করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন রাষ্ট্রপতি
০৬,মে,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) কনভেনশন সেন্টারে বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ও রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিয়েছেন। এসময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ সঙ্গে ছিলেন। বৃহস্পতিবার (৬ মে) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সেকশন অফিসার (জনসংযোগ) প্রশান্ত কুমার মজুমদার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভেনশন সেন্টারে দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিয়েছেন ১ হাজার ৭০৩ জন। আর ৬ মে পর্যন্ত দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিয়েছেন ৩৪ হাজার ৩০৪ জন। এবং ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত প্রথম ডোজের টিকা নিয়েছেন ৫৪ হাজার ৫৬৪ জন। বেতার ভবনের পিসিআর ল্যাবে ৬ মে পর্যন্ত ১ লাখ ৩৯ হাজার ৪৫৬ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। বেতার ভবনের ফিভার ক্লিনিকে ৬ মে পর্যন্ত ৯৪ হাজার ১৮৬ জন রোগী চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন। অন্যদিকে করোনা ইউনিটে বৃহস্পতিবার (৬ মে) সকাল ৮টা পর্যন্ত ৮ হাজার ৫১৮ জন রোগী সেবা নিয়েছেন। ভর্তি হয়েছেন ৪ হাজার ৮০৯ জন। সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছেন ৪ হাজার ৬৯ জন। বর্তমানে ভর্তি আছেন ৯৪ জন রোগী এবং আইসিইউতে ভর্তি আছেন ১২ জন রোগী। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ৯ জন।
চালু হলো গণপরিবহন
০৬,মে,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা সংক্রমন রোধে ২২ দিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে আজ বৃহস্পতিবার থেকে চালু হয়েছে গণপরিবহন। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৬ মে ভোর থেকে অর্ধেক যাত্রী আর বর্ধিত ভাড়া নিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ সব জেলায় বাস চলাচল শুরু হয়েছে। তবে আন্তঃজেলা গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। গত ১৪ এপ্রিল থেকে সরকার ঘোষিত লকডাউনের আদলে কঠোর নিষেধাজ্ঞার শুরু দিন থেকেই সারাদেশে গণপরিবহন বন্ধ ছিল। টানা তিন দফার নিষেধাজ্ঞাতেই বন্ধ ছিল গণপরিবহন। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া চতুর্থ দফার কঠোর নিষেধাজ্ঞায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চালু হয়েছে। সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, শুধুমাত্র জেলার গাড়ি জেলাতে চলাচল করতে পারবে। করোনার সংক্রমণ এড়াতে আন্তঃজেলা গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে বন্ধ রয়েছে যাত্রবাহী ট্রেন ও নৌযান চলাচল। এসব নিষেধাজ্ঞা আগামী ১৬ মে পর্যন্ত বহাল থাকবে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এদিকে, সড়কে গণপরিবহন চলাচলের ক্ষেত্রে পাঁচটি নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।বিআরটিএর নির্দেশনাগুলো হলো : ১. আন্তঃজেলা গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। ২. কোনোভাবেই সংশ্লিষ্ট মোটরযানের রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটে উল্লিখিত মোট আসন সংখ্যার অর্ধেকের (৫০%) বেশি যাত্রী বহন করা যাবে না। ৩. কোনোভাবেই সমন্বয়কৃত ভাড়ার (বিদ্যমান ভাড়ার ৬০% বৃদ্ধি) অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা যাবে না। ৪. ট্রিপের শুরু ও শেষে জীবাণুনাশক দিয়ে গাড়ি জীবাণুমুক্ত করতে হবে। ৫. পরিবহন সংশ্লিষ্ট মোটরযান চালক, অন্যান্য শ্রমিক কর্মচারী ও যাত্রীদের বাধ্যতামূলক মাস্ক পরিধান ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। এদিকে, বুধবার (৫ মে) ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির পক্ষ থেকে পরিবহনের মালিক, শ্রমিক ও যাত্রীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য বেশ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে- মাস্ক ছাড়া কোনো যাত্রী গাড়িতে ওঠাতে পারবে না এবং গাড়ির স্টাফদের মালিক মাস্ক সরবরাহ করবেন। গাড়িতে সিটের অর্ধেক যাত্রী বহন করতে হবে। লকডাউনে মালিক-শ্রমিকেরা মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। এক্ষেত্রে রুট মালিক সমিতি/পরিবহন কোম্পানির জিপির নামে কোনো ধরনের অর্থ গাড়ি থেকে আদায় করতে পারবে না। এর আগে বুধবার সকালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে লকডাউন তথা মানুষের চলাচলে বিধি-নিষেধ ১৬ মে পর্যন্ত বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রজ্ঞাপনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে জেলার অভ্যন্তরে বাস চালু রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে বন্ধ থাকবে দূরপাল্লার বাস এবং লঞ্চ-ট্রেন চলাচল। দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হলে ২০২০ সালের ২১ মার্চ থেকে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয় সরকার। দুই মাসের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর গেল বছরের ১ জুন থেকে স্বাস্থ্যবিধি মানার শর্ত সাপেক্ষে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দেয় সরকার। তখন ৬০ শতাংশ ভাড়া বাড়ানো হয়। দীর্ঘদিন চলার পর করোনা সংক্রমণ একটু কমে এলে গত সেপ্টেম্বর মাসে শতভাগ আসনে যাত্রী নিয়ে চলাচলের অনুমতি দেয় সরকার। তখন থেকে মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) পর্যন্ত শতভাগ আসনেই যাত্রী নিয়ে চলছিল গণপরিবহন। পরে গত ৩১ মার্চ থেকে ৬০ শতাংশ বাড়তি ভাড়ায় অর্ধেক যাত্রী নিয়ে শুরু হয় গণপরিবহনের চলাচল। তবে এর নিষেধাজ্ঞার কারণে ৫ ও ৬ এপ্রিল বন্ধ থাকে গণপরিবহনের চলাচল। অফিস খোলা রেখে গণপরিবহন বন্ধ রাখার তীব্র সমালোচনার মুখে ৭ এপ্রিল থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আবার গণপরিবহন চলাচল শুরু হয়। ১৪ এপ্রিল থেকে জারি করা কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে ৫ মে পর্যন্ত বন্ধ ছিল গণপরিবহন চলাচল।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে দ্রুত সময়ে ৪০ লাখ টিকা চেয়েছে বাংলাদেশ
