ব্রেকিং নিউজ


add_27
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে সিন্ডিকেট বরদাশত করা হবে না

১০ মে ২০২২, আহমদ হোসেন ভুঁইয়া, ঢাকা, নিউজ একাত্তর ডট কম :মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে কোনো সিন্ডিকেট বরদাশত করা হবে না। সকল বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সি’র মাধ্যমে কর্মী প্রেরণের সুযোগ দিতে হবে। তের সোর্সকান্ট্রির ন্যায় স্বল্প অভিবাসন ব্যয়ে মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণ নিশ্চিত করতে হবে। আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে বায়রা সিন্ডিকেট বিরোধী মহাজোট আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বায়রার সাবেক নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ বলেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে নির্দিষ্ট সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর সুযোগ দিলে অভিবাসন ব্যয় কয়েকগুন বাড়বে। এতে দুর্নীতি অনিয়মের দরুণ আবারো দেশটি শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে যেতে পারে। বিগত দশ সিন্ডিকেট মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠিয়ে কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। ওই সিন্ডিকেট চক্র কানাডা, দুবাই, আমেরিকায় ও মালয়েশিয়ায় অট্টালিকা বানিয়েছে। এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বায়রার সাবেক মহাসচিব শামীম আহমেদ চৌধুরী নোমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বায়রার সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আবুল বাসার, সাবেক মহাসচিব আলী হায়দার চৌধুরী, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাদাত হোসেন, সাবেক সহ-সভাপতি আবুল বারাকাত ভূঁইয়া, সাবেক অর্থসচিব মো. ফখরুল ইসলাম, সাবেক অর্থসচিব মিজানুর রহমান, রিক্রুটিং এজেন্সি ঐক্য পরিষদ সভাপতি টিপু সুলতান, বায়রা সচেতন পরিষদের আহবায়ক মো. মোশাররফ হোসেন, বায়রা গণতান্ত্রিক ঐক্যফ্রন্টের সভাপতি মুজিবর রহমান, রাফার মহাসচিব ফরিদ আহমদ, রিক্রুটিং এজেন্সী ফ্রেন্ডস এসোসিয়েটস (রাফা- সাউথ) এর সভাপতি মো. মজিবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম পাটোয়াপরী, রিক্রুটিং এজেন্সিজ ঐক্য পরিষদের মহাসচিব আরিফুর রহমান, আরএওপি এর নেতা ও হোপ টুয়ান্টি ওয়ান রিক্রুটিং এজেন্সির স্বত্বাদিকারী মকবুল আহমদ, কাজী আব্দুল রহিম ও ইনাম আব্দুল্লাহ মহসীন। এর আগে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে পূর্ব ঘোষিত মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করতে গেলে পুলিশ বায়রা সিন্ডিকেট বিরোধী মহাজোটের ব্যানার ছিনিয়ে নিয়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পরে তারা তাৎক্ষণিক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। বায়রার সাবেক সভাপতি আবুল বাশার মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার সকল রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য উন্মুক্ত রাখার দাবিতে আগামী ১৩ মে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের স্মারকলিপি পেশ, ১৬ মে হোটেল শেরাটনে গোল টেবিল বৈঠক এবং ২৪ মে মতবিনিময় সভার কর্মসূচি ঘোষণা করেন। সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, ২০১৬ সালে ১০টি বাংলাদেশি রিক্রুটিং লাইসেন্স নিয়ে গঠিত সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় জনশক্তি পাঠানো শুরু হয়। এরপর ২০১৮ সালে অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয়সহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে তৎকালীন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ড. মাহাথির মোহাম্মদের সরকার বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেয়া বন্ধ করে দেয়। সে সময় এ সিন্ডিকেটের দ্বারা নিয়োগ করা প্রায় লক্ষাধিক কর্মীর মালয়েশিয়া যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এতে বিদেশগামী কর্মী এবং দেশের আর্থিক ক্ষতিসাধন হয়। বায়রার সাবেক মহাসচিব বলেন, সিন্ডিকেট প্রথা বাতিল করে অতিসত্বর মালয়েশিয়া শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বায়রার সব সদস্য ও বিদেশগামী কর্মী ভাইদের পক্ষ থেকে জোরদাবি জানাচ্ছি। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়,অবৈধ ও অনৈতিক তথাকথিত সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দুর্বার প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে নোমান বলেন, সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যের কারণে গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর সমঝোতা সই হওয়ার পরও গত পাঁচ মাস ধরে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী পাঠানো যায়নি। এসব সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি। পরে বায়রা নেতারা বলেন, আমরা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার অবশ্যই উন্মুক্ত দেখতে চাই। তবে কর্মী পাঠানোর সিন্ডিকেটমুক্ত অবশ্যই হওয়া উচিত।

add_28

নিউজটি শেয়ার করুন

Facebook
এ জাতীয় আরো খবর..
add_29
সর্বশেষ আপডেট
জনপ্রিয় সংবাদ

add_30
add_31
add_32

সংবাদ শিরোনাম ::