সোমবার, ডিসেম্বর ৬, ২০২১
ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ কেটে, কোথাও গুঁড়িগুঁড়ি কোথাও মাঝারি ধরনের বর্ষণ, ভারী বর্ষণের আভাস
৬ ডিসেম্বর ২০২১ , সোমবার , নিজস্ব সংবাদদাতা , নিউজ একাত্তর : ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ কেটে গেছে। বর্তমানে লঘুচাপের প্রভাবে কোথাও গুঁড়িগুঁড়ি, কোথাও মাঝারি ধরনের বর্ষণ হচ্ছে। রয়েছে পাঁচ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস। একদিকে বর্ষণ, অন্যদিকে হিমশীতল বাতাসে নাকাল দেশবাসী। বর্ষনের মধ্যেই সাধারণ মানুষকে গরম কাপড় গায়ে চেপে বেরুতে হচ্ছে বাইরে। রাজধানীতে টানা বৃষ্টিতে অনেক জায়গায় সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। রাস্তায় সৃষ্টি হয়েছে যানজট। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছে মানুষ। আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানিয়েছেন, উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে আজ (০৬ ডিসেম্বর) সকাল ১০ টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে খুলনা, রাজশাহী, ঢাকা, বরিশাল ও চট্রগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী (২২-৪৩ মি.মি.) থেকে ভারী (৪৪-৮৮ মি.মি.) বর্ষণ হতে পারে।
বিএফইউজের ৮ দফা কর্মসূচির প্রচারাভিযান
৫ ডিসেম্বর ২০২১ , রবিবার , নিজস্ব সংবাদদাতা , নিউজ একাত্তর : গণমাধ্যমকর্মী (চাকরি শর্তাবলী) আইন দ্রুত পাস, নবম ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদ সংশোধন ও বাস্তবায়ন করাসহ ৮ দফা কর্মসূচি ভিত্তিক প্রচারাভিযান শুরু করেছে বিএফইউজে- বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন। বিএফইউজের সভাপতি ওমর ফারুক ও মহাসচিব দীপ আজাদ আজ বিএফইউজে অফিস, জাতীয় প্রেসক্লাব ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি প্রাঙ্গণে প্রচারপত্র বিতরণের মাধ্যমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। ৮ দফা কর্মসূচির অন্য দফাগুলো হলো- সকল প্রতিষ্ঠানে সাংবাদিকদের নিয়োগপত্র প্রদান, বেতন-ভাতা নিয়মিত প্রদান ও বকেয়া পরিশোধ করা, জাতীয় সম্প্রচার আইন দ্রুত প্রণয়ন করা, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন করা, সাংবাদিক নির্যাতনের বিচার নিশ্চিত করা, ষাটোর্ধ্ব সাংবাদিকদের জন্য অবসর ভাতা বা পেনশন চালু করা এবং সাংবাদিকদের আবাসন প্রকল্পের জন্য জমি বরাদ্দ নিশ্চিত করা। বিএফইউজের সভাপতি ওমর ফারুকের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, সহ-সভাপতি , যুগ্ম মহাসচিব শেখ মামুনুর রশীদ, দপ্তর সম্পাদক সেবীকা রানী, নির্বাহী পরিষদ সদস্য উম্মুল ওয়ারা সুইটি, নুরে জান্নাত আখতার সীমা ও শেখ নাজমুল হক।
জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক নীতিমালা শিগগির মন্ত্রিসভায় উত্থাপন
৫ ডিসেম্বর ২০২১ , রবিবার , নিজস্ব সংবাদদাতা , নিউজ একাত্তর : দেশে প্রথমবারের মতো জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং তা শিগগির মন্ত্রিসভায় উত্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। রোববার (৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস-২০২১ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘ ভলান্টিয়ারের একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিলে তারা জানায় যে, বাংলাদেশে কোনো স্বেচ্ছাসেবক নীতিমালা নেই। সংস্থাটির পক্ষ থেকে একটি জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক নীতিমালা প্রণয়নের অনুরোধ জানায়। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনা করে তার সম্মতি নিয়ে জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক নীতিমালা প্রণয়নের কাজ শুরু করা হয়। ইতোমধ্যে নীতিমালা প্রণয়নে ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করে অনেকগুলো সভা এবং তৃণমূল ও বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে নীতিমালার খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানান তিনি। মো. তাজুল ইসলাম আরও বলেন, বাংলাদেশে বিদ্যমান স্বেচ্ছাসেবার এই মহৎ কাজকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া ও স্বেচ্ছাসেবা প্রদানকারী ব্যক্তিদের স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে অন্যদের উৎসাহিত করা, যাতে সৃজনশীল ও পরকল্যাণমূলক জাতি হিসেবে বাংলাদেশ তার মর্যাদা আরও বৃদ্ধি করতে পারে। এ নীতিমালা স্বেচ্ছাসেবা চর্চার বিষয়কে আর গতিশীল করবে, যা জাতীয় উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে স্বেচ্ছাসেবাকে উন্নয়ন নীতিমালা বিশেষত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে একটি কৌশল হিসেবে কাজ করবে। দেশের বিভিন্ন দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য স্বেচ্ছাসেবায় জনসাধারণের প্রবেশ ও স্বেচ্ছাসেবার চর্চা খুবই গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, গ্রাম ও শহরের যে কোনো জলবায়ু, মহামারি, সামাজিক বা অন্য কোনো বিপর্যয় থেকে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব হবে। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের মধ্যেও সিটি করপোরেশন, জেলা-উপজেলা, পৌরসভা-ইউনিয়ন পরিষদেও জনপ্রতিনিধি, ছাত্র-শিক্ষক, এনজিও কর্মী এবং সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ অনেকেই স্বেচ্ছাসেবী কাজে অংশ গ্রহণ করেছেন। জাতীয় নীতিমালা হলে যে কোনো দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো স্বীকৃতি পাবে। স্থানীয় সরকার বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আখতার হোসেন, ইউএনভি এশিয়া ও প্যাসিফিকের রিজিওনাল ম্যানেজার সেলিনা মিয়া (ভার্চুয়াল), ইউএনএফপিএ’র রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. একো নারিতা, বাংলাদেশ নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক তুয়োমো পৌতিয়াইনেন। এছাড়া স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মো. নুরে আলম সিদ্দিকী, ইউএনভি বাংলাদেশের কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর মো. আকতার উদ্দিন, ভিএসও বাংলাদেশ বিজনেস পারস্যুইট লিড সালাউদ্দিন আহমেদ এবং ওয়াটার এইড বাংলাদেশের পলিসি ও অ্যাডভোকেসি ডিরেকটর পার্থ হেফাজ শাইখ বক্তব্য রাখেন। কমিউনিটির উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখায় আইভিডি বাংলাদেশ ভলান্টিয়ার এওয়ার্ড-২১ ইউএনডিপি এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে এ বছর প্রথমবারের মতো ২০ জন ইউএন ভলান্টিয়ারকে সম্মাননা দেওয়া হয়।
জাতীয় এসএমই পণ্য মেলা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
৫ ডিসেম্বর ২০২১ , রবিবার , নিজস্ব সংবাদদাতা , নিউজ একাত্তর : নবম জাতীয় এসএমই পণ্য মেলা-২০২১ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার সকালে প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) ৮ দিনব্যাপী এই মেলার উদ্বোধন করেন। এসএমই ফাউন্ডেশন করোনা ভাইরাসের কারণে ১৯ মাস বিরতির পর বার্ষিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে। চলছে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত। প্রথমবারের মতো ১০টি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এই মেলায় অংশ নিচ্ছে। পাশাপাশি জাতীয় এসএমই পণ্য মেলায় সারাদেশ থেকে বাছাইকৃত ৩শএসএমই প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। যাদের প্রায় ৬০ শতাংশ নারী উদ্যোক্তা। ফাউন্ডেশন ২০২০ সালের মার্চ মাসে শেষ এসএমই মেলার আয়োজন করেছিলো। দেশে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পরে মেলা বন্ধ করা হয়। এই মেলার লক্ষ্য ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এসএমই) সহায়তা করা এবং করোনা মহামারী দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত বাজার উন্নত করা। মেলায় প্রদর্শনীতে পাট, পাটজাত পণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, হস্তশিল্প, বেতের পণ্য, মৃৎশিল্প, সিরামিক, কৃত্রিম ফুল, গহনা, বুটিকস, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, জামদানি, কৃষি প্রক্রিয়াকরণ ইত্যাদি পণ্য রয়েছে। এছাড়া লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, প্লাস্টিক, ইলেকট্রনিক ও ইলেকট্রিক্যাল, এগ্রো মেশিনারি এবং আইটি ও কুরিয়ার সেক্টরের পণ্যও মেলায় থাকবে। ৮ দিনব্যাপী এই মেলায় অর্থায়ন প্রক্রিয়া, নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন, প্রযুক্তি উন্নয়ন, ৪র্থ শিল্প বিপ্লব এবং ক্লাস্টার উন্নয়নের উপর চারটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন জাতীয় এসএমই পুরস্কার ২০২১ বিজয়ী চার উদ্যোক্তার হাতে ক্রেস্ট, সনদ ও চেক তুলে দেন। মেলায় বিশেষ অতিথি এবং আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, শিল্প সচিব জাকিয়া সুলতানা, এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন এবং এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন ড. মো. মাসুদুর রহমান বক্তব্য রাখেন। মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।
সামাজিক সমতা-ন্যায়বিচারই শান্তি প্রতিষ্ঠার মূল ভিত্তি
৫ ডিসেম্বর ২০২১ , রবিবার , নিজস্ব সংবাদদাতা , নিউজ একাত্তর : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অটিজম বিশেষজ্ঞ সায়মা ওয়াজেদ পুতুল বলেছেন, সামাজিক সমতা ও ন্যায়বিচারই শান্তি প্রতিষ্ঠার মূল ভিত্তি। এর মাধ্যমেই সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব। রোববার (৫ ডিসেম্বর) রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। রোববার সকালে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে বিশ্ব শান্তি সম্মেলনের এক প্যানেল সেশনে বক্তব্য রাখেন সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। প্যানেল সেশনে আলোচনায় ভার্চ্যুয়ালি অংশ নিয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সারা জীবন সামাজিক সমতা, ন্যায়বিচার ও সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন। একইসঙ্গে তিনি সব সমস্যা সংলাপের মধ্য দিয়ে সমাধানে বিশ্বাসী ছিলেন। এর মধ্য দিয়েই তিনি শান্তির জন্য কাজ করে গেছেন। অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ও পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন উপস্থিত ছিলেন। শনিবার ঢাকায় শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী বিশ্ব শান্তি সম্মেলন। রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এ সম্মেলনে বিশ্বের ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন। এদের মধ্যে ৫৯ জন প্রতিনিধি সশরীরে যোগ দিয়েছেন। আর ৪০ জন প্রতিনিধি ভার্চ্যুয়ালি অংশ নিয়েছেন। রোববার এ সম্মেলন শেষ হবে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বিশ্বে রোল মডেল বাংলাদেশ: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী
৪ ডিসেম্বর ২০২১ , শনিবার , নিজস্ব সংবাদদাতা , নিউজ একাত্তর : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার দেশকে সারা বিশ্বের কাছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে । তিনি আজ রাজধানীর হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ মিলনায়তনে আয়োজিত দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও সাড়াদানে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি)'র স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মো. মোহসীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ক্যাপ্টেন (অব.) এবি তাজুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এটিএম আব্দুল ওয়াহ্হাব। ডা. এনাম বলেন, বঙ্গবন্ধু ১৮ হাজার স্বেচ্ছাসেবক নিয়ে সিপিপির যাত্রা শুরু করেছিলেন, যাঁরা আগাম সতর্ক সংকেত প্রচার এবং সন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রমের মাধ্যমে মানুষের জানমাল রক্ষায় ব্যাপক ভূমিকা রেখে আসছে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক-নির্দেশনায় সিপিপি স্বেচ্ছাসেবক সংখ্যা ৭৬ হাজার ২০ জনে উন্নীত হয়েছে। এই স্বেচ্ছাসেবকদের ৫০ শতাংশ নারী । তিনি আরো বলেন, সারাদেশ জুড়ে আধুনিক আবহাওয়া রাডার এবং পূর্বাভাস ব্যবস্থা রয়েছে। উপকূলে ৫ হাজারের বেশি বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে। জরুরি পরিস্থিতিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। দুর্যোগে প্রাণহানির তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ১৯৭০ সালের ঘূর্ণিঝড়ে ১০ লক্ষাধিক মানুষ প্রাণ হারান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃত্বে সাম্প্রতিক কালে একই মাত্রার ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণহানি একক সংখ্যায় নেমে এসেছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনায় ঘূর্ণিঝড় ও বন্যা পরিস্থিতিতে মানুষের জানমাল রক্ষার্থে মাটির কিল্লা নির্মাণ করা হয়, যা সর্ব সাধারণের কাছে মুজিব কিল্লা নামে পরিচিত। তারই আধুনিক রূপে উপকূলীয় ও বন্যা উপদ্রুত ১৪৮ টি উপজেলায় ৫৫০টি মুজিব কিল্লা নির্মাণ, সংস্কার ও উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পরে, প্রতিমন্ত্রী দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও সাড়াদানে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি)'র ১০৬ স্বেচ্ছাসেবকের (৫৩ জন নারী ও ৫৩ জন পুরুষ স্বেচ্ছাসেবক) প্রত্যেককে পুরস্কার হিসেবে নগদ দশ হাজার টাকা, একটি মেডেল ও সনদপত্র প্রদান করেন।