০৬,মে,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশকে করোনা টিকা দিতে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করছেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। বৃহস্পতিবার (৬ মে) সকালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড মিলার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ড. এ কে আবদুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান মন্ত্রী। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তিনি রাষ্ট্রদূতকে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র থেকে এক থেকে দুই কোটি টিকা পেতে চায় বাংলাদেশ। এর মধ্যে ৪০ লাখ টিকা দ্রুত সময়ের মধ্যে চাওয়া হয়েছে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাস এবং মার্কিন প্রবাসী বাংলাদেশিদেরও টিকার জন্য জোর লবিং করতে বলা হয়েছে। ভারত থেকেও বিশেষ উদ্যোগে বা যে কোনো উপায়ে টিকা পাঠানোর অনুরোধ করা হয়েছে। মার্কিন রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন ভারতে এখনো তারা টিকা পাঠায়নি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ১২ মে চীনের টিকা আসবে। বাংলাদেশ নিজস্ব পরিবহন খরচে তা আনবে।
আরও ১০ হাজার কিলোমিটার নদী খনন করা হবে : প্রধানমন্ত্রী
০৬,মে,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২০২৫ সাল নাগাদ আরও ১০ হাজার কিলোমিটার নদী খনন করা হবে। নৌপথকে কার্যকর করতে চায় সরকার। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে এই তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, নৌপথে চলাচলকারী প্রতিটি যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন থাকতে হবে। এছাড়া নৌযানের ব্যবসা যারা করেন তাদের যাত্রীদের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে ব্যবসা করতে হবে। করোনা মহামারির এই সময়ে সকলকে ধৈর্য ধরারও আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। এসময় তিনি বলেন, একান্ত প্রয়োজন ছাড়া মহামারির সময়ে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাতায়াত না করা যাবে না।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা পেলেন ৯ উপসচিব
০৫,মে,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নয় কর্মকর্তাকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দিয়েছে সরকার। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা পাওয়া সবাই বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব। তারা হলেন- তানভীর আহমেদ, মো. মাহবুবুর রহমান পাটওয়ারী, মো. খলিলুর রহমান, শাহ আলম মুকুল, সাদেক আহমেদ, মিরাজুল ইসলাম উকিল, মো. আমিনুল ইসলাম, মো. সেলিম হোসেন ও তরফদার সোহেল রহমান। মঙ্গলবার (০৫ মে) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, দ্য কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর, ১৮৯৮ এর ১০ (৫) ধারা অনুযায়ী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা অর্পণের মাধ্যমে মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ এর ৫ ধারা মোতাবেক তাদের মোবাইল কোর্ট পরিচালনার ক্ষমতা অর্পণ করা হলো। এতে আরও বলা হয়, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা মোবাইল কোর্ট পরিচালনার আগে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করবেন। প্রতি মাসে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার তথ্য নির্ধারিত ছকে পরবর্তী মাসের ১০ তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাতে বলা হয়েছে।
অক্সিজেন উৎপাদনে সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
০৫,মে,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অক্সিজেন উৎপাদনে যুক্তরাষ্ট্র সহায়তা দেবে জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, এ নিয়ে বৃহস্পতিবার (৬ মে) ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হবে। বুধবার (৫ মে) নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। ড. মোমেন জানান, যুক্তরাষ্ট্র অতিরিক্ত ৬০ মিলিয়ন ডোজ অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা রয়েছে। আমরা সেটা আনার জন্য চেষ্টা করছি। আশা করছি, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভ্যাকসিন ও অক্সিজেন সহায়তা পাবো। তবে এ অতিরিক্ত ডোজ ভারত ও ব্রাজিল নেওয়ারও চেষ্টা করছে। যুক্তরাষ্ট্রে যেসব ভারতীয়রা আছেন, তারা চেষ্টা করছে। আমাদের প্রবাসী, যারা আমেরিকায় আছেন, তারা যদি চেষ্টা করেন, তাহলে আমরাও পাবো। তিনি বলেন, ইউরোপের অনেক দেশ অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা ব্যবহার করছে না। ইউরোপের ৭টি