সারাবিশ্বের রাষ্ট্রপ্রধানরা শুভেচ্ছাবার্তা দিয়েছেন, এটাই আমাদের সার্থকতা: প্রধানমন্ত্রী
২৮,মার্চ,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হয়েছে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে সারাবিশ্বের রাষ্ট্রপ্রধানরা শুভেচ্ছা দিয়েছেন। এটা আমাদের সম্মানের, এটাই আমাদের সার্থকতা। তবে আমাদের যাত্রা অনেক দূরের; জাতির পিতার স্বপ্নের উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠন করতে হবে। রোববার (২৮ মার্চ) বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের অনেক দূর যেতে হবে। উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। এটাই জাতির পিতার স্বপ্ন। তার স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ব- এটাই প্রতিজ্ঞা। শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে পাঁচ দেশের প্রধান এসেছেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও ২৭টি প্রতিষ্ঠান থেকে শুভেচ্ছাবার্তা আমরা পেয়েছি। এটা বাংলাদেশের জনগণের জন্য অত্যন্ত সম্মানের। এটাই আমাদের সার্থকতা। তিনি বলেন, সময়ের অভাবে সব বার্তা শোনাতে পারিনি। সব বার্তা রক্ষিত আছে। তৃণমূল পর্যন্ত প্রচার করতে হবে। তাদের শুভেচ্ছাবার্তা যেন জনসাধারণ জানতে পারে। সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগও বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনকে এগুলো প্রচারে কাজ করার নির্দেশনা দেন তিনি। তিনি আরও বলেন, সবুজ বাংলা আরও সবুজ করতে বৃক্ষরোপণ করতে হবে। এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদি না থাকে। কোনো জলাশয় যেন অনাবাদি না থাকে। খাদ্য উৎপাদন করে নিজেদের প্রস্তুত রাখতে হবে। করোনা পরিস্থিতি কোন দিকে যায় বলা যায় না। যাতে অন্তত খাদ্য সংকট না হয়। আমরা নিজের খাদ্য নিজেই জোগান নিশ্চিত করে অন্যকেও দেব। সরকারপ্রধান বলেন, ভ্যাকসিন দেয়া অব্যাহত থাকবে। কেউ যাতে মাস্ক ছাড়া বাইরে না যায়। নিরাপদ দূরত্ব মেনে বসতে হবে। সভা-সেমিনার-কর্মশালা স্বাস্থ্যসুরক্ষা মেনে করতে হবে। যতদূর সম্ভব খোলা জায়গায় কর্মসূচি করতে হবে। ঘরের মধ্যে করলে করোনার প্রাদুর্ভাব আরও বেশি দেখা দেয়। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে। সব অনুষ্ঠান সতর্কতার সঙ্গে করতে হবে। পাশাপাশি গত বছর মানুষের পাশে যেমন দাঁড়িয়েছেন, তেমনি সামনেও মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। মানুষ যেন কষ্টে না থাকে। সরকারের পক্ষ থেকে আমরা যা করার করব। কিন্তু দল হিসেবে আওয়ামী লীগও মানুষের পাশে থাকতে হবে। যে দল বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন করেছে, তাদের ওপর অনেক দায়িত্ব। মানুষের জন্য খাদ্য বিতরণ, মাস্কসহ স্বাস্থ্যসুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ ও নানা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। শেখ হাসিনা বলেন, আজ আমাদের প্রতিজ্ঞা হলো, বাংলাদেশে একটি মানুষও ভূমিহীন থাকবে না, গৃহহীন থাকবে না। আমরা সেই ব্যবস্থা করে যাচ্ছি। বঙ্গবন্ধু তার সংবিধান ও আইনে যে মৌলিক নির্দেশনা রেখে গেছেন আমরা সে আলোকেই পথ চলছি। তার সব কাজ পূর্ণ করছি। তিনি বলেন, গৃহহীন ও ভূমিহীন কেউ যেন বাদ না যায়, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। কেউ বাদ গেলে জানাতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২১ বছর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম মুছে ফেলা হয়েছে। ৭ মার্চের ভাষণও নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। বাংলাদেশ ভিন্নখাতে নেয়া হয়েছিল। আমরা ক্ষমতায় আসার পর নানা কর্মসূচি নিয়েছিলাম। তারপরও চক্রান্ত থামেনি। ২০০১ এ আমাদের ক্ষমতায় আসতে দেয়নি। কিন্তু ফল তো ভালো হয়নি। পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। নানা খাতে পিছিয়েছে বাংলাদেশ। তিনি বলেন, গত ১২ বছরে বাংলাদেশের আমূল পরিবর্তন হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে দেশ পরিচালনা করেছি। এতসব অর্জনে বঙ্গবন্ধুর আদর্শই কারণ। এটা নতুন কিছু নয়, কোনো ম্যাজিকও নয়। এদেশের মানুষ জাতির পিতার নির্দেশে মুক্তিযুদ্ধ করে। ৭ মার্চের ভাষণে যা যা করতে বলেছেন, মানুষ তাই করে। তিনিই বলেছিলেন, বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না। আসলেও দাবায়ে রাখা যায়নি, যাচ্ছে না। আমরা তার আদর্শে দেশ পরিচালনা করে এগিয়ে যাচ্ছি। আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় সূচনা বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুর রাজ্জাক, আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদ প্রমুখ।
হরতালকে ঘিরে কঠোর অবস্থানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী
২৮,মার্চ,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিবিরোধী বিক্ষোভ, সমাবেশ ও সংঘর্ষে নিহতের ঘটনার জেরে রোববার (২৮ মার্চ) সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে বাংলাদেশ হেফাজতে ইসলাম। এই হরতালকে কেন্দ্র করে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিহত করতে মাঠ পর্যায়ে নিয়োজিত সদস্যদের কঠোর অবস্থানে থাকার নির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ সদর দফতর। হরতালে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ-Rabর পাশাপাশি মাঠে থাকবেন বিজিবি সদস্যরা। শনিবার (২৭ মার্চ) সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দফতর থেকে এ সংক্রান্ত বিশেষ নির্দেশনা দেয়া হয় বলে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ও পুলিশ সদর দফতরের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। নির্দেশনায় চলমান আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশের ওপর হামলার আশঙ্কায় ডিএমপিসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় কর্মরত পুলিশ সদস্যদের সতর্ক অবস্থানেও থাকতে বলা হয়। Rab এর আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, চলমান পরিস্থিতিতে যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে Rab সদর দফতর সব ব্যাটালিয়নকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি Rab সাইবার পেট্রোলিংয়ের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো পর্যবেক্ষণ শুরু করেছে। কেউ হরতালের নামে সহিংসতা করার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা ও মুখপাত্র পরিচালক (অপারেশন) লে. কর্নেল ফয়জুর রহমান বলেন, চলমান পরিস্থিতিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চাহিদা মোতাবেক সারাদেশে পর্যাপ্ত সংখ্যক বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
স্বপ্নের পদ্মা সেতুর পূর্ণাঙ্গ রূপ দেখলেন প্রধানমন্ত্রী
২৭,মার্চ,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পদ্মা সেতুর সঙ্গে মিশে আছে বাংলাদেশের মানুষের আবেগ, ভালোবাসা এবং মর্যাদা। দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত পদ্মা সেতুর সঙ্গে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার আবেগটা আরও বেশি। গেল ১০ ডিসেম্বরের সর্বশেষ স্প্যান বসানোর মধ্যে দিয়ে পদ্মা সেতুর মূল কাঠামোর পূর্ণাঙ্গ রূপ পেলেও করোনা পরিস্থিতির কারণে বাস্তবে পদ্মা সেতু দেখার সুযোগ পাননি বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর মাহেন্দ্রক্ষণে শনিবার (২৭ মার্চ) দুপুরে প্রথমবারের মতো স্বপ্নের পদ্মা সেতুর মূল কাঠামোর পূর্ণাঙ্গ রূপ বাস্তবে দেখলেন বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়া থেকে ঢাকা ফেরার পথে হেলিকপ্টার থেকে পদ্মা সেতুর ভিডিও করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় তার পাশে ছিলেন ছোট বোন শেখ রেহানা। সকালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধে শ্রদ্ধা জানান সফররত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। টুঙ্গীপাড়ায় নরেন্দ্র মোদীকে স্বাগত জানাতে সেখানে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহানা। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান জাহিদ তুষার বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর ঐতিহাসিক সময়ে বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা এক সঙ্গে প্রথমবারের মতো মূল পদ্মা সেতুর পূর্ণাঙ্গ রূপ সরাসরি দেখলেন। এর আগে সর্বশেষ গেল বছরের ১৭ মার্চ টুঙ্গীপাড়া আসা-যাওয়ার পথে হেলিকপ্টার থেকে সরাসরি পদ্মা সেতু দেখেন প্রধানমন্ত্রী। তখনো পদ্মা সেতু পূর্ণাঙ্গ কাঠামো নির্মাণ কাজ শেষ হয়নি। পরে গেল বছরের ১০ ডিসেম্বর সর্বশেষ স্প্যান বসানোর মধ্যে দিয়ে পূর্ণাঙ্গ রূপ পায় মূল পদ্মা সেতু। দুই তলা পদ্মা সেতুতে স্প্যানের ওপর কংক্রিটের স্ল্যাব বসানোর কাজ শেষ হলেই পিচ ঢালাই হবে। ঢালাইয়ের কাজ, রেলের জন্য স্লিপার বসানোসহ আনুসঙ্গিক কাজ শেষ হলেই স্বপ্নের পদ্মাসেতু যানবাহন চলাচলের উপযোগী হবে। পদ্মা সেতুর উপর তলায় চার লেনে যানবাহন চলবে এবং নিচ তলা দিয়ে চলবে ট্রেন। ১৯৯৮ সালে প্রথমবার শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় আসার পর পদ্মা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর আবারও পদ্মা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুরুতে বিশ্ব ব্যাংকের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় থমকে যায় পদ্মা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ। সম্ভাব্য দুর্নীতির অভিযোগ এনে বেশ কিছু দিন ঝুলিয়ে রাখে বিশ্ব ব্যাংক। দীর্ঘ টানাপোড়েনে একজন মন্ত্রীকে সরে যেতে হয়। তখনকার সেতু সচিবকে দুদকের মামলায় কারাগারে যেতে হয়। পরে অভিযোগের সত্যতা পায়নি দুদক। কানাডার একটি আদালতেও প্রমাণ হয় পদ্মা সেতুতে দুর্নীতি হয়নি। সেই দীর্ঘ টানাপোড়েনের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংককে না করে দেয় এবং নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্যে বিশ্বব্যাংকের নকশা অপরিবর্তিত রেখে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে মূল সেতুর নির্মাণ ও নদী শাসন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুরু হয় বিপুল কর্মযজ্ঞ। নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর মূল কাঠামো পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়।
কোনো চাওয়া-পাওয়া থেকে মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ করেননি: স্পিকার
২৭,মার্চ,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধারা কোনো চাওয়া-পাওয়া থেকে নয়, দেশমাতৃকাকে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। শনিবার (২৭ মার্চ) স্পিকার রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়ামে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। স্পিকার তার সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চ্যয়ালি এ আলোচনা সভায় যুক্ত হন। এ সময় ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সড়ক দুর্ঘটনায় ১৭ জন পীরগঞ্জবাসী নিহত হওয়ার ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেন। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে সব মুক্তিযোদ্ধাদের সশ্রদ্ধ সালাম ও বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে স্পিকার বলেন, নিজের পরিবারের কথা না ভেবে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে অস্ত্র হাতে অংশগ্রহণ করেছিলেন মুক্তিযোদ্ধারা। বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছেন বলে আজ বাঙালি জাতি বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারছে। বাংলাদেশ আজ মর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বাংলাদেশের যে উন্নয়ন ও অগ্রগতি তা বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত। মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মানিত করার যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে শেখ হাসিনার সরকার। পীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আজিজুর রহমান রাঙ্গার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এ এস এম তাজিমুল ইসলাম শামীমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মো. নুরুল হক, আব্দুল হাদী, আব্দুর রব, মো. ফজলার রহমান, আবুল কালাম আজাদ, মো. নুরুল ইসলাম, মো. জিল্লুর রহমান সরকারসহ ৬৮ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন স্পিকার। এতে আওয়ামী লীগ নেতা রাকিবুল ইসলাম নয়নসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
রাজধানীসহ সারাদেশে বিজিবি মোতায়েন
২৭,মার্চ,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরকে ঘিরে প্রতিবাদে নেমে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন ইসলামি দলগুলোর নেতাকর্মীরা। শুক্রবার (২৬ মার্চ) জুম্মার নামাজের পর বায়তুল মোকাররম মসজিদের সামনে সংঘর্ষ শুরু হয়। এরপর সন্ধ্যায় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকার সড়ক অবরোধ করে রাখে যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী মাদরাসার শিক্ষার্থীরা। ফলে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কসহ যাত্রাবাড়ীর আশপাশের এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ অবস্থায় রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। শুক্রবার (২৬ মার্চ) রাতে বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা বিজিবির মুখপাত্র পরিচালক (অপারেশন) লে. কর্নেল ফয়জুর রহমান নিউজ একাত্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে এখন ভিভিআইপিরা অবস্থান করছেন। অনেক ইসলামি দল আজ মোদিবিরোধী আন্দোলন করেছে। এসব বিষয় নিয়ে দেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সারাদেশে রাত থেকেই বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। সারাদেশে কত প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কত প্লাটুন মোতায়েন করা হয়েছে এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে সারাদেশেই মোতায়েন করা হয়েছে। জানা যায়, সফরের দ্বিতীয় দিন (২৭ মার্চ) সকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধ পরিদর্শন করে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এছাড়াও তিনি সাতক্ষীরা ও গোপালগঞ্জে দুটি মন্দির পরিদর্শন করে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত পরিসরে মতবিনিময় করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এদিকে দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার সৈয়দ নুরুল ইসলাম বলেন, আন্দোলনকারীরা মসজিদকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছে। মুসলিম ও মুসলমানদের পবিত্র জায়গা হচ্ছে মসজিদ। পুলিশ মসজিদের পবিত্রতা রক্ষার্থে ভেতর প্রবেশ করেনি। যদি এটা মসজিদ না হতো তাদেরকে আমরা আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পারতাম। আজকে যে পরিমাণ ইট-পাটকেল পুলিশের ওপর নিক্ষেপ করা হয়েছে, তা কয়েক ট্রাক হবে। মসজিদের ভেতরে এতো ইট কিভাবে আসলো সেটা তদন্ত করে দেখা হবে। তিনি বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশে এসেছেন এটি আমাদের জন্য মর্যাদার। সেই মর্যাদাকে নষ্ট করতে তারা সংঘর্ষে জড়িয়েছে। সত্যিকার অর্থেই তারা রাষ্ট্রের মযার্দা চায় কি-না, সে বিষয়ে আমার মনে সন্দেহ আছে। বাংলাদেশের মযার্দা তারা চায় না। বাংলাদেশ একটি মর্যাদাশীল রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত হতে চলছে, এটাও তারা চায় না। তারা চায় তালেবান ধরনের একটি রাষ্ট্র। পুলিশ কর্মকর্তা সৈয়দ নুরুল ইসলাম বলেন, আপনারা জানেন- বায়তুল মোকাররমে প্রায় প্রতিদিনই বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। তারা নানা ধরনের ব্যাঙ্গাত্মক আচরণ করে। এখান থেকে জুতা-স্যান্ডেল দেখানো হয়, কালো পতাকা, ঝাড়ু দেখানো হয়। যেহেতু আজ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ মোদি বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আমন্ত্রিত অতিথি। সুতরাং আজকে যেন কোনো বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয় সে কারণে আমাদের নিরাপত্তা বেষ্টনি ছিল। তিনি আরও বলেন, ভেতরে যখন মুসল্লিরা নামাজ পড়ছিল, তখন কিছু মুসল্লি মিছিল শুরু করে। তারা জুতা-স্যান্ডেল দেখাচ্ছিল। এতে অন্য মুসল্লিরা বাধা দেয়। এতে দুদলের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। একটা পর্যায়ে যারা জুতা স্যান্ডেল দেখাচ্ছিল, তারা মসজিদের ভেতরে অবস্থান নেয় এবং ভেতর থেকে ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকে। অন্য মুসল্লিরা ইটপাটকেলের আঘাতে আহত হয়। অনেকে আহত হয়ে চলে যায়। এমনকি পুলিশের ওপর তারা চড়াও হয়। পুলিশের পাশাপাশি ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা আন্দোলনকারীদের প্রতিরোধ করতে মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছিল, তারা এটা কিভাবে করল এমন প্রশ্নের জবাবে মতিঝিল জোনের ডিসি বলেন, একদল মুসল্লি মসজিদের ভেতর থেকে স্লোগান দিচ্ছিল, ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে জুতা, ঝাড়ু দেখাচ্ছিল। তাদের এমন কর্মকাণ্ডকে বিরোধিতা করছিল আরেকদল মুসল্লি। তারপর থেকে এই সংঘর্ষ শুরু হয়। যারা জুতা দেখিয়েছে তারা মসজিদের ভেতরে অবস্থান নেয়। আর যারা তাদের এগুলোর বিরোধিতা করছিল, তারা তাদের হাতে আক্রান্ত হয়ে রাস্তার বিভিন্ন যায়গায় অবস্থান নিয়েছে। আমরা বলেছিলাম আপনারা যারা মসিজেদের ভেতরে আছেন তারা বের হয়ে যান। তখন অনেকে আমাদের কথা শুনেছেন। আর যারা অতি-উৎসাহী তারা এখনও অবস্থান করছেন। এদিকে শুক্রবার সকালেই দুইদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে বাংলাদেশে পৌঁছেছেন নরেন্দ্র মোদি। তার সফর ঘিরে কোনো অপচেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না বলে আগেই সতর্ক করেছিল পুলিশ।
মোদীকে অভ্যর্থনা জানাতে টুঙ্গিপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
২৭,মার্চ,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে অভ্যর্থনা জানাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া পৌঁছেছেন। বর্তমানে তিনি বঙ্গবন্ধু সমাধি সৌধ কমপ্লেক্সের বঙ্গবন্ধু ভবনে অবস্থান করছেন। এর আগে তিনি ঢাকা থেকে হেলিকাপ্টার যোগে টুঙ্গিপাড়া হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন। সেখান থেকে সড়ক পথে শনিবার (২৭ মার্চ) সকাল ১০টা ১০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু সমাধি সৌধ কমপ্লেক্সে পৌঁছান। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টুঙ্গিপাড়া পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে অভ্যর্থনা জানাবেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে সঙ্গে নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধের বেদীতে শ্রদ্ধা জানাবেন। পরে নরেন্দ্র মোদীকে সঙ্গে বঙ্গবন্ধু সমাধি সৌধ কমপ্লেক্সে পরিদর্শন করবেন। এরপর নরেন্দ্র মোদী বঙ্গবন্ধু ভবনের পাশে একটি বকুল ফুলের চারা রোপণ করবেন। পরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী কাশিয়ানী উপজেলার ওড়াকান্দি ঠাকুর বাড়ীতে যাবেন। সেখানে তিনি হরিচাঁদ ঠাকুর ও গুরুচাঁদ ঠাকুরের মন্দিরে পূজা অর্চনা করবেন এবং মতুয়া নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
লাল-সবুজে রঙিন লন্ডন আই ও অস্ট্রেলিয়ার স্টোরি ব্রিজ
২৬,মার্চ,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে যুক্তরাজ্যের আইকনিক স্থাপনা- লন্ডন আই এবং অস্ট্রেলিয়ার দুই ঐতিহাসিক স্থাপনা স্টোরি ব্রিজ ও ভিক্টোরিয়া ব্রিজে লাল-সবুজ রঙে আলোকসজ্জার আয়োজন করা হয়েছে। ২৬ মার্চ স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় টেমস নদীর তীরে অবস্থিত লন্ডন আই লাল-সবুজে রঙিন করার এ যৌথ উদ্যোগ নিয়েছে- ব্রিটিশ বাংলাদেশি পাওয়ার অ্যান্ড ইনস্পিরেশন (বিবিপিআই) ও লাস্টমিনিট ডটকম লন্ডন আই। বিবিপিআই ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি কাউন্সিলর আব্দাল উল্লাহ বলেন, লন্ডন আই পর্যটকদের জন্য অন্যতম দর্শনীয় স্থাপনা। এর ওপরে উঠলে ৪০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত নগরীর দৃশ্য দেখা যায়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর উদযাপন উপলক্ষে যুক্তরাজ্যের বড় বড় শহরগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও দর্শনীয় স্থানগুলোতেও আলোকসজ্জার আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অ্যাডিনবরার চেম্বার অব কমার্স বিল্ডিং ও সিটি এয়ারপোর্ট, নিউ ক্যাসলের মিলেনিয়াম ব্রিজ, মানচেস্টার সেন্ট্রাল লাইব্রেরি, বার্মিংহ্যাম সেন্ট্রাল লাইব্রেরি, নথার্ম্পটন ইউনিভার্সিটি বিল্ডিং, কার্ডিফ ক্যাসল ও লন্ডনের ক্যানারি হোয়ার্ফ। অস্ট্রেলিয়ার ঐতিহাসিক স্টোরি ব্রিজ এবং ভিক্টোরিয়া ব্রিজ লাল-সবুজের বর্ণিল আলোকসজ্জার আয়োজন করে দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় কুইন্সল্যান্ডের শহর ব্রিসবেনে বাংলাদেশ কমিউনিটি। বাংলাদেশি ড. জিশু দাস গুপ্ত এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ইন ব্রিসবেনের (ব্যাব) উদ্যোগে এবং অস্ট্রেলিয়ান লোকাল গভর্নমেন্টের সহযোগিতায় এ আয়োজন করা হয়। স্থানীয় বাংলাদেশিরা জানান, শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এ দুইটি সেতু প্রতিদিনই আলোকিত করা হয় বিশেষ বিশেষ কারণে। এবারই প্রথম বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশের জন্য আলোকিত হলো ঐতিহাসিক ব্রিজ দুটি। ড. জিশু দাস গুপ্ত বলেন, পৃথিবীর আনাচে কানাচে জ্বলে উঠুক বাংলাদেশের নাম।সূত্র: বাংলা নিউজ
জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন মোদী
২৬,মার্চ,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শুক্রবার (২৬ মার্চ) সকালে নরেন্দ্র মোদী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এসময় শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন তিনি। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শুক্রবার দুই দিনের সফরে ঢাকায় আসেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভারতের প্রধানমন্ত্রী হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শুক্রবার (২৬ মার্চ) সকালে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিমানবন্দরে মোদীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। একইসঙ্গে তার সম্মানে ২১ বার তোপধ্বনি ও গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। এসময় বিমানবন্দরে দুই প্রধানমন্ত্রী কুশল বিনিময় করেন। সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধে নিহত শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা শেষে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন তিনি। ২৬ মার্চ বিকেলে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে স্বাধীনতা দিবসের জাতীয় অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মোদী। করোনাকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এটাই প্রথম বাংলাদেশ সফর। দুই দিন সফর শেষে শনিবার (২৭ মার্চ) তিনি ঢাকা ত্যাগ করবেন।
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
২৬,মার্চ,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মহান স্বাধীনতা দিবস ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে শুক্রবার (২৬ মার্চ) সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে রক্ষিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন এবং জাতির পিতার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। এর আগে ভরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

জাতীয় পাতার আরো খবর