এ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কতৃক তৃতীয় বারের মত থাকে একই ওয়াডের্র আওয়ামীলীগ মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন প্রদান করেন। বিগত দিনে অত্র ওয়ার্ডে যারা কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তারা এলাকার জনগনের আস্থা অর্জন করতে না পারলেও বর্তমান কাউন্সিলর নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু তার কর্মকান্ডের মাধ্যমে জনগনের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন। বর্তমান করোনা ভাইরাসের কারনে যেখানে অনেক জনপ্রতিনিধি নিজের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে ঘর থেকে বের হননি সেখানে চসিকের ১০ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্থায় জীবাণুনাশক পানি চিটিয়েছেন নিজে। মশার উপদ্রব রোধে বিভিন্ন কার্যক্রম নিজে উপস্থিত থেকে চালিয়ে যাচ্ছেন। তার পাশাপাশি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী এলাকার নিন্মবিত্ত, মধ্যবিত্ত পরিবারের ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী কখনো সরকারি ভাবে আবার কখনো নিজ উদ্যেগে এবং অর্থায়নে পৌছে দিচ্ছেন। যারা সহায়তা না পেয়ে তার সাথে যোগাযোগ করেছেন তাদেরকে নিজ বাসা এবং কাউন্সিলর অফিস থেকে এসে যে কোন সময় নিয়ে যাওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। সেই নির্দেশের আলোকে অনেকে নিজে গিয়েও সহায়তা নিয়ে এসেছেন। এলাকা ভিত্তিক সহায়তা প্রদানের জন্য তিনি এবার দক্ষ ও চৌকস ব্যক্তিদেরকে দায়িত্ব দিয়েছেন তালিকা প্রণয়নের জন্য। চসিকের অন্যান্য ওয়ার্ডের চেয়ে উক্ত ১০ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা অধিক সুফল পেয়েছেন বলে এলাকার বেশ কয়েকজন ব্যক্তির সহিত কথা বলে জানা গেছে। কাউন্সিল নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জুর এই জনপ্রিয়তায় এবং তার এই জনসেবায় এক শ্রেনীর কু-চক্রি মহল ইতিমধ্যে নিছার উদ্দিন মঞ্জুর বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চালাচ্ছেন বলে এলকার বিভিন্ন ব্যক্তি সূত্রে জানা গেছে। তিনি প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী বিতরন সহ ওয়ার্ডের সকল উন্নয়ন মূলক কাজে স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে সততা ও নিষ্ঠার সহিত সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন। সম্প্রতি ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও দেশ বিদেশের সকলের মঙ্গল কামনা করে মোনাজাত করা হয়।উক্ত বিষয়ে জেলা প্রশাসক ইলিয়াছ হোসেন বলেন, ত্রাণ বিতরণকালে যাতে কোনো উপকারভোগী বাদ না পড়েন, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। বিশেষভাবে জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকার অজুহাতে যাতে কোনো অসহায় ভাসমান গরিব ও দুস্থ ব্যক্তি ত্রাণ থেকে বাদ না পড়েন, বিষয়টিও গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে।চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ. ম. নাছির উদ্দীন বলেন,নগরীতে অবস্থানরত নিন্মজীবী বেকার শ্রমিক, চা দোকানদার, রেস্টুরেন্ট শ্রমিক, পরিবহন শ্রমিক, মোটরযান শ্রমিক, নির্মাণ শ্রমিক ও কৃষি শ্রমিক, দোকান কর্মচারী যে-যেখানে অবস্থান করছেন সেই ঠিকানানুযায়ী ত্রাণ প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে এবং কোন অস্বচ্ছল পরিবার যাতে বাদ না পড়ে সেই দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করতে হবে। এক্ষেত্রে যাতে আইডি কার্ড না থাকা-অন্য আঞ্চলিক অবস্থান বা ভোটার না হওয়া- এসব-আমলে না এনে সরকারি ত্রাণ প্রাপ্তির হালনাগাদ তালিকা তৈরি এবং সকল নাগরিকের ঘরে ঘরে যাতে দ্রততম সময়ের মধ্যে সরকারি ত্রাণ-সামগ্রী পৌঁছে যায় সেজন্য কাউন্সিলরদের ত্রাণসামগ্রী বিতরণে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।সেই ক্ষেত্রে ১০ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সফল কি না তা উক্ত ওয়ার্ডের জনগনই বিবেচনা করবেন।স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও মহামারি থেকে রক্ষা পেতে ঘরে থাকার জন্য বলা হয়েছে। এ অবস্থায় দেশের প্রান্তিক গরীব জনগোষ্ঠীর জন্য সরকার প্রদত্ত খাদ্য সহায়তা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে বন্টন করা হচ্ছে। ত্রাণ নয়-ছয় করা হলে কোন ধরণের অনুকম্পা তারা পাবে না। যারা ভালো কাজ করবে তাদের নাম গুডবুকে লিখে রাখা হচ্ছে।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর