করোনায় দেশে ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ৬৩৬ জন, মৃত্যু ৮
০৯মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৩৬ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া মারা গেছেন আরও ৮ জন। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২১৪ । দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৩ হাজার ৭৭০ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫৪৬৫ টি। নমুনা সংগ্রহ করা হয় ৫২৪৭ টি। আজ শনিবার দুপুরে করোনার সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়। গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে করোনাভাইরাস শনাক্তের পরীক্ষা শুরু করে। ৮ মার্চ দেশে প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এদিকে গত ১০ দিনে (২৯ এপ্রিল-৮ মে) দেশে ৬৬৭২ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। দেশে এখন পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৩১৩৪ জন। এছাড়া ৮ মার্চ প্রথম শনাক্তের একমাস পর ৮ এপ্রিল পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২১৮ জন। পরবর্তী একমাস ৮ মে এসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৩ হাজার ১৩৪। এতে দেখা যায় গত একমাসে আক্রান্ত হয়েছে ১% এর কিছুবেশি আর এই মাসেই আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ৯৯%। দেশে গত ২৮ এপ্রিল করোনা রোগী শনাক্ত হয় ৫৪৯ জন। এরপর ২৯ এপ্রিল ৬৪১ জন, ৩০ এপ্রিল ৫৬৪ জন, ১ মে ৫৭১ জন, ২রা মে ৫৫২ জন, ৩রা মে ৬৬৫ জন, ৪ঠা মে ৬৮৮, ৫ মে ৭৮৬ জন, ৬ মে ৭৯০ জন, ৭ মে ৭০৬জন , ৮ মে ৭০৯ জন।
ড. ওয়াজেদ মিয়ার ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
০৯মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশবরেণ্য পরমাণু বিজ্ঞানী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী প্রয়াত ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার ১১ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০০৯ সালের ৯মে তিনি চলে যান না ফেরার দেশে। বিশিষ্ট এই পরমাণু বিজ্ঞানীর মৃত্যুবার্ষিকী পালনে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ, এম এ ওয়াজেদ ফাউন্ডেশন এবং আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে প্রতি বছর বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেয়া হলেও এবার করোনাভাইরাসের কারণে তা হচ্ছে না। প্রাণঘাতী ভাইরাসটির কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় সব আনুষ্ঠানিকতা স্থগিত করা হয়েছে। তবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে শ্রদ্ধাঞ্জলিসহ ফাতেহা পাঠ ও জিয়ারতে বাধা দেয়া হবে না বলে জানান প্রয়াত বিজ্ঞানীর ভাতিজা, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও ড. এম এ ওয়াজেদ ফাউন্ডেশন পীরগঞ্জের চেয়ারম্যান এ কে এম ছায়াদত হোসেন বকুল। তিনি জানান, মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিভিন্ন এতিমখানায় ইফতারসামগ্রী প্রদান করা হবে। বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের অধিকারী বিজ্ঞানী ওয়াজেদ মিয়া ১৯৪২ সালের ১৬ ফ্রেরুয়ারি লালদিঘীর ফতেহপুরে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পরমাণু শক্তি কমিশনের সাবেক এই চেয়ারম্যান মেধা, মনন ও সৃজনশীলতা দিয়ে জনগণের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। পিতা মরহুম আব্দুল কাদের মিয়া ও মাতা মরহুমা ময়জুনেসার চার পুত্র ও তিন কন্যার মধ্যে ওয়াজেদ মিয়া ছিলেন সর্ব কনিষ্ঠ। গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণি ও পীরগঞ্জ থানার হাইস্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত অধ্যয়ন শেষে তিনি ১৯৫২ সালে রংপুর শহরের সরকারি জিলা স্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি হন। ১৯৫৬ সালে ওই স্কুল থেকে ডিস্টিংশনসহ ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। ১৯৫৮ সালে তিনি রাজশাহী সরকারি কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন। ১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন এবং ১৯৬২ সালে স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি ফজলুল হক হলের আবাসিক ছাত্র ছিলেন এবং ছাত্রলীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ১৯৬১-৬২ শিক্ষাবর্ষে হল ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন। ১৯৬২ সালে শিক্ষা কমিশন বিরোধী আন্দোলনে গ্রেপ্তার হন। ১৯৬৩ সালের ১ এপ্রিল তিনি তৎকালীন পাকিস্তান আণবিক শক্তি কমিশনের চাকরিতে যোগদান করেন। ১৯৬৩-৬৪ শিক্ষা বছরে তিনি লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের, ডিপ্লোমা অব ইম্পেরিয়াল কলেজ কোর্স কৃতিত্বের সঙ্গে সম্পন্ন করেন। ১৯৬৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাজ্যের- ডারহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থ বিজ্ঞানে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করলে তাকে ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে ঢাকার আণবিক শক্তি গবেষণা কেন্দ্রে পদস্থ করা হয়। ওয়াজেদ মিয়া ১৯৬৭ সালের ১৭ নভেম্বর বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তান রয়েছে।
ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে স্কুলছাত্রীকে ব্ল্যাকমেইল
০৯মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেসবুকে ভুয়া আইডি খুলে রাজধানীর মিরপুরের স্কুলপড়ুয়া একছাত্রীকে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ পাওয়ার পর থেকে অনুসন্ধানে নামে ডিএমপির সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ক্রাইম ইউনিট। তারা খুঁজে পায় অভিযুক্ত ওমান প্রবাসী এক ব্যক্তিকে। এরইমধ্যে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে এবং তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়াও চলছে বলে জানায় পুলিশ। অভিযোগে জানা যায়, ওমান প্রবাসী এক ব্যক্তি সম্প্রতি ফেক আইডি ব্যবহার করে ঢাকার মিরপুরে স্কুলপড়ুয়া এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে। এরই একপর্যায়ে কিছু ব্যক্তিগত ছবি হাতিয়ে নেয় ওই ব্যক্তি। সুপার কম্পোজের মাধ্যমে ওই ছবি দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে কয়েক ধাপে ছাত্রীর কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয় ওমান প্রবাসী ওই ব্যক্তি। ভুক্তভোগী ওই স্কুলছাত্রী অভিযোগ করলে তদন্তে নামে ডিএমপির সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ক্রাইম ইউনিট। সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ক্রাইম ইউনিটের সহকারী কমিশনার ধ্রুব জ্যোতির্ময় গোপ নিউজ একাত্তরকে জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর কুমিল্লা জেলা পুলিশের সহায়তায় তদন্ত করে ওই ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা হয়। ওমান প্রবাসী বাংলাদেশিদের সহায়তায় এরই মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তির পাসপোর্ট কপি এবং তার ভুয়া ফেসবুক আইডি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান তিনি। ওই আইডি থেকে তার আরও নানা অপকর্মের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানান সাইবার ক্রাইম ইউনিটের এই কর্মকর্তা।
দেশবরেণ্য পরমাণু বিজ্ঞানী ওয়াজেদ মিয়ার ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী আগামীকাল
০৮মে,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশবরেণ্য পরমাণু বিজ্ঞানী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী আগামীকাল। প্রতিবছর দিবসটি পালনে পীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী লীগের সকল সহযোগি সংগঠন, মহাজোটের শরীক দলসমুহ এবং ড. এমএ ওয়াজেদ ফাউন্ডেশন বিজ্ঞানীর কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলী, ফাতেহা পাঠ ও জিয়ারত, স্মৃতিচারণ, মিলাদ মাহফিল ও গরিবদের মাঝে খাবার বিতরণসহ নানাবিধ কর্মসুচী পালন করে থাকে। এ বছর করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় সকল আনুষ্ঠানিকতা স্থগিত করা হয়েছে। তবে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে শ্রদ্ধাঞ্জলিসহ ফাতেহা পাঠ ও জিয়ারতে বাধা দেয়া হবে না বলে জানান, প্রয়াত বিজ্ঞানীর ভাতিজা, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও ড.