সোমবার, মার্চ ৮, ২০২১

গিনির সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ২০

৮,মার্চ,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইকুয়েটোরিয়াল গিনির একটি সামরিক ঘাঁটিতে আকস্মিক ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন চার শতাধিক মানুষ। স্থানীয় সময় রোববার (৭ মার্চ) বিকেলে দেশটির বাটা শহরের একটি সামরিক ঘাটিতে হঠাৎ বিস্ফোরণে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় পুরো এলাকা। আহত হন চার শতাধিক মানুষ যাদের মধ্যে অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। আহতদের সেবায় দেশটির স্বেচ্ছাসেবী স্বাস্থ্যকর্মীদের এগিয়ে আসার এবং রক্তদানের আহ্বান জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ঘটনার পর এক বিবৃতিতে দেশটির প্রেসিডেন্ট জানান, সেনাঘাঁটিতে ডিনামাইট ব্যবহারে গাফিলতির জন্যই ভয়াবহ ওই বিস্ফোরণ ঘটেছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত আর কিছু জানা যায়নি। বিস্ফোরণের পর দেশটির রাজধানী মালাবোতে অবস্থান করা স্পেনের নাগরিকদের ঘরে থাকার অনুরোধ জানিয়ে কয়েক দফা জরুরি সতর্কতা জারি করে স্পেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এদিকে এ দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন মালাবোতে অবস্থিত ইকুয়েটোরিয়ান গিনির ফরাসি দূতাবাস। ...

ভারতে আশ্রয় নেয়া পুলিশ সদস্যদের ফেরাতে মিয়ানমারের চিঠি

৭,মার্চ,রবিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলমান সামরিক সরকারের নির্দেশ পালনে অস্বীকৃতি জানিয়ে আশ্রয়ের আশায় ভারতে পালিয়ে যাওয়া পুলিশ সদস্যদের ফেরত চেয়েছে মিয়ানমার। সম্প্রতি ওইসব পুলিশ সদস্য সপরিবারে তাদের দেশে আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে ভারতকে পাঠানো এক চিঠিতে মিয়ানমার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অটুট রাখার জন্য ওইসব কর্মকর্তাকে ফেরত পাঠাতে বলেছে। এর আগে, ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মিজোরামের চাম্পাই এবং সারচিপ জেলার সীমান্ত দিয়ে দেশটিতে প্রবেশ করেন মিয়ানমারের ১৯ পুলিশ সদস্য। স্পর্শকাতর ইস্যু হওয়ায় তাদের নাম প্রকাশ করা হয়নি। তবে তারা সবাই মিয়ানমার পুলিশের নিম্নপদস্থ সদস্য এবং ভারতে প্রবেশের সময় পুরোপুরি নিরস্ত্র ছিলেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। মিয়ানমার থেকে আরও অনেকে সীমান্ত পেরিয়ে আসতে পারেন বলে ধারণা ভারতীয় কর্তৃপক্ষের। দেশ দুটির মধ্যে প্রায় ১ হাজার ৬৪৩ কিলোমিটার অভিন্ন স্থলসীমান্ত রয়েছে। গত মাসে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকেই উত্তাল অবস্থা বিরাজমান মিয়ানমারে। বিক্ষোভ দমাতে মরিয়া নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অন্তত ৫৫ জন আন্দোলনকারী নিহত হয়েছেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখনও বিক্ষোভকারীরা তাদের অবস্থানে অনড়। শনিবারও ইয়াঙ্গুনে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ার শেল, রাবার বুলেট এবং স্টান গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে। তবে নতুন করে কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। গত ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানের পরপরই মিয়ানমারের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, শ্রমিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের পেশাজীবীরা কাজে ইস্তফা দিয়ে রাজপথে বিক্ষোভ শুরু করেন। শান্তিপূর্ণ এই বিক্ষোভ অত্যন্ত সহিংসভাবে দমনের চেষ্টা চালাচ্ছে সামরিক সরকার। ...

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশের উত্তরণে খুশি ভারত

৬,মার্চ,শনিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের জন্য জাতিসংঘের সুপারিশ লাভ করায় ভারত অত্যন্ত খুশি এবং অর্থনৈতিক উন্নতি হলেও প্রতিবেশীদের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। খবর দ্য হিন্দু বিজনেস লাইনের। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব গত শুক্রবার সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে বলেন, সম্প্রতি ঢাকায় এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের ভূয়সী প্রশংসা এবং গর্বপ্রকাশ করেছেন। শ্রীবাস্তব বলেন, এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণে আমরা খুশি এবং এই প্রবৃদ্ধির পথে তাদের সঙ্গে সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব অব্যাহত রাখব। বাংলাদেশের একটি শীর্ষস্থানীয় ইংরেজি দৈনিকের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে সাফটার (দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক মুক্তবাণিজ্য চুক্তি) অধীনে ভারতে যে শুল্ক ও কোটামুক্ত বাণিজ্য সুবিধা পেত, এলডিসি থেকে উত্তরণের পরও সেটি পাবে কি না জানতে চাওয়া হয়েছিল ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের কাছে। জবাবে তিনি বলেন, ভারত এবং বাংলাদেশ উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রী নিজ নিজ কর্মকর্তাদের দ্বিপাক্ষিক বিস্তৃত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তির (সিইপিএ) সম্ভাবনা নিয়ে একটি যৌথ গবেষণা দ্রুত সমাপ্তের নির্দেশ দেন। গত ১৭ ডিসেম্বর ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মধ্যকার একটি ভার্চুয়াল সম্মেলনে নতুন এই চুক্তির বিষয়টি সামনে আসে। শ্রীবাস্তব বলেন, ভারত-বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ভার্চুয়াল সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের দেওয়া শুল্কমুক্ত কোটামুক্ত সুবিধার প্রশংসা করেন। সাফটার ভিত্তিতে ২০১১ সাল থেকে ভারত বাংলাদেশকে এই সুবিধা দিচ্ছে। সম্প্রতি জাতিসংঘের উন্নয়ন নীতি সংক্রান্ত কমিটি (সিডিপি) বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের সুপারিশ করেছে। নিয়ম অনুযায়ী, তিনটি শর্ত পূরণ হলে এবং পরপর দুটি পর্যালোচনায় এ মানদণ্ড ধরে রাখতে পারলে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি পাওয়া যায়। শর্ত তিনটি হলো- মাথাপিছু আয় হতে হবে কমপক্ষে ১ হাজার ২৩০ মার্কিন ডলার, মানবসম্পদ সূচকে ৬৬ পয়েন্ট ও অর্থনীতির ভঙ্গুরতা সূচকে ৩২ বা তার নিচে থাকতে হবে। বাংলাদেশ এসব শর্ত ২০১৮ থেকেই পূরণ করে আসছে। সাধারণত প্রতি তিন বছর পরপর এই মানদণ্ড পর্যালোচনা করে সিডিপি। তবে করোনাভাইরাস মহামারির কারণে দুই বছর বাড়িয়ে বাংলাদেশকে পরবর্তী পর্যালোচনার জন্য ২০২৬ সালের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ আগামী পাঁচ বছর উপরের তিনটি মান ধরে রাখতে পারলেই মিলবে উন্নয়নশীল দেশের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি।...

ভূমিকম্পে কাঁপলো নিউজিল্যান্ড

৫,মার্চ,শুক্রবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো নিউজিল্যান্ড। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক সমীক্ষাকেন্দ্র জানিয়েছে, এর রিখটার স্কেলের মাত্রা ছিল ৮ দশমিক ১। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। শুক্রবার (৫ মার্চ) ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান এ খবর দিয়েছে। গার্ডিয়ান জানিয়েছে, নিউজিল্যান্ডের উত্তর উপকূলে স্থানীয় সময় শুক্রবার (বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা) ভূমিকম্প অনুভূত হয়। সুনামির আশঙ্কায় ইতোমধ্যে উপকূলবর্তী বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থানের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভূমিকম্পের উপত্তিস্থল থেকে সুনামি হতে পারে এমন শঙ্কা প্রকাশ করেছে প্রশান্ত মহাসাগরীয় সুনামি সতর্ক কেন্দ্র। সংস্থাটি জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল থেকে ৩শ কিলোমিটার পর্যন্ত সুনামি হতে পারে। তাই ওই এলাকায় সবাইকে সতর্ক ও নিরাপদ অবস্থানে থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে। নিউজিল্যান্ডের উত্তর দিকের দ্বীপ গিসবর্নের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, তারা হালকা থেকে মাঝারি কাঁপুনি অনুভব করেছেন। নিউজিল্যান্ডের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র জানায়, ভূমিকম্পের কারণে যে সুনামির স্রোত সৃষ্টি হয়েছে, তাদের দেশে আছড়ে পড়বে কিনা তা এখনো পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এর রিখটার স্কেলের মাত্রা ছিলো ৮ দশমিক ১। বর্তমানে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে রয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ভূমিকম্পের পর আমি ক্রাইস্টচার্চে বাংলাদেশ দলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। ক্রাইস্টচার্চ থেকে ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল অনেক দূরে। তাই বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের কোনো সমস্যা হয়নি। ভূমিকম্পের পর সেখানে কোনো সতর্কবার্তা জারি করা হয়নি। বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটারা নিরাপত্তা আছেন।...

মহানগর আ.লীগের ৭ই মার্চের আলোচনা সভা: দলীয় শৃঙ্খলা যারা মানেন না তারা দলীয় প্রতিপক্ষ : মাহতাব

৮,মার্চ,সোমবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দীন চৌধুরী বলেছেন, ৭ই মার্চ বাঙালি জাতিসত্তার জাগরণের ঐতিহাসিক দলিল। এই দিনটি জাতীয় দিবস পালনের সরকারি নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও আমরা ঘরে ঘরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে পারিনি। এই ব্যর্থতাকে স্বীকার করে আগামীতে এই দিনটিকে সম্মান ও শ্রদ্ধায় অভিষিক্ত করতে দলীয় নেতাকর্মীদের সজাগ হতে হবে। দলীয় শৃঙ্খলা যদি কেউ না মানেন তিনি অবশ্যই দলীয় প্রতিপক্ষ। যাদের সমর্থনে দলে অনুপ্রবেশ করেছেন তারা অবশ্যই দলের নীতি আদর্শচ্যুত হবেন। এদেরকে যারা প্রশ্রয় দিচ্ছেন তাদেরকেও একই পরিণতি ভোগ করতে হবে। আজ তারাই আমাদের প্রতিপক্ষ। গতকাল রবিবার মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আ.জ.ম. নাছির উদ্দীন বলেছেন, ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষণ একটি ঐতিহাসিক অর্জন। তাই এ দিনটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু আমাদেরকে একটি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ দিয়ে গেছেন। তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাঙালি জাতিকে বিশ্বে একটি মর্যাদা এনে দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন আমাদের মাঝে আত্মসমালোচনা ও কটাক্ষ করার লোক আছে। এগুলোর সুযোগ নেয় কিছু অবাঞ্চিত ব্যক্তি। তারাই এখন আমাদের প্রধান প্রতিপক্ষ। এরা মিটিং মিছিলে আসেন না, বড় বড় কথা বলেন, ব্যানার ও পোস্টার ও সংবাদপত্র বিবৃতিতে থাকেন সরব। চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সম্মুখ চত্বরে প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুকের সঞ্চালনায় এই আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সহ সভাপতি নঈম উদ্দিন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট সুনীল কুমার সরকার, অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, খোরশেদ আলম সুজন, আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, অ্যাডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, সৈয়দ আমিনুল হক, হাজী বেলাল আহমেদ, আবু তাহের, মো. ইলিয়াছ, সৈয়দ মো. জাকারিয়া, রফিকুল হোসেন বাচ্চু, কায়সার মালিক, মো. মুছা, কাউন্সিলর আশরাফুল আলম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন নোমান আল মাহমুদ, শফিক আদনান, চন্দন ধর, মশিউর রহমান চৌধুরী, হাজী মো. হোসেন, মাহবুবুল হক মিয়া, দিদারুল আলম চৌধুরী, আবদুল আহাদ, আবু তাহের, ডা. ফয়সল ইকবাল চৌধুরী, মো. শহিদুল আলম, আবুল মনসুর, ইঞ্জি: বিজয় কিষাণ চৌধুরী, বখতিয়ার উদ্দিন খান, মহব্বত আলী খান, সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, থানা আওয়ামী লীগের আলহাজ্ব ফিরোজ আহমেদ, ছিদ্দিক আলম, অধ্যাপক আসলাম হোসেন প্রমুখ। ...

নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে ৭ মার্চ পালিত

৮,মার্চ,সোমবার,ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঐতিহাসিক দিবস ৭ মার্চ উপলক্ষে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ২ দিনব্যাপী নানান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে রোববার সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। রোববার সকালে জেলা পরিষদ ডাক বাংলো চত্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষে প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষে জেলা প্রশাসক ড. কেএম কামরুজ্জামান সেলিম, পুলিশ প্রশাসনের পক্ষে পুলিশ সুপার মোহা. জাহাঙ্গীর হোসেন, সদর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. অরুনাংশু দত্ত টিটো, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং সরকারী-বেসরকারী বিভিন্ন দপ্তর, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পুস্পমাল্য অর্পন করা হয়। সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় বড় মাঠে শতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহনে শতকন্ঠে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ প্রতিধ্বনিত করা হয়। পরে জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে বিডি হলে শতছবিতে বঙ্গবন্ধু চিত্রপ্রদর্শন, আলোচনা সভা, বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে- কফিনবন্দী বাংলাদেশ নামে নাটক পরিবেশিত হয়। আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক ড. কেএম কামরুজ্জামান সেলিমের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন, প্রধান অতিথি আ'লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন, বিশেষ অতিথি পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, জেলা আলীগের সভাপতি মু. সাদেক কুরাইশী, সহ-সভাপতি মাহাবুবুর রহমান খোকন, সরকারী কলেজের অধ্য্ক্ষ আব্দুল মজিদ, সরকারী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আবু বক্কর ছিদ্দিক, নব-নির্বাচিত পৌর মেয়র আঞ্জুমান আরা বেগম বন্যা প্রমুখ। এছাড়া জেলা আলীগ কার্যালয়সহ গুরুত্বপূর্ণস্থান থেকে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ প্রচার, ডকুমেন্টারি ও চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়। সেই সঙ্গে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনলাইনে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ বিষয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।...

সম্মিলিত প্রচেষ্টায় উন্নয়নের ধারায় দেশ এগিয়ে যাচ্ছে: পলক

৭,মার্চ,রবিবার,নাটোর প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংবিধানের মূলধারাকে সমুন্নত করে দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিশ্চিত করেছেন। এর ফলে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় উন্নয়নের ধারায় দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। নাটোরের সিংড়ায় বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের উপজেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তিনি আরও বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের ভাষণে সকল ধর্মের মানুষের অংশগ্রহনে দেশগড়ার দিক নির্দেশনা দিয়েছিলেন এবং সংবিধানের মূলনীতির মধ্যে ধর্মনিরপেক্ষতা সংযোজন করেন। অথচ স্বাধীনতা বিরোধীরা ৭৫ এর ১৫ আগষ্ট প্রগতিশীল ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র গঠনের বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নকে রুদ্ধ করতেই তাঁকে হত্যা করেছিল। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীরা তাদের নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। সে সময়ের ক্ষমতাসীন সরকারগুলো বারবার ধর্মীয় উস্কানী দিয়ে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। ধর্মনিরপেক্ষতার মূলনীতিকে বিকৃত করে অপপ্রচার চালিয়েছে। অথচ বঙ্গবন্ধু সব সময় বলেছেন, ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়। ২০০৯ সালে বঙ্গবন্ধুর কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর সংবিধানের মূলনীতি ধর্মনিরপেক্ষতাকে গুরুত্ব প্রদান করে বৈষম্যমুক্ত দেশ গঠনে আত্মনিয়োগ করেন। সকল ধর্মের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বর্তমানে দেশে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে। দেশের মানুষের মাথাপিছু জাতীয় আয় ৫০০ ডলার থেকে বেড়ে দু'হাজার ডলার ছাড়িয়েছে। প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, করোনাকালে অনেক উন্নত দেশের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়লেও প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য ও দূরদর্শী নেতৃত্বে করোনা পরিস্থিতি সফলতার সাথে মোকাবেলা করা সম্ভব হয়েছে। সময়মত টিকা আমদানীর ফলে দেশে ইতোমধ্যে ৪০ লাখ মানুষ করোনার টিকা গ্রহন করতে পেরেছেন। উন্নয়নের পথ পরিক্রমায় আমরা উন্নয়নশীল দেশের মাইলফলক স্পর্শ করেছি। ২০৩১ সালে বাংলাদেশ হবে উন্নত মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালে হবে উন্নত দেশ। এসময় দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় হবে অন্তত সাড়ে বারো হাজার ডলার। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আজন্ম লালিত স্বপ্নের সোনার বাংলার আধুনিক রূপায়ন- ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের পদক্ষেপ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর সুফল হিসেবে বর্তমানে ১৭ কোটি মানুষের হাতে মোবাইল ফোন রয়েছে, ১১ কোটি মানুষের ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে। করোনাকালে দেশের শিক্ষার্থীরা অনলাইনে পড়াশুনা করছে, ই-ফাইল কার্যক্রম চালুর ফলে সকল অফিসে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ চলেছে। ভার্চুয়াল আদালতে বিচারিক কাজ চলেছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের কার্যক্রম দেশের মানুষের জীবনকে সহজ ও সুন্দর করছে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিংড়া পৌর মেয়র জান্নাতুল ফেরদৌস, হিন্দু-বৌদ্ধ- খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের জেলা কমিটির সভাপতি চিত্তরঞ্জন দাস, সাধারণ সম্পাদক খগেন্দ্র নাথ রায়, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ওহিদুর রহমান শেখ, পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি গোপাল বিহারী দাস, সাধারণ সম্পাদক চাঁদ মোহন হালদার প্রমূখ। সম্মেলনে অধ্যাপক শীতল কুমার সভাপতি এবং অ্যাডভোকেট মানসী ভট্টাচার্জকে সাধারণ সম্পাদক, পংকজ কুমারকে ১নং যুগ্ম সম্পাদক ও রবিন কুন্ডুকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়। পরে রুপ কুমারকে সভাপতি ও স্বপন কুমারকে সাধারণ সম্পাদক করে ছাত্র ঐক্য পরিষদ গঠন করা হয়।...

কক্সবাজারে ট্রাক চাপায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩

৭,মার্চ,রবিবার,কক্সবাজার প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজার শহরের কলাতলী ডলফিন মোড়ে সিমেন্ট বোঝাই একটি ট্রাকের চাপায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩ জন হয়েছে। আজ রোববার ভোরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আহত এডভোকেট ওসমান গনি। তাঁর বাড়ি চকরিয়ার বদরখালীতে। আজ সকাল সাড়ে ১০টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার জেলা আইনজীবি সমিতির সদস্য এডভোকেট একরামুল হুদা। এর আগে ঘটনাস্থলে এক নারী ও সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আরেক যুবক। শনিবার (৬ মার্চ) রাত সাড়ে ১১টার দিকে সিমেন্ট বোঝায় ট্রাক পথচারীর উপর উঠিয়ে দিলে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকায় লাল মিয়ার স্ত্রী মোমেনা বেগম (৬০), বদরখালীর এডভোকেট ওসমান গনি (৪২) ও ঢাকার উত্তরা এলাকার সাহাদত হোসেন (৪৫)। এসময় আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। কক্সবাজার শহর পুলিশ ফাড়ির এসআই আনোয়ার হোসেন জানান, শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কক্সবাজারমুখী সিমেন্ট বোঝাই একটি ট্রাক (চট্ট মেট্রো-ট-১১-৬৮২৮) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পথচারীকে চাপা দেয়। এসময় ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলে দুইজন নিহত হয়। এ ঘটনায় আহত হয়েছে অন্তত ১০ পথচারী। আহতরা হলেন- উখিয়ার কোটবাজার এলাকার আবদুল আমিনের ছেলে জসিম উদ্দীন (২৫), বশরত আলীর ছেলে মুজিব (৪৫), শফিউল্লাহর ছেলে জিকু (৩০), মহেশখালী এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে জয়নাল (৩৫), বড় ভাই আবুল হোসেন (৪৫) ও ছেলে রাশেদুল হক (১৭) সহ অন্তত ১০ জন। খবর পেয়ে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের উদ্ধার করেন। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) বিপুল চন্দ্র দে জানান, ঘটনাস্থলে এক নারীসহ দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। পরে চমেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও এক জনের মৃত্যু হয়।...

