অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা : আইনমন্ত্রী
১০,এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশে কেউ অরাজকতা সৃষ্টি অথবা জনগণের সম্পদ বা জানমালের ক্ষতি করার চেষ্টা করলে সরকার তার বিরুদ্ধে অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। শনিবার (১০ এপ্রিল) রাজধানীর কুর্মিটোলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনাভাইরাসজনিত রোগ কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় ডোজের টিকা নেয়ার পর মন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। আইনমন্ত্রী বলেন, জনগণ তাদের সেবা করার দায়িত্ব পালনের জন্য শেখ হাসিনার সরকারকে ভোট দিয়েছে। সেখানে কেউ ব্যাঘাত ঘটানোর চেষ্টা করলে সরকার অবশ্যই আইনানুগভাবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে- জিহাদ ঘোষণা ও সাম্প্রদায়িক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করার জন্য বাংলাদেশে কার্যকর আইন আছে বলেও সতর্ক করে দেন আনিসুল হক। করোনাভাইরাসের টিকা নেয়ার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আমি মনে করি দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিলে এই রোগের তীব্রতা কমে যাবে। সবাইকে এই টিকা দেয়ার সক্ষমতা সরকারের রয়েছে। সব নাগরিককে দ্বিতীয় ডোজের টিকা নেয়ার অনুরোধ জানান আইনমন্ত্রী।
করোনার চিকিৎসা-সরকারি কার্যক্রম সমন্বয়ে ৬৪ জেলার দায়িত্বে ৬৪ সচিব
১০,এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জেলা পর্যায়ে কেভিড-১৯ সংক্রান্ত স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য সরকারি কার্যক্রম সুসমন্বয়ে ৬৪ জন সিনিয়র সচিব ও সচিবকে ৬৪ জেলার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। সম্প্রতি এই দায়িত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। করোনা মহামারির প্রথম পর্যায়েও ৬৪ জেলায় ৬৪ সচিবকে এমন দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। অফিস আদেশে বলা হয়, দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র সচিব/সচিবরা সমন্বয় কাজে তার মন্ত্রণালয়/বিভাগ/দফতর সংস্থার উপযুক্ত সংখ্যক কর্মকর্তাকে সম্পৃক্ত করতে পারবেন। এছাড়া নিয়োগ করা কর্মকর্তারা জেলার সংসদ সদস্য ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় গণমাধ্যম ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় সমন্বয়সাধন করে কোডিড-১৯ সংক্রান্ত স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনা ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনার কাজ তত্ত্বাবধান ও পরিবীক্ষণ করবেন। তারা জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পরিবীক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সমন্বয়সাধন করবেন। সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রাপ্ত সমস্যা/চ্যালেঞ্জ বা অন্য বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ/দফতর/সংস্থাকে লিখিত আকারে জানাবেন এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়কে নিয়মিত অবহিত করবেন বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। আদেশে আরও বলা হয়েছে, অবসর বা বদলির কারণে সিনিয়র সচিব/সচিবের দফতর পরিবর্তন বা পদ শূন্য হলে সেখানে নিযুক্ত সিনিয়র সচিব/সচিব দায়িত্ব পালন করবেন। সম্প্রতি দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বেড়ে গেছে। এটাকে বলা হচ্ছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। এই পরিস্থিতিতে গত ৫ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে সাত দিনের লকডাউন বা বিধি-নিষেধ জারি করে সরকার। এই বিধি-নিষেধের মেয়াদ শেষ হবে ১১ এপ্রিল রাত ১২টায়। বিধি-নিষেধের সময়ে পালনের জন্য ১১টি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ৪ এপ্রিল জারি করা প্রজ্ঞাপনে। স্বাস্থ্যবিধি মানায় মানুষের উদাসীনতা ও করোনা পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যেতে থাকায় সংক্রমণ রোধে এবার কঠোর লকডাউনে যাচ্ছে সরকার। আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে সাতদিনের জন্য এই লকডাউন দেয়া হবে বলে শুক্রবার (৯ এপ্রিল) জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানিয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, এ সময়ে জরুরি সেবা দেয়া প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা ছাড়া সরকারি-বেসরকারি সব অফিস বন্ধ থাকবে। বন্ধ থাকবে গণপরিবহন, শিল্পকারখানা।
আবারো দেশব্যাপী আসছে লকডাউন
৯,এপ্রিল,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আবারো দেশব্যাপী আসছে লকডাউন। আগামী ১৪ এপ্রিল (পহেলা বৈশাখ) থেকে ৭ দিন পরিপূর্ণভাবে কার্যকর করা হবে লকডাউনের নির্দেশনা। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন শুক্রবার জানিয়েছেন, লকডাউনের বিষয়ে আগামী রোববার (১১ এপ্রিল) প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। এবারের লকডাউনে জরুরি সেবা ছাড়া সব কিছু বন্ধ থাকবে। এদিকে, কোভিড-১৯ জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি ১৪ দিনের লকডাউনের সুপারিশ করেছে। গতবছর করোনার সংক্রমণ কিছুটা আটকে রাখা গেলেও এ বছর কিছুতেই প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়া থামানো যাচ্ছে না। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। এ কারণে প্রথমে ১৮ দফা নির্দেশনা পরে সেই আলোকে ৭ দিনের কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়। কিন্তু এসব বিধি-নিষেধ মানতে জনগণের মাঝে উদাসীনতা লক্ষ্য করা গেছে। এরমাঝেই এলো নতুন করে আরও সাতদিনের লকডাউনের ঘোষণা।
প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানাতে ঢাকায় এলেন জন কেরি