এমএ ওয়াজেদ ফাউন্ডেশন পীরগঞ্জের চেয়ারম্যান একেএম ছায়াদত হোসেন বকুল। তিনি জানান, মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিভিন্ন এতিমখানায় ইফতার সামগ্রী প্রদান করা হবে। ওয়াজেদ মিয়া ১৯৪২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি রংপুরের পীরগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। সুধা মিয়া হিসেবে পরিচিত অসাধারণ মেধার অধিকারী এ বরেণ্য ব্যক্তি শৈশব থেকেই শিক্ষানুরাগী ছিলেন। এ কর্মবীর বিজ্ঞানী ২০০৯ সালের ৯ মে পরলোকগমন করেন। তিনি ছিলেন দেশে আণবিক গবেষণার পথিকৃৎ। তিনি পরমাণু গবেষণায় উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে গেছেন। ওয়াজেদ মিয়া বাংলাদেশ আণবিক শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন পদে দক্ষতা ও সাফল্যের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর গবেষণা কর্মের পরিধি ছিল বিস্তৃত। তিনি ফান্ডামেন্টাল ইন্টারেকশন এন্ড পার্টিক্যাল ফিজিক্স, নিউক্লিয়ার এন্ড রেক্টর ফিজিক্স, সলিড স্টেট ফিজিক্স, ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিজম, হেল্থ এন্ড রেডিয়েশন ফিজিক্স, রিনিউবল এনার্জি ইত্যাদি ক্ষেত্রে গবেষণা করেন। ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া বাংলাদেশ আণবিক শক্তি বিজ্ঞানী সংঘের দুবার সাধারণ সম্পাদক ও পাঁচবার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়াও তিনি বাংলাদেশ পদার্থ বিজ্ঞানী সমিতি, বাংলাদেশ বিজ্ঞান উন্নয়ন সমিতি, বাংলাদেশ বিজ্ঞানী ও বিজ্ঞানজীবী সমিতিসহ বিভিন্ন সংগঠনের সাথে যুক্ত ছিলেন। ১৯৯৭ সালে তাঁরই পরামর্শ ও পৃষ্ঠপোষকতায় জাতীয় সমন্বিত উন্নয়ন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয়। ড. ওয়াজেদ বিজ্ঞান গবেষণার পাশাপাশি জাতীয় রাজনীতিতে নীরবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে গেছেন। ষাটের দশকে তিনি ছাত্রলীগের সাথে সম্পৃক্ত হন। ১৯৬২ সালে আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে তিনি গ্রেফতার হন এবং কিছু দিন জেল খাটেন। ১৯৬৭ সালের ১৭ নভেম্বর জাতির পিতার জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনার সাথে তিনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে তিনি বঙ্গবন্ধু পরিবারের পাশে থেকে তাঁদের সাহস ও শক্তি যুগিয়েছেন। ওয়াজেদ মিয়া ঢাকার রংপুর জেলা সমিতির আজীবন সদস্য এবং ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত দুবছর মেয়াদকালের জন্য এই সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হন। তিনি বাংলাদেশ জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা এবং ঢাকাস্থ বৃহত্তম রংপুর কল্যাণ সমিতি, উত্তরবঙ্গ জনকল্যাণ সমিতি, রাজশাহী বিভাগীয় উন্নয়ন ফোরাম, বেগম রোকেয়া স্মৃতি সংসদ এবং রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানার মির্জাপুর বছির উদ্দিন মহাবিদ্যালয়ের প্রধান উপদেষ্টা। মৃত্যুর পর তাঁর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী পীরগঞ্জ উপজেলার ফতেপুর গ্রামে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।বাসস
কর্মহীন ও দুস্থদের জন্য আরও বরাদ্দ দিয়েছে সরকার
০৮মে,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় কর্মহীন ও দুস্থদের জন্য তাৎক্ষণিক মানবিক সহায়তা হিসেবে বিতরণের জন্য আরও ৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা এবং ৯ হাজার ৬৫০ টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। এই টাকার মধ্যে ৪ কোটি ৭০ লাখ ত্রাণ হিসেবে বিতরণ ও এক কোটি ৬০ লাখ শিশু খাদ্য কিনতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) দেশের ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে এই বরাদ্দ দিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতর থেকে আদেশ জারি করা হয়েছে। করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর এ পর্যন্ত কয়েক দফায় ৬৪ জেলার দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সহায়তার জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে ৭৮ কোটি ৮৭ লাখ ৭২ হাজার ২৬৪ টাকা (শিশুখাদ্য কেনাসহ) ও এক লাখ ৪৩ হাজার ১১৭ টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়। আদেশে বলা হয়েছে, জেলা প্রশাসকরা দুর্যোগ পরিস্থিতিতে মানবিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন নির্দেশিকা অনুসরণ করে এ বরাদ্দ বিতরণ করবেন এবং প্রয়োজনীয় হিসাব সংরক্ষণ করবেন। শিশু খাদ্য ক্রয়ের বিষয়ে বলা হয়, শিশু খাদ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে সরকারি ক্রয়বিধিসহ সংশ্লিষ্ট সকল বিধি-বিধান ও আর্থিক নিয়মাচার যথাযথভাবে প্রতিফলন করতে হবে। এছাড়া শিশু খাদ্য হিসেবে খেজুর, বিস্কুট, ফর্টিফাইড তেল, ব্রাউন চিনি, সুজি, মসর ডাল, সাগু, ফর্টিফাইড চাল, ওয়াটার পিউরিফায়ার ট্যাবলেট, বাদাম, মানসম্মত রেডিমেড ফুড ইত্যাদি খাদ্যদ্রব্য স্থানীয়ভাবে কিনে বিতরণ করতে হবে।
মহামারির মধ্যে বাংলাদেশে জন্ম হবে ২৪ লাখ শিশুর
০৮মে,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে আনুমানিক ২৪ লাখ শিশুর জন্ম হবে এবং বৈশ্বিকভাবে ও এর প্রভাবের মধ্যে আনুমানিক ১১ কোটি ৬০ লাখ শিশুর জন্ম হবে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ। একইসাথে চলমান লকডাউনের কারণে এসব শিশু ও তাঁদের মায়েরা স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে পড়বে বলেও সতর্ক করেছে সংস্থাটি। ইউনিসেফ বলছে, প্রসূতি মা ও নবজাতকদের রূঢ় বাস্তবতার সম্মুখীন হতে হবে। বিশ্বজুড়ে লকডাউন ও কারফিউয়ের মতো নিয়ন্ত্রণমূলক নানা পদক্ষেপ; মহামারী সামলাতে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোর হিমশিম অবস্থা ও সরঞ্জামের ঘাটতি; এবং ধাত্রীসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীরা কোভিড-১৯ রোগীদের সেবাদানে নিয়োজিত হওয়ায় শিশুর জন্মের সময় দক্ষ লোকবলের ঘাটতি থাকবে। ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোর বলেন, বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ মা মাতৃত্বের স্বাদ নেওয়ার স্বপ্ন বুনছেন। তাঁদের এখন এমন একটি বিশ্ব বাস্তবতায় একটি নতুন জীবন আনার জন্য প্রস্তুত হতে হবে, যেখানে সংক্রমিত হওয়ার ভয়ে অন্তঃসত্ত্বা মায়েরা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যেতে ভয় পাচ্ছেন, বা লকডাউন ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থা চাপের মুখে থাকায় তারা জরুরি সেবা গ্রহণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। করোনাভাইরাস মহামারী মাতৃত্বের ওপর কতটা প্রভাব ফেলছে তা এখন কল্পনা করাও কঠিন। আগামী ১০ই মে মা দিবসের প্রাক্কালে ইউনিসেফ সতর্ক করছে যে, কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপসমূহ শিশুর জন্মকালীন সেবার মতো জীবনরক্ষাকারী স্বাস্থ্য সেবা বিঘ্নিত করতে পারে, যা লাখ লাখ অন্তঃসত্ত্বা মা ও তাদের সন্তানদের বিরাট ঝুঁকিতে ফেলবে। বিশ্বের ১২৮টিরও বেশি দেশে এই দিবসটি স্বীকৃত। মহামারী ঘোষণার পর নয় মাসে যেসব দেশে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শিশুর জন্মের আশা করা হচ্ছে সেগুলো হল: ভারত (দুই কোটি এক লাখ), চীন (এক কোটি ৩৫ লাখ), নাইজেরিয়া (৬৪ লাখ), পাকিস্তান (৫০ লাখ) ও ইন্দোনেশিয়া (৪০ লাখ)। এগুলোর অধিকাংশ দেশে মহামারীর আগে থেকেই নবজাতকের উচ্চ মৃত্যুর হার ছিল এবং কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে এই হার আরও বাড়তে পারে। এমনকি ধনী দেশগুলোতেও এই সংকটের প্রভাব পড়বে। প্রত্যাশিত শিশুর জন্মের দিক দিয়ে ষষ্ঠ অবস্থানে থাকবে যুক্তরাষ্ট্রে। ২৪ লাখ শিশুর প্রত্যাশিত জন্ম নিয়ে গত ১১ মার্চ মহামারী ঘোষণার পর থেকে পরবর্তী নয় মাসে সর্বাধিক শিশুর জন্মের দিক দিয়ে বিশ্বে নবম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি তোমো হোযুমি বলেন, কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ সত্ত্বেও অন্তঃসত্ত্বা মা ও নবজাতকের জীবনরক্ষাকারী রুটিন সেবাসমূহ যথাযথ সুরক্ষা ব্যবস্থা মেনে অব্যাহত রাখা দরকার। অনাগত মাসগুলোতে অন্তঃসত্ত্বা মা ও অসুস্থ নবজাতকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রাপ্তি নিশ্চিত করার মাধ্যমে জীবন রক্ষায় সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ করছে ইউনিসেফ।
পুলিশকে চোখ রাঙ্গাচ্ছে করোনা,নতুন আক্রান্ত ১৪৪ পুলিশ সদস্য,
০৮মে,শুক্রবার,আহাম্মদ হোসেন ভুইয়া,নিউজ একাত্তর ডট কম: পুলিশকে চোখ রাঙ্গাচ্ছে করোনা ,দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৪৪ পুলিশ সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। সবমিলিয়ে এখন পযন্ত ১৪২৯ জন পুলিশ সদস্য আক্রান্ত হয়েছেন। আর মারা গেছেন ছয় পুলিশ সদস্য।রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের পুলিশ ইউনিটের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ আজ (৮ মে) এ তথ্য আপডেট করা হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সদস্যই ৭০৮ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যই বেশি।ডিএমপি জানায়, করোনায় মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা ছাড়াও তাদের দুজন অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) ও একজন সহকারি পুলিশ কমিশনার (এসি) পদমর্যাদার কর্মকর্তা আক্রান্ত হয়েছেন। করোনা আক্রান্ত সন্দেহে আরও ৪৭২ জনকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসায় ২৮১৪ জন কর্মকর্তাকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। এ পর্যন্ত ৯৬ পুলিশ সদস্য সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
রাঙ্গুনিয়ার ৫০ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তার আওতায় আনা হয়েছে - তথ্যমন্ত্রী
০৮মে,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পঞ্চাশ হাজার পরিবারকে সরকারি বেসরকারি খাদ্য সহায়তা ও সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনির আওতায় আনা হয়েছে। আমার বাবা-মার নামে প্রতিষ্ঠিত এনএনকে ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে উপজেলায় লকডাউন শুরু হওয়ার পর থেকে আমরা ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছি। ইতোমধ্যে কয়েক হাজার মানুষকে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও এই ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। আজ (শুক্রবার) চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার মজুমদারখীল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তথ্যমন্ত্রীর পারিবারিক প্রতিষ্ঠান এনএনকে ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট সংকটে পড়া কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার মেয়র শাহজাহান সিকদার জানান, তথ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগে পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে এনএনকে ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে দ্বিতীয় পর্যায়ের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ চলছে এখন। এপর্যন্ত উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার প্রায় ১২ হাজার পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেয়া হয়েছে। চাল, ডাল, তেল, পেয়াঁজ ও চিনিসহ প্রতিটি প্যাকেটে ১০ কেজির খাদ্য সামগ্রী রয়েছে । ইউনিয়ন পর্যায়ে এসব ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে এবং পুরো রমজান মাস জুড়ে অব্যাহত থাকবে। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে বৈশ্বিক এই সংকটে বাংলাদেশের একতৃতীয়াংশের বেশি মানুষকে সরকারি সহায়তার আওতায় আনা হয়েছে। এর বাইরেও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য, বিভিন্ন নেতাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিরা ইতোমধ্যে ৯০ লাখের বেশি মানুষকে ত্রাণ সহায়তা দিয়েছে। ঈদের আগে এক কোটিরও বেশি মানুষকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এবং আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যসহ বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি ও নেতৃবৃন্দরা ত্রাণ পৌঁছে দিবেন বলে উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী। এনএনকে ফাউন্ডেশনের স্বনির্ভর রাঙ্গুনিয়া ইউনিয়ন প্রতিনিধি মো. ইদ্রিছ মেম্বারের সভাপতিত্বে ও নির্বনীতোষ সাহা ভাস্করের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার মেয়র মো. শাহজাহান সিকদার।
বিশ্ব রেড ক্রস রেড ক্রিসেন্ট দিবস পালিত
০৮মে,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির উদ্যোগে জাতীয় ও জেলা পর্যায়ে নানা কর্মসূচী পালনের মধ্য বিশ্ব রেড ক্রস রেড ক্রিসেন্ট দিবস পালিত হয়েছে। আয়োজনের মধ্যে ছিল, জাতীয় ও রেড ক্রিসেন্টের পতাকা উত্তোলন, সোশ্যাল মিডিয়ায়র মাধ্যমে বিশেষ বার্তা প্রচার, বাংলাদেশ বেতারে করোনাভাইরাস এর প্রার্দুভাব ও বিশ্ব রেড ক্রস রেড ক্রিসেন্ট শিরোনামে দুদিন ব্যাপী বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠান প্রচার। রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানায়, এ বছর দিবসটি ব্যাপক আয়োজনে পালনের পরিকল্পনা থাকলেও প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের কারণে তা সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। করোনাভাইরাস মোকাবেলায় জীবনবাজি রেখে বাংলাদেশসহ সারাবিশে^ কাজ করা রেড ক্রস রেড ক্রিসেন্ট আন্দোলনের কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের ভূমিকাকে গুরুত্ব দিয়েই তাদের মনে সাহস,কাজের উৎসাহ যোগানো ও তাদেরকে অনুপ্রাণিত করতে এবছর বিশ্ব রেড ক্রস রেড ক্রিসেন্ট দিবস উদযাপনের প্রতিপাদ্য বিষয় নির্ধারিত হয়েছে, Keep Clapping অর্থাৎ হাততালি দিয়ে উৎসাহ দিন। একুশে টেলিভিশন। এবারের প্রতিপাদ্যের মূল উদ্দেশ্য, হাততালির মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবকসহ যারা ফ্রন্টলাইনার হিসেবে কাজ করছে তাদের কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ধন্যবাদ ও সাধুবাদ জানানো এবং যারা বৈশ্বিক এই মহামারি মোকাবেলায় নতুন করে কাজে নামতে আগ্রহী তাদেরকে উৎসাহ যোগানো। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭ টায় বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির জাতীয় সদর দফতরে জাতীয় ও রেড ক্রিসেন্ট পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। সোসাইটির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও যোগাযোগ বিভাগের পরিচালক মো: বেলাল হোসেন জাতীয় পতাকা ও সিডি বিভাগে দায়িত্বরত পরিচালক এম এ হালিম রেড ক্রিসেন্ট পতাকা উত্তোলন করেন। এসময় বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির এইচআর ও এডমিন বিভাগের দায়িত্বরত পরিচালক মো: জয়নাল আবেদিনসহ সোসাইটির সকলস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও আজ বিকেলে বিশ্ব রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস উপলক্ষে সোসাইটির উদ্যোগে রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে দায়িত্বরত প্রায় দুই শতাধিক পুলিশ সদস্যেকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা উপকরণ (হ্যান্ড স্যানিটাইজার) ও রেড ক্রিসেন্ট জাতীয় সদর দপ্তর যুব সদস্যেদের উদ্যোগে এসব পুলিশ সদস্যেদের প্রত্যোককে ইফতার প্যাকেট ও দধি প্রদান করা হয়। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মহাসচিব মো: ফিরোজ সালাহ্ উদ্দিন বলেন,বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবক ও কর্মীরা বৈশিক মহামারি করোনাভাইরাস মোকাবেলায় ফ্রন্টলাইনার হিসেবে কাজ করছে। এ প্রেক্ষাপটে স্বেচ্ছাসেবক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তাদের কর্মের প্রতি সম্মান জানাতে ও মানবতার সেবায় নতুনদের অনুপ্রাণিত করতেই এবছর ৮ মে বিশ রেড ক্রস রেড ক্রিসেন্ট দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে । অপরদিকে, দিবসটি পালন উপলক্ষে সারাদেশের জেলা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের পক্ষ থেকেও পৃথক পৃথক কর্মসূচী পালন করা হয়েছে।

জাতীয় পাতার আরো খবর