কাল শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা
০৫মে,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান বুদ্ধ পূর্ণিমা কাল । গৌতম বুদ্ধের শুভজন্ম, বোধিজ্ঞান ও মহাপরিনির্বাণ লাভ এই তিন ঘটনার স্মৃতি বিজড়িত বৈশাখী পূর্ণিমা বিশ্বের সব স্থানে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কাছেই বুদ্ধপূর্ণিমা নামে পরিচিত। বুদ্ধপূর্ণিমা উপলক্ষে দিনটি সরকারি ছুটির দিন। এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দেন। বাণীতে তাঁরা শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের মৈত্রীময় শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। বুদ্ধপূর্ণিমা বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। বৈশাখ মাসের এই পূর্ণিমায় মহামানব বুদ্ধের জীবনের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা সংঘটিত হয়েছিল বলে দিনটি বুদ্ধপূর্ণিমা মহাপরিনির্বাণ লাভ করেন। সিদ্ধার্থের বুদ্ধত্বলাভের মধ্য দিয়েই জগতে বৌদ্ধধর্ম প্রবর্তিত হয়। বুদ্ধপূর্ণিমার দিনে বৌদ্ধরা বুদ্ধপূজা-সহ পঞ্চশীল, অষ্টশীল, সূত্রপাঠ, সূত্রশ্রবণ, সমবেত প্রার্থনা এবং নানাবিধ মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। তাঁরা বুদ্ধানুস্মৃতি ও সংঘানুস্মৃতি ভাবনা করে। বিবিধ পূজা ও আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি বিবিধ সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়। বৌদ্ধবিহারগুলিতে বুদ্ধের মহাজীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা-সহ ধর্মীয় সভার আয়োজন করা হয়। দিনভর বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা দিনটি পালন করে থাকলেও বর্তমান করোনাভঅইরাস পরিস্থিতির কারনে এবার এ উৎসবটি অনারম্বর ভাবে উদযাপন করা হবে। শুধু বুদ্ধপূজা, মহাসংঘদান এর মত আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ খাকবে বলে এই ধর্মাবলম্বীরা জানিয়েছেন।
সরকারের সমালোচনা করার চিরায়ত ভাইরাসে আক্রান্ত বিএনপির রাজনীতি : ওবায়দুল কাদের
০৫মে,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, রাজনৈতিক বিরোধিতার নামে সরকারের সমালোচনা করার চিরায়ত ভাইরাসে আক্রান্ত বিএনপির রাজনীতি। আজ মঙ্গলবার সকালে তার সরকারি বাসভবনে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত আনলাইন সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। করোনার এই সংকটকালে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সরকারের ব্যর্থতার নামে বিষোদগার করছেন দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, রাজনৈতিক বিরোধিতার নামে সরকারের সমালোচনা করার চিরায়ত ভাইরাসে আক্রান্ত আজ বিএনপির রাজনীতি। তারা কখনো জনগণের কথা বলেনি, পাশেও থাকেনি। এই দুর্যোগের সময়ে তারা কথামালার চাতুরী ছাড়া জনগণকে কিছুই দিতে পারেনি। তিনি বলেন, বিএনপি নেতারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের সমালোচনা করছেন। কিন্তু আন্তর্জাতিক ভাবে ফোবর্স এবং ইকোনোমিস্টের মত প্রেস্টিজিয়াস সাময়িকী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের প্রশংসা করেছে। তাঁর সাফল্যের বিষয়টি দেশে-বিদেশে সমাদৃত হয়েছে। করোনা সংকট মোকাবেলায় তাঁর নেতৃত্ব ও গৃহীত ব্যবস্থার প্রশংসা সর্বত্রই রয়েছে। ওবায়দুল কাদের বলেন, করোনা সংকটকালেও বিএনপি কথায় কথায় সরকারের ব্যর্থতার কথা বলে বিষোদগার করছে। অথচ তারা কখনো জনগণের রাজনীতি করেনি। দুর্যোগের সময়ও তারা সত্যিকার অর্থে জনগণের পাশে দাঁড়াতে পারেনি বরং সরকারের সাফল্যকে বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপপ্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আমি মির্জা ফখরুল