৭ মার্চ উপলক্ষে ঠাকুরগাঁওয়ে চিত্রাঙ্কন ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা

৬,মার্চ,শনিবার,ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ উপলক্ষে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ, চিত্রাঙ্কন ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে জেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমি এই কর্মসূচি আয়োজন করেছে। এতে বিভিন্ন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়েল অসংখ্য শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। এ সময় জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা জবেদ আলী, বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারি শিক্ষকসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।...

আইসিএবিতে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক লিডারশিপ শীর্ষক কর্মশালা

৬,মার্চ,শনিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পেশাদার হিসাববিদদের সংগঠন দি ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) উদ্যোগে সম্প্রতি দুই দিনব্যাপী প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড স্ট্রাটেজিক লিডারশিপ শীর্ষক একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইনস্টিটিউটের ট্রেনিং রুমে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় সনদ বিতরণ করেন আইসিএবির সভাপতি মাহমুদুল হাসান খসরু এফসিএ। এ সময় সিইও শুভাশীষ বসু, সহসভাপতি মারিয়া হাওলাদার, সিইও শুভাশীষ বসু, কাউন্সিল সদস্য মো. মনিরুজ্জামান এফসিএ ও মুহাম্মদ ফোরকান উদ্দীন এবং সিওও মাহবুব আহম্মেদ সিদ্দিক এফসিএ উপস্থিত ছিলেন।- বিজ্ঞপ্তি ...

পারটেক্স স্টার গ্রুপের নতুন ডিএমডি ফাবিয়ানা আজিজ

৩,মার্চ,বুধবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের অন্যতম শিল্প প্রতিষ্ঠান পারটেক্স স্টার গ্রুপের নতুন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হিসেবে নিযুক্ত হলেন ফাবিয়ানা আজিজ। যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টমিনস্টার থেকে ব্যবসা ব্যবস্থাপনায় স্নাতক এবং মার্কেটিং ম্যানেজমেন্টে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিপ্রাপ্ত ফাবিয়ানা আজিজের ডিজিটাল মার্কেটিং, কমিউনিকেশন স্ট্র্যাটেজি ফর ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস এবং মার্কেট কম্পিটিশন বিষয়ে বিশেষ দক্ষতা রয়েছে। ফাবিয়ানা আজিজ কোম্পানিটির এমডি আজিজ আল মাহমুদের জ্যেষ্ঠ কন্যা। তিনি পারটেক্সে গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত এমএ হাশেমের নাতনি।- বিজ্ঞপ্তি ...

৩০ মার্চ খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

২৭,ফেব্রুয়ারী,শনিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ৩০ মার্চ থেকে স্কুল-কলেজ খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। করোনাভাইরাসের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে এ তথ্য জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। শিক্ষামন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠকে কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আব্দুল মান্নান, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মো. কামাল হোসেন, পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্তের পর ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এরপর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি ধাপে ধাপে বাড়িয়ে আগামীকাল ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করা হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া যায় কিনা- সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে বসে সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে গত ২২ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিসভা বৈঠকে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনার কথা জানিয়ে ওইদিন প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেছিলেন, সরকার খোলার (শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান) পরিবেশটা প্রিভিউ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা পাঁচ-ছয় দিনের মধ্যে একটা মিটিংয়ে বসব। এটা আন্তঃমন্ত্রণালয় মিটিং হবে। এরই মধ্যে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হলে ফেরার আন্দোলন শুরু করেন। কোনো কোনো স্থানে শিক্ষার্থীদের তালা ভেঙে হলে প্রবেশের ঘটনাও ঘটে। এ পরিস্থিতিতে ২২ ফেব্রুয়ারি শিক্ষামন্ত্রী ঘোষণা দেন, আগামী ২৪ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পাঠদান কার্যক্রম শুরু হবে।...

সাত কলেজের আন্দোলন স্থগিত

২৪,ফেব্রুয়ারী,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অনার্স শেষ বর্ষ এবং তৃতীয় বর্ষের চলমান পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্তের পর আন্দোলন স্থগিত করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারী সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে রাজধানীর নিউমার্কেট নীলক্ষেত মোড় অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত করেন তারা। বুধবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা কলেজের আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ইসমাঈল সম্রাট। এসময় তিনি জানান, আমাদের দাবি মেনে নেওয়ার কারণে আমরা আন্দোলন স্থগিত করেছি। এর আগে সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সাথে ভার্চুয়াল আলোচনায় বসে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আলোচনা শেষে এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) এএসএম মাকসুদ কামাল সময় নিউজকে জানান, 'সাত কলেজের চলমান পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আজকের যে পরীক্ষাটি হওয়ার কথা ছিল, সেটি কবে নেওয়া হবে পরবর্তীতে জানিয়ে দেয়া হবে। পরীক্ষার চলমানের সিদ্ধান্ত জানার পর আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা যায়। এর আগে, শিক্ষার্থীরা একইদিন সকাল ৯টা থেকে নীলক্ষেত নিউমার্কেট মোড় অবরোধ করে রাখায় বিকেল চারটা পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ ছিল। পরে পুলিশ তাদের সরিয়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।...

দুই হারের পর দাপুটে দুই জয়, দারুণভাবে সমতায় ফিরল অস্ট্রেলিয়া

৫,মার্চ,শুক্রবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পাঁচ ম্যাচের সিরিজে প্রথম দুটিতেই নিউজিল্যান্ডের কাছে হার, এমন কোণঠাসা অবস্থায় দাঁড়িয়ে দারুণভাবে সিরিজে ফিরল অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে মাত্র ৪ রানের জন্য হেরে যাওয়া অসিরা পরের দুই ম্যাচেই পেয়েছে সহজ জয়। সিরিজে ফিরিয়েছে ২-২ সমতা। ওয়েলিংটনে আজ (শুক্রবার) সিরিজের চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডকে ৫০ রানের বড় হার উপহার দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। ক্যাপ্টেনস নকে দলকে লড়াকু পুঁজি এনে দেয়া অ্যারন ফিঞ্চ হয়েছেন ম্যাচসেরা। অথচ টস জিতে ব্যাট করতে নেমে মোটেই স্বস্তিতে ছিল না অস্ট্রেলিয়া। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়েছে। তবে ৯৭ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারানো দলকে ইনিংসের শেষ পর্যন্ত টেনে নিয়ে গেছেন অধিনায়ক ফিঞ্চ। ওপেনিংয়ে নামা ফিঞ্চ ৫৫ বলে ৫ বাউন্ডারি আর ৪ ছক্কায় খেলেন ৭৯ রানের হার না মানা এক ইনিংস। বাকি ব্যাটসম্যানদের কেউ বিশের ঘরও ছুঁতে পারেননি। ফিঞ্চের একক লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়া ৬ উইকেটে পায় ১৫৬ রানের লড়াকু পুঁজি। ইশ সোধি ৩২ রান খরচায় নেন ৩টি উইকেট। ট্রেন্ট বোল্ট ২টি এবং মিচেল স্যান্টনার পান এক উইকেট। লক্ষ্য ১৫৭ রানের। জবাব দিতে নেমে আরও খারাপ অবস্থা হয় নিউজিল্যান্ডের। টি-টোয়েন্টিতে বলতে গেলে টেস্টের মতো ব্যাটিং করেছে স্বাগতিকরা। প্রথম দশ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে তুলতে পারে মাত্র ৪২ রান। ফলে রান তাড়ায় আর ছুটতে পারেনি কিউইরা। একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে। ইনিংসের ৭ বল বাকি থাকতে কিউইরা অলআউট হয়েছে ১০৬ রানেই। শেষদিকে নেমে কাইল জেমিসন ১৮ বলে ৩০ রানের ঝড়ো ইনিংস না খেললে হারের ব্যবধানটা আরও বড়ই হতো! অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন কেন রিচার্ডসন। ১৯ রান খরচায় ৩টি উইকেট নেন তিনি। দুটি করে উইকেট নেন তিন স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা, অ্যাশটন অ্যাগার আর গ্লেন ম্যাক্সওয়েল।...

সেভিয়ার বিপক্ষে শ্বাসরুদ্ধকর জয়ে ফাইনালে বার্সা

৪,মার্চ,বৃহস্পতিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নাটকীয়তা-রোমাঞ্চ-উত্তেজনার ষোলো ভাগই উপস্থিত ছিল ম্যাচটিতে। আর তেমন এক ম্যাচে অতিরিক্ত সময়ে ১০ জনের দল পড়া সেভিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে কোপা দেল রের ফাইনাল নিশ্চিত করেছে বার্সেলোনা। প্রথম লেগে সেভিয়ার মাঠে ২-০ গোলে হেরেছিল রোনাল্ড কোম্যানের শিষ্যরা। ফাইনালে যেতে হলে ৩-০ গোলে জিততে হতো বার্সাকে। ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যুয়ে সেমির ফিরতি লেগে সেই অসাধ্য সাধনই করেছে কাতালান জায়ান্টরা। দুই লেগ মিলিয়ে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ফাইনালে ওঠেছে বার্সা। শুরু থেকে গোলের জন্য মরিয়া বার্সা এগিয়ে যায় ১২তম মিনিটে। ওসমানে দেম্বেলের গোলে তারা স্বপ্ন দেখতে থাকে কামব্যাকের। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সেই স্বপ্ন ফিকে হতে বসে। যেখানে উল্টো পেনাল্টি পায় সেভিয়া। কিন্তু স্পট-কিক থেকে গোলের সুযোগ হাতছাড়া করে বসেন লুকাস ওকাম্পাস। সেই ভুলের মাশুলই হুলেন লোপেতেগির শিষ্যদের গুণতে হলো যোগ করা সময়ে। সব নাটকের মশলা যেন জমা ছিল নির্ধারিত সময় শেষে। যোগ করা দ্বিতীয় মিনিটে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ফার্নান্দো। ১০ জনের দল হয়ে পড়ে সেভিয়া। এমন সুযোগ নিতে ভুল করলো না কোম্যানের দল। দুই মিনিট পরেই আঁতোয়া গ্রিজম্যানের পাস থেকে সেভিয়ার জাল খুঁজে নেন জেরার্ড পিকে। দুই লেগ মিলিয়ে ব্যবধানটা দাঁড়ায় ২-২। ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। আর অতিরিক্ত সময়ের প্রথম মিনিটেই জর্দি আলবার পাস থেকে বার্সার জয়সূচক গোল এনে দেন মার্টিন ব্রাথওয়েট। ম্যাচ টাইব্রেকারে নিয়ে যাওয়ার জন্য গোলটি শোধ করলেই চলতো সেভিয়ার। কিন্তু ম্যাচের ১০৩তম মিনিটে আরেকজনকে হারায় তারা। এবার লাল কার্ড দেখে বসেন ডি জং। শেষ পর্যন্ত প্রথম লেগে এগিয়ে থেকেও ফাইনাল যাওয়ার স্বপ্ন বিসর্জন দেয় লোপেতেগির দল। বার্সার চোখ এখন রেকর্ড ৩১তম কোপা দেল রে শিরোপা জয়ের দিকে। ফাইনালে তারা প্রতিপক্ষ হিসেবে পেতে পারে অ্যাথলেটিক বিলবাও বা লেভান্তেকে।...

চলে গেলেন এটিএম শামসুজ্জামান

২০,ফেব্রুয়ারী,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বরেণ্য অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান আর নেই। শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ০৬ মিনিটে সূত্রাপুরের নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নাইলাহি রাজিউন)। এটিএম শামসুজ্জামানের মেয়ে কোয়েল আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। কিংবদন্তি অভিনেতার মৃত্যুসংবাদ জানিয়ে কোয়েল আহমেদ বলেন, আব্বা আর নেই। শুক্রবার বিকেলে আব্বাকে বাসায় নিয়ে আসছিলাম। উনি হাসপাতালে থাকতে চাইছিলেন না। তাই বাসায় নিয়ে আসছিলাম। আমি রাত ২টা ৩০ মিনিটে আব্বার বাসায় আসছি। পরদিন শুক্রবার সকালেই তিনি পাড়ি জমালেন না ফেরার দেশে। বাবার আত্মার শান্তির জন্য সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন কোয়েল। এর আগে গত বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে পুরান ঢাকার আজগর আলী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল এটিএম শামসুজ্জামানকে। তার অক্সিজেন লেভেল কমে গিয়েছিল। হাসপাতালে ডা. আতাউর রহমান খানের তত্ত্বাবধানে ছিলেন জনপ্রিয় এ অভিনেতা। ১৯৪১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর নোয়াখালীর দৌলতপুরে এটিএম শামসুজ্জামান জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬১ সালে উদয়ন চৌধুরীর- বিষকন্যা সিনেমায় সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করে ক্যারিয়ার শুরু করেন তিনি। প্রথম চিত্রনাট্যকার হিসেবে তিনি কাজ করেছেন- জলছবি সিনেমায়। এ পর্যন্ত শতাধিক চিত্রনাট্য ও কাহিনী লিখেছেন বর্ষীয়ান এ অভিনেতা। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-জলছবি, জীবন তৃষ্ণা, স্বপ্ন দিয়ে ঘেরা, যে আগুনে পুড়ি, মাটির ঘর, মাটির কসম, চিৎকার ও লাল কাজল ইত্যাদি। তবে ১৯৬৫ সালে অভিনেতা হিসেবে এটিএম শামসুজ্জামানের সিনেমায় অভিষেক ঘটে। ১৯৭৬ সালে আমজাদ হোসেনের নয়নমণি সিনেমায় খলনায়ক হিসেবে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে। সিনেমার পাশাপাশি অসংখ্য খণ্ড নাটক ও ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন তিনি। একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য এ অভিনেতার একমাত্র পরিচালিত সিনেমা এবাদত। এখন পর্যন্ত পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন এ কিংবদন্তি। কাজী হায়াতের- দায়ী কে সিনেমার জন্য দুটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পান তিনি। এরপর- চুড়িওয়ালা&, মন বসে না পড়ার টেবিলে এবং চোরাবালি সিনেমায় অভিনয়ের জন্য একই পুরস্কার লাভ করেন এটিএম শামসুজ্জামান।...

উপস্থাপনায় ফিরেছেন পূর্ণিমা

১৮,ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আবারও টিভি উপস্থাপনায় আসছেন জনপ্রিয় নায়িকা পূর্ণিমা। প্রায় দুই বছর পর তার এ ফিরে আসা। এবার তিনি উপস্থাপনা করবেন- পূর্ণিমার আলো শিরোনামের একটি অনুষ্ঠান। আগামী ৬ মার্চ থেকে দেশ টিভিতে এর প্রচার শুরু হবে। অনুষ্ঠানটি সাজানো হচ্ছে বিনোদন, রাজনীতি, ক্রীড়াসহ বেশ কয়েকটি অঙ্গনের সফল তারকা দম্পতিদের নিয়ে। তবে প্রথম পর্বেই থাকছে চমক। এই পর্বে পূর্ণিমার সঙ্গে থাকবেন নায়ক ফেরদৌস ও রিয়াজ। তারা দুজন উপস্থাপক পূর্ণিমাকে পরিচয় করিয়ে দেবেন ভক্তদের সঙ্গে। থাকবে তিনজনের আড্ডাও। দ্বিতীয় পর্ব থেকে মূল অনুষ্ঠানটি শুরু হবে। এর আগে টেলিভিশনে তারকাদের নিয়ে- এবং পূর্ণিমা দিয়ে উপস্থাপনায় নাম লিখিয়েছিলেন অভিনেত্রী। ২০১৮ সালে- এবং পূর্ণিমা নামে আরটিভিতে প্রচারিত এই সেলিব্রেটি শো উপস্থাপনা করে বেশ আলোচিত হন পুর্ণিমা।...

হাতিরঝিলে কিশোরদের উপদ্রব আটক ৫৫

২৮,জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,ক্রাইম প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঘিঞ্জি ঢাকায় একটু মুক্তভাবে হেঁটে বেড়ানোর জায়গা নেই বললেই চলে। তবে এই অভাবটা কিছুটা হলেও পূরণ করেছে হাতিরঝিল। কিন্তু দিন দিন সেটাও হয়ে পড়েছে অরক্ষিত। কোলাহল তো বেড়েছেই, সেই সঙ্গে বেড়াতে আসা মানুষকে নানাভাবে উত্যক্ত করছে কিশোরদের কয়েকটি দল। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে ৫৫ জন কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশের (মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স) এআইজি মো. সোহেল রানা এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, হাতিরঝিলে বেড়াতে আসা একজন গতকাল (২৭ জানুয়ারি) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগে হয়রানির শিকার হওয়ার একটি অভিযোগ দেন। সেই পরিপ্রেক্ষিতে হাতিরঝিল লেক ও লেক সংলগ্ন পার্শ্ববর্তী এলাকায় বিকেল ৪টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ব্যাপক অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকায় ৫৫ জনকে আটক করা হয়। আটকদের মধ্যে ৩ জনের কাছে ৮ পিস, ১২ পিস ও ২৫ পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। এছাড়াও গণ-উপদ্রব ও অহেতুক হৈচৈ করার কারণে ১৬ জনের বিরুদ্ধে ডিএমপি অর্ডিন্যানস অনুযায়ী ব্যবস্থাও নেয়া হচ্ছে। অবশিষ্ট ৩৬ জনকে শর্তসাপেক্ষে অভিভাবকের জিম্মায় দেয়া হয়েছে। এআইজি আরো বলেন, সন্তান যেনো কোনো অপরাধে জড়িয়ে না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। দরকার পড়লে পুলিশের সহায়তা নিতে হবে। ...

অনিয়মের অভিযোগে চেয়ারম্যান কাউন্সিলর ও ইউপি সদস্যসহ ১১ জন বরখাস্ত

২জুন,মঙ্গলবার,ক্রাইম সোর্স প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ত্রাণ বিতরণসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে একদিনেই ১১ জনপ্রতিনিধিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। আজ মঙ্গলবার এ বিষয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বিভাগটি। যাদের বরখাস্ত করা হয়েছে তাদের মধ্যে ৪জন ইউপি চেয়ারম্যান, একজন পৌরসভার কাউন্সিলর ও ৬জন ইউপি সদস্য রয়েছেন। কর্মস্থলে অনুপস্থিতি, দরিদ্র মানুষকে নগদ অর্থ সহায়তা ও ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগে আরও ১১ জনপ্রতিনিধিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। তাঁদের মধ্যে চারজন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও ছয়জন ইউপি সদস্য এবং একজন পৌর কাউন্সিলর রয়েছেন। বরখাস্ত হওয়া চেয়ারম্যানেরা হলেন কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার সিংপুর ইউপির মো. আনোয়ারুল হক, একই জেলার বাজিতপুর উপজেলার হালিমপুর ইউপির হাজী মো. কাজল ভূইয়া, বরগুনা সদর উপজেলার এম বালিয়াতলী ইউপির মো. শাহনেওয়াজ এবং নলটোনা ইউপির হুমায়ুন কবীর। বরখাস্তের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সিংপুর ইউপির চেয়ারম্যান করোনোভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সময় ত্রাণকাজে সহায়তা না করে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে কর্মস্থলে অনুপস্থিত আছেন। বাজিতপুরের হালিমপুর ইউপি চেয়ারম্যানও দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত। এ ছাড়া করোনোভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়নে বিঘ্ন সৃষ্টি, এপ্রিল মাসের ভিজিডি খাদ্যশস্য বিতরণ না করা, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে দেওয়া নগদ অর্থ সহায়তা কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রণয়নে ব্যর্থ হওয়া এবং কারণ দর্শানোর পরিপ্রেক্ষিতে নিজে জবাব প্রদান না দিয়ে অন্যের মাধ্যমে জবাব দেওয়া। বরগুনার এম বালিয়াতলী ইউপির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নিয়মবহির্ভূতভাবে মৎস্য ভিজিএফের চাল ৮০ কেজির জায়গায় ৬০ কেজি দেওয়া এবং তালিকার বাইরেও অন্যদের চাল দেওয়ার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। নলটোনা ইউপির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জেলেদের তালিকা প্রণয়নে অনিয়ম, ভুয়া টিপসইয়ের মাধ্যমে চাল উত্তোলন করে আত্মসাৎ এবং ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। অন্যদিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত হওয়া ইউপি সদস্যরা হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপজেলার মজলিশপুর ইউপির ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হারিছ মিয়া এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হাছান মিয়া, বরগুনা জেলার সদর উপজেলাধীন নলটোনা ইউপির ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হারুন মিয়া, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হানিফ, ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মোসা. রানী এবং ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মোসা. ছাবিনা ইয়াসমিন। বরখাস্ত হওয়া পৌরসভার কাউন্সিলর হলেন চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. সোলাইমান বাবুল।...

কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের জন্য আজীবন সংগ্রমী মোস্তফা ভুঁইয়া

২২সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: মোঃ মোস্তফা ভুঁইয়া ১৯৫০ সালের মার্চ মাসের ৪ তারিখে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার বাস গ্রামে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম ডাঃ মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া, মাতার নাম মরহুমা রৌশনারা বেগম। তিনি তিন সন্তানের জনক। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যা, আত্মীয়স্বজন সহ অসংখ্য সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি একসময় খাদ্য অধিদপ্তরে সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ১৯৭০ সালে ২১ শে ফেব্রুয়ারিতে চাকুরিতে যোগদান করেন। তার চাকুরি জীবন শুরু হয় পাকিস্তানের করাচিতে। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তান যা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি পুনরায় খাদ্য অধিদপ্তরে যোগদান করেন। ২০০৮ সালে তিনি খাদ্য অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক হিসেবে অবসর গ্রহন করেন। তিনি প্রগতিশীল রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। ২০১১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী স্বদেশ পার্টিতে যাত্রা শুরু করেন। তিনি আমৃত্যু স্বদেশ পার্টির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সমাজসেবা, জনকল্যাণ, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের অধিকার সংগ্রামে জড়িত ছিলেন। তিনি অন্যায়, অত্যাচার, শোষণ, নিপীড়ন, বঞ্চনা- লাঞ্ছনার বিরুদ্ধে একজন বলিষ্ট প্রতিবাদী ছিলেন। তিনি গত ২০২০ সালের ৮ আগস্ট জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে সবাইকে ছেড়ে না ফেরার দেশে পারি জমান। তার অসংখ্য রাজনৈতিক, সামাজিক, সহকর্মী শোকাহিত হৃদয়ে তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছে। তার অভাব পূরণ হবার নয়। তার কর্মীরা এক মূহূর্তের জন্য তাকে ভুলতে পারে না। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, শান্তি, এবং জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করছি। ...

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে আকুল আবেদন

২০সেপ্টেম্বর,রবিবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: সকল শিক্ষারর্থীদের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিশ্চিত করার আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হতে বিরত থাকুন। মার্চ ২০২০ হতে কোভিড-১৯ (করোনা) সংক্রমণ শুরু হয়। পর্যবেক্ষণ দেখা যায় শীত প্রধান অঞ্চলে কোভিড-১৯ সংক্রমণ অধিক। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে সংক্রমণ বেড়েই চলছে। আমাদের দেশ ঘনবসতি পূর্ণ জনবহুল দেশ। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারি বেসরকারি ব্যাক্তি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের প্রচার প্রচারণায় দেশবাসী সচেতন হয়েছে। দেশের মানুষ সতর্ক হয়েছে। স্বাস্থ্য সুরক্ষাবিধি মেনে চলছে। যার ফল আমরা প্রত্যক্ষ করছি। সামনে শীত মৌসুম। এ অবস্থায় কোভিড-১৯ সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা একেবাড়ে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বিভিন্ন মহল বিশিষের দাবীর মুখে একাধিক ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জানা যায় সদাসয় সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শ্রেণির পরিক্ষা ও ক্লাস শুরু করার তথ্য। অবশ্যই এই উদ্যেগ ভাল। কিন্তু এ মুহূর্তে তা কতটুকু যুক্তিযুক্ত। কোভিড-১৯ একটি সংক্রামক ও ছোঁয়াছে রোগ। এর চিকিৎসা ও প্রতিরোধ ব্যাবস্থা অত্যন্ত জটিল। তাই এর সংক্রমণ ঠেকাতে আমাদের দেশের সরকার শত চেষ্ঠার পর সম্পূর্ণ সফল হতে পারেনি। অবশ্য আংশিক সফলতা, যথাপোযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য অবশ্যই সরকারের সাধুবাদ। ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য। কৃতজ্ঞতাচিত্তে ধন্যবাদ জানাচ্ছিও। আমাদের দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিটি শ্রেণিতে ছাত্র-ছাত্রী অনেক। এ অবস্থায় স্বাস্থ্য বিধি মেনে ক্লাস করা কোন অবস্থাতেই সম্ভব নয়। তাই সকল দিকে বিবেচনা করে, প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীর কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিশ্চিত না করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ক্লাস শুরু না করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।- ...

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ- চির অম্লান : ন্যাপ

৬,মার্চ,শনিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরও দেব, এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম যা ‘চির অম্লান’ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া। তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুর এই উদাত্ত আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাঙালি জাতি সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছিল। শনিবার (৬ মার্চ) ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ন্যাপ নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন। তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ওই ভাষণ পরবর্তী সময়ে স্বাধীনতার সংগ্রামের বীজমন্ত্র হয়ে ওঠে। তার এ উদ্দীপ্ত ঘোষণায় বাঙালি জাতি পায় স্বাধীনতার দিকনির্দেশনা। প্রায় ১৯ মিনিটের এ ভাষণে বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার স্বপ্নে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। তার দেয়া স্বাধীনতার ডাক সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। এরই ধারাবাহিকতায় রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ কেবল আমাদের নয় বিশ্ববাসীর জন্য প্রেরণার চিরন্তন উৎস হয়ে থাকবে। নেতৃদ্বয় বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অমিত শক্তির উৎস ছিল ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ। বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণ আমাদের ইতিহাস এবং জাতীয় জীবনের এক অপরিহার্য ও অনস্বীকার্য অধ্যায়। কালজয়ী এই ভাষণ বিশ্বের শোষিত, বঞ্চিত ও মুক্তিকামী মানুষের সবসময় প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। তারা বলেন, ৭ মার্চের ভাষণ সব ধরনের অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে বজ্রতুল্য ঘোষণা, যা কেবল একাত্তরেই নয়, বর্তমান সময়েও আমাদের অনুপ্রাণিত ও উজ্জীবিত করে চলেছে। দুর্নীতি-র্দুবৃত্তায়নের বিরুদ্ধে গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তথা জনগণের মুক্তির লড়াই-সংগ্রামে তার এই ভাষণ আমাদের অনুপ্রেরণা যোগাবে। ন্যাপ নেতারা বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের একদিন পর ৯ মার্চ মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী তার চিরাচরিত দরাজ কণ্ঠে ঘোষণা দেন, হে বাঙালিরা, আপনারা মুজিবের উপর বিশ্বাস রাখেন, তাকে খামোখা কেউ অবিশ্বাস করবেন না, কারণ মুজিবকে আমি ভালোভাবে চিনি। ওই জনসভায় তিনি আরও বলেছিলেন, মুজিবের নির্দেশ মতো আগামী ২৫ তারিখের মধ্যে কিছু না হলে আমি শেখ মুজিবের সঙ্গে মিলে ১৯৫২ সালের মতো তুমুল আন্দোলন গড়ে তুলব। মওলানা ভাসানী এই বক্তব্যের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতি পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করলেন। তারা বলেন, ৭ মার্চের বঙ্গবন্ধুর বক্তব্যের ৯ মার্চ মওলানা ভাসানীর ভাষণের পর প্রধান দুই নেতা একসঙ্গে একই সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে ঐকমত্য প্রকাশ করেন, তখন স্বাধীনতার ক্ষেত্রে আর কোনো সন্দেহের অবকাশ থাকে না।...

খালেদার জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন হাতে পেয়েছি: স্বারষ্ট্রমন্ত্রী

৩,মার্চ,বুধবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন হাতে পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বারষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। বুধবার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার ভাই শামীম এস্কান্দার আবেদনটি গতকাল মঙ্গলবার আমার হাতে দিয়েছেন। এতে শর্ত শিথিল করারও আবেদন করা হয়েছে। আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সিদ্ধান্ত জানাব। এ ব্যাপারে আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত জানাবে সরকার। তিনি জানান, আবেদনে সাজা মওকুফ করে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়ার কথা বলা হয়েছে। এ সময় এক প্রশ্নের জবাবে আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, মাত্র গতকাল চিঠি পেয়েছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবতার জননী। তিনি বিষয়টি ইতিবাচকভাবে নেবেন বলে আমরা আশা করছি। ...

পবিত্র শবে মেরাজ ১১ মার্চ

১২,ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি রোববার থেকে পবিত্র রজব মাস গণনা শুরু হবে। এ প্রেক্ষিতে পবিত্র শবে মেরাজ পালন করা হবে আগামী ১১ মার্চ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে। শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আলতাফ হোসেন চৌধুরী। সভায় জানানো হয়, পবিত্র রজব মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, বাংলাদেশের আকাশে আজ শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) কোথাও ১৪৪২ হিজরি সালের পবিত্র রজব মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে আগামীকাল শনিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) পবিত্র জমাদিউস সানি মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে এবং আগামী রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) থেকে পবিত্র রজব মাস গণনা করা হবে। এই প্রেক্ষিতে আগামী ২৬ রজব ১৪৪২ হিজরী, ২৬ ফাল্গুন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১১ মার্চ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পবিত্র শবে মেরাজ পালিত হবে। সভায় তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মিজান-উল-আলম, ওয়াকফ প্রশাসক আব্দুল্লাহ সাজ্জাদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহা-পরিচালক ফারুক আহম্মেদ (অতিরিক্ত দায়িত্ব), মন্ত্রি পরিষদ বিভাগের উপ-সচিব মো. শাফায়াত মাহবুব চৌধুরী, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মো. মাহবুব আলম, অতিরিক্ত প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মো. শাহেনুর মিয়া, বাংলাদেশ টেলিভিশনের উপ-পরিচালক মো. আবদুর রহমান, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের পিএসও আবু মোহাম্মদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।...

