ডিএনসিসি এলাকায় বৈধভাবে ব্যবসার সুযোগ পাচ্ছেন হকাররা
১৫,মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় এবার বৈধভাবে ব্যবসা করার সুযোগ পাচ্ছেন হকার ও ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীরা। এরইমধ্যে বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে ডিএনসিসি। নিয়ম মেনে আবেদন করলে দেয়া হবে লাইসেন্স। এ বিষয়ে সায় দিয়েছেন ডিএনসিসির মেয়র মো. আতিকুল ইসলামও। সিটি করপোরেশনের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এতে প্রতিনিয়ত হয়রানি থেকে মুক্তি পাবেন ফুটপাথের ব্যবসায়ীরা। হকার ও ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীরা বলছেন, অল্প পুঁজি নিয়ে ব্যবসা করলেও নিয়ম মেনে চলতে চাই। সিটি করপোরেশনের লাইসেন্স পেলে হয়রানি আর চাঁদাবাজদের অত্যাচার থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। সূত্রে আরো জানা যায়, হকার ও ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীদের কোন্ ক্যাটাগরিতে লাইসেন্স দেয়া হবে তা এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ঈদের পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে ডিএনসিসি। নির্ধারিত স্থানেই হকাররা বসে ব্যবসা করবেন। এক্ষেত্রে হকারদের কাছ থেকে লাইন্সেস ফি ছাড়া অন্য কোনো ট্যাক্স নেয়া হবে কিনা সে বিষয়টিও চূড়ান্ত হয়নি। তবে অফিস চলাকালীন ও ভিআইপি সড়কে হকারদের বসতে দেয়া হবে না। এতে সড়কে যানজট কমে আসবে। বাংলাদেশ বহুমুখী শ্রমজীবী ও হকার সমিতির সভাপতি বাচ্চু ভূঁইয়া বলেন, আমাদের অনেক ব্যবসায়ী আছেন, যারা স্বাধীনতার সময় থেকে ফুটপাথে ব্যবসা করে আসছেন। আমরা দীর্ঘদিন যাবৎ হকারের পুনর্বাসন ও তাদের লাইসেন্স দেয়া নিয়ে দাবি জানিয়ে আসছি। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের এ উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই। তবে লাইসেন্স কীভাবে দেয়া হবে, কোন্ ক্যাটাগরিতে দেখা হবে সেটা নিয়ে সবার সঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নেয়ার দাবি জানাচ্ছি। এ ছাড়া লাইসেন্স দেয়া নিয়ে যেন কোনো দুর্নীতি না হয়, সে বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। এ নিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র বলেন, ডিএনসিসি এলাকার ফুটপাথের ব্যবসায়ী ও ভ্রাম্যমাণ দোকানিদের লাইসেন্স দেয়ার পরিকল্পনা আছে। সিটি করপোরেশনের রাস্তায় হকারদের কাছ থেকে চাঁদা নিচ্ছে অনেকেই। যাতে তাদের চাঁদা দিতে না হয়, সে লক্ষ্যে কিছু রাস্তা হকারদের জন্য নির্দিষ্ট করে দিবো। সিটি করপোরেশন থেকে তাদেরকে লাইসেন্স দেয়া হবে। সেখানে তারা ব্যবসা করতে পারবেন। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. সেলিম রেজা বলেন, বিভিন্ন সড়ক ও ফুটপাথে ব্যবসা করা হকারদের পুনর্বাসনের জন্য কয়েকটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে ডিএনসিসি। এক এক করে তা বাস্তবায়ন করা হবে। আমরা চাই হকারদের একটা পরিচয়পত্র থাকুক।
বদলে যাচ্ছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, একাধিক নতুন উদ্যোগ
১৫,মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে ঢেলে সাজানোর জন্য গ্রহণ করা হয়েছে নানামুখী উদ্যোগ। এ প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বিশ্বমানের ইন্টারোগেশন ইউনিট স্থাপন, ক্রিমিনাল ডাটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম চালুকরণ, উন্নত গোয়েন্দা যন্ত্রপাতি ক্রয়, মোবাইল ট্র্র্যাকার স্থাপন, মাদক শনাক্তকরণ যন্ত্রপাতি ক্রয়, নৌ ইউনিট স্থাপন, ডগ স্কোয়াড ইউনিট স্থাপন ও ডিজিটাল ফরেনসিক ইনভেস্টিগেশন ল্যাব স্থাপনের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হতে সিপাই পর্যন্ত সবার জন্য ইউনিফর্মের বিধান রেখে পোশাক বিধিমালা চূড়ান্তকরণের কাজ চলমান আছে। এ ছাড়াও অভিযানের সময় মাদক চোরাকারবারিদের ধরতে অস্ত্র ব্যবহারের অনুমোদন চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আবেদন করেছে সংস্থাটি। শিগগিরই এইটি অনুমোদন পাবে বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে। কর্তৃপক্ষ যে ক্রিমিনাল ডাটা তৈরি করবে তাতে মাদক ব্যবসায়ীদের পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা থাকবে। পুরনো মাদক ব্যবসায়ী এবং নতুন করে যারা মাদক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হবে তারা এ ডাটার আওতায় আসবে। তালিকা ধরে যাতে তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা যায়। এ ছাড়াও মাদক সংক্রান্ত অপরাধ কমানো ও মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ৩৭ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে (I DREAM IT) নামে একটি প্রল্পক বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছে সংস্থাটি। এর মাধ্যমে অধিদপ্তরের কার্যক্রম অটোমেশনের আওতায় আসবে। এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আহসানুল জব্বার জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে যুগোপযোগী করার জন্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ নেয়া হয়েছে। অধিদপ্তরের শীর্ষ থেকে কর্মচারী পর্যন্ত পোশাকের অনুমোদন পাওয়া গেছে। অস্ত্র পাওয়ার বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি কমিটি করা হয়েছে। খুব শিগগিরই অস্ত্র পাওয়া যাবে। মাদক দমন করতে অস্ত্রের বড় প্রয়োজন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সন্দেহভাজন সদস্যদের ডোপটেস্ট করার প্রস্তুতি নিচ্ছে দপ্তর। নতুন বছরের শুরু থেকেই এই টেস্ট চালু করবে সংস্থাটি। রিপোর্ট পজেটিভ এলে তাকে চাকরি হারাতে হবে। এর আগের বছর সংস্থাটি একটি টেস্ট চালু করেছিল। সেখানে অধিদপ্তরের একজন সদস্যের পজেটিভ হওয়ায় তার চাকরি চলে গেছে। অধিদপ্তরের স্বচ্ছতা আনার জন্য আবার সংস্থাটি টেস্ট চালু করেছে। এ ছাড়াও মাদকে সর্বোচ্চ সাজার বিধান রেখে আইন প্রণয়নসহ প্রশাসনিক সক্ষমতা বাড়াতে নানা উদ্যোগ বাস্তবায়িত হচ্ছে।
শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে টিভি পর্দায়- হাসিনা : এ ডটারস টেল
১৫,মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ১৭ মে আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। এই দিবসকে ঘিরে দর্শক চাহিদা মেটাতে আরো একবার টিভি পর্দায় ফিরে এলো ডকুড্রামা হাসিনা: এ ডটারস টেল। সারা দেশে সিনেমা হলে এবং টেলিভিশনে দারুণ জনপ্রিয়তা পাওয়া এবং আন্তর্জাতিক বেশ কিছু চলচ্চিত্র উৎসবে প্রশংসিত হাসিনা: এ ডটারস টেল ডকুড্রামাটি আগামী সোমবার ১৭ মে প্রচারিত হবে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডসহ বেশ কিছু বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে। সিআরআই এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ একথা জানানো হয় । হাসিনা: এ ডটারস টেল বাংলাদেশ টেলিভিশনে এবং বিটিভি ওয়ার্ল্ডে প্রচারিত হবে ১৭ মে দুপুর ৩টা ৩০ মিনিটে। একই দিনে বেসরকারি বিভিন্ন চ্যানেলেও সম্প্রচার করা হবে এই ডকুড্রামাটি। স্টার সিনেপ্লেক্সে ১৫ নভেম্বর প্রিমিয়ার শোর মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে- হাসিনা : এ ডটারস টেল। দর্শকদের জন্য স্টার সিনেপ্লেক্স, ব্লকবাস্টার সিনেমায়, মধুমিতা সিনেমা হল এবং সিলভার স্ক্রিনে প্রদর্শনী শুরু হওয়ার পর থেকে পরবর্তী দুই সপ্তাহে বক্স অফিসে সবচাইতে সফল ছিলো ডকুড্রামাটি। দর্শক চাহিদার কথা মাথায় রেখে পরবর্তীতে সারা দেশের জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের আরো ৩৫টি সিনেমা হলে প্রদর্শন করা হয় হাসিনা: এ ডটারস টেল ডকুড্রামা। সব মিলিয়ে দারুণভাবে ব্যবসায় সফল এটি। পরবর্তীতে দর্শক চাহিদার কথা বিবেচনায় এনে ডকুড্রামাটি টেলিভিশন চ্যানেলেও সম্প্রচার করা হয়। সেখানেই দর্শক জনপ্রিয়তা পায় হাসিনা: এ ডটারস টেল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিজের মুখ থেকে তার বিদেশ জীবন, দেশে ফিরে আসার কথা শোনা যায় এই চলচ্চিত্র। স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের কথাও এখানে বর্ণনা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নয়, বরং এই ডকুড্রামার মূল উপজীব্য বিষয় ছিলো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। হাসিনা: এ ডটারস টেল চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেছে সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন। প্রযোজক হচ্ছেন, রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও নসরুল হামিদ বিপু। পরিচালনা করেছেন অ্যাপল বক্স ফিল্মসের পিপলু খান। প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কৌতূহল আছে সবার। তিনি বঙ্গবন্ধুর কন্যা। কিন্তু ১৯৭৫ সালের পর কিভাবে তিনি বেঁচে ছিলেন তার ইতিহাস অনেকের কাছেই অজানা। আর সে কারণেই সারা দেশে এই ডকুড্রামা সাড়া জাগিয়েছে। দেশে ও বিদেশে এখনো ডকুড্রামাটির চাহিদা রয়েছে বলে জানান এর পরিবেশক গাউসুল আজম শাওন। ডকুড্রামায় একজন শেখ হাসিনার রান্না ঘর থেকে শুরু করে সরকার প্রধানের দায়িত্ব পালন, বেঁচে থাকার সংগ্রামসহ ব্যক্তিগত, পারিবারিক, রাজনৈতিক জীবনের নানা দিক ফুটে উঠেছে। কথাগুলো বলেন ডকুড্রামাটির পরিচালক পিপলু খান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার ছোট বোন শেখ রেহানার জীবনের কথাও উঠে এসেছে এতে। এই ডকুড্রামার মধ্য দিয়ে একটি সত্যনিষ্ঠ জীবন প্রবাহকে পর্দায় হাজির করতে চেয়েছি।
গরম বাড়বে
১৫,মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশে তাপমাত্রা ফের বাড়তে শুরু করেছে। আজ শনিবার দেশের গড় তাপমাত্রা বাড়তে পারে ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী ৩ দিনে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। আজ শনিবার (১৫ মে) সকাল ৯টা পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, যশোর ও খুলনা অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা বিস্তার লাভ করতে পারে। আজকের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।
ঈদের দিন দুর্গম সীমান্তে বিজিবি মহাপরিচালক
১৫,মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঈদের দিনে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও সীমান্ত পরিদর্শন করলেন মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম। শুক্রবার (১৪ মে) ঈদের দিন বিজিবির চট্টগ্রাম রিজিয়নের কাপ্তাই ব্যাটালিয়নের রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে অবস্থিত দুমদুমিয়া সিআইও ক্যাম্প এবং রাজনগর ব্যাটালিয়নের বদিপাড়া বিওপি পরিদর্শন করেন তিনি। বিজিবি সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, করোনায় পরিবার-পরিজনদের সঙ্গে ঈদ উপভোগ না করে দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত বিজিবি সদস্যদের মনোবল দৃঢ় করা, এবং তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময়ের জন্য বিজিবি মহাপরিচালক দুর্গম পার্বত্য সীমান্ত পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি সেখানে নিয়োজিত সব বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন। এছাড়া গাছের চারা রোপণ করেন। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও দক্ষতা ও সাফল্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য বিজিবি সদস্যদের অভিনন্দন জানান। এ সময় বিজিবি সদর দফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন), অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন ও প্রশিক্ষণ), বিজিবি রাঙামাটি সেক্টরের সেক্টর কমান্ডারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ঈদের ছুটি না কাটিয়ে যারা দায়িত্ব পালন করছেন
১৪,মে,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঈদের দিন ছুটি না কাটিয়ে মানুষের সেবায় কাজ করছেন অনেক পেশার মানুষ। গণমাধ্যম কর্মী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ডাক্তারসহ জরুরি সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তিরা ঈদ উদযাপন করছে দায়িত্ব পালনের মধ্যে দিয়ে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে দেখা যায় নিজ দায়িত্বে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। ঈদে হাসপাতালে দায়িত্ব পালনের সময় চিকিৎসকরা বলেন, আমরা আজকে দায়িত্ব পালন করছি দেশের জন্য। আর আমরা মানুষের সেবা করার জন্য সবসময় প্রস্তুত থাকি। ঈদে অফিস করার মাঝেও এক ধরণের আনন্দ আছে। হাসপাতালে প্রায় ১৪ মাস ধরে করোনা রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছি। গত বছর রমজানের ঈদ এখানে করেছিলাম। এবারও এখানেই ঈদ করছি। একজন ডাক্তার হিসাবে আমাদের এই দায়িত্ব পালন করতেই হবে। আরেকজন চিকিৎসক বলেন, আমার মেয়ে কান্না করছিল আমি হাসপাতালে ঈদ করব বলে। এ বিষয়ে তারা আগে থেকেই জানতো। তবে মেয়েকে খুব মিস করছি। সাংবাদিক মো.