টিকা নিলেন রাষ্ট্রপতি
১০,মার্চ,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনার টিকা নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ। বুধবার বিকেলে বঙ্গভবনে তিনি করোনা টিকার প্রথম ডোজ নেন। রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে ৪ মার্চ বিকেলে গণভবনে টিকা নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ২৪ ফেব্রুয়ারি তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা টিকা নেন। প্রসঙ্গত, গত ৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে করোনার গণটিকাদান শুরু করে সরকার। প্রত্যেককে টিকার দুটি ডোজ নিতে হবে। দেশে এখন প্রথম ডোজের টিকার প্রয়োগ চলছে। দুই মাস পর দ্বিতীয় ডোজ দেয়া হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ইতিমধ্যে ৪০ লাখের বেশি মানুষ টিকা নিয়েছেন। করোনা প্রতিরোধে ৪০ বছরের উপরের বয়সী সবাইকে টিকা নিতে আহ্বান জানিয়েছে সরকার।
ট্রেনে নারীদের জন্য বিশেষ কামরা নয় কেন: হাইকোর্ট
১০,মার্চ,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নিয়ম অনুযায়ী ট্রেনে শুধু নারীদের জন্য বিশেষ কামরা বরাদ্দ রাখার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে শিশু, প্রতিবন্ধী ও প্রবীণদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ট্রেনে তাদের জন্য সংরক্ষিত আসন বরাদ্দের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে। বুধবার (১০ মার্চ) এ সংক্রান্ত এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল দেন। এ সময় আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আজমল হোসেন খোকন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস। আজমল হোসেন খোকন গণমাধ্যমকে বলেন, রেলওয়ে আইনের ৬৪ ধারায় প্রতিটি যাত্রীবাহী ট্রেনে নারীদের ব্যবহারের জন্য একটি সংরক্ষিত কামরার ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে। সেই ট্রেন যদি ৫০ মাইলের বেশি ভ্রমণ করে, তাহলে সংরক্ষিত কামরার সঙ্গে একটি শৌচাগার রাখার কথাও বলা হয়েছে। আর এ আইনের ১১৯ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো পুরুষ যদি কোনো আইনি কারণ ছাড়া সংরক্ষিত নারী কামরায় প্রবেশ করে, তাহলে রেল কর্তৃপক্ষ তাকে জরিমানা করতে পারবে, তার টিকেট বাজেয়াপ্ত করে তাকে ট্রেন থেকে নামিয়ে দিতে পারবে। কিন্তু আইনের এসব বিধানের প্রয়োগ, বাস্তবায়ন না থাকায় রিট আবেদনটি করা হয়। আদালত শুনানি নিয়ে রুল দিয়েছেন। রেলওয়ে সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, ঢাকার জেলা প্রশাসক, রেলওয়ের মহাপরিচালক, ব্যবস্থাপক ও পরিদর্শককে চার সপ্তাহের জন্য রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। উল্লেখ্য, ১৮৯০ সালের রেলওয়ে আইনের ৬৪ ও ১১৯ ধারা বাস্তবায়নে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে গত ১৩ জানুয়ারি জনস্বার্থে রিট আবেদনটি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মমতাজ পারভীন। পরে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি তিনি একটি সম্পূরক আবেদন করেন। সেসব আবেদনের শুনানির পর বুধবার রুল জারি করেন হাইকোর্ট।
টিকা নেওয়ার ২৭ দিন পর ডিএমপি কমিশনার করোনায় আক্রান্ত
১০,মার্চ,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। টিকা নেওয়ার ২৭ দিন পর তিনি ভাইরাসটির সংক্রমণের শিকার হন। কেন্দ্রীয় পুলিশ লাইন্স হাসপাতালের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বর্তমানে ডিএমপি কমিশনার রাজারবাগের কেন্দ্রীয় পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তার শরীরের অবস্থা ভালো। ডিএমপি কমিশনার গত ৬ মার্চ করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বলে নিশ্চিত করেছেন রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালের ডা. ইমদাদুল হক। গত ৭ ফেব্রুয়ারি একই হাসপাতাল থেকে করোনার টিকা নেন ডিএমপি কমিশনার।
বুধবার টিকা নিচ্ছেন রাষ্ট্রপতি
৯,মার্চ,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রীর পর এবার রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ করোনাভাইরাসের টিকা নিচ্ছেন। বুধবার বিকাল ৫টায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতিতে টিকা দেয়া হবে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতির প্রেস সেক্রেটারি জয়নাল আবেদীন সাংবাদিকদের এই তথ্য জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ২৭ জানুয়ারি করোনার টিকা প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশব্যাপী গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। গত ৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনার টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর ছোটবোন শেখ রেহেনাসহ বিশিষ্ট নাগরিকদের অনেকেই টিকা নিয়েছেন। দেশে অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার উদ্ভাবিত কোভিশিল্ড টিকা দেয়া হচ্ছে, যা উৎপাদন করছে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট। প্রত্যেককে টিকার দুটি ডোজ নিতে হবে। দেশে এখন প্রথম ডোজের টিকার প্রয়োগ চলছে। দুই মাস পর দ্বিতীয় ডোজ দেয়া হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
মেট্রোরেলের প্রথম সেট আসছে ২৩ এপ্রিল, উদ্বোধন ১৬ ডিসেম্বর
৯,মার্চ,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন বর্ষের ১৬ ডিসেম্বর মেট্রোরেলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে চলেছে প্রকল্পের কাজ। প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৫৮ দশমিক ৭২ শতাংশ। মেট্রোরেলের প্রথম সেট গত ৪ মার্চ জাপানের কোবে বন্দর থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছে। ঢাকায় পৌঁছানোর সম্ভাব্য তারিখ আগামী ২৩ এপ্রিল। মেট্রোরেল প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। মঙ্গলবার (০৯ মার্চ) ডিএমটিসিএল মেট্রোরেলের সবশেষ অগ্রগতি প্রকাশ করে। ডিএমটিসিএল জানায়, বাংলাদেশের প্রথম মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজের সার্বিক গড় অগ্রগতি ৫৮ দশমিক ৭২ শতাংশ। ২০ দশমিক ১০ কিলোমিটার ভায়াডাক্টের মধ্যে ১৩ দশমিক ২৭৫ কিলোমিটার ভায়াডাক্ট দৃশ্যমান হয়েছে। ডিপোর অভ্যন্তরে ১৬ দশমিক ৯০ কিলোমিটার রেললাইন স্থাপন করা হয়েছে; ভায়াডাক্টের উপরে ১০ কিলোমিটার রেল ট্র্যাক প্লিন্থ কাস্টিং সম্পন্ন হয়েছে, রোড কাম রেইল ভেহিক্যাল ব্যবহার করে ডিপোর অভ্যন্তরে এবং ভায়াডাক্টের উপরে ওভারহেড ক্যাটেনারি সিস্টেম স্থাপনের কাজ এগিয়ে চলছে। ইতোমধ্যে মধ্যে ডিপোর অভ্যন্তরে ৬ কিলোমিটার ওভারহেড ক্যাটেনারি সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে, প্রথম পর্যায়ে নির্মাণের জন্য নির্ধারিত উত্তরা তৃতীয় পর্ব হতে আগারগাঁও অংশের পূর্ত কাজের অগ্রগতি ৮১ দশমিক ৪২ শতাংশ, দ্বিতীয় পর্যায়ে নির্মাণের জন্য নির্ধারিত আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশের পূর্ত কাজের অগ্রগতি ৫৪ দশমিক ৬১ শতাংশ। ইলেকট্রিক্যাল ও মেকানিক্যাল সিস্টেম এবং রোলিং স্টক ও ডিপো ইকুইপমেন্ট সংগ্রহ কাজের সমন্বিত অগ্রগতি ৪৯ শতাংশ। সম্প্রতি ডিএমটিসিএলের আওতায় বাস্তবায়নাধীন এমআরটি লাইন-৬ এ কর্মরত ৬ জন বিদেশি বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ৮ মার্চ পর্যন্ত এ প্রকল্পে কর্মরত মোট ৩৪৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তবে কারো মৃত্যু হয়নি। স্বাধীনতার ৫০ বছরে ঢাকায় মেট্রোরেল চলবে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব সচিব এম এ এন সিদ্দিক বলেন, মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলেছে। জাপান থেকে ঢাকার পথে মেট্রোরেল। ঢাকায় মেট্রোরেলের কোচ এলেই পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব। ডিএমটিসিএল সূত্র জানায়, উত্তরা উত্তর, উত্তরা সেন্টার ও উত্তরা দক্ষিণ স্টেশনের ছাদ নির্মাণের কাজ চলছে। উত্তরা সেন্টার ও উত্তরা দক্ষিণ স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম নির্মাণ কাজ সমাপ্ত। উত্তরা উত্তর স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম নির্মাণ কাজ শেষ পর্যায়ে। উত্তরা উত্তর ও উত্তরা দক্ষিণ স্টেশনে স্টিল স্ট্রাকচার ইরেকশন কাজ চলমান। উত্তরা উত্তর, উত্তরা সেন্টার ও উত্তরা দক্ষিণ স্টেশনে বৈদ্যুতিক সাব-স্টেশন, সিগন্যালিং ও টেলিকমিউনিকেশন এবং স্টেশন কন্ট্রোলার কক্ষ নির্মাণ কাজ চলমান। মেট্রোরেল নির্মাণে স্বাভাবিক পানির প্রবাহ ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা যাতে বাধাগ্রস্ত না হয় তা বিবেচনায় পাঁচটি লং স্প্যান ব্যালান্স ক্যান্টিলিভারের মধ্যে তিনটি সমাপ্ত হয়েছে। স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন বর্ষ ২০২১ সালের ১৬ ডিসেম্বর মেট্রোরেল প্রকল্পের উদ্বোধন করা হবে। ঢাকার যানজট নিরসন ও নগরবাসীর যাতায়াত আরামদায়ক, দ্রুততর ও নির্বিঘ্ন করতে ২০১২ সালে গৃহীত হয় মেট্রোরেল প্রকল্প। ২৪ সেট ট্রেন চলাচল করবে। প্রত্যেকটি ট্রেনে থাকবে ৬টি করে কার। যাত্রী নিয়ে ঘণ্টায় ১শ কিলোমিটার বেগে ছুটবে এ ট্রেন। উভয়দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ হাজার যাত্রী বহনে সক্ষমতা থাকবে মেট্রোরেলের। প্রকল্পের মোট ব্যয় ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকার মধ্যে প্রকল্প সাহায্য হিসেবে ১৬ হাজার ৫৯৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকা ঋণ দিচ্ছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)।
বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু উদ্বোধন
৯,মার্চ,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ফেনী নদীর ওপর মৈত্রী সেতু উদ্বোধন হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ মার্চ) দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে এই সেতুর উদ্বোধন করেছেন। বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে এই প্রথম কোনো নদী সেতু উদ্বোধন হলো। ফেনী নদীতে এই সেতুর নাম রাখা হয়েছে করা হয়েছে- মৈত্রী সেতু। এদিন দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী এই সেতু উদ্বোধন করেন। একইসঙ্গে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ত্রিপুরার সাবরুমে একটি ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্টেরও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবও বক্তব্য রাখেন। ফেনী সেতুর দৈর্ঘ্য ১ দশমিক ৯ কিলোমিটার। এটা রামগড়ের সঙ্গে ভারতের ত্রিপুরার সাবরুমে যুক্ত হয়েছে। ১৩৩ কোটি রুপি ব্যয়ে ভারতের ন্যাশনাল হাইওয়েস অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন এই সেতু নির্মাণ করেছে। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে এই সেতু দিয়ে সহজেই ত্রিপুরাসহ ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ হবে।
শ্রীলংকা সফর শেষে দেশে ফিরলেন বিমান বাহিনী প্রধান
৯,মার্চ,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত, বিবিপি, ওএসপি, এনডিইউ, পিএসসি শ্রীলংকা সফর শেষে ৮ মার্চ বিমান বাহিনীর একটি সি-১৩০ জে বিমানে দেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন। শ্রীলংকা সফরকালে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান শ্রীলংকা বিমান বাহিনীর ৭০ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। সফরের অংশ হিসেবে তিনি শ্রীলংকা বিমান বাহিনী ঘাঁটি কাটুনায়েকে একটি পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে শ্রীলংকার রাষ্ট্রপতি গোটাবাযা রাজাপাকসে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। শ্রীলংকা অবস্থানকালে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা- অসমাপ্ত আত্মজীবনী নামক বইটি শ্রীলংকার প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে, শ্রীলংকার প্রতিরক্ষা সচিব জেনারেল জি ডি এইচ কামাল গুণারেত্নে (অব:) এবং শ্রীলংকা বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার মার্শাল এসকে পাথিয়ারানাকে উপহার দেন। সফরের অংশ হিসেবে তিনি শ্রীলংকার প্রধানমন্ত্রী, প্যাসিফিক এয়ার ফোর্সেস কমান্ডার জেনারেল কেনিথ এস উইলসব্যঠশ ও শ্রীলংকার প্রতিরক্ষা সচিবের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এছাড়াও, তিনি শ্রীলংকার বিমান বাহিনী সদর দফতরে শ্রীলংকা বিমান বাহিনী প্রধানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেন এবং দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মতবিনিময় করেন। শ্রীলংকা বিমান বাহিনী প্রধানের কার্যালয়ে পৌঁছালে একটি চৌকস কন্টিনজেন্ট বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধানকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। তিনি গার্ড পরিদর্শন ও সালাম গ্রহণ করেন। বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান শ্রীলংকা বিমান বাহিনীর ৭০ বছর পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত এয়ার শো প্রত্যক্ষ করেন এবং অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের বিমান বাহিনী প্রধানদের সাথে পেশাগত বিষয়ে মতবিনিময় করেন। শ্রীলংকায় অবস্থানকালে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান শ্রীলংকা বিমান বাহিনী একাডেমিসহ শ্রীলংকার গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা পরিদর্শন করেন। এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও শ্রীলংকার সঙ্গে বিদ্যমান সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক সুদৃঢ় ও পেশাগত খাতে পারস্পরিক সহযোগিতার পরিধি সম্প্রসারিত হবে। এছাড়াও, শ্রীলংকায় অভ্যাগত অন্যান্য অতিথিদের সঙ্গে বাংলাদেশ তথা বিমান বাহিনীর স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মতবিনিময় করার সুযোগসহ দুই দেশের বাহিনীর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। যা বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ভবিষ্যত প্রতিরক্ষা খাতের উন্নয়নে বিশেষ কার্যকরী ভূমিকা পালনে সহায়তা করবে বলে আশা করা যায়। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান শ্রীলংকা বিমান বাহিনীর ৭০ বছরর পূর্তি উপলক্ষে কমান্ডার অব দি শ্রীলংকা এয়ার ফোর্সেও এর আমন্ত্রণে গত ৩ মার্চ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি সি-১৩০ জে বিমানের মাধ্যমে শ্রীলংকা সফরের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন।
বুধবার থেকে সচিবালয়ে প্রবেশ করতে পারবেন দর্শনার্থীরা
৮,মার্চ,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় এক বছর বন্ধ থাকার পর বুধবার (১০ মার্চ) থেকে সচিবালয়ে দর্শনার্থীদের প্রবেশ পাস ইস্যু শুরু হবে। ওই দিন থেকে পাস নিযে সচিবালয়ে প্রবেশ করতে পারবেন দর্শনার্থীরা। সোমবার (৮ মার্চ) পাস ইস্যু করার অনুরোধ জানিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও সব মন্ত্রণালয়/বিভাগের সচিব ও সিনিয়র সচিবদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাব অনেকটা শিথিল হয়েছে এবং সচিবালয়ে কর্মরত প্রায় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা করোনাভাইরাসের টিকাগ্রহণ করেছেন। আগামী ১৭ মার্চ (যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের হল খুলবে ১৭ মে) থেকে সকল বিশ্ববিদ্যালয় এবং ৩১ মার্চ থেকে স্কুল-কলেজগুলো খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের গত ১৫-২০ দিনের রিপোর্ট অনুযায়ী দেখা যায়, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার দুটোই নিম্নমুখী বলেও উল্লেখ করা হয় চিঠিতে। চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, এমতাবস্থায় সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে আগামী ১০ মার্চ থেকে সচিবালয়ে কর্মরত অতিরিক্ত সচিব ও যুগ্ম সচিবদের জন্য দৈনিক তিনটি এবং মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-উপমন্ত্রীর একান্ত সচিবদের (পিএস) জন্য দৈনিক ১০টি এবং সিনিয়র সচিব/সচিবদের একান্ত সচিবদের জন্য দৈনিক ৫টি করে দর্শনার্থী প্রবেশ পাস ইস্যু করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। উল্লেখ্য, গত বছরের ৮ মার্চ দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী প্রথম শনাক্ত হয়। এরপর থেকে সচিবালয়ে দর্শনার্থী প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। একান্ত অপরিহার্য না হলে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোতে পাস ইস্যু করার পরামর্শ দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকলে ১৯ মার্চ সচিবালয়ে দর্শনার্থী প্রবেশে নিষিদ্ধ করা হয়, বন্ধ করে দেয়া হয় দর্শনার্থী পাস ইস্যু।
দেশেই টিকা উৎপাদনের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
৮,মার্চ,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দেশেই টিকা উৎপাদনের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। সোমবার (০৮ মার্চ) ঢাকায় আয়োজিত এক সেমিনারে এ কথা জানান তিনি। সেমিনারে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে দেশেই টিকা উৎপাদনের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন দেশেই করোনার টিকা (ভ্যাকসিন) তৈরি করতে হবে। আমাদের দেশে ভ্যাকসিন তৈরি করতে যা প্রয়োজন আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন সেটি করার জন্য। সেই কাজও আমরা শুরু করে দিয়েছি। দেশে হঠাৎই বাড়ছে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু। দেশে কোভিড ঊনিশ শনাক্তের বছর পার করার দিনে ৮ সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ শনাক্ত হয়েছে। এ অবস্থায় করোনার আরও একটি মৃদু ঢেউ আসতে পারে বলে সতর্ক করেন বিশেষজ্ঞরা। গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম তিন জনের দেহে কোভিড ১৯ শনাক্ত হয়। এরপর স্বাস্থ্য খাতের নানা সীমাবদ্ধতা আর চড়াই উৎরাই পেরিয়ে বাংলাদেশ এখন টিকার হাত ধরে আশা জাগাচ্ছে মহামারি নিয়ন্ত্রণের। তবে কোভিড থেকে মুক্তির জন্য এখনো যে অনেক পথ পাড়ি দেয়া বাকি সে ইঙ্গিতই যেন দিলো করোনা শনাক্তের বছর পার করার দিনটি। সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, করোনার সব সূচকে হঠাৎই ফের ঊর্ধ্বমুখী। সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত হয়েছে ৮৪৫ জন, যা গত ১৩ জানুয়ারির পর সর্বোচ্চ। আর একদিনে প্রাণ হারিয়েছেন ১৪ জন যা ২৪ ফেব্রুয়ারির পর একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। দেশে করোনা শনাক্তের বছর পার করার দিনে বাংলাদেশের সাফল্য ও চ্যালেঞ্জ বিষয়ক এক সেমিনারে বিশেষজ্ঞরা বলেন, করোনার গতিপ্রকৃতি নিয়ে এখনো নজর রাখতে হবে। তাগিদ দেন গবেষণা বাড়ানোর। সতর্ক করেন সামনে কোভিডের আরেকটি মৃদু ঢেউয়ের ব্যাপারে। টিকা নেয়ার পরও স্বাস্থ্যবিধি মানার তাগিদ দেন বক্তারা।