৯,এপ্রিল,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকায় পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জলবায়ুবিষয়ক বিশেষ দূত জন কেরি। শুক্রবার (৯ এপ্রিল)সকাল সাড়ে ১১ টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি। এ সময় বিমানবন্দরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন ও ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার তাকে স্বাগত জানান। জানা গেছে, আসছে ২২ এপ্রিল শুরু হতে যাওয়া বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানাতে ঢাকায় এসেছেন তিনি। ৪০টি দেশের রাষ্ট্র বা সরকার প্রধানের অংশগ্রহণে ভার্চ্যুয়াল এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এদিন দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেবেন তিনি।
ডি-৮ সভাপতি হলেন শেখ হাসিনা
৯,এপ্রিল,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: উন্নয়নশীল দেশগুলোর জোট ডি-৮-এর দশম শীর্ষ সম্মেলনে সংস্থার সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী দুই বছর তিনি এ পদে দায়িত্ব পালন করবেন। বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) জোটের বৈঠকে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট ও সংস্থার বর্তমান সভাপতি রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ানের কাছ থেকে দায়িত্ব গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ডি-৮-এর দশম শীর্ষ সম্মেলনের শুরুতে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট উদ্বোধনী ভাষণ দেন এবং এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে সভাপতিত্বের দায়িত্ব তুলে দেন। শীর্ষ সম্মেলনে ভাষণ দেয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডি-৮-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে এই সংগঠনের জন্য তার সবসময়ই একটি বিশেষ দুর্বলতা রয়েছে। ১৯৯৭ সালে ডি-৮ প্রতিষ্ঠার সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইস্তাম্বুলে প্রথম শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন। ১৯৯৯ সালে ঢাকায় দ্বিতীয় ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার সময়ও শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করেছিলেন। উন্নয়নশীল-৮ নামে পরিচিত ডি-৮ অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য আটটি উন্নয়নশীল মুসলিম-প্রধান দেশ- বাংলাদেশ, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান ও তুরস্কের সমন্বয়ে গঠিত হয়। ডি-৮-এর সব রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা, ডি-৮ মহাসচিব প্রতিনিধিরা ভার্চুয়ালি এই সম্মেলনে যোগ দেন।
করোনা থেকে মানুষকে বাঁচাতে প্রয়োজনে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে : প্রধানমন্ত্রী
৮,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহামারি করোনা ভাইরাস থেকে দেশের মানুষকে বাঁচাতে, আগামীতে আরও কঠোর ব্যবস্থার প্রয়োজন হলেও সেটি নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বৃহস্পতিবার সকালে ভার্চুয়াল মাধ্যমে সাভারের লোকপ্রশাসন কেন্দ্রের ৭১তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী বক্তব্যে এ কথা জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ভবিষ্যতে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে, মানুষকে বাঁচানোর জন্য। আপনারাও স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে চলবেন। সবাইকে উৎসাহিত করবেন। মাস্ক পরবেন। ঘরে ফিরে গরম পানির ভাপ নেবেন। গড়গড়া করবেন। বিসিএস কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সুপারিশ পেয়েছি আমরা। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠন করবো। আপনাদের ওপরই ওই দায়িত্ব পড়বে। ৪১-এ উন্নত বাংলাদেশ গড়ার মূল সৈনিক আপনারা। মনে রাখতে হবে- আমরা বাঙালি, আমাদের মর্যাদার সঙ্গে দাঁড়াতে হবে। এজন্য মানুষের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আপনাদের কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২০-২১ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। এ উপলক্ষে নানা কর্মসূচি নিয়েছিলাম। করোনার কারণে অনেক কিছু করতে পারিনি। তবে সব ভূমিহীন ও গৃহহীনকে ঘর দিচ্ছি। গ্রামে শহরের সেবা দেব, এটা নিশ্চিত করতে চাই। তিনি আরও বলেন, গণমুখী প্রশাসন করতে নানা কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছি। উচ্চতর ডিগ্রি ও প্রশিক্ষণের জন্য ফেলোশিপ বৃত্তি প্রদানসহ সব পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। বিজ্ঞানের নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রশিক্ষণকে গুরুত্ব দিচ্ছি।
করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া শুরু
৮,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিনের (টিকা) দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার কার্যক্রম সারাদেশে শুরু করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৮ এপ্রিল) এ কার্যক্রম শুরু হয়। এর আগে স্বাস্থ্যসচিব লোকমান হোসেন মিয়া জানান, টিকা নিলেও আমাদের মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। আমরা যতো বেশি সচেতন হবো তত বেশি সুরক্ষিত থাকতে পারবো। তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করবো ডাক্তার-নার্সসহ সব পর্যায়ের মানুষকে নিয়ে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে মোকাবিলা করতে পারি। মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ২য় ডোজ টিকা নিয়ে অনেক ধরনের আলোচনা ছিল। আমাদের প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কার করে বলে দিয়েছেন ৮ এপ্রিল থেকে যে দ্বিতীয় ডোজ শুরু হওয়ার কথা, এটা যথারীতি চলবে।

জাতীয় পাতার আরো খবর