গোলাম মোস্তফা বলেন, এই পেশাকে ভালোবেসে কাজ করতে এসেছি। এ কারণে ঈদের সময় দায়িত্ব পালন করতে খারাপ লাগছে না। আর সংবাদকর্মীদের সবসময় মানুষের জন্য কাজ করতে হয়। আর এই সেবা মূলক কাজ করে ভালোই লাগে। ঈদের মাঝেও দায়িত্ব পালন করার সময় ট্রাফিক পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বলেন, প্রথম যখন এই পেশায় আসছিলাম তখন খারাপ লাগতো। এখন আর খারাপ লাগে না। তবে মাকে খুব মিস করি। তবে পরিবারের সবাইকে কাছে পেলে ভালো লাগতো। ঈদের মাঝে দায়িত্ব পালন করতে ভালো লাগে। এদিকে অনেক পেশার মতো স্বজনদের ছেড়ে কর্মস্থলে কাজের মাঝে ঈদ উদযাপন করছেন গণমাধ্যম কর্মীরাও। নিজ দায়িত্ব পালনের মধ্যেই ঈদের আনন্দ উপভোগের পাশাপাশি দূরে থাকা স্বজনদের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন এসব কর্মযোদ্ধারা।
অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে আহ্বান রাষ্ট্রপতির
১৪,মে,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ আমাদের চার পাশে অসহায় ও বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সর্বোত্তম চেষ্টা চালাতে সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ঈদ-উল-ফিতর আমাদেরকে এই আত্মশুদ্ধি ও আত্ম সংযমের শিক্ষা দেয়। আজ বঙ্গভবনের দরবার হলে মুসলমানদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি তাঁর ভাষণে বলেন, আমাদের চারপাশে থাকা অসহায় ও বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়াতেহবে। রাষ্ট্র প্রধান বলেন, আমাদের চার পাশে অনেক অসহায় ও বিপন্ন মানুষ, তারা যেন ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয় সে ব্যাপারে সকলকে সাধ্য মতো চেষ্টা চালাতে হবে। তিনি বলেন, আমি আশা করব সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিবর্গ অসচ্ছল ও অসহায় মানুষের সাহায্যে সামর্থ্য অনুযায়ী অবদান রাখবে। মাসব্যাপী সিয়াম পালন শেষে আমরা আজ ঈদুল ফিতর উদযাপন করছি। কিন্তু এ বছর এমন একটা সময়ে ঈদ উদযাপিত হচ্ছে যখন গোটা বিশ্ব করোনাভাইরাসের সংক্রমণে চরমভাবে বিপর্যস্ত। বাংলাদেশের জনগণের জীবন-জীবিকাও কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। রাষ্ট্রপতি বলেন, ইতোমধ্যে করোনায় বিশ্বব্যাপী ৩৩ লাখেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। কোটি কোটি মানুষ কাজ হারিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। অনির্দিষ্টকালের জন্য লকডাউন দিয়ে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, জীবন বাঁচানো প্রথম অগ্রাধিকার হলেও জীবন বাঁচিয়ে রাখতে জীবিকার গুরুত্বও অনস্বীকার্য। তাই জীবন-জীবিকাকে সচল রাখতে হলে আমাদেরকে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা করেই এগিয়ে যেতে হবে। আতঙ্কিত না হয়ে করোনা নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে হবে। এজন্য দরকার দেশের প্রতিটি নাগরিককে পরিপূর্ণ স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা অর্থাৎ মাস্ক পরা, নিয়মিত হাত ধোয়া ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা । ঈদের আনন্দঘন এদিনে সকলকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। সরকার করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে এ কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, চিকিৎসার পাশাপাশি বিপন্ন মানুষের সহায়তায় সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এছাড়া অর্থনৈতিক কর্মকান্ড অব্যাহত রাখতে বিভিন্ন প্রণোদনা দিয়ে যাচ্ছে। করোনার টিকা প্রদান ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। করোনা পরিস্থিতির বৈশ্বিক বিপর্যয়ের কারণে টিকা কার্যক্রমে সাময়িক সমস্যা হলেও সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে টিকা সংগ্রহের জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, এ সমস্যারও আশু সমাধান হবে।

জাতীয় পাতার আরো খবর