সাহেবের কাছে প্রশ্ন রাখতে চাই এই দুর্যোগের সময় তারা কথামালার চাতুরি ছাড়া জনগণকে করোনা মোকাবেলায় কিছুই কি দিতে পেরেছেন? পার্শ্ববর্তী দেশে দেখুন কংগ্রেস তহবিল গঠন করে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে। সরকারি ছুটির মধ্যে কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান চালু রাখার কারণ ব্যাখ্যা করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সরকারকে আজ জনগণের জীবনের পাশাপাশি জীবিকাটাও দেখতে হচ্ছে। মানুষকে বাঁচানোর পাশাপাশি অর্থনীতির চাকাও সচল রাখতে হবে। তাই, কিছু কিছু ক্ষেত্রে সাধারণ ছুটি শিথিল করা হয়েছে। বিএনপি জাতীয় ঐক্যের প্রস্তাব প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ২১০টি দেশে করোনার বিস্তার ঘটেছে। আমাদের প্রতিবেশী দেশসহ পৃথিবীর কোথাও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্যেও কোন প্রয়োজন দেখা দেয় নি। এ সংকটে প্রয়োজন চিকিৎসা এবং প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান সমূহের মাঝে সমন্বয় গড়ে তোলা। চিকিৎসা বিষয়ক দক্ষ, যোগ্য ও অভিজ্ঞদের নিয়ে এবং বিভিন্ন পেশাজীবী, স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনকে নিয়ে অভিন্ন শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই করা। তিনি বলেন, করোনার অভিন্ন টার্গেট দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা সকলেই। টাস্কফোর্স বিভিন্ন দেশে হয়েছে এবং হচ্ছে। তবে, সেটা ভ্যাকসিন রিলেটেড কিংবা চিকিৎসা বিষয়ক। রাজনৈতিক দলের মধ্যে ঐক্য তথা জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না।
করোনায় বাংলাদেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৮৩
০৫মে,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশে নতুন করে করোনায় মৃত্যু হয়েছে একজনের। এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৮৩ জনে। করোনা ভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন সংবাদ বুলেটিনে মঙ্গলবার (০৫ মে) এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে সোমবার দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যায়। এরইমধ্যে ঈদ উপলক্ষে দেশের শপিংমল আংশিকভাবে খোলার অনুমতি দেয় সরকার। তবে তার সঙ্গে জুড়ে দেয় কিছু শর্ত। বিষয়টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক সমালোচনাও চলছে। এতে করে করোনার সংক্রমণ বাড়তে পারে বলেও মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এদিকে বিশ্বব্যাপী করোনায় শনাক্তকৃত রোগীর সংখ্যা ৩৬ লাখ ছাড়িয়েছে। এছাড়া এতে মারা গেছেন আড়াই লাখেরও বেশি মানুষ। তবে আশার কথা হচ্ছে, ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হওয়ার পর ১২ লক্ষাধিক মানুষ সুস্থ হয়েছেন।
সাংবাদিক কাজলের অবিলম্বে মুক্তি দাবি আরএসএফের
০৫মে,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাংবাদিক শফিকুল কাজলকে অবিলম্বে মুক্তি দেয়ার দাবি জানিয়েছে সাংবাদিকদের অধিকার বিষয়ক সংগঠন রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স (আরএসএফ)। একই সঙ্গে কিভাবে তাকে অপহরণ করে ৫৪ দিন আটকে রাখা হয়েছিল সে বিষয়ে তদন্তের দাবি জানিয়েছে। পিতার কাছ থেকে ফোন পাওয়া নিয়ে সাংবাদিক কাজলের ছেলে মনোরম পলক আরএসএফকে বলেছেন, ফোন করে প্রথমেই তিনি আমাকে বলেছেন যে, তিনি বেঁচে আছেন। একথাটা নিজে বলতে পারার জন্য বেশ খুশি ছিলেন তিনি। আরএসএফ তার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলেছে, পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর যশোরের বেনাপোলে বাংলাদেশ সীমান্ত চৌকি থেকে নিজের ছেলেকে ফোন করেছিলেন শফিকুল ইসলাম কাজল। সেখানে ২রা মে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নোম্যান্সল্যান্ডে সীমান্তরক্ষীরা চোখ, হাত-পা বাঁধা অবস্থায় দেখতে পেয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। যেহেতু তার কাছে কোনো পাসপোর্ট ছিল না, তাই তাকে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের দায়ে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়া হয় যশোরে। যশোর জেলা আদালতে নেয়া হলে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারার অধীনে তাকে আটক রাখার নির্দেশ দেয় আদালত। এ ধারায় সন্দেহজনক কারণে কাউকে আটক রাখার অনুমতি দেয়া আছে। আগামী ১৯ শে মের আগে তাকে আর আদালতে তোলা হচ্ছেনা। এ ঘটনায় আরএসএফের এশিয়া প্যাসিফিক ডেস্কের প্রধান ডানিয়েল বাস্টার্ড বলেছেন, একদিকে শফিকুল কাজলকে নিরাপদে এবং সুস্থ অবস্থায় পাওয়া যাওয়া যখন স্বস্তির বিষয়, তখন তাকে গ্রেপ্তার করা চরম হতাশার। আমরা বাংলাদেশের আদালতের কাছে অনুরোধ করবো এই সাংবাদিককে অবিলম্বে মুক্তি দিন। একই সঙ্গে গুরুত্ব দিয়ে একটি তদন্ত টিম গঠন করুন, যারা তদন্ত করে বের করবে এতটা দিন তাকে কিভাবে অপহরণ করে রাখা হয়েছিল। এই অপহরণ অত্যন্ত রহস্যময়। মনোরম পলক আরএসএফকে বলেছেন, তার পিতার সাথে তার সাক্ষাত হয়েছে। তবে সেই সাক্ষাতটি ছিল খুব সংক্ষিপ্ত। কিভাবে তাকে অপহরণ করা হয়েছিল সে বিষয়ে বিস্তারিত বলতে পারছিলেন না তার পিতা। পলক বলেন, তার পিতাকে হাতকড়া পরিয়ে রাখা হয়েছে। যা ভীতিকর। ঢাকাভিত্তিক একজন ফটোগ্রাফার এবং দৈনিক পক্ষকাল পত্রিকার সম্পাদক শফিকুল কাজল। ১০ই মার্চ রাতে তিনি অফিস ত্যাগ করেন। এরপর থেকেই নিখোঁজ হয়ে যান। পরের দিন তার পরিবার একটি নিখোঁজ ডায়রি করেন। এর প্রেক্ষিতে তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়। তিনি নিখোঁজ হওয়ার আগের দিন ক্ষমতাসীন দলের একজন এমপি সাইফুজ্জামান শিখর তার বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। অভিযোগ করেন, ঢাকার একটি বিলাসবহুল হোটেলে নারী এসকর্ট সার্ভিসের সঙ্গে তার যুক্ত থাকা নিয়ে মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করেছেন কাজল। একই মামলায় দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী ও তার একজন রিপোর্টারকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। আরএসএফের ২০২০ ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ইনডেক্সে ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৫১তম। ২০১৯ সালের চেয়ে এই সূচকে এক ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ।
ডয়চে ভেলের রিপোর্ট,বাংলাদেশে সাংবাদিকদের হয়রানি
০৫মে,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অধিকার বিষয়ক গ্রুপগুলো বলছে, কোভিড-১৯ বা করোনা ভাইরাস সম্পর্কে তথ্য লুকানোর চেষ্টা করছে সরকার। অন্যদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কর্তৃপক্ষ যা বলছে, বাংলাদেশে জনস্বাস্থ্যের সঙ্কট তার চেয়েও অনেক খারাপ। অনলাইন ডয়েচে ভেলের এক প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে। এতে বেশ কিছু তথ্য তুলে ধরা হয়। বলা হয়, বাংলাদেশের চাল সঙ্কট ও করোনা ভাইরাস মহামারি নিয়ে একটি রিপোর্ট করার জন্য কাজ করছিলেন নরসিংদী ভিত্তিক সাংবাদিক সজল ভুইয়া। তিনি ডয়চে ভেলেকে বলেছেন, করোনা ভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনের জন্য বরাদ্দকৃত চাল আত্মসাতের অভিযোগ সম্পর্কে কিছু প্রশ্নের উত্তর পেতে তিনি সাক্ষাত করেন সাব-ডিস্ট্রিক্ট এডমিনিস্ট্রেটর নাসির উদ্দিন খানের সঙ্গে। এর আগে তিনি এই একই ইস্যুতে রিপোর্ট করেছিলেন। তা প্রচার হয়েছিল একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে। তার ওই রিপোর্টের কারণে স্থানীয় রাজনীতিকরা ক্ষুব্ধ।মানবজমিন। সজল ভুইয়া বলেছেন, যখন তিনি গত ২৩শে এপ্রিল নাসির উদ্দিন খানের অফিসে প্রবেশ করেন, তখন ওই কর্মককর্তা এবং তাকে সমর্থনকারীরা তাকে প্রহার করতে শুরু করে। তারা আমার সঙ্গে ধস্তাধস্তি করে, যতক্ষণ আমি অচেতন হয়ে না যাই। সজল বর্তমানে ঢাকায় একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তিনি অভিযোগ করেন, তাকে হাসপাতালে নেয়া ঠেকানোর চেষ্টা করছিলেন ওই কর্মকর্তা। ডাক্তাররা বলেছেন, সজলের মাথায় ও চোখে মারাত্মক আঘাত লেগেছে। তাকে স্থানান্তর করে পাঠানো হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সজল ডয়েচে ভেলেকে বলেছেন, আঘাতের কারণে আমার এক চোখের দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছি। অন্য ক্ষতের জন্য দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা লাগবে। চিকিৎসার জন্য তার টিভি চ্যানেল থেকে কোনো আর্থিক সুবিধা পাননি সজল। তিনি বলেছেন, স্থানীয় কোনো সাংবাদিক সংগঠনও তার সমর্থনে এগিয়ে আসেনি। তবে তিনি হামলাকারীদের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছেন। তিনি বলেন, নাসির উদ্দিন খানের প্রতি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ দলের সমর্থন রয়েছে। আমি ন্যায়বিচার চাই। আমি চাই নাসির উদ্দিন খানের জেল হোক। কোন বিক্ষিপ্ত ঘটনা নয়, প্যারিসভিত্তিক সাংবাদিকদের অধিকার বিষয়ক সংগঠন রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স (আরএসএফ) এর মতে, গত কয়েক সপ্তাহে কোভিড-১৯ নিয়ে রিপোর্ট করার কারণে বাংলাদেশে হামলার শিকার হয়েছেন ১৫ জন সাংবাদিক। বিদেশে বসবাসরত কিছু সাংবাদিক বলেছেন, কোভিড-১৯ নিয়ে সরকারি ব্যবস্থাপনার সমালোচনামুলক রিপোর্ট করার কারণে তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করেছে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সুইডিশ সাংবাদিক তাসনীম খলিল বলেন, তার কর্মকান্ড নিয়ে সিলেটে তার মাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে বাংলাদেশের একটি গোয়েন্দা সংস্থার তিনজন সদস্য। তিনি মনে করেন, এর মধ্য দিয়ে তাকে সমালোচনামুলক রিপোর্ট বন্ধ করার চেষ্টা করছে কর্মকর্তারা। তিনি একই সঙ্গে নেত্রা নিউজ নামের একটি পত্রিকার সম্পাদক। তাসনীম খলিল বলেছেন, এ ধরনের হয়রানি নিন্দনীয় ও অগ্রহণযোগ্য। এটা বন্ধ করা উচিত বাংলাদেশ সরকারের এবং আমার মা যাতে সুরক্ষা পান তা নিশ্চিত করা উচিত। বাংলাদেশ একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ ১৬ কোটি ৫০ লাখ মানুষের দেশ। এখানে এখন পর্যন্ত কোভিড-১৯ এ আক্রান্তের সংখ্যা সরকারি হিসাবে ১০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। আর মারা গেছেন ১৮০ জন। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, যেহেতু পরীক্ষা ধীর গতির করা হয়েছে, তাই সংক্রমিতের সংখ্যা এর চেয়ে আরো বেশি হতে পারে। বিগত সপ্তাহগুলোতে করোনা সংক্রমণ নিয়ে সরকার যেসব নিয়ন্ত্রণমুলক ব্যবস্থা নিয়েছে তার কড়া সমালোচনা হয়েছে। এসব পদক্ষেপকে সমালোচকরা বলছেন, অপর্যাপ্ত। তথ্য শেয়ারে বিধিনিষেধ, মিডিয়ার কন্ঠরোধের অভিযোগ আছে সরকারের বিরুদ্ধে। অভিযোগ আছে একই সঙ্গে করোনা ভাইরাস মহামারির ভয়াবহতা নিয়ে জনগণকে তথ্য জানানোর ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের বাধা দেয়ার চেষ্টা নিয়ে। যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ডিস্টিঙ্গুইশড প্রফেসর আলী রীয়াজ বলেন, সরকার তথ্য নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে এতে কোনোই সন্দেহ নেই। ত্রাণ সামগ্রী আত্মসাতের তথ্য লুকাতে চায় তারা। স্বাস্থ্য সঙ্কট মোকাবিলায় প্রস্তুতির ঘাটতির বিষয় লুকাতে চায়। মিডিয়ার সঙ্গে স্বাস্থ্যকর্মীদের সম্পৃক্ততায় বিধিনিষেধ এবং চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা হলো এই কৌশলের অংশ। বাংলাদেশ ফেডারেল ইউনিয়ন অব জার্নালিস্টসের (বিএফইউজে) সাবেক সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল মনে করেন, দুর্নীতি নিয়ে রিপোর্টের কারণে সম্প্রতি সাংবাদিকদের ওপর হামলা হয়েছে। করোনা সঙ্কট নিয়ে রিপোর্ট করার জন্য হামলা হয়নি। গণতন্ত্রের ক্ষয়, সমালোচনামুলক রিপোর্টকে ফেক নিউজ বলে মাঝে মাঝেই সমালোচনা করে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ। ফেক নিউজ ও ভুয়া তথ্য প্রচার বন্ধ করতে প্রণীত হয়েছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। কিন্তু মানবাধিকার বিষয়ক গ্রুপগুলো বলে, দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটি এই আইনকে সমালোচকদের কণ্ঠরোধের একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে মাঝেমধ্যেই। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ক্যাম্পেইনার সাদ হাম্মাদি ডয়েচে ভেলেকে বলেন, ইন্টারন্যাশনাল কোভেন্যান্ট অন সিভিল অ্যান্ড পলিটিক্যাল রাইটস-সহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের মতো করে এই আইনটিকে অবিলম্বে সংশোধনের জন্য আমরা বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই। এক্ষেত্রে মিডিয়ায় পেশাদারদেরকে অবশ্যই সরকারকে বলতে হবে, এই আইনটি কিভাবে মানুষের অধিকার লঙ্ঘন করছে এবং আইনটি সংশোধনের আহ্বান জানাতে হবে। আলী রীয়াজ বলেন, ক্ষমতাসীন দলের অধীনে বাংলাদেশ ক্রমশ ক্ষয়িষ্ণু গণতন্ত্রের দিকে যাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, সব সমালোচকের কণ্ঠ রুদ্ধ করতে চায় ক্ষমতাসীন দল। তবে সাংবাদিকদেরও কিছু দায় নিতে হবে। তারা বিভক্ত এবং কিছু মিডিয়ার মালিক সরকার পক্ষের।
করোনাযুদ্ধে যুক্ত হলেন আরো দুই হাজার চিকিৎসক
০৫মে,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসে সংক্রমণের চিকিৎসার গতি বাড়াতে নতুন দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী ১২ মে চিকিৎসকদের কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে। কর্মস্থলে যোগদানের পর কোভিড-১৯ এর রোগীদের সেবা নিশ্চিত করবেন নতুন নিয়োগ পাওয়া চিকিৎসকরা। এছাড়া চাকরি স্থায়ীকরণের সময় করোনাকালে চিকিৎসকদের কর্মদক্ষতা বিবেচনায় নেয়া হবে। এর আগে করোনাভাইরাসে সংক্রমণের চিকিৎসার গতি বাড়াতে দ্রুত দুই হাজার চিকিৎসক ও পাঁচ হাজার নার্স নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত করে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন। ৩৯তম বিশেষ বিসিএস থেকে এই চিকিৎসক নিয়োগের কার্যক্রম শুরু হয়। করোনা সংক্রমণের চিকিৎসায় চিকিৎসক সংকটের কারণে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার। এ পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য নতুন দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগের কথা জানিয়েছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ওই সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা লক্ষ করেছি, বেশ কিছু হাসপাতালে রোগীদের সেবা দিতে গিয়ে আমাদের চিকিৎসক, নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা আক্রান্ত হয়েছেন। এ জন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করি এবং তাঁদের সুস্থতা কামনা করি। এ অবস্থায় যেহেতু নতুন নতুন হাসপাতাল করোনার সংক্রমণে আক্রান্ত রোগীদের জন্য প্রস্তুত করছি এবং বেশ কিছু চিকিৎসককে কোয়ারেন্টাইনে যেতে হয়েছে, তাই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে নতুন দুই হাজার চিকিৎসক এবং ছয় হাজার নার্স আমরা নিয়োগের ব্যবস্থা করছি। আশা করি, এই নিয়োগের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা আরও জোরদার হবে।
করোনাকে জয় করলেন ডিএমপির ২১ পুলিশ সদস্য
০৪মে,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া পুলিশ সদস্যেদের মধ্যে ডিএমপির ২১ জন চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন। ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) আশিক হাসান জানান, সুস্থ হওয়া পুলিশ সদস্যরা কাজে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন। আক্রান্তরা সবাই রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে করোনা ভাইরাসের চিকিৎসা গ্রহন করেন। করোনা সংকট মোকাবিলায় শুরু থেকে জনগনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ বহুমূখী সেবামূলক কার্যক্রমে সরাসরি সম্পৃক্ত হন। শহরের রাস্তায় জীবানুনাশক পানি ছিটানো থেকে শুরু করে, আইসোলেশন ও কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থা বলবৎ করতে সহায়তা, লকডাউন ব্যবস্থা কার্যকর, মৃত ব্যক্তির জানাযা ও দাফনে অংশ গ্রহণ, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে জনগণকে মোটিভেশন, কাঁচাবাজারে প্রবেশ ও বাহির একমুখী করা, বিক্রেতাগণ বাজারে যাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে পণ্যসামগ্রী বিক্রয় করার ব্যবস্থা করেন। এছাড়াও নিজস্ব উদ্যোগ ও অর্থায়নে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ, ত্রাণ বিতরণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে সহায়তা, টিসিবির পণ্য বিক্রয়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে সহায়তা, জরুরি প্রয়োজন ব্যতিত মানুষ যাতে ঘর থেকে বের না হয় সে বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখাসহ জনকল্যাণে বহুমুখী সেবামূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের ফলে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়েছেন। ডিএমপির আক্রান্তদের মধ্যে এডিসি, এসি সহ পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা ও সিভিল স্টাফ রয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, করোনা যুদ্ধে জয়ী হয়ে কাজে যোগদানের অপেক্ষায় রয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সুস্থ হওয়া ২১ জন সদস্য।
সতর্ক নাহলে করোনা আরও বিধ্বংসী হয়ে উঠবে : কাদের
০৪মে,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের করোনা প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব ও ঘরে থেকে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলার আহবান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, করোনা প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব ও ঘরে থেকে স্বাস্থ্যবিধি যদি কঠোর ভাবে মেনে না চলি, তা হলে আমাদের দুর্বলতার সুযোগে করোনা আরও বিধ্বংসী হয়ে উঠবে। সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, শক্তিশালী থাকতে হবে। কেউ আতঙ্কিত হবেন না। কেননা আমাদের দুর্বলতার কারণে সংক্রমণের বিস্তার ঘটবে। ওবায়দুল কাদের আজ সোমবার সকালে তার সরকারি বাসভবনে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত আনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এ সব কথা বলেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারসহ পুরো জাতি করোনা সংকটের সম্মুখ যোদ্ধাদের পাশে আছেন। তাদের কোনও অবস্থাতেই মনোবল হারালে চলবে না। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ সারাদেশে যে ত্রাণ বিতরণ করছে তার তালিকা তৈরি করে দলীয় প্রধানের কাছে পাঠাতে হবে। স্বপ্নের পদ্মা সেতু ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের নির্মাণ কাজের অগ্রগতি জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রকল্প পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলছে। কর্ণফুলী নদীর তলদেশে দেশের প্রথম সুড়ঙ্গপথ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের কাজও চলমান। তিনি বলেন, প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও প্রধানমন্ত্রীর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রকল্প পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলছে। ইতোমধ্য পদ্মাসেতুর ২৯তম স্প্যান বসানো হয়েছে। পদ্মা সেতু এখন ৪ হাজার ৩৫০ মিটার দৃশ্যমান। মূল সেতুর কাজ ৮৭ শতাংশ, নদীশাসনের কাজ ৭১ শতাংশ এবং সার্বিক অগ্রগতি হয়েছে ৭৯ শতাংশ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের কাজও চলমান। এরই মধ্যে ১৬৯০ মিটার খনন কাজ শেষ হয়েছে। সার্বিক অগ্রগতি ৫৩ দশমিক ৫ শতাংশ। ওবায়দুল কাদের বলেন, সাম্প্রতিক এক জরিপে এসেছে বিশ্বের ৬৬টি উদীয়মান অর্থনীতির মধ্যে বাংলাদেশ নবম স্থানে। পৃথিবীর অনেক উন্নত দেশের চেয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ভালো। খাদ্য নিরাপত্তায় আমাদের অবস্থান সন্তোষজনক। বর্তমানে ৮০ ভাগ ধান কাটার কাজ শেষ হয়েছে। আওয়ামী লীগের কর্মীরা সারাদেশে ধান কাটায় অংশ নিয়েছেন।
সাধারণ ছুটি পর্যন্ত গণপরিবহণ বন্ধ থাকবে
০৪মে,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসের কারণে এর বিস্তার রোধে সরকার সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সাধারণ ছুটি আগামী ১৬ মে পর্যন্ত বর্ধিত করায় দেশব্যাপী চলমান গণপরিবহন বন্ধের সিদ্ধান্ত আগামী ১৬ মে পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে। আজ সোমবার সড়ক পরিবহন ও সড়ক বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জরুরি পরিষেবা যেমন-বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরসমূহের কার্যক্রম (স্থলবন্দর, নদীবন্দর ও সমুদ্রবন্দর), পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাকসেবা ও সংশ্লিষ্ট কাজ, খাদ্যদ্রব্য, সড়ক ও নৌপথে সকলপ্রকার পণ্য, রাষ্ট্রীয় প্রকল্পের মালামাল, ঔষধ, ঔষধশিল্প, চিকিৎসা সেবা ও চিকিৎসা বিষয়ক সামগ্রী পরিবহন, শিশুখাদ্য, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া, ত্রাণবাহী পরিবহন, কৃষিপণ্য, শিল্পপণ্য, সার ও কীটনাশক, পশুখাদ্য, মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ খাতের উৎপাদিত পণ্য, দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত পণ্য এবং জীবনধারণের মৌলিক পণ্য উৎপাদন ও পরিবহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত থাকবে। আরও বলা হয়, পণ্যবাহি যানবাহনে যাত্রী পরিবহণ করা যাবে না। এদিকে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ব্যাপকতা বাড়ায় সাধারণ ছুটি আরও ১১ দিন বাড়িয়েছে সরকার। আগামী ১৬ মে পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হয়েছে। আজ সোমবার এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় আদেশ জারি করেছে। আদেশে বলা হয়েছে, ৭-১৪ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। সাধারণ ছুটির সঙ্গে ৬ মে’র বুদ্ধ পূর্ণিমার ছুটি এবং ১৫ ও ১৬ মে’র সাপ্তাহিক ছুটিও যুক্ত হবে। সর্বশেষ গত ২৩ এপ্রিল সাধারণ ছুটি ২৬ এপ্রিল থেকে ৫ মে পর্যন্ত বাড়িয়ে আদেশ জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। গত ৮ মার্চ প্রথম ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী পাওয়ার পর গত ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে সরকার। পরে ৫-৯ এপ্রিল, ১৪-২৫ এপ্রিল এবং সর্বশেষ ৫ মে পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হয়।

জাতীয় পাতার আরো খবর