স্বাস্থ্যবিধি না মানায় করোনা পরিস্থিতির অবনতি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
৪,এপ্রিল,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন বলেছেন, জানুয়ারি মাস থেকে বলে আসছিলাম বেপরোয়া চলাচল না করার জন্য কিন্তু মানুষের মধ্যে করোনা নিয়ে ড্যামকেয়ার ভাব দেখা দিয়েছিলো। বিনোদনকেন্দ্র, সমুদ্রসৈকত, সামাজিক অনুষ্ঠান, বিয়ে-সাদি ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি না মানায় দেশে আজ করোনা পরিস্থিতি অবনতির দিকে যাচ্ছে। রোববার (৪ এপ্রিল) বিকেলে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক সম্মেলনকক্ষে করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ রোধে শর্তসাপেক্ষে সার্বিক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপের উপর আলোচনা সভায় মোবাইল ফোনে যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আমরা আগে ভালো ছিলাম, এখন খারাপ অবস্থায় আছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে শর্তসাপেক্ষে ১৮টি নিদের্শনা দিয়েছেন, এই নির্দেশনা সবাইকেই মানতে হবে। নির্দেশনা শিথিল করার কোনো সুযোগ নেই। জনগণকে নির্দেশনা মানানোর জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও জন-প্রতিনিধিদের কাজ করতে হবে। নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। নির্দেশনা যথাযথভাবে পালন করলে আমরা আবারও করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণের মধ্যে নিয়ে আসতে পারবো। এছাড়া যারা করোনা পজিটিভ হবেন তাদের বাড়িতে লাল পতাকা উড়াতে হবে এবং হোম কোয়ারেন্টিন করতে হবে। জেলা প্রশাসক এসএম ফেরদৌসের সভাপতিত্বে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে ১৮ নির্দেশিকার উপর আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন- জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মহীউদ্দীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজুর রহমান, ডায়াবেটি সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুলতানুল আজম খান আপেল, মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব চক্রবর্তী, কাউন্সিলর তছলিম হৃদয়, শহর বনিক সমিতির সভাপতি মিজানুর রহমান মিন্টু, বস্ত্র মালিক সমিতির অনুপ সাহা, মাইক্রোবাস সমিতির সভাপতি মাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
মাদরাসার শিক্ষক-ছাত্রদের ভণ্ড নেতৃত্ব বর্জনের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর
৪,এপ্রিল,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নষ্ট ও ভণ্ড নেতৃত্বকে বর্জন করার জন্য মাদরাসার শিক্ষক ও ছাত্রদের আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। রোববার (৪ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সমসাময়িক প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আজ নিজের স্বার্থে ইসলামকে ব্যবহার করে, ফতোয়া দেয়, গরম গরম বক্তব্য দেয়। অথচ নিজে ইসলাম সম্মতভাবে পরিচালনা করে না। এ ধরনের নষ্ট ও ভণ্ড নেতৃত্বকে বর্জন করার জন্য মাদরাসার শিক্ষক ও ছাত্রদের আহ্বান জানাই। নারায়ণগঞ্জের একটি রিসোর্টে হেফাজত নেতা মামুনুল হকের ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, প্রথমত গতকাল আমি অবাক বিস্ময়ে দেখলাম, মূলত দেশ ডিজিটাল হওয়ার কারণেই এটি লাইভে দেখতে পেলাম। একজন নারীসহ হেফাজতের নেতা মামুনুল হককে কিছু মানুষ আটক করেছে। সেখানে তিনি আল্লাহর কসম খেয়ে বলছেন, সেই নারী তার বিবাহিত স্ত্রী। যদিও মামুনুল হক যে নাম বলেছেন সে নারী ভিন্ন নাম বলেছেন। সে নারীর পিতার নাম মামুনুল হক যেটা বলেছেন সেটার সাথেও মিল নেই। এর কিছুক্ষণ পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখতে পেলাম মামুনুল হক তার নিজের স্ত্রী তার সাথে তিনি সংসার করেন তাকে ফোন দিয়ে বলেন, তুমি কিছু মনে করো না এটা শহীদ ভাইয়ের স্ত্রী। তিনি আরও বলেন, উত্তেজিত জনতা যখন তাকে আটক করে তখন আল্লাহর কসম খেয়ে বলেছেন, তার স্ত্রী, অপরদিকে বিবাহিত স্ত্রী যাকে নিয়ে সংসার করেন চারটি সন্তান আছে, তাকে ফোন দিয়ে বলছেন, তুমি কিছু মনে করোনা আমি পরিস্থিতির কারণে বলেছি। এ ঘটনাগুলো হেফাজতে ইসলামের নেতাদের ও যারা তাদের সমর্থন করেন তাদের কেমন লাগছে জানি না। তবে আমার ভীষণ লজ্জা হচ্ছে। আসলে এই সব নেতারা মামুনুল হকসহ যারা দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে অপচেষ্টা চালিয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে যে তাণ্ডব চালিয়েছে, তারা যে তাদের নেতৃত্ব যে নষ্ট ও ভণ্ড এটারই প্রমাণ হচ্ছে গতকালকের ঘটনার প্রবাহ। তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমি এ জন্য মাদরাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অনুরোধ জানাবো এসব নষ্ট ও ভণ্ড নেতৃত্বকে বর্জন করার জন্য। মামুনুল হকরা ইসলামের ধ্বজা ধরে, ইসলামের লেবাস পরে আসলে কী করছেন সেটাই গতকাল বেরিয়ে পড়েছে তাকে আটক করার প্রেক্ষিতে। ইসলাম কখনো এগুলো অনুমোদন করে না। তিনি এও বলেছেন, ওই নারীকে নিয়ে তিনি রিলাক্স করতে গেছেন। হাছান মাহমুদ বলেন, করোনার মধ্যে যখন সবাই ঘরবন্দি তখন তিনি বিলাসবহুল রিসোর্টে গেছেন রিলাক্স করতে। এরা যে ইসলামকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করে এবং ভণ্ড লেবাস ধরে সেটার প্রমাণ হলো গতকালের ঘটনায়। যিনি নিজেকে আলেম হিসেবে পরিচয় দেন তিনি এ ধরনের কাজ করছেন। ইসলাম তো এগুলো অনুমোদন করে না। আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে বলেছেন, ওই নারী তার স্ত্রী নন। বৈধ স্ত্রী হিসেবে কোনো কাগজপত্র তার কাছে নেই। তাহলে কী দাঁড়ায়, তাই অনুরোধ জানাবো এই নষ্ট ও ভণ্ড নেতৃত্বকে বর্জন করার জন্য। নরেন্দ্র মোদির আগমন নিয়ে আন্দোলনের বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, মামুনুল হককে জনতা আটক করার পর মসজিদের মাইক ব্যবহার করে তাকে উদ্ধার করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রথম স্ত্রীকে না জানিয়ে, একজন অবিবাহিতা নারীকে নিয়ে রিসোর্টে গিয়ে রিলাক্স করতে যাওয়া ব্যক্তির জন্য মসজিদের মাইক ব্যবহার করা মানে ইসলামের ওপর কালিমা লেপন করা। এখানে আরও একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ যখন হেফাজতের ব্যানারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আগুন দেয়া হচ্ছে, ঘরবাড়ি জ্বালানো হচ্ছে, নারায়ণগঞ্জ ঢাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হচ্ছে, তখন নিপুণ রায় (বিএনপি নেত্রী) টেলিফোন করে কর্মীদের বাসে আগুন দেয়ার জন্য বলে। গয়েশ্বর রায় যখন সেটাতে সমর্থন দেন, তখন বুঝতে হবে এটা ইসলাম রক্ষা নয়, হেফাজতও নয়, এটা হচ্ছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য। আসলে বিষয়টা ইসলাম নয়, নরেন্দ্র মোদির আগমনও নয়, ইসলামকে হেফাজত করতেও নয়, বরং ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করা। পাশাপাশি দেশে একটি বিশৃঙ্খলা তৈরি করা।
সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান: প্রধানমন্ত্রী
৪,এপ্রিল,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একইসঙ্গে তিনি সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বানও জানান। রোববার (৪ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনের সমাপ্তি ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ আহ্বান জানান। এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সবকিছু আমরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। আমরা প্রথম এক সপ্তাহের জন্য ব্যবস্থা নিয়েছি ও এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন ঘোষণা করেছি। সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অনুরোধ করছি। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চলছে। আজকেই আমি প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছি। হয়তো মানুষের একটু কষ্ট হবে। কিন্তু জীবনটা তো আগে। আগে জীবনটা বাঁচাতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি। আমরা টিকার দ্বিতীয় ডোজ শুরু করবো। আরও টিকা আনা হবে। টিকা আনার ব্যবস্থা করবো। এর আগে এ দিন করোনা ভাইরাসজনিত রোগের সংক্রমণ বাড়ায় দ্বিতীয় দফায় সারাদেশে লকডাউন ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। লকডাউনে গণপরিবহন- বাস, ট্রেন, লঞ্চ, প্লেন চলাচল বন্ধ থাকবে। সরকারি-বেসরকারি অফিস-আদালত এবং দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হবে। আগামী সোমবার (৫ এপ্রিল) থেকে রোববার (১১ এপ্রিল) পর্যন্ত লকডাউন দিয়ে রোববার (৪ এপ্রিল) এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। শনিবার (৩ এপ্রিল) দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ৯ হাজার ২১৩ জনের। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৬৮৩ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৩০ হাজার ২৭৭ জনে। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন শনিবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে বলেছিলেন, আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে এক সপ্তাহের জন্য সারাদেশে লকডাউনে যাচ্ছে সরকার। গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম তিন জনের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। গত বছরের ২৬ মার্চ থেকে শুরু করে ৬৬ দিনের লকডাউন ছিল সারাদেশে। এ সময়ে জরুরি ছাড়া সব যানবাহন বন্ধ ছিল।
গণপরিবহন বন্ধ ঘোষণা
৪,এপ্রিল,রবিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামীকাল সোমবার (৫ এপ্রিল) থেকে গণপরিবহন বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি জানান, তবে পণ্যপরিবহন, জরুরি সেবা, জ্বালানি, ঔষধ, পচনশীল, ত্রাণবাহী পরিবহন, সংবাদপত্র, গার্মেন্টস সামগ্রী এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে। রোববার (৪ এপ্রিল) রাজধানীতে সাংবাদিকদের এ কথা জানান ওবায়দুল কাদের। এরআগে করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ রোধে সোমবার থেকে এক সপ্তাহের জন্য সারাদেশে লকডাউনের সিদ্ধান্তের কথা শনিবার (৩ এপ্রিল) জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এরপর থেকেই নগরজীবনে একধরনের পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। অনেকেই নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। লকডাউন এড়াতে ও কর্মহীন হয়ে আটকা পড়ার ভয়ে অনেকেই ঢাকা ছাড়ছেন। রাজধানী ঘুরে দেখা গেছে বাস, ট্রেন ও লঞ্চে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়। এ ছাড়া শনিবার (৩ এপ্রিল) লকডাউনে জরুরি খাদ্যবাহী ট্রেন ছাড়া সব প্রকার যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধের কথা জানান রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। গত বছরের মতোই লকডাউনে শুধু পণ্যবাহী মালগাড়ি চলবে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রজ্ঞাপনে ঠিক যত দিনের জন্য লকডাউন জারি হবে, তত দিনই যাত্রীবাহী ট্রেন চলবে না। প্রসঙ্গত, মহামারি আকার ধারণ করা করোনায় দেশে হু হু করে বাড়ছে মৃত্যু ও শনাক্ত। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ৫৮ জন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯ হাজার ২১৩ জনে। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ হাজার ৬৮৩ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৩০ হাজার ২৭৭ জনে। করোনাভাইরাস নিয়ে শনিবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এদিন সুস্থ হয়েছেন আরও ২ হাজার ৩৬৪ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৫ লাখ ৪৯ হাজার ৭৭৫ জন। এর আগে শুক্রবার (২ এপ্রিল) দেশে আরও ৬ হাজার ৮৩০ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এ ছাড়া আক্রান্তদের মধ্যে মারা যান আরও ৫০ জন।
কৃষি সচিবের সঙ্গে মার্কিন ডেপুটি চিফ অফ মিশনের সাক্ষাৎ
৪,এপ্রিল,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলামের সাথে সম্প্রতি সাক্ষাৎ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ডেপুটি চিফ অফ মিশন জোয়েন ওয়াগনার। সাক্ষাতে কৃষি খাতে বন্ধন জোরদারকরণ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও ক্ষুধা দূরীকরণে বাংলাদেশ সরকারের সাথে অংশীদারিত্ব অব্যাহত রাখতে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের অঙ্গীকার তুলে ধরতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০তম বার্ষিকী চলাকালে, আমাদের বহু অর্জন সম্ভব করতে আমরা দু দেশ যেসব পন্থায় একসাথে কাজ করেছি সেগুলো সুনির্দিষ্ট করা গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের কৃষিখাতের বিকাশে দারুণ সাফল্য অর্জনের জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়কে অভিনন্দন। বর্তমানে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ধান উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ শস্য প্রযুক্তি ও জলবায়ু পরিবর্তন সহিষ্ণু কৃষি বিষয়ে ক্রমবর্ধমান গবেষণা ও উন্নয়নের জন্য বেশ সুনাম অর্জন করছে। আমরা এই গঠনমূলক অংশীদারিত্বকে আরো এগিয়ে নেয়ার প্রত্যাশায় রয়েছি।
আজকের জাটকাই আগামী দিনের পরিণত ইলিশ : প্রধানমন্ত্রী
৪,এপ্রিল,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকের জাটকাই আগামী দিনের পরিণত ইলিশ। তাই জাটকা ইলিশ সংরক্ষণে সমন্বিত উদ্যোগ কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে আমরা বদ্ধপরিকর। সে লক্ষ্যে আমি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সর্বস্তরের জনগণকে সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই। ৪-১০ এপ্রিল জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ-২০২১ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইলিশ আমাদের জাতীয় মাছ। ভৌগলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃত ইলিশের স্বাদ, রূপ ও ঘ্রাণ এদেশের কৃষ্টি ও ঐতিহ্যের সাথে মিশে আছে। জাটকা সংরক্ষণে জনসচেনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মুজিববর্ষে শপথ নেব, জাটকা নয় ইলিশ খাব- প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দেশব্যাপী ৪-১০ এপ্রিল জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ-২০২১ উদযাপিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশের মানুষকে অনুপ্রাণিত করতে ১৯৭৩ সালে গণভবনের লেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পোনা মাছ ছেড়ে মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন অভিযানের সূচনা করেন। জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে আমরা গত ১২ বছরে সামুদ্রিক মৎস্য আইন-২০২০, মৎস্য ও মৎস্য পণ্য (পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০২০, মৎস্যখাদ্য ও পশুখাদ্য উৎপাদন এবং বিপণন ব্যবস্থাপনা নির্দেশিকা-২০২০, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট আইন-২০১৮, মৎস্য সঙ্গনিরোধ আইন-২০১৮, মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন আইন-২০১২, মৎস্য খাদ্য ও পশুখাদ্য আইন-২০১০, মৎস্য হ্যাচারি আইন-২০১০ প্রণয়ন করেছি। আমাদের সরকারের গৃহীত নানামুখী পদক্ষেপের ফলে ২০১৯-২০ অর্থবছরে মোট মাছের উৎপাদন ৪৫.০৩ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে, যেখানে ২০০৮-২০০৯ অর্থবছরে মোট মৎস্য উৎপাদন ছিল মাত্র ২৭.০১ লাখ মেট্রিক টন। বিশ্বে অভ্যন্তরীণ জলাশয়ে মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ আজ তৃতীয়, বদ্ধ জলাশয়ে মাছ উৎপাদনে পঞ্চম স্থান অর্জন করেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশের অবদান প্রায় ১২.১৫ শতাংশ। ইলিশের টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করতে আওয়ামী লীগ সরকার বিজ্ঞানসম্মত কৌশল গ্রহণ করেছে। ইলিশ সম্পদ সংরক্ষণ এবং উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য যথাযথ প্রযুক্তি উদ্ভাবনের লক্ষ্যে- চাঁদপুরস্থ নদী কেন্দ্রে ইলিশ গবেষণা জোরদারকরণ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। প্রতিবছর ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ২২ দিন মা ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুদ ও বিপণন নিষিদ্ধকরণ, ইলিশের পরিভ্রমণ পথকে সুরক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট ৩,১৮৮ বর্গ কিলোমিটার জলসীমাকে সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা, সমুদ্রে ৬৫ দিন ইলিশসহ সকল প্রকার মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ কার্যক্রম, জাটকা সংরক্ষণ কার্যক্রম, সম্মিলিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা, জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি ইত্যাদি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। বাণীতে তিনি আরও বলেন, আমরা সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় পূর্বের ধারাবাহিকতায় জাটকা আহরণ নিষিদ্ধ সময়ে ২০২০-২১ অর্থবছরে ৩ লাখ ২৮ হাজার ৮১৫টি জেলে পরিবারকে এবং মা ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ সময়ে ২০২০-২১ অর্থবছরে ৫ লাখ ২৮ হাজার ৩৪২টি জেলে পরিবারকে ভিজিএফ কার্ডের মাধ্যমে খাদ্য সহায়তা প্রদান করেছি। আমাদের সরকার জেলেদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও ইলিশের টেকসই উৎপাদন বৃদ্ধিকল্পে ২৪৬.২৭ কোটি টাকার ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা শীর্ষক প্রকল্প গ্রহণ করেছে। জাটকা সংরক্ষণ ও উন্নয়নে আমাদের সময়োপযোগী ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে দেশব্যাপী ইলিশের সহজলভ্যতা ও আকার বৃদ্ধি পেয়েছে। ইলিশ আজ সাধারণ মানুষের ক্রয়সীমায় এসেছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে ৫ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে, যেখানে ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ইলিশের উৎপাদন ছিল ২ লাখ ৯৯ হাজার মেট্রিক টন। বর্তমানে বিশ্বে আমরা ইলিশ উৎপাদনে প্রথম স্থান অর্জন করেছি। মুজিববর্ষে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ -২০২১ উপলক্ষে গৃহীত সকল আয়োজনের সার্বিক সাফল্য কামনা করি।
হঠাৎ লকডাউনে নিম্নবিত্তদের হাহাকার
৩,এপ্রিল,শনিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:করোনায় মৃত্যু ও আক্রান্ত বেড়ে যাওয়ায় সারা দেশে আতঙ্ক, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়েছে। লকডাউন ঘোষণার পর পরই কমলাপুর রেল গেট, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল, গাবতলী বাস টার্মিনাল, মহাখালি বাস টার্মিনাল ও সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে যাত্রীদের চাপ বাড়ছে। অতিরিক্ত যাত্রীর কারণে টিকিট নিয়ে হাহাকার শুরু হয়েছে। এ অবস্থায় রাজধানী ক্রমেই ফাঁকা হয়ে আসছে। যাত্রী কমে যাওয়ায় কেউ কেউ রাস্তায় নামাচ্ছেন না গণপরিবহন। এতে চিরচেনা ঢাকার রাস্তাঘাট যেন অচেনা রুপে আবির্ভুত। সরকার লকডাউন ঘোষণার পরেই সব চেয়ে বেশি হাহাকার নিম্নবিত্ত আয়ের মানুষদের মধ্যে। শান্তিনগর চা দোকানী আমজাদ আলী বলেন, ব্যাংকে কাড়ি কাড়ি টাকা নাই, ঘরে বসে বসে খাবো। আয় না করলে খাবার জোটে না। তাদের মৃত্যু চিন্তা করে লাভ নেই। সরকার প্রধানের দোষ দেই না। সরকার যাদের দায়িত্ব দেন তারাই গরিবেরর খাবার লুট করে খায়। তিনি আরো বলেন, গত বছরের লকডাউনে সরকার খাবার দিয়েছেন অনেক। কিন্তু তা আমাদের পর্যন্ত আসে নাই। গরিবের খাবার নেতাদের পেটে। কিছু শিল্পপতিরা আমাদের খাবার দিয়েছে, তা দিয়ে কোনো মতে জীবন চালাতে হয়েছে। মতিঝিলের কাচাঁবাজারে এক মাছ ব্যবসায়ী জিতু হালদার বলেন, আয় করি তা দিয়ে কোনো মতে সংসার চলে। গত লকডাউনে লাখ টাকা দেনা করেছি। সেই ঋন এখনো পরিশোষ করতে পারি নাই। এর মধ্যে আবার লকডাউন। কি করে চলে বুঝে উঠতে পারছি না। কাকরাইল মোড়ে রিক্স চালক সুলতান হাওলাদার বলেন, সব কিছু বন্ধ হয়ে যায় কী খাবো, সংসার কিভাবে চলবে ভাবতে পারছি না। কোনো জমানো টাকাও নেই যে তা দিয়ে চলব। আল্লাহর উপর ভরসা করে চলতে হবে। মালিবাগ রেল গেট মাড়ে সবজি দোকানী জামাল বলেন, কেমনে চলবো বুঝি না। আল্লাহ ছাড়া আর কোনো পথ নেই। তিনি যেভাবে চালাবেন সেই ভাবে চলবো। জমানো টাকা নেই যে কয়দিন চলবে। রাজধানী ঢাকার প্রধান সড়কগুলো ঘুরে দেখা যায়, সাধারণ কর্মব্যস্ত দিনের তুলনায় রাস্তাঘাট বেশ ফাঁকা। যান চলাচলও কম। ঘরমুখী মানুষরা বাস টার্মিনাল ও রেল স্টেশনে ভিড় করেছেন। কমলাপুর, বিমানবন্দর ও ক্যান্টনমেন্ট রেল স্টেশনে বিপুল সংখ্যক যাত্রী ভিড় করেছেন। কারণ ঢাকা ছাড়তে পারেন অসংখ্য মানুষ। যাত্রীদের ভিড় নিয়ে কমলাপুর রেল স্টেশনের স্টেশন মাস্টার জানান, ট্রেনের যাত্রী তুলনামূলক অনেক বেশি ভিড় করছে। তবে বাস ও ট্রেনে চাপ সঙ্গে বেশি ভির করছে সদরঘাট লঞ্চঘাটে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপথ পরিবহন কর্তৃপক্ষ। আব্দুল্লাহপুর থেকে পোস্তগোলা রুটে চলাচলকারী রাইদা পরিবহনের চালক আল আমীন বলেন, করোনা ভাইরাস আতঙ্কে যাত্রীসংখ্যা একেবারে কমে গেছে। যাত্রী নেই বলে রাস্তায় গাড়িও বেশি নামেনি। রাজনৈতিক দলহর বিভিন্ন সংগঠগনের জনসমাবেশ বাতিল করা হয়েছে। বন্ধ করা হয়েছে পর্যটন স্পটগুলোও। এছাড়া দেশের স্থলবন্দরগুলো দিয়ে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে অধিকাংশ বিমানের ফ্লাইট। এই পরিস্থিতিতে সারাদেশের মতো রাজধানীর নাগরিকরাও করোনা আতঙ্কে ভুগছে। তাই তাদের চলাফেরায় নিয়ন্ত্রণ এসেছে। গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছাড়া কেউ বাইরে বের হচ্ছেন না। এদিকে করোনা আতঙ্কে দূরপাল্লার বাসে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। পরিবহন মালিকরা বলছেন, মাত্র ২৫ শতাংশ যাত্রী নিয়ে এখন চলছে বাস। অথচ এই সময় সাধারণত তাদের বাসে শতভাগ যাত্রী থাকে। কিন্তু করোনা আতঙ্ক ও সতর্কতার কারণে যাত্রী ৭৫ শতাংশ কমে গেছে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেন, হঠাৎ করেই বাসের যাত্রী সংখ্যা বেশি। অনেকেই বাড়ি চলে যাচ্ছেন।
না.গঞ্জের রিসোর্টে মামুনুল হককে ঘেরাও, ঘটনাস্থলে পুলিশ
৩,এপ্রিল,শনিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব মুহাম্মাদ মামুনুল হককে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে একটি রিসোর্টে ঘেরাও করার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে বলতে শোনা যায়, মামুনুল এক নারীসহ আটক হয়েছেন। যদিও ওই নারীকে নিজের স্ত্রী বলে দাবি করেছেন মামুনুল হক। আর পুলিশ বলেছে, মামুনুলকে ঘেরাওয়ের খবরে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে নিরাপত্তা দিয়ে রেখেছে। শনিবার (৩ এপ্রিল) নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার রয়েল রিসোর্টে এ ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনার ভিডিওতে মামুনুলকে প্রশ্নবাণে জর্জরিত করতে দেখা যায় জনতাকে। তখন মামুনুলকে বলতে শোনা যায়, তিনি গত দুই বছর আগে বিয়ে করেছেন। (শনিবার) দুপুরে স্ত্রীকে নিয়ে সোনারগাঁয়ে এসেছেন তিনি। জাদুঘর ঘুরে দেখে বিশ্রাম নেয়ার জন্য ওই রিসোর্টে আসেন। এরপর লোকেরা এসে তাকে বিবাহিত স্ত্রীসহ নাজেহাল করে। এ সময় পাশ থেকে কয়েকজনকে উচ্চস্বরে বলতে শোনা যায়, সারাদেশে আন্দোলন জ্বালাও-পোড়াও করে এখন রিসোর্টে আসছেন আনন্দ করতে? উত্তরে মামুনুলকে বলতে শোনা যায়, আল্লাহর কসম করে বলছি, উনি আমার দ্বিতীয় স্ত্রী। আমাদের কাছে সব প্রমাণ আছে। দেশের আন্দোলনের সঙ্গে এটা কিসের সম্পর্ক? এ বিষয়ে জানতে চাইলে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন, হেফাজত নেতা মামুনুল হককে আটক কিংবা গ্রেফতার কোনোটিই করা হয়নি। স্থানীয়রা তাকে ঘিরে ফেলায় পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক আনতে সক্ষম হয়।
৫ এপ্রিল থেকে নৌযান চলাচল বন্ধ
৩,এপ্রিল,শনিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী সোমবার (৫ এপ্রিল) থেকে সারাদেশে যাত্রীবাহী নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে। দেশে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শনিবার বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় এক সপ্তাহের জন্য সারাদেশে লকডাউন দিচ্ছে সরকার। লকডাউনের কারণে সোমবার সকাল ৬টা থেকে সারাদেশের সব ধরনের যাত্রীবাহী নৌযান বন্ধ থাকবে। তবে মালবাহী জাহাজ চলাচল করবে। এদিকে লকডাউনের সময় জরুরি খাদ্যবাহী ট্রেন ছাড়া সব প্রকার যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। দেশে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় সোমবার (৫ এপ্রিল) ভোর থেকেই সারাদেশে লকডাউন কার্যকর হচ্ছে। শনিবার বিকালে সচিবদের আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জাতীয় পাতার আরো খবর