কাবা শরিফ-মদিনায় জুমআ পড়াবেন শায়খ জুহানি ও হুসাইন

১৫,জানুয়ারী,শুক্রবার,ধর্ম ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আলহামদুলিল্লাহ! কাবা শরিফ ও মদিনায় পবিত্র জুমআ অনুষ্ঠিত হবে। মহামারি করোনার প্রাদুর্ভাবের সর্বোচ্চ সতর্কতা ও নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে জুমাদা আল-আখিরাহর প্রথম জুমআ আজ। দুই পবিত্র মসজিদের খুতবাহ ও জুমআর নামাজের জন্য দুইজন সম্মানিত শায়খকে নির্বাচিত করেছে হারামাইন কর্তৃপক্ষ। আজ ১৫ জানুয়ারি ২০২১ মোতাবেক ০২ জুমাদা আল আখিরা। নতুব বছরের তৃতীয় জুমআ ও জুমাদা আল-আখিরার প্রথম জুমআ আদায়ে মুসলিম উম্মাহর সবার জন্য উন্মুক্ত রয়েছে মক্কা ও মদিনা। যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে নামাজে অংশগ্রহণকারীরা যাদের খুতবাহ শুনবেন- কাবা শরিফ : প্রখ্যাত ইসলামিক স্কলার প্রসিদ্ধ ইমাম ও খতিব শায়খ ড. আব্দুল্লাহ আওয়াদ আল জুহানি।- মদিনা মুনাওয়ারা : প্রসিদ্ধ ইমাম ও খতিব শায়খ ড. হুসাইন আল আশ-শায়খ। তবে সর্বোচ্চ স্বাস্থ্য নিরাপত্তা জন্য যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক পরে নিজস্ব মুসাল্লাসহ এ দুই পবিত্র মসজিদে জুমআর নামাজে পড়তে মুসল্লিদের অংশগ্রহণ করতে হবে। উল্লেখ্য, সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জুমআর নামাজের খুতবা ও নামাজ সরাসরি সম্প্রচার করবেন। হারামাইনডট ইনফোসহ অনেক চ্যানেলেও এ নামাজ সরাসরি সম্প্রচারিত হয়।...

সুস্থ থাকতে আঁশযুক্ত খাবার খান

২,ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,স্বাস্থ্য ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আঁশযুক্ত খাবার এমন একটি খাদ্য উপাদান যা দেহের নানা কাজ সুষ্ঠুভাবে করতে সাহায্য করে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমানে আঁশযুক্ত খাবার খেলে তুলনামুলকভাবে বেশিদিন সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকা যায়। আর খাবারে এই উপাদানের ঘাটতি হলে শরীরে নানা ধরনের বিপত্তি ঘটে। ভুট্টা, শিম, বাঁধাকপি, জাম, ওট, ব্রকলি,আপেল, কলা, কমলা, বাদাম ইত্যাদি খাবারে প্রচুর পরিমানে আঁশ পাওয়া যায়। আঁশযুক্ত খাবার খেলে অল্পতেই পেট ভরে যায়। একারণে ঘন ঘন খাবার প্রবণতা কমে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত আঁশযুক্ত খাবার খান তাদের ওজন নিয়ন্ত্রণে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখে। গবেষকরা বলছেন, যারা প্রতিদিন ২৬ গ্রামের বেশি আঁশযুক্ত খাবার খান তাদের ডায়বেটিস হওয়ার সম্ভাবনা অন্যদের তুলনায় কম। আরেক গবেষণায় এটা প্রমানিত হয়েছে, যারা প্রতিদিন ৭ গ্রাম আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ করেন তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় কিছুটা হলেও কমে যায়। প্রতিদিন ১০ গ্রাম আঁশযুক্ত খাবার বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের সম্ভাবনা ১০ ভাগ কমিয়ে দেয় এবং স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি শতকরা ৫ ভাগ কমাতে সাহায্য করে। গবেষণায় এটাও দেখা গেছে, যারা আঁশসমৃদ্ধ শস্যজাতীয় খাবার গ্রহণ করেন তারা অন্যদের তুলনায় দীর্ঘায়ু হন। যেকোন ধরনের কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে আঁশযুক্ত খাবার দারুন কার্যকরী। এছাড়া শরীর থেকে অপ্রয়োজনীয় টক্সিন বের করতে প্রাকৃতিভাবেই কাজ করে এই জাতীয় খাবার। কিছু কিছু আঁশযুক্ত খাবার শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করে। ফলে হাড় মজবুত থাকে। ...

ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটেছে বলেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে: শহীদুল হক

স্পেশাল প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নারায়ণগঞ্জে ধর্ষণের পর খুন হওয়া মেয়েটি জীবিত ফেরার পর পুলিশের তদন্ত এবং রিমান্ডপ্রক্রিয়া আরো একবার প্রশ্নের মুখে। বিরাট প্রশ্ন ক্রসফায়ার বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়েও। এসব প্রশ্ন নিয়েই পুলিশের সাবেক আইজি শহীদুল হকের মুখোমুখি হয়েছিলেন নিউজ একাত্তর একজন স্পেশাল প্রতিনিধি। প্রশ্ন : সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জে এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের মামলায় তিনজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে বলেছে, তারাই ওই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে নদীতে লাশ ভাসিয়ে দিয়েছে। কিন্তু ওই ছাত্রী জীবিত ফিরে এসেছে। পুলিশের পুরো তদন্তব্যবস্থাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে গেল না? শহীদুল হক : দেখুন, এখানে যে সঠিক তদন্ত হয়নি তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। যে তিনজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে তারা হয়তো পুলিশের ভয়েই এটা করেছে। এখন তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সত্য তথ্য বেরিয়ে আসবে। এ ক্ষেত্রে আমার অভিজ্ঞতা যা তা হলো, কোনো কোনো ক্ষেত্রে দেখা যায় বাদীপক্ষের চাপে বা বাদীপক্ষের কাছ থেকে অনৈতিক কোনো সুযোগ নিয়ে কাউকে মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হয়। কাউকে কাউকে গ্রেপ্তারের ঘটনাও ঘটে। প্রশ্ন : ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার তদন্তে তো জজ মিয়ার ঘটনাও ঘটেছে। শহীদুল হক : সরকারের সঙ্গে আঁতাত করে, সরকারের চাপে জজ মিয়ার নাটক সাজানো হয়েছে। ওই ঘটনা পুলিশ বাহিনীর জন্য দুঃখজনক। তবে মনে রাখতে হবে, ওটা ছিল একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। ২১ আগস্ট মামলায় প্রথমদিকে যা হয়েছে, তদন্ত কর্মকর্তা ভালো হলে তাঁর ওপর সরকারের চাপ থাকলে প্রয়োজন হলে তিনি চাকরি ছেড়ে দিতে পারতেন। তা কিন্তু করেননি। দুর্নীতিপরায়ণ দুই-চারজন তদন্ত কর্মকর্তার কারণেই মাঝে মাঝে পুলিশের ওপর দোষ চাপে। নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলি, আমি চাঁদপুরের এসপি পদে থাকার সময় সেখানে একজন ওসি ছিল, মিয়া মো. শরীফ। তাকে কোনোভাবেই বাগে আনা যাচ্ছিল না। এক প্রভাবশালীর ছত্রচ্ছায়ায় একের পর এক অপকর্ম করেই যাচ্ছিল। একপর্যায়ে তাকে বদলির আদেশ দেওয়া হলো। কিন্তু সে ওই প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছে চলে গেল। এরপর একদিন তৎকালীন আইজি মহোদয় আমাকে ফোন করে বললেন, এটা নিয়ে যেন আমি আর কথা না বলি। কিন্তু আমি থেমে থাকিনি। আমি চাপের কাছে নতি স্বীকার করিনি। প্রশ্ন : কিন্তু এ রকম একজন-দুজনের কারণে তো গোটা পুলিশ বাহিনীর ওপরই দায় চলে আসছে। শহীদুল হক : এক-দুজনের কারণে গোটা বাহিনী কলঙ্কিত হতে পারে না। হয়ও না। দেশের মানুষ সচেতন। তারা সব বোঝে। দেখুন, করোনাভাইরাসের মতো মহামারির সময় এই পুলিশ বাহিনীর কর্মকাণ্ড সর্বমহলে প্রসংশিত হয়েছে। জঙ্গি দমনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা সবাই দেখছে। পুলিশের এত ভালো কাজের মধ্যে দু-একটি ঘটনা গোটা বাহিনীর সাফল্যকে ম্লান করে দিতে পারে না। প্রশ্ন : প্রতিটি ক্রসফায়ারের ঘটনার পর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, তা সব ঘটনার ক্ষেত্রে একই ধরনের। সত্যি বললে মানুষের কাছে এর কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই। হাসাহাসিই হয় অনেক ক্ষেত্রে। শহীদুল হক : আমি নিজেও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে বিশ্বাস করি না। কেউ অপরাধ করলে তাকে বিচারের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত। তবে একটা কথা, আমাদের দেশে মাঝে মাঝে কিছু এনকাউন্টার বা ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটছে। এই ক্রসফায়ারের ঘটনার প্রেক্ষাপট জানতে হবে। দেশে অনেক বড় বড় সন্ত্রাসী ছিল, যাদের গ্রেপ্তার করে রাখা যেত না। কয়েক দিন কারাগারে থাকার পর জামিনে বেরিয়ে এসে আরো বড় বড় অপরাধ করত। আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতির প্রেক্ষাপটে ২০০৪ সালে শুরু হয় ক্রসফায়ারের ঘটনা। তখন বড় সন্ত্রাসীরা ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছে। দেশের মানুষ ওটাকে ব্যাপকভাবে সমর্থন দিয়েছে। এভাবে দেখলে, সেই সময় ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটেছে বলেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। আরেকটা কথা, কোনো মামলায় অপরাধীকে গ্রেপ্তারের পর অভিযোগপত্র দেওয়া হয় আদালতে। কিন্তু আদালতে মামলা বছরের পর বছর পড়ে থাকে। বিচারের এই দীর্ঘসূত্রতার কারণেই আসামিরা জামিনে বেরিয়ে এসে আরো অপরাধ করে। দেশে যদি দ্রুত বিচারকাজ সম্পন্ন হতো এবং আসামিদের যদি জামিন না হতো তাহলে এই ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটত না বল মনে করি। প্রশ্ন : ক্রসফায়ারে নিরীহ মানুষ হত্যার অভিযোগ উঠছে। কখনো কখনো অর্থ নিয়ে বা অর্থের জন্য এ ধরনের ঘটনা ঘটছে এমনও আমরা দেখছি... শহীদুল হক : এ রকম দু-একটি ঘটনা যে ঘটছে না তা বলা যাবে না। এ কারণেই তো এটা নিয়ে এত কথা হচ্ছে। আমার কথা হলো, এ রকম নিরীহ মানুষ হত্যা করা হলে জড়িত আইন-শৃঙ্খল বাহিনীর সদস্যদের কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা দরকার। প্রশ্ন : দেখা যায়, আইন-শৃঙ্খল বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে বড়জোর দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করার ঘটনা ঘটে। এরপর আর কিছু হয় না। শহীদুল হক : এ কথা সত্য নয়। প্রথামিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়। এরপর তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে চাকরিচ্যুত, বেতন কমানো, পদের অবনমন ইত্যাদি ঘটনা ঘটে। এ রকম বহু ঘটনা আছে। যা কখনো মিডিয়ায় আসে না বলেই মানুষ প্রথমটুকুই দেখে মূল্যায়ন করে। পরেরটুকু দেখলে বা মিডিয়ায় এলে মানুষের ভুল ধারণা কেটে যাবে। ...

কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের জন্য আজীবন সংগ্রমী মোস্তফা ভুঁইয়া

২২সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: মোঃ মোস্তফা ভুঁইয়া ১৯৫০ সালের মার্চ মাসের ৪ তারিখে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার বাস গ্রামে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম ডাঃ মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া, মাতার নাম মরহুমা রৌশনারা বেগম। তিনি তিন সন্তানের জনক। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যা, আত্মীয়স্বজন সহ অসংখ্য সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি একসময় খাদ্য অধিদপ্তরে সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ১৯৭০ সালে ২১ শে ফেব্রুয়ারিতে চাকুরিতে যোগদান করেন। তার চাকুরি জীবন শুরু হয় পাকিস্তানের করাচিতে। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তান যা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি পুনরায় খাদ্য অধিদপ্তরে যোগদান করেন। ২০০৮ সালে তিনি খাদ্য অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক হিসেবে অবসর গ্রহন করেন। তিনি প্রগতিশীল রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। ২০১১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী স্বদেশ পার্টিতে যাত্রা শুরু করেন। তিনি আমৃত্যু স্বদেশ পার্টির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সমাজসেবা, জনকল্যাণ, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের অধিকার সংগ্রামে জড়িত ছিলেন। তিনি অন্যায়, অত্যাচার, শোষণ, নিপীড়ন, বঞ্চনা- লাঞ্ছনার বিরুদ্ধে একজন বলিষ্ট প্রতিবাদী ছিলেন। তিনি গত ২০২০ সালের ৮ আগস্ট জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে সবাইকে ছেড়ে না ফেরার দেশে পারি জমান। তার অসংখ্য রাজনৈতিক, সামাজিক, সহকর্মী শোকাহিত হৃদয়ে তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছে। তার অভাব পূরণ হবার নয়। তার কর্মীরা এক মূহূর্তের জন্য তাকে ভুলতে পারে না। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, শান্তি, এবং জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করছি।


সুস্থ থাকতে আঁশযুক্ত খাবার খান

২,ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,স্বাস্থ্য ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আঁশযুক্ত খাবার এমন একটি খাদ্য উপাদান যা দেহের নানা কাজ সুষ্ঠুভাবে করতে সাহায্য করে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমানে আঁশযুক্ত খাবার খেলে তুলনামুলকভাবে বেশিদিন সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকা যায়। আর খাবারে এই উপাদানের ঘাটতি হলে শরীরে নানা ধরনের বিপত্তি ঘটে। ভুট্টা, শিম, বাঁধাকপি, জাম, ওট, ব্রকলি,আপেল, কলা, কমলা, বাদাম ইত্যাদি খাবারে প্রচুর পরিমানে আঁশ পাওয়া যায়। আঁশযুক্ত খাবার খেলে অল্পতেই পেট ভরে যায়। একারণে ঘন ঘন খাবার প্রবণতা কমে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত আঁশযুক্ত খাবার খান তাদের ওজন নিয়ন্ত্রণে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখে। গবেষকরা বলছেন, যারা প্রতিদিন ২৬ গ্রামের বেশি আঁশযুক্ত খাবার খান তাদের ডায়বেটিস হওয়ার সম্ভাবনা অন্যদের তুলনায় কম। আরেক গবেষণায় এটা প্রমানিত হয়েছে, যারা প্রতিদিন ৭ গ্রাম আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ করেন তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় কিছুটা হলেও কমে যায়। প্রতিদিন ১০ গ্রাম আঁশযুক্ত খাবার বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের সম্ভাবনা ১০ ভাগ কমিয়ে দেয় এবং স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি শতকরা ৫ ভাগ কমাতে সাহায্য করে। গবেষণায় এটাও দেখা গেছে, যারা আঁশসমৃদ্ধ শস্যজাতীয় খাবার গ্রহণ করেন তারা অন্যদের তুলনায় দীর্ঘায়ু হন। যেকোন ধরনের কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে আঁশযুক্ত খাবার দারুন কার্যকরী। এছাড়া শরীর থেকে অপ্রয়োজনীয় টক্সিন বের করতে প্রাকৃতিভাবেই কাজ করে এই জাতীয় খাবার। কিছু কিছু আঁশযুক্ত খাবার শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করে। ফলে হাড় মজবুত থাকে।

