শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্র : ১৪ জঙ্গির ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে
৬,এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় জনসভাস্থলে বোমা পুঁতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্রের মামলায় ১৪ জঙ্গিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে ঘোষিত রায়ের ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে এসেছে। মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার ব্যারিস্টার সাইফুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে সোমবার (৫ এপ্রিল) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ডেথরেফারেন্স এসেছে বলে জানা গেছে। এর আগে ২৩ মার্চ ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় জনসভাস্থলে বোমা পুঁতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্রের মামলায় ১৪ জঙ্গিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করেছিলেন। ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৪ আসামি হলেন মফিজুর রহমান, মাহমুদ আজহার, রাশেদুজ্জামান, তারেক, ওয়াদুদ শেখ ওরফে গাজী খান, আজিজুল হক, লোকমান, ইউসুফ ওরফে মোছহাব মোড়ল, মোছহাব হাসান ওরফে রাশু, শেখ মো. এনামুল হক, আনিসুল ইসলাম, সারোয়ার হোসেন, আমিরুল ইসলাম ও রফিকুল ইসলাম খান। এই ঘটনায় মোট তিনটি মামলা হয়েছিল। তার মধ্যে দুটি মামলার রায় বিচারিক আদালতে আগেই হয়। ওইদিন অপর মামলাটির রায় হয়। ২০০০ সালের ২২ জুলাই গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় শেখ লুৎফর রহমান সরকারি আদর্শ কলেজের প্রাঙ্গণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভার প্যান্ডেল তৈরির সময় শক্তিশালী একটি বোমা দেখতে পাওয়া যায়। সেনাবাহিনীর একটি দল ৭৬ কেজি ওজনের ওই বোমা উদ্ধার করে। পরদিন ২৩ জুলাই ৪০ কেজি ওজনের আরেকটি বোমা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় কোটালীপাড়া থানায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা, হত্যার ষড়যন্ত্র ও বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তিনটি মামলা করে পুলিশ। হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় ২০১৭ সালের ২০ আগস্ট বিচারিক আদালত রায় দেন। রায়ে ১০ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড এবং ১৩ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত সবাই নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী বাংলাদেশের (হুজি-বি) নেতা-কর্মী। হত্যাচেষ্টা মামলায় আপিলের রায়ও হয়েছে। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত রায়ে ১০ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন হাইকোর্ট। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এক আসামি ও ১৪ বছর দণ্ডিত দুই আসামির সাজাও বহাল রাখা হয়েছে। ১৪ বছর দণ্ডিত অপর এক আসামিকে খালাস দিয়েছেন উচ্চ আদালত। অপর দিকে, হত্যার ষড়যন্ত্রের মামলায় ২০০১ সালের ১৫ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশের অপরাধ ও তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। ২০০৪ সালে ১৪ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। বিচারে রাষ্ট্রপক্ষে ৫০ জন সাক্ষীর মধ্যে ৩৪ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়।- জাগো নিউজ
মামুনুল হকসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা
৬,এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২৬ মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বায়তুল মোকাররমে সহিংসতার ঘটনায় হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকসহ ১৭ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (০৫ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক খন্দকার আরিফ-উজ-জামান বাদী হয়ে পল্টন থানায় মামলাটি (নম্বর-৮) দায়ের করেন। পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানা যায়, বাদী নিজে ২৬ মার্চ বায়তুল মোকাররম মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে মারধরের শিকার হয়েছেন বলে এজাহারে উল্লেখ করেছেন। মামুনুল হকের সরাসরি নির্দেশনায় অন্যান্য আসামিরা এই হামলা চালায় বলে এতে উল্লেখ করা হয়। মামলার বাকি আসামিরা হলেন- হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা লোকমান হাবিব, যুগ্ম-মহাসচিব নাসির উদ্দিন মনির, নায়েবে আমির মাওলানা বাহাউদ্দিন জাকারিয়া, মাওলানা নুরুল ইসলাম জেহাদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নায়েবে আমির মাজেদুর রহমান, মাওলানা হাবিবুর রহমান, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়্যুবী, সহকারী মহাসচিব মাওলানা জসিম উদ্দিন, টঙ্গীর সহ-সাংগঠনিক মাওলানা মাসুদুল করিম, অর্থ সম্পাদক মুফতি মনির হোসাইন কাশেমী, প্রচার সম্পাদক মাওলানা যাকারিয়া নোমান ফয়েজী, মাওলানা ফয়সাল আহমেদ, সহকারী দাওয়া সম্পাদক মাওলানা মুশতাকুন্নবী, ছাত্র ও যুব সম্পাদক মাওলানা হাফেজ মো. জোবায়ের ও দপ্তর সম্পাদক মাওলানা হাফেজ মো. তৈয়ব।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ আইন অনুমোদন
৫,এপ্রিল,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বন্দর এলাকা দূষণ করলে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা ও এক বছরের কারাদণ্ডের বিধান রেখে- চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২১ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (৫ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চ্যুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, আইনে পরিচালনা প্রশাসক বোর্ডে একজন চেয়ারম্যানসহ সাত জনের বোর্ড থাকবে। তিনি জানান, খসড়া আইনে বন্দর উন্নয়ন সম্প্রসারণে একটি তহবিল রাখা হয়েছে। কীভাবে ভাড়া, টোল নির্ধারণ করতে তার জন্য তফসিল তৈরি করে সরকারের কাছে অনুমোদন নিতে হবে। তবে পাঁচ হাজার টাকার কম হলে অনুমোদন নিতে হবে না। মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, আইন অনুযায়ী বিভিন্ন অপরাধে শাস্তি হতে পারে। কর্তৃপক্ষের আইন লঙ্ঘন করলে বিভিন্ন অপরাধে সর্বোচ্চ এক মাস থেকে এক বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা থেকে ৫ লাখ টাকার অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। তিনি বলেন, কেউ যদি দূষণ সৃষ্টি করে সেক্ষেত্রে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা ও এক বছরের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। বন্দরে কোনো জাহাজ থেকে স্বাস্থ্যহানি ঘটে এমন কোনো বিষয় বা দ্রব্য মজুদ করলে বা বন্দর দূষণ করলে এ শাস্তি হবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
রাজধানীতে চলাচল করা গাড়ি গণপরিবহন নয় : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী
৫,এপ্রিল,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: লকডাউনের মধ্যে রাজধানীতে চলাচল করা বিভিন্ন ধরনের গাড়ি গণপরিবহন নয় জানিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, অফিসের সাথে তাদের চুক্তিবদ্ধ হয়েছে, কর্মকর্তাদের আনা-নেয়ার জন্য শুধু গাড়িগুলো ব্যবহার হচ্ছে। সোমবার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান। করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকায় সোমবার সকাল ৬টা থেকে সাত দিনের লকডাউন শুরু হয়েছে। আগামী ১১ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত থাকবে এই লকডাউন। লকডাউনেও রাজধানীতে গাড়ি চলতে দেখা গেছে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজধানীতে গণপরিবহন নেই। আপনারা নিশ্চয়ই লক্ষ করেছেন সেটি। যদি চলে, বিভিন্ন অফিসে তাদের প্রয়োজনীয় কর্মকর্তা এনে সীমিত পরিসরে তাদের প্রয়োজন অনুসারে অফিস পরিচালনা করবেন, সে ক্ষেত্রে এই পরিবহনগুলো তারা নিজেরা ব্যবস্থা করেছেন, এগুলো গণপরিবহন নয়। অফিসের সাথে তাদের চুক্তিবদ্ধ হয়েছে, কর্মকর্তাদের আনা-নেয়ার জন্য শুধু ব্যবহার হচ্ছে। দূরপাল্লার গাড়িও ছেড়ে গেছে- এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যদি সেটি হয় তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও কেন বইমেলা খোলা রাখা হচ্ছে- জানতে চাইলে ফরহাদ হোসেন বলেন, গণপরিবহন চলছে না কিন্তু রিকশা চলছে। রিকশার ওপর আমাদের কোনো বিধিনিষেধ নেই। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রিকশা কিন্তু অন্যান্য যানের চাইতে অনেক নিরাপদ। কারণ খুবই কম আক্রান্ত হয়। রিকশাওয়ালা এবং প্যাসেঞ্জারের মধ্যে দূরত্ব থাকে, এ জন্য সেটি কিন্তু খুব কম ঝুঁকিপূর্ণ। বইমেলা স্বাস্থ্যবিধি মেনে করবেন, কর্তৃপক্ষ কঠোর নজরদারিতে রাখবেন, সেক্ষেত্রে কেউ যাতে এখানে বেড়াতে না আসে। বই কেনার উদ্দেশ্যেই আসবেন। এটাকে অন্যভাবে বা বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে বা ঘুরে বেড়ানো- এ রকম কোনো সুযোগ এখানে থাকবে না। অত্যন্ত কঠোরতা রাখা হবে। স্বাস্থ্যবিধি ও শারীরিক দূরত্ব মেনে তারা তাদের বইটি কিনে আবার গন্তব্যে ফিরে যাবেন। সেভাবেই কর্তৃপক্ষ দায়-দায়িত্ব নিয়েছে, আমরাও সেটি মনিটরিং করব। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাঠ প্রশাসন এবং সরকারের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা যারা রয়েছেন এবং পুলিশ প্রশাসন, তারা অত্যন্ত কঠোরভাবে তাদের ওপর যে নির্দেশনা আছে সে নির্দেশনা বাস্তবায়ন করবেন। এখানে সেটির কোনো ব্যত্যয় হবে না।
শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখা উন্নয়নের পূর্বশর্ত : প্রধানমন্ত্রী
৫,এপ্রিল,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখা উন্নয়নের পূর্বশর্ত। প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের জন্য শান্তি আবশ্যক। আমরা লোকদের জড়িত করি যাতে তাদের সমর্থন শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করতে পারে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আজ সকালে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে আফগানিস্তানের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত আব্দুল কাইয়ুম মালিকজাদ সৌজন্য সাক্ষাতে এলে তিনি একথা বলেন। বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। বৈঠকে আফগানিস্তানের দূত প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন যে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ আফগান ভাষায় অনূদিত হয়েছে। করোনাভাইরাস পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাস বৈশ্বিক মহামারী হওয়ায় সকলের জন্যই সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। এই প্রাণঘাতী ভাইরাসের বিরুদ্ধে আমরা সকলে সম্মিলিতভাবে লড়াই করছি। বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তানের সম্পর্ককে চমৎকার আখ্যায়িত করে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজ করেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব এবং কারো সঙ্গে বৈরিতা নয় এই পররাষ্ট্রনীতির অনুসারী। প্রধানমন্ত্রী এ সময় আফগানিস্তানের উন্নয়নে তাঁর সহযোগিতার আকাঙ্ক্ষা ও ব্যক্ত করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের এনজিও ব্রাক আফগানিস্তানের আর্থসামাজিক উন্নয়নে সেখানে কাজ করছে। শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর সরকার বাংলাদেশকে জাতির পিতার স্বপ্নের দারিদ্র্য ও ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে । প্রধানমন্ত্রী এ সময় আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্টের প্রতি তাঁর শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। আফগান রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ চমকপ্রদ অগ্রগতি অর্জন করায় তাঁর ভূয়শী প্রশংসা করেন রাষ্ট্রদূত। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন সকলের জন্য মডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আফগান রাষ্ট্রদূত আরও বলেন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার হয়েছে। তিনি ঢাকাস্থ আফগানিস্তানের দূতাবাসকে সহযোগিতা প্রদানের জন্যও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। ব্যবসা-বাণিজ্য সম্পর্কে রাষ্ট্রদূত বলেন, বিশেষ করে দু’দেশের মধ্যে বেসরকারী খাতে সহায়তা বাড়াতে পর্যাপ্ত সুযোগ রয়েছে। তিনি আফগানিস্তানে বাংলাদেশের দূতাবাস পুনরায় চালু করতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড.আহমদ কায়কাউস এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
সারাদেশে সাত দিনের লকডাউন শুরু
৫,এপ্রিল,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রুখতে আজ (সোমবার) থেকে সাত দিনের লকডাউন শুরু হয়েছে দেশে। এর মাধ্যমে সরকার একগুচ্ছ বিধিনিষেধের বেড়াজালে সংক্রমণ বিস্তার রোধের চেষ্টা করছে। করোনার বিরুপ পরিস্থিতির কারণে প্রায় এক বছর পর আবার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিয়ন্ত্রণে একগুচ্ছ বিধিনিষেধ দিতে হলো সরকারকে। সাত দিনেই সংক্রমণ কমিয়ে আনতে নিয়মিত কার্যক্রমে ফেরার লক্ষ্যে দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। গত বছর সংক্রমণ কমাতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। এমনকি কয়েক দফায় সেটির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল। করোনা মহামারীতে গত বছর থেকে শুরু হয়ে দীর্ঘ সময় ধরে সংক্রমণের হার কম থাকায় সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডে ছন্দ ফিরতে শুরু করে। এমন সময় মার্চের শেষ সপ্তাহ থেকে করোনার সংক্রমণ বাড়তে থাকে। করোনার এই অব্যাহত ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের ধারা সামাল দিতে শেষ পর্যন্ত গত শনিবার লকডাউনের ঘোষণা দেয় সরকার, যা আজ (সোমবার) সকাল থেকে শুরু হয়েছে। গতকাল রোববার এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে সরকার এ সময়ে কী করা যাবে আর কী করা যাবে না তা সুষ্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়। প্রজ্ঞাপনে গণপরিবহন চলাচল বন্ধের পাশাপাশি বাজার-মার্কেট, হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়। সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করে এরপর বিভিন্ন ঘোষণা আসতে থাকে। ব্যাংক ও পুঁজিবাজারে লেনদেন সময় কমানো হয়। অন্যান্য ক্ষেত্রেও নতুন সিদ্ধান্ত হয়।
স্বাস্থ্যবিধি না মানায় করোনা পরিস্থিতির অবনতি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
৪,এপ্রিল,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন বলেছেন, জানুয়ারি মাস থেকে বলে আসছিলাম বেপরোয়া চলাচল না করার জন্য কিন্তু মানুষের মধ্যে করোনা নিয়ে ড্যামকেয়ার ভাব দেখা দিয়েছিলো। বিনোদনকেন্দ্র, সমুদ্রসৈকত, সামাজিক অনুষ্ঠান, বিয়ে-সাদি ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি না মানায় দেশে আজ করোনা পরিস্থিতি অবনতির দিকে যাচ্ছে। রোববার (৪ এপ্রিল) বিকেলে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক সম্মেলনকক্ষে করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ রোধে শর্তসাপেক্ষে সার্বিক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপের উপর আলোচনা সভায় মোবাইল ফোনে যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আমরা আগে ভালো ছিলাম, এখন খারাপ অবস্থায় আছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে শর্তসাপেক্ষে ১৮টি নিদের্শনা দিয়েছেন, এই নির্দেশনা সবাইকেই মানতে হবে। নির্দেশনা শিথিল করার কোনো সুযোগ নেই। জনগণকে নির্দেশনা মানানোর জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও জন-প্রতিনিধিদের কাজ করতে হবে। নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। নির্দেশনা যথাযথভাবে পালন করলে আমরা আবারও করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণের মধ্যে নিয়ে আসতে পারবো। এছাড়া যারা করোনা পজিটিভ হবেন তাদের বাড়িতে লাল পতাকা উড়াতে হবে এবং হোম কোয়ারেন্টিন করতে হবে। জেলা প্রশাসক এসএম ফেরদৌসের সভাপতিত্বে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে ১৮ নির্দেশিকার উপর আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন- জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মহীউদ্দীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজুর রহমান, ডায়াবেটি সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুলতানুল আজম খান আপেল, মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব চক্রবর্তী, কাউন্সিলর তছলিম হৃদয়, শহর বনিক সমিতির সভাপতি মিজানুর রহমান মিন্টু, বস্ত্র মালিক সমিতির অনুপ সাহা, মাইক্রোবাস সমিতির সভাপতি মাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
মাদরাসার শিক্ষক-ছাত্রদের ভণ্ড নেতৃত্ব বর্জনের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর
৪,এপ্রিল,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নষ্ট ও ভণ্ড নেতৃত্বকে বর্জন করার জন্য মাদরাসার শিক্ষক ও ছাত্রদের আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। রোববার (৪ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সমসাময়িক প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আজ নিজের স্বার্থে ইসলামকে ব্যবহার করে, ফতোয়া দেয়, গরম গরম বক্তব্য দেয়। অথচ নিজে ইসলাম সম্মতভাবে পরিচালনা করে না। এ ধরনের নষ্ট ও ভণ্ড নেতৃত্বকে বর্জন করার জন্য মাদরাসার শিক্ষক ও ছাত্রদের আহ্বান জানাই। নারায়ণগঞ্জের একটি রিসোর্টে হেফাজত নেতা মামুনুল হকের ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, প্রথমত গতকাল আমি অবাক বিস্ময়ে দেখলাম, মূলত দেশ ডিজিটাল হওয়ার কারণেই এটি লাইভে দেখতে পেলাম। একজন নারীসহ হেফাজতের নেতা মামুনুল হককে কিছু মানুষ আটক করেছে। সেখানে তিনি আল্লাহর কসম খেয়ে বলছেন, সেই নারী তার বিবাহিত স্ত্রী। যদিও মামুনুল হক যে নাম বলেছেন সে নারী ভিন্ন নাম বলেছেন। সে নারীর পিতার নাম মামুনুল হক যেটা বলেছেন সেটার সাথেও মিল নেই। এর কিছুক্ষণ পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখতে পেলাম মামুনুল হক তার নিজের স্ত্রী তার সাথে তিনি সংসার করেন তাকে ফোন দিয়ে বলেন, তুমি কিছু মনে করো না এটা শহীদ ভাইয়ের স্ত্রী। তিনি আরও বলেন, উত্তেজিত জনতা যখন তাকে আটক করে তখন আল্লাহর কসম খেয়ে বলেছেন, তার স্ত্রী, অপরদিকে বিবাহিত স্ত্রী যাকে নিয়ে সংসার করেন চারটি সন্তান আছে, তাকে ফোন দিয়ে বলছেন, তুমি কিছু মনে করোনা আমি পরিস্থিতির কারণে বলেছি। এ ঘটনাগুলো হেফাজতে ইসলামের নেতাদের ও যারা তাদের সমর্থন করেন তাদের কেমন লাগছে জানি না। তবে আমার ভীষণ লজ্জা হচ্ছে। আসলে এই সব নেতারা মামুনুল হকসহ যারা দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে অপচেষ্টা চালিয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে যে তাণ্ডব চালিয়েছে, তারা যে তাদের নেতৃত্ব যে নষ্ট ও ভণ্ড এটারই প্রমাণ হচ্ছে গতকালকের ঘটনার প্রবাহ। তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমি এ জন্য মাদরাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অনুরোধ জানাবো এসব নষ্ট ও ভণ্ড নেতৃত্বকে বর্জন করার জন্য। মামুনুল হকরা ইসলামের ধ্বজা ধরে, ইসলামের লেবাস পরে আসলে কী করছেন সেটাই গতকাল বেরিয়ে পড়েছে তাকে আটক করার প্রেক্ষিতে। ইসলাম কখনো এগুলো অনুমোদন করে না। তিনি এও বলেছেন, ওই নারীকে নিয়ে তিনি রিলাক্স করতে গেছেন। হাছান মাহমুদ বলেন, করোনার মধ্যে যখন সবাই ঘরবন্দি তখন তিনি বিলাসবহুল রিসোর্টে গেছেন রিলাক্স করতে। এরা যে ইসলামকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করে এবং ভণ্ড লেবাস ধরে সেটার প্রমাণ হলো গতকালের ঘটনায়। যিনি নিজেকে আলেম হিসেবে পরিচয় দেন তিনি এ ধরনের কাজ করছেন। ইসলাম তো এগুলো অনুমোদন করে না। আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে বলেছেন, ওই নারী তার স্ত্রী নন। বৈধ স্ত্রী হিসেবে কোনো কাগজপত্র তার কাছে নেই। তাহলে কী দাঁড়ায়, তাই অনুরোধ জানাবো এই নষ্ট ও ভণ্ড নেতৃত্বকে বর্জন করার জন্য। নরেন্দ্র মোদির আগমন নিয়ে আন্দোলনের বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, মামুনুল হককে জনতা আটক করার পর মসজিদের মাইক ব্যবহার করে তাকে উদ্ধার করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রথম স্ত্রীকে না জানিয়ে, একজন অবিবাহিতা নারীকে নিয়ে রিসোর্টে গিয়ে রিলাক্স করতে যাওয়া ব্যক্তির জন্য মসজিদের মাইক ব্যবহার করা মানে ইসলামের ওপর কালিমা লেপন করা। এখানে আরও একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ যখন হেফাজতের ব্যানারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আগুন দেয়া হচ্ছে, ঘরবাড়ি জ্বালানো হচ্ছে, নারায়ণগঞ্জ ঢাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হচ্ছে, তখন নিপুণ রায় (বিএনপি নেত্রী) টেলিফোন করে কর্মীদের বাসে আগুন দেয়ার জন্য বলে। গয়েশ্বর রায় যখন সেটাতে সমর্থন দেন, তখন বুঝতে হবে এটা ইসলাম রক্ষা নয়, হেফাজতও নয়, এটা হচ্ছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য। আসলে বিষয়টা ইসলাম নয়, নরেন্দ্র মোদির আগমনও নয়, ইসলামকে হেফাজত করতেও নয়, বরং ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করা। পাশাপাশি দেশে একটি বিশৃঙ্খলা তৈরি করা।
সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান: প্রধানমন্ত্রী
৪,এপ্রিল,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একইসঙ্গে তিনি সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বানও জানান। রোববার (৪ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনের সমাপ্তি ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ আহ্বান জানান। এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সবকিছু আমরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। আমরা প্রথম এক সপ্তাহের জন্য ব্যবস্থা নিয়েছি ও এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন ঘোষণা করেছি। সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অনুরোধ করছি। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চলছে। আজকেই আমি প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছি। হয়তো মানুষের একটু কষ্ট হবে। কিন্তু জীবনটা তো আগে। আগে জীবনটা বাঁচাতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি। আমরা টিকার দ্বিতীয় ডোজ শুরু করবো। আরও টিকা আনা হবে। টিকা আনার ব্যবস্থা করবো। এর আগে এ দিন করোনা ভাইরাসজনিত রোগের সংক্রমণ বাড়ায় দ্বিতীয় দফায় সারাদেশে লকডাউন ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। লকডাউনে গণপরিবহন- বাস, ট্রেন, লঞ্চ, প্লেন চলাচল বন্ধ থাকবে। সরকারি-বেসরকারি অফিস-আদালত এবং দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হবে। আগামী সোমবার (৫ এপ্রিল) থেকে রোববার (১১ এপ্রিল) পর্যন্ত লকডাউন দিয়ে রোববার (৪ এপ্রিল) এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। শনিবার (৩ এপ্রিল) দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ৯ হাজার ২১৩ জনের। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৬৮৩ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৩০ হাজার ২৭৭ জনে। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন শনিবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে বলেছিলেন, আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে এক সপ্তাহের জন্য সারাদেশে লকডাউনে যাচ্ছে সরকার। গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম তিন জনের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। গত বছরের ২৬ মার্চ থেকে শুরু করে ৬৬ দিনের লকডাউন ছিল সারাদেশে। এ সময়ে জরুরি ছাড়া সব যানবাহন বন্ধ ছিল।

জাতীয় পাতার আরো খবর