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছেন: প্রধানমন্ত্রী
৪ ডিসেম্বর ২০২১ , শনিবার , নিজস্ব সংবাদদাতা , নিউজ একাত্তর : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিকাশের জন্য এ অঞ্চলের জনগণের আর্থসামাজিক উন্নয়নে সারাজীবন কাজ করেছেন। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা ও মানুষের কল্যাণে এ মহান নেতার জীবন ও আদর্শ আমাদের সাহস ও প্রেরণা জোগায়। জাতি তাঁর অবদান সবসময় শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। আগামীকাল (৫ডিসেম্বর) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ৫৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আজ শনিবার দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। গণতন্ত্রের মানসপুত্র হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ছিলেন একজন দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক। একজন প্রতিভাবান রাজনৈতিক সংগঠক হিসেবে তাঁর দক্ষ পরিচালনায় গণমানুষের সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আরো বিকশিত হয়। তাঁর সুযোগ্য উত্তরসূরী সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান -এর দূরদর্শী নেতৃত্ব পাকিস্তান সরকারের দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের দীর্ঘ ২৩ বছরের রাজনৈতিক সংগ্রাম এবং নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় আমাদের মহান স্বাধীনতা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী উপমহাদেশের মেহনতি মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় আজীবন সংগ্রাম করেছেন। তিনি ছিলেন একজন উদার ও প্রাজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রীসহ তৎকালীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। তিনি ছিলেন অসাম্প্রদায়িক চেতনার পথিকৃত এবং সাধারণ মানুষের প্রতি তাঁর ছিল অকৃত্রিম মমত্ববোধ। তিনি বলেন, ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর থেকে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের গণবিরোধী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে এদেশের মানুষকে সোচ্চার ও সংগঠিত করেছিলেন। গণতান্ত্রিক রীতি ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে গণতন্ত্রের মানসপুত্র বলে আখ্যায়িত করা হয়। বাণীতে প্রধানমন্ত্রী পরম করুণাময় মহান আল্লাহর কাছে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। বরেণ্য রাজনীতিবিদ হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ১৯৬৩ সালের ৫ ডিসেম্বর লেবাননের বৈরুতে মৃত্যুবরণ করেন। হাইকোর্টের পাশে তিন নেতার মাজারে তাঁকে সমাধিস্থ করা হয়।
এগিয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ
০৪ ডিসেম্বর ২০২১, সৃজন দত্ত, চট্টগ্রাম, নিউজ একাত্তর ঃ ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে উপকূলের আরও কাছে এগিয়ে এসেছে। ঝড়ের কেন্দ্রে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ আগের মতোই ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার। সাগর উত্তাল থাকায় দেশের চার সমুদ্র বন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এদিকে নদীবন্দরগুলোকে আগের মতো ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আবহাওয়াবিদ আব্দুল মান্নান জানান, ঝড়ের গতিপথ এখন ভারতের দিকে। সেখানে প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছে। ঝড়ের প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত বলতে বোঝায়, বন্দর ও বন্দরে নোঙর করা জাহাজগুলো দুর্যোগ কবলিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বন্দরে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে এবং ঘূর্ণি বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ থেমে ৫০ কিলোমিটার হতে পারে। আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও আশেপাশের এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’ আরও উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে সকালে ছিল ১ হাজার ৩০ কিলোমিটার দূরে, এখন আছে ১ হাজার ৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্র বন্দর থেকে ছিল ১ হাজার ৯৫ কিলোমিটার দূরে, এখন ৯৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, মংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ছিল ৮৮৫ কিলোমিটার, এখন আছে ৮৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ছিল ৮৯৫ কিলোমিটার, এখন ৮৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছে। এটি আরও উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।ঝড়ের কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছে সাগর খুবই উত্তাল। এজন্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরগুলোকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। তাদেরকে গভীর সাগরে বিচরণ না করার জন্যও বলা হলো।আরও বলা হয়, ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রবর্তী অংশের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় গভীর সঞ্চালণশীল মেঘমালা সৃষ্টি হচ্ছে এবং উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এদিকে দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল এবং পটুয়াখালী অঞ্চলগুলোর উপর দিয়ে পূর্ব বা উত্তর-পূর্ব দিক দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫- থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে সেই সঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।দেশের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও আশেপাশের এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি আরও উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। এর প্রভাবে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু'এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যান্য এলাকায় আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সকালের দিকে সারাদেশের কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে।
জাতীয় বস্ত্র দিবস কাল
৩ ডিসেম্বর ২০২১ , শুক্রবার , নিজস্ব সংবাদদাতা , নিউজ একাত্তর : আগামী কাল শনিবার জাতীয় বস্ত্র দিবস। বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে তৃতীয় বারের মতো সারাদেশে এই দিবসটি পালন করা হবে। এ বছর জাতীয় বস্ত্র দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারন করা হয়েছে, বস্ত্রখাতের বিশ্বায়ন- বাংলাদেশের উন্নয়ন। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, বস্ত্র মানুষের অন্যতম মৌলিক চাহিদা। বস্ত্রশিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চালিকা শক্তি। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে এ খাতকে সুসংহত ও গতিশীল করার উদ্যোগ নেন। বর্তমানে দেশের মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ বস্ত্রশিল্প থেকে অর্জিত হচ্ছে। গ্রামীণ দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে বস্ত্রখাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বস্ত্রশিল্পের ইতিহাস সুপ্রাচীন এবং গৌরবময়। বস্ত্রখাত দেশের অর্থনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসেবে ভূমিকা রেখে চলছে। তিনি বলেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে বস্ত্রশিল্প খাতকে নিরাপদ, শক্তিশালী এবং প্রতিযোগিতা সক্ষম করে তোলার অঙ্গীকার করা হয়েছে। বস্ত্র কারিগরি শিক্ষার হার বৃদ্ধিসহ বস্ত্রশিল্পকে সহায়তার মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরীণ বস্ত্র চাহিদা পূরণ, রপ্তানি বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিসহ নিরাপদ, টেকসই, শক্তিশালী এবং প্রতিযোগিতা সক্ষম বস্ত্রখাত গড়ে তুলতে বস্ত্র নীতি, ২০১৭, বস্ত্র আইন, ২০১৮ এবং বস্ত্রশিল্প (নিবন্ধন ও ওয়ানস্টপ সার্ভিস কেন্দ্র) বিধিমালা, ২০২১ প্রণয়ন করা হয়েছে। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতীক এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, দিবসটি উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আগামীকাল বস্ত্র দিবসের মূল অনুষ্ঠান আয়োজনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে । এতে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মির্জা আজম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। বিশ্বব্যাপি চলমান করোনা ভাইরাসে (কভিড-১৯) বিপর্যয়ের অভিঘাতে বস্ত্রখাত রক্ষায় বিশেষ অবদান রাখায় ৭টি সংগঠনকে সম্মাননা প্রদান করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন খাতের পাশাপাশি বস্ত্রখাতেও প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত বিশেষ প্রণোদনার ব্যবস্থা করায় এ খাত জাতীয় রপ্তানির ধারাকে করোনা ভাইরাসের ক্ষতিকর প্রাবমুক্ত রাখতে সক্ষম হয়েছে।

জাতীয় পাতার আরো খবর