আওয়ামী রাজনীতির কঠিন দুঃসময়ে আদর্শিক ও পরিক্ষীত যোদ্ধার নাম গিয়াস উদ্দিন হিরু

২৪,ফেব্রুয়ারী,বুধবার,নিউজ একাত্তর ডট কম: মৃত্যুঞ্জয়ী ছাত্রনেতা।অকুতোভয় সাহসী বীর।চট্রলার আলোচিত ১২ ছাত্রনেতার অন্যতম।চট্রগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের ৮৬ - ৯০ এর দিকে দাপুটে নেতা ছিলেন। ১৯৯০ সালে স্বৈরচ্চার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের হিরুর ভুমিকা অতুলনীয়।দলের জন্য তার জীবনের মুল্যবান সময় এমনকি ২০ টির উপর মামলা হুলিয়া নিয়ে আন্দোলন সংগ্রাম করে যায়। জেল জুলুমের শিকার আর হুলিয়া নিয়ে মাঠের পরিক্ষীত সাবেক মেধাবী ছাত্রনেতা প্রিয় হিরু।যার ফলশ্রুতিতে আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে ক্ষমতার মুখ দেখে। রাত দিন লড়াই সংগ্রাম করতে গিয়ে ও তাদেরকে বিতাড়িত করতে গিয়ে এরশাদ সরকার মার্শাল আইনে বিচার করে হিরুর উপর ষ্টিম রোলার চালায় যা ইতিহাসের অংশ।সেই ৮০ /৯০ এর দুঃসময়ে রাজনীতি করতে গিয়ে তার জীবনে নেমে আসে এক কালো অধ্যায়। সেই দুঃসময়ের কাল অতিক্রম করে এগিয়ে যেতে হিরুর ত্যাগ আর তিতিক্ষার কথা বর্ননাতীত।আওয়ামী পরিবারের সন্তান হিসাবে সাতকানিয়া ধর্মপুরে পিতার আদর্শের উপর প্রতিষ্ঠিত দল আওয়ামী লীগের ঘরনার ছেলে হিসাবে হিরু ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৮০সালের দিকে স্কুল ছাত্রলীগের সভাপতি থেকে ৮৬ সালে চট্টগ্রাম সরকারি মহসিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি, এক সময়ে ১৯৯৪ সালের দিকে জাতীয় পরিষদের কেন্দ্রীয় সদস্য,২০০২ সালের দিকে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের স্টিয়ারিং ১ম সদস্য নির্বাচিত হন।চট্রগ্রাম কেন্দিক সিটি কলেজ গ্রুপের অন্যতম হলেন হিরু।তার বন্ধু শহীদ কামাল উদ্দিনের মৃত্যুতে কিছুটা নমনীয় থাকলে আবারও মাঠের রাজনীতির পুরোধা ছিলেন। ১৯৯৪ সালে বিখ্যাত রাজাকার গোলাম আজমের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে ততকালীন জোট সরকারের রোষানলে পড়েন।৯৬ সালের দিকে বিএনপির বিরুদ্ধে লড়াই সংগ্রাম করতে গিয়ে জীবনের নেমে আসে এক ভয়াবহ অবস্থা যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। ২০০১,১/১১ বিএনপি -জামাত ও অগনতান্তিক আন্দোলন করতে গিয়ে প্রায় ৩০টির উপর মামলায় অভিযুক্ত হয়ে কারাগারে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন তবু্ও দমে থাকেনি। জীবনের মুল্যবান সময়, মেধা, টাকা, শ্রম ও ত্যাগ করে সব কিছু বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দেশরত্ন শেখ হাসিনার ভোটের অধিকার বাস্তবায়নে বীর চট্রলার নায়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন যা ইতিহাসের অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। আজীবন মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করে যাওয়া একটা নাম হিরু। ২০১২ সালের দিকে নিজ এলাকায় পিতার চেয়ারম্যান আসনে বসতে নিজ গ্রাম সাতকানিয়া ধর্মপুরে যায় কিন্তু জেলা, উপজেলা আওয়ামী লীগ এই পরিক্ষীত ও আদর্শিক যোদ্ধার নাম নাদিয়ে দলচ্যুত ব্যক্তির নাম দেয়।হিরু নাম না দেওয়া তিনি সোজা কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতার দুয়ারে দুয়ারে যাই সেই সামান্য একজন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হতে।কিন্তু সেই মনোনয়ন তার কপালে জুটল না যা ইতিহাসের অংশ হিসেবে আজ গন্য হল কিন্তু সেই দলচ্যুত পরাজিত লোক আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে চেয়ারম্যান হয় আর হিরুর মত আদর্শিক ও পরিক্ষীত সাবেক ছাত্রনেতা সামান্য একটা দলীয় চেয়ারম্যান মনোনয়ন পায়না। দীর্ঘদিন,সাংস্কৃতিক জোট, খেলাঘর আসর, কামাল স্মৃতি সংসদের সংগঠনে মাধ্যমে হাজারো নেতার কারিগর ছিলেন হিরু। সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের মাধ্যমে আলকরন, ফিরঙ্গীবাজার, মাদারবাড়ী, পাথরঘাটা, আন্দরকিল্লা, জামালখান ওয়ার্ড সহ বিভিন্ন জায়গায় গড়ে তুলছে হাজার হাজার নেতা কর্মী যা নতুন প্রজন্মের জন্য আর্শীবাদ।আর দুঃসময়ে সিটি কলেজ ছাত্রলীগের ঘাটি হিসেবে গড়ে তুলছে।১/১১,২০০১ এর কঠিন সময়ে চট্রগ্রাম মহানগর ছাড়া পার্শ্ববর্তী পটিয়া, আনোয়ারা, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ, বাশখালী, লোহাগড়া, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, হাটহাজারী, সন্দ্বীপ, ফেনি সহ বিভিন্ন জায়গায়র নির্যাতিত লোকের আশ্রয়স্থল হিসাবে হিরুর অবদান ভুলবার নয়। দীর্ঘদিন পদ বঞ্চিত হওয়ার পর ২০০৬ সালের চট্রগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলনে কোনো দায়িত্ব পায়নি।২০১২ সালে সম্মেলনে চট্রগ্রাম মহানগর সম্মেলনে তাকে কোনো পদে রাখেনি।কারণ হিরুর জনপ্রিয় তুঙ্গে।দমে থাকার লোক নয় বলে আদর্শিক ও পরিক্ষীত যোদ্ধা হিরু আবারও গতির সঞ্চার করে রাজনীতি করে যাচ্ছে। এলাকার মানুষের ভালবাসা আর কর্মীদের নিয়ে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। ৮০,৯০ দশকের জিয়া, এরশাদ স্বৈরচ্চার বিরোধী আন্দোলন, ৯৬ খালেদা বিরোধী আন্দোলন ও ২০০১, ১/১১ আন্দোলন সংগ্রামে চট্রগ্রাম মহানগর নিউমার্কেট চত্ত্বরে হরতাল সহ আন্দোলন সংগ্রামে হিরুর অবদান কিংবদন্তি। স্বৈরচ্ছার ও অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি প্রতিষ্ঠায় তার অবদান অনস্বীকার্য। অনেক সংগ্রাম আর আন্দোলন করে দলকে ক্ষমতায় আনলে তাদের কপালে জুটল না কোন ভালো পদবী বা এমনকি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। আদর্শিক ও পরিক্ষীত সাবেক মেধাবী ছাত্রনেতার পাশাপাশি এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক ও উন্নয়নমুলক কাজের মাধ্যমে নিজ গুণে প্রতিষ্ঠা লাভ করলেও আর কখনো ক্ষমতা আর টাকার নিকট পরাজিত হয়ে হিরুর নিকট কোন ভালো পদবী জুটেনি। চট্রগ্রাম মহানগর এলাকায় সিটি কলেজ গ্রুপ শক্তিশালী। আর সাতকানিয়া ধর্মপুর ইউনিয়নে তার জনপ্রিয় তুঙ্গে যা বলার উপেক্ষা রাখেনা। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন লাভের আশায় আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা স্থানীয় সরকার কমিটির প্রতিটি সদস্যদের কাছে আকুতি মিনতি এমনকি কান্নায় জর্জরিত হয়ে তার রাজনীতির ত্যাগের কথা তুলে ধরে এগিয়ে যাচ্ছে দুঃসময়ের রাজনীতির নায়ক হিরু।নমিনেশন বোর্ড তাকে নমিনেশন না দিয়ে স্থানীয় জেলা ও উপজেলার সুপারিশে টাকার বিনিময়ে দলচ্যুত ব্যক্তিকে দলীয় মনোনয়ন দিল যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও বেদনাদায়ক ঘটনা।দলের দুঃসময়ের কর্মী তথা আন্দোলন সংগ্রামের পুরোধা হিরুর মত আদর্শিক নেতার মুল্যায়ন হল না যা আমাদের রাজনীতির জন্য অশুভ সংকেত। আজ অবহেলিত ও আদর্শিক যোদ্ধা হিরুর মুল্যায়ন করাতো দুরের কথা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের নক্সা করে গেছে এক শ্রেণীর ধান্ধাবাজ ও বর্ণচোরা লোক।এলাকায় তার সুনাম আছে। সব জায়গায় হাইব্রিড, চামচা, ব্যবসায়ী আর দলচ্যুত ব্যক্তির নিকট বন্দী মনোনয়ন আর রাজনীতির পদবি।হিরুর ত্যাগ তিতিক্ষা আর লড়াই সংগ্রামের কথা বিবেচনা করে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে মনোকষ্ট পেয়ে শেষ অবধি হার্ট অ্যাটাক আক্রান্ত হয়ে আর ফিরে এলোনা প্রিয় হিরু। রাজনীতির উজ্জ্বল নক্ষত্রের পতন হলো। বর্তমানে রাজনৈতিক পরিক্ষীত ও আদর্শিক যোদ্ধারা বড়ই অসহায়।তারা দুঃসময়ে রাজনীতি করেছেন বলে আজ দলের ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছে। আর দলের আদর্শিক যোদ্ধারা মনোনয়ন না পেয়ে হতাশায় নিমজ্জিত হচ্ছে বলে দলের তেরেটা বাজাচ্ছে সবক্ষেত্রে। কেন্দ্রীয় নেতা ও বোর্ডের সদস্যদের নিকট গিয়েছে সামান্য একটা ওয়ার্ড চেয়ারম্যান হওয়ার জন্য কিন্তু সেই তার ত্যাগের মূল্যায়ন পাবে বলে আশায় বুক বেধে আছে।অধির আগ্রহের সাথে কাজ করে যাচ্ছে সামান্য একজন প্রতিনিধি হওয়ার জন্য আর যেখানে তার ছাত্র প্রছাত্ররা বিভিন্ন জায়গায় এমপি, মন্ত্রী, কেন্দ্রীয় নেতা, সচীব, আমলা, মেয়র, উপজেলার চেয়ারম্যান এমনকি সব জায়গায় তার লোক ভালো পদে অধিষ্ঠিত।সব জায়গায় তার ছাত্ররা ভালো আছে সেখানে আদর্শিক ও পরিক্ষীত আওয়ামী লীগ নেতা হিরুর অবস্থান তেমন ভালো নেই,খুবই অসহায়।সবাই ক্ষমতা আর টাকার নিকট জিম্মি।হিরুর মত বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া সাবেক ছাত্রনেতা চেয়ারম্যান হলে সুবিধা অনেক । কেননা হিরুর বন্ধুরা সচিব,অতিরিক্ত সচিব বা ভালো পদে আছে। কর্মকর্তাগন তার নিকট কোন বিষয় নয়।শিক্ষিত হিরু ত্যাগী ও আদর্শিক নেতা হিসাবে নিজ গুণে কাজ করতে পারবে। কোন এমপি,মন্ত্রীর দরকার হবে না বিধায় সবাই তাকে সমীহ করে যাবে। এক শ্রেণির নেতারা চামচা আর ক্ষমতার অপব্যবহার করে আজ রাজনীতির তেরেটা বাজাচ্ছে। হিরু ক্ষমতার বাইরে থেকে কিছু পায়নি দলের শেষ পর্যন্ত নিজের জীবন দিয়ে গেছে যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। নিজ স্ত্রী ও অসুস্থ হয়ে মৃত্যু বরন করেন।ক্ষমতার আওয়ামী লীগ তাকে কিছুই দেয়নি শুধু পেয়েছে বিষাদ আর জ্বালা। কোন তদবির ও ব্যবসা করতে পারেনি বলে হিরুরা শুধু আদর্শ নিয়ে বেচে ছিল।জীবনের সুখ নামক তার কাছ থেকে অনেক দুরে।দল ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলেও হিরুরা ক্ষমতার বাইরে ছিল। জীবন সংগ্রাম করতে করতে এক সময়ে জীবন্ত কিংবদন্তি বীর হিরু পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে বিদায় নিয়েছে। আজীবন মানুষেরা হিরুদেরকে হিরু হিসাবে মনে রাখবে।কারণ আদর্শ কাকে বলে তা হিরুর কাছ থেকে শিক্ষা নেওয়া যাবে। ছাত্র জীবনে তার বক্তব্য,মেধা আর কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে ছিল আমার রাজনীতির অনুপ্রেরণা। ঢাকায় আসলে সর্ব প্রথমে আমাকে ফোন দিবে। ক্ষমতার রাজনীতির দৈন্যদশার কথা গুলো বলবে আর সাহসীকতার আদর্শিক রাজনীতির করার জন্য বারংবার উপদেশ দিত।আজ কষ্ট লাগে কারণ চট্রলার ছাত্র রাজনীতির এক আদর্শিক লিজেন্ড বিদায়।বিদায় বীর ছাত্র জনতার অভিভাবক। বিদায় প্রিয় নেতা হিরু।এমন এক কঠিন দুঃসময়ে ছিল তবুও কখনো আপোষ করেননি।নিজের পরিবার কখনো চিন্তা করতনা শুধু দল আর জননেত্রী শেখ হাসিনার চিন্তায় মগ্ন থাকত।অবহেলিত হিরুরা আসলেই হিরু। তার আদর্শ বাস্তবায়নে আমরা মত হাজার হাজার কর্মী এগিয়ে যাচ্ছে। আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন আমিন।তার আত্ত্বার মাগফেরাত কামনা করছি ও বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই।- লেখক: তসলিম উদ্দিন রানা,কলামিস্ট ও রাজনীতিবিদ

আজকের মোট পাঠক

42991

নিউজ একাত্তর ডট কম

সম্পাদক : মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী

নির্বাহী সম্পাদক : আহাম্মদ হোসেন ভুইয়া

একটি পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন এর প্রকাশনা | রেজি নং: চ-১২৪২৭/১৭

চট্টগ্রাম কার্যালয় : ১৯/২০/২১ বি ৩য় তলা, হানিমুন টাওয়ার,পাহাড়তলী,চট্টগ্রাম।

ই-মেইল : newsekattor@gmail.com, editorekattor@gmail.com, কপিরাইট ©newsekattor.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত