করোনামুক্ত হলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
১৮,জুলাই,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনামুক্ত হয়ে বাসায় ফিরেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও বরিশাল-৫ আসনের সংসদ সদস্য কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম। করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় প্রতিমন্ত্রী বারিধারার নিজ বাসভবনে ফিরেছেন। শরিবার (১৮ জুলাই) পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আসিফ আহমেদ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, করোনামুক্ত হয়ে বাসায় ফিরেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম। গত শুক্রবার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যায় তার রিপোর্ট করোনা নেগেটিভ আসার পর শনিবার সকালে প্রতিমন্ত্রী বারিধারার নিজ বাসভবনে ফিরেছেন। বর্তমানে তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন। প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেন, অসংখ্য সমর্থক, অনুসারী ও শুভাকাঙ্খী যারা আমার জন্য উদ্বিগ্নতায় ছিলেন এবং দোয়া করেছেন, তাদের সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন যাতে দেশ ও মানুষের সেবায় আরও বেশি কাজ করতে পারি। করোনা পজিটিভ হয়ে গত ১ জুলাই প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। সেখানেই চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে ছিলেন। আগামী কয়েকদিন বিশ্রামের পর যথারীতি অফিস করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।
হিংসা-বিদ্বেষের কারণে পৃথিবীতে বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে
১৭,জুলাই,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশ আগামীতে পৃথিবীতে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা রাখতে চায়। পৃথিবীতে যুদ্ধ, বিগ্রহ ও অশান্তি কমাতে হলে ধর্ম, বর্ণ, গোষ্ঠী নির্বিশেষে একে অপরের প্রতি বিদ্বেষ কমাতে হবে। হিংসা-বিদ্বেষের কারণে পৃথিবীতে হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে। মিয়ানমারের ১১ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী বাস্তুচ্যুত হওয়ার কারণও হিংসা-বিদ্বেষ। সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে সামার সেমিস্টার ২০২০-এ ভর্তি হওয়া নবাগত শিক্ষার্থীদের ভার্চুয়াল নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। আজ শুক্রবার (১৭ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ড. মোমেন বলেন, তথ্য প্রযুক্তি খাতে দক্ষদের জন্য সারা বিশ্বে কর্মসংস্থানের বাজার উন্মুক্ত রয়েছে। এক্ষেত্রে দেশের শিক্ষার্থীদের দক্ষতা অর্জন করতে হবে। তথ্য প্রযুক্তিখাতে বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৬ লাখ দক্ষ জনবল আছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শীতার কারণে বাংলাদেশ এ খাতে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কোনো দেশের উন্নয়নের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো শিক্ষা। শিক্ষা দুর্বল হলে নীতি, রাষ্ট্রীয় আইন-কানুন দুর্বল হয়, দেশ পিছিয়ে যায়। এ কারণে গুণগতমানের শিক্ষার গুরুত্ব সবসময়। শিক্ষা ছাড়া উন্নত জীবন সম্ভব নয়। আত্মবিশ্বাস এবং বর্তমান সময়কে সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে পারলে সফলতা আসবে। অতীত থেকে প্রেরণা নিতে হবে। কিন্তু অতীত নিয়ে বসে থাকা চলবেনা। ভবিষ্যতের নিরাপদ জীবনযাপনের জন্য এখন পরিশ্রম করতে হবে। এ সময় যথাযথ শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলে শিক্ষার্থীরা এই দেশকে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ভার্চুয়াল নবীনবরণ অনুষ্ঠানে সংযুক্ত ছিলেন সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মো: রেজাউল করিম, সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. এফ. এম. মফিজুল ইসলাম, ট্রাস্টি বোর্ডের উপদেষ্টা এ. এন. এম মেশকাত উদ্দীন, রেজিস্ট্রার মেজর জেনারেল (অব.) কাজী ফখরুদ্দীন আহমেদসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ ও নবাগত শিক্ষার্থীরা।
সাবরিনা ফের রিমান্ডে
১৭,জুলাই,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা পরীক্ষা না করে মনগড়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার ডা. সাবরিনার ফের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। শুক্রবার (১৭ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ-উর রহমান এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তিনদিনের রিমান্ড শেষে এদিন দুপুরে সাবরিনাকে আদালতে হাজির কর ফের পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। অপরদিকে, আসামির পক্ষে আইনজীবী আব্দুস সালামসহ কয়েকজন আইনজীবী রিমান্ড বাতিল পূর্বক জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। করোনার ভুয়া রিপোর্ট প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান জেকেজি হেলথ কেয়ারের কর্ণধার আরিফুল চৌধুরীর স্ত্রী ডা. সাবরিনা চৌধুরী জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের একজন চিকিৎসক। জেকেজির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে সাবরিনা আছেন বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানায়। গত ১২ জুলাই সাবরিনাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তেজগাঁও বিভাগীয় উপ-পুলিশ (ডিসি) কার্যালয়ে আনা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন জেকেজির প্রতারণা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, ডিসিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সদুত্তর দিতে না পারায় তাকে তেজগাঁও থানায় আগেই আরিফুলের বিরুদ্ধে হওয়া মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। পরদিনে ১৩ জুলাই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনদিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত। সাবরিনার রিমান্ড চলাকালেই গত ১৫ জুলাই কারাগারে থাকা তার স্বামী আরিফুলকে চারদিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়। এরই মধ্যে জেকেজির অপকর্ম সম্পর্কে তাদের দুজনকে রিমান্ডে মুখোমুখি করে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। গত ২৩ জুন করোনার ভুয়া সনদ দেওয়া, জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে আরিফুলসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করে তেজগাঁও থানা পুলিশ। গ্রেফতারের পর থানা হাজতে থাকা অবস্থায় আরিফুলের ক্যাডার বাহিনী ভাঙচুর ও হামলা করে থানায়। মারধর করে পুলিশকে। এছাড়া রাজধানীর মহাখালীর তিতুমীর কলেজে নমুনা সংগ্রহের বুথ বসিয়ে সেখানে প্রশিক্ষণের নামে নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগও পাওয়া যায়। কলেজের কক্ষে নারী-পুরুষের আপত্তিকর অবস্থানসহ নানা অনৈতিক কাজে বাধা দিলে তিতুমীর কলেজের শিক্ষক, কর্মচারী ও ছাত্রদের ওপরও হামলা করে আরিফুলের লোকজন। অভিযোগ পাওয়া যায়, রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদের মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নাম ভাঙিয়ে বিভিন্নজনকে হুমকি দিতেন আরিফ। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নাম ব্যবহার করে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালককেও দেখে নেওয়ার হুমকি দেন তিনি। জানা যায়, জেকেজির কর্ণধার স্বামী-স্ত্রী মিলে করোনা টেস্টের ভুয়া সনদ বিক্রি করেছেন। প্রতিটি টেস্টের জন্য জনপ্রতি নিয়েছেন সর্বনিম্ন পাঁচ হাজার টাকা। আর বিদেশি নাগরিকদের কাছ থেকে জনপ্রতি তারা নিতেন ১০০ ডলার।
করোনায় মারা গেলেন রাষ্ট্রপতির ছোট ভাই
১৭,জুলাই,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ছোট ভাই ও তার সহকারী একান্ত সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। বঙ্গভবন প্রেস উইং জানায়, করোনায় আক্রান্ত (কোভিড-১৯) হয়ে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাত সোয়া ১টার দিকে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ১ ছেলে ও ২ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আবদুল হাই রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। করোনা উপসর্গ দেখা দিলে গত ২ জুলাই তার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসলে রাতেই তাকে ঢাকা সিএমএইচে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ১২ জুলাই থেকে ভেনটিলেশনে রাখা হয়। আবদুল হাই কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় ১৯৫৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন । তিনি মিঠামইন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার, বিআরডিবির সভাপতি, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সংগঠন প্রবাহ এর সভাপতিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হক সরকারি কলেজের সাবেক সহকারী অধ্যাপক হিসেবেও কাজ করেছেন। হাজি তায়েব উদ্দিন স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং শিক্ষক ছিলেন তিনি। এলাকার উন্নয়নে তিনি বিপুল অবদান রাখেন। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে । ৯ ভাই বোনের মধ্যে আবদুল হাই ছিলেন অষ্টম। আগামী শনিবার (১৮ জুলাই) মিঠামইনে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।
ঢাবির সাবেক উপাচার্য ড. এমাজউদ্দীন আর নেই
১৭,জুলাই,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাবেক উপাচার্য বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দিন আহমদ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। এমাজউদ্দীন আহমদের কন্যা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. দিল রওশন জিন্নাত আরা নাজনীন তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, গত দু দিন ধরে ওনার শরীর খারাপ ছিল। বমি হওয়ায় আমরা রাতেই ল্যাবএইড হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে তিনি সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি আরো জানান, বাদ জুমা রাজধানীর কাঁটাবনে মরহুমের বাসভবন সংলগ্ন বাজমে কাদেরিয়া জামে মসজিদে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্ত্রীর পাশে সমাহিত করা হবে তাকে। বিএনপিপন্থি বুদ্ধিজীবী হিসেবে পরিচিত অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দিন আহমদের মৃত্যুর খবর জানিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ জানান, রাত আড়াইটার দিকে বাসায় স্ট্রোক করলে অধ্যাপক এমাজউদ্দিনকে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সেখানেই তিনি মারা যান। শুক্রবার জুমার নামাজের পর তার জানাজা হবে। তার স্ত্রী আগেই মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তিনি দুই মেয়ে ও দুই ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। প্রফেসর ড. এমাজউদ্দিন আহমদ ১৯৩২ সালের ১৫ ডিসেম্বর তৎকালীন মালদাহ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও ভারতের কিছু অংশ) জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের গোহাল বাড়ি এলাকায় পরিবারসহ দীর্ঘদিন বসবাস করেন এমাজউদ্দিন। তিনি শিবগঞ্জের আদিনা সরকারি ফজলুল হক কলেজ ও রাজশাহী কলেজের ছাত্র ছিলেন। এমাজউদ্দীন আহমদ প্রায় আড়াই দশক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল সায়েন্স বিভাগে অধ্যাপনা করেছেন। পাশাপাশি পালন করেছেন প্রতিটি প্রশাসনিক দায়িত্বও। ছিলেন বিভাগীয় প্রধান, মহসিন হলের প্রভোস্ট, প্রক্টর, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর এবং সবশেষে ভাইস চ্যান্সেলর। ১৯৯২ থেকে ১৯৯৬, এ পাঁচ বছর ভাইস চ্যান্সেলর ছিলেন। এরপর ছয় বছরের কর্মবিরতি শেষে ২০০২ সালে যোগ দেন ইউনিভার্সিটি অব ডেভলপমেন্ট অলটারনেটিভের ভাইস চ্যান্সেলর পদে।

জাতীয় পাতার আরো খবর