দেশে এ টিকা রয়েছে। আমরা এসব দেশ থেকেও আনার চেষ্টা করছি। এক প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চীনা টিকা আগামী ১২ মে মধ্যে আসবে বলে আমরা আশা করছি। উপহারের ৫ লাখ টিকা আগে আসবে। তবে কবে কখন, কীভাবে আসবে, সেটা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টিকার জন্য ১০ হাজার কোটির তহবিল গঠন করছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, পাবলিক গুড হওয়া উচিৎ। ড. মোমেন বলেন, আমরা চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে টিকা উৎপাদনে চেষ্টা করছি। তবে উৎপাদনে সময় লাগবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারতকে আমরা বলেছি, আমাদের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার জন্য ৩০ লাখ টিকা আগে লাগবে। সেটা তারা আগে দিক। তবে এখনো তাদের কাছ থেকে এ বিষয়ে বার্তা পাইনি।
ভারতে ১০ হাজার রেমডেসিভির পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ
০৫,মে,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাস মোকাবিলায় ভারতে জরুরি ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রীর অংশ হিসেবে ১০ হাজার রেমডেসিভির পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ। বুধবার বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে এ ওষুধ পাঠানো হচ্ছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব) মাশফি বিনতে শামস এ তথ্য নিশ্চিত করেন। ভারতে করোনার পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি হওয়ায় বাংলাদেশ সরকার সেদেশের মানুষের জন্য জরুরি ভিত্তিতে ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠানোর প্রস্তাব দেয়। তবে এই ওষুধের মধ্যে প্রয়োজনীয় রেমডেসিভিরও রয়েছে। ভারতে এখন প্রচুর রেমডেসিভির সংকট। সে কারণে এই ওষুধ পাঠানো হচ্ছে। ভারতে করোনা অবনতি হওয়ায় গত ৩০ এপ্রিল বাংলাদেশ সরকার জরুরি সহায়তার ঘোষণা দেয়।
জনগণের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার : পলক
০৪,মে,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণসহ জনগণের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার। জননেত্রী শেখ হাসিনার সাহসী ও সৎ নেতৃত্বের কারনেই তা সম্ভব হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী আজ মঙ্গলবার দুপুরে ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে সংযুক্ত হয়ে নাটোরের সিংড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জীন-এক্সপার্ট মেশিনের মাধ্যমে কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, বিশ্বের অনেক উন্নত দেশ করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে আমরা করোনা সংক্রমণের প্রথম ঢেউ মোকাবেলায় সক্ষম হয়েছিলাম। চলমান দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় সফলতার সাথে টিকাদান কার্যক্রম চলছে। হাসপাতালগুলোতে করোনা রোগীর চিকিৎসা সেবার পরিধি পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হচ্ছে। হাসপাতালে সেবা বৃদ্ধির কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষার পরিধির সম্প্রসারণ, অক্সিজেনের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ এবং আইসিইউ বেডের সংখ্যা ও পরিধি বাড়ানো। পলক বলেন, নাটোর সদর হাসপাতালে অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই কেন্দ্রীয় অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব হবে। এই হাসপাতালে করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার পরিধি বাড়াতে অত্যাধুনিক পিসিআর মেশিন এবং আইসিইউ বেড প্রতিস্থাপন করা হবে। সিংড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ইতোপূর্বে কেন্দ্রীয় অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে এই হাসপাতালকে ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণের চেষ্টা চলছে। ২০০৯ সালের আগের অবস্থার জরাজীর্ণ হাসপাতালের অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে আমার চেষ্টায় বর্তমান সরকারের বিগত ১২ বছরের কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে উপজেলার এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাধারণ চিকিৎসা সেবা ছাড়াও টেলিমেডিসিন, ভিশন সেন্টারসহ আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে। পলক আরো বলেন, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার কার্যকরি সকল পদক্ষেপই গ্রহণ করেছে। তবে ব্যক্তিগত সচেতনতার মাধ্যমে অনেকটাই সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব। এজন্যে জরুরী প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের না হওয়া, নিয়মিত হাত ধোয়া, মাস্ক ব্যবহার করা এবং নিরাপদ সামাজিক দূরত্বের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী। ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে সংযুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন- জেলা প্রশাসক মো. শাহরিয়াজ, পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা, সিভিল সার্জন ডা. কাজী মিজানুর রহমান, সিংড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এম সামিরুল ইসলাম,সিংড়া পৌরসভার মেয়র জান্নাতুল ফেরদৌস প্রমুখ। সিংড়া উপজেলা সিনিয়র স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমিনুল ইসলাম সভাপতি হিসেবে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর