সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত শেষ না হওয়ায় হাইকোর্টের ক্ষোভ
২০অক্টোবর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত শেষ না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দেশের উচ্চ আদালত। একই সঙ্গে মামলার যাবতীয় কাগজসহ আগামী ৬ নভেম্বর তদন্ত কর্মকর্তাকে হাজির হতে বলা হয়েছে। তানভীর নামে এক আসামির আবেদনের শুনানি শেষে বিচাপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচাপতি মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি নিজ বাসায় খুন হন সাংবাদিক দম্পতির সাগর সরোয়ার ও মেহেরুন রুনী। বর্তমানে এ মামলার তদন্ত করছে Rab।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ: জয়
২০অক্টোবর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, ডিজিটাল সেবা দিয়ে আগামী ৫ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ জাতিসংঘের ৫০তম তালিকায় থাকবে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ। আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) অডিটোরিয়ামে রোববার সকালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। এতে ই-গভর্নমেন্ট মাস্টার প্ল্যান প্রকল্পের, ই-গভর্নমেন্ট মাস্টার প্ল্যান রিপোর্ট এর মোড়ক উন্মোচন, ডিজিটাল মিউনিসিপালিটি সার্ভিস সিস্টেম, একসেবা, একপে ও একশপ অ্যাপ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি। সজীব ওয়াজেদ জয় আরও বলেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে নাগরিক সেবাগুলো মানুষের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার। এরইমধ্যে সেবা ডিজিটাইজেশনে মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন যেমন বাস্তবতা তেমনি আগামীতে এটাই বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে। জয় বলেন, ই-গভর্নমেন্ট মাস্টারপ্ল্যান প্রকল্পের পরীক্ষামূলক সময়ে আমরা একটি সিটি করপোরেশন ও ৯টি পৌরসভার ২০ লাখেরও বেশি নাগরিককে ৫ ধরনের নাগরিক সেবা পৌঁছে দেব। ২০২১ সালের মধ্যে আমরা ৩০০ পৌরসভাকে নাগরিক সেবা প্রদানের এই প্লাটফর্মে যুক্ত করব। পরে জনগণকে ডিজিটালাইজেশনের সাথে যুক্ত করতে দেশের তৈরি ১০০জন প্রতিবন্ধীদেরকে ল্যাপটপ দেন সজীব ওয়াজেদ জয়।
ঢাকা উত্তর সিটির কাউন্সিলর রাজীব আটক
২০অক্টোবর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তারিকুজ্জামান রাজীবকে আটক করেছে Rapid Action Battalion (Rab-1। চলমান ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে অভিযান চালিয়ে শনিবার রাত ১১টার দিকে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। এর আগে রাত সাড়ে ১০টার দিকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপরীতে ৮নং সড়কের ৪০৪ নং ওই বাসা ঘেরাও করে Rab-1। জানা গেছে, ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানের পর থেকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী এক বন্ধুর বাড়িতে আত্মগোপনে ছিলেন রাজীব। আলোকিত বাংলাদেশকে রাজীবের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন Rabর আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে. কর্নেল সারোয়ার বিন কাশেম। তিনি বলেন, চলমান ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে বসুন্ধরার ওই বাড়িতে অভিযান চালিয়ে রাজীবকে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া Rabর লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উয়িংয়ের সহকারী পরিচালক (এএসপি) মিজানুর রহমানও রাজীবকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন,রাজীবকে আটক করা হয়েছে। যে বাসা থেকে তিনি আটক হয়েছেন, তাতে তল্লাশী চালানো হচ্ছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে। মোহাম্মদপুর-বসিলা-ঢাকা উদ্যানসহ আশেপাশের এলাকার অঘোষিত সম্রাট তারিকুজ্জামান রাজীব দিনমজুর থেকে চাঁদাবাজি ও দখলের টাকায় ধনকুবের হয়ে ওঠেন। ২০১৪ সালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হওয়ার পর থেকেই বদলে যেতে থাকেন রাজীব। এই কয়েকবছরেই যুবলীগের এই থানা পর্যায়ের এই নেতা মালিক হয়েছেন কয়েকশ কোটি টাকার। প্রায় ছয় বছর আগে মোহাম্মদপুরের মোহাম্মদীয়া হাউজিং সোসাইটির একটি বাড়ির নিচতলার গ্যারেজের পাশেই ছোট একটি ঘরে সস্ত্রীক ভাড়া থাকতেন রাজীব। ভাড়া দিতেন ছয় হাজার টাকা। তবে ছয় বছর শেষে একই হাউজিং এলাকায় নিজের ডুপ্লেক্স বাড়িতে থাকেন। নামে বেনামে অন্তত ছয়টি বাড়ি রয়েছে মোহাম্মদপুর এলাকায়। রয়েছে দেশ-বিদেশে বিভিন্ন সম্পত্তি। ছয় বছর আগে একমাত্র বাহন অল্পদামি একটি মোটরসাইকেল থাকলেও ছয় বছর শেষে কোটি টাকা দামের বিলাসবহুল গাড়ি। কিছুদিন পর পরেই পরিবর্তন করেন গাড়ির ব্রান্ড। যেখানেই যান, তার গাড়িবহরের সামনে-পেছনে থাকে শতাধিক সহযোগীর একটি দল। নিজের সংগ্রহে রয়েছে মার্সিডিস, বিএমডাব্লিউ, ক্রাউন প্রাডো, ল্যান্ডক্রুজার ভি-৮, বিএমডাব্লিউ স্পোর্টস কারসহ নামিদামি সব ব্র্যান্ডের গাড়ি। সরকারি জায়গা দখল করে ভাড়া দেওয়া, বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা, জমি দখল, চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্ম করেই আয় গড়ে তুলেছেন বিশাল সাম্রাজ্য। রাজীবের সব অপকর্মের সঙ্গী যুবলীগ নেতা শাহ আলম জীবন, সিএনজি কামাল, আশিকুজ্জামান রনি, ফারুক ও রাজীবের স্ত্রীর বড় ভাই ইমতিহান হোসেন ইমতিসহ অর্ধশত ক্যাডার। অভিযোগ রয়েছে রাজিবের নির্দেশেই যুবলীগ কর্মী তছিরকে হত্যা করে ঘনিষ্ঠরা। ২০১৫ সালের কাউন্সিলর নির্বাচনে তিনি ছিলেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী। বিভিন্ন কারসাজি করে আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট নেতা ও ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ বজলুর রহমানকে হারান। অভিযোগ রয়েছে এরপর থেকেই এলাকায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করছেন না তিনি। জানা যায়, মোহাম্মদপুর এলাকায় যুবলীগের রাজনীতি দিয়েই শুরু হয় রাজীবের রাজনৈতিক জীবন। মাত্র এক বছরের রাজনীতি করেই বাগিয়ে নেন মোহাম্মদপুর থানা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক পদ। এই পদ পেয়েই থানা আওয়ামী লীগের এক নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধাকে প্রকাশ্যে জুতা পিটাসহ লাঞ্ছিত করেন। সে সময় যুবলীগ থেকে তাকে বহিষ্কারও করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, তারিকুজ্জামান রাজীব মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে বহিষ্কারাদেশ বাতিল করে উল্টো ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বনে যান। কেন্দ্রীয় যুবলীগের আলোচিত দপ্তর সম্পাদক আনিসুর রহমানকে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা দিয়ে এ পদ কেনেন রাজীব। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কাউন্সিলর নির্বাচন করার আগে রাজনীতির পাশাপাশি এক চাচাকে কাজকর্মে সহযোগিতা করতেন। ওই চাচা ঠিকাদারি করতেন। নির্বাচনের সময় তার ওই চাচা একটি জমি বিক্রি করে ৮০ লাখ টাকা দিয়ে তাকে কাউন্সিলর নির্বাচন করতে সহযোগিতা করেন। ভাগবাটোয়ারা নিয়ে বনিবনা না হওয়ায় এখন ওই চাচার সঙ্গেও যোগাযোগ নেই। মোহাম্মদীয়া হাউজিং সোসাইটির ১ নম্বর সড়কের ৩৩ নম্বর প্লটে রাজীবের ডুপ্লেক্স বাড়ি। জানা গেছে, পাঁচ কাঠা জমির ওপর বাড়িটি করতে খরচ হয়েছে ছয় কোটি টাকা। এর বাইরে রহিম ব্যাপারী ঘাট মসজিদের সামনে আব্দুল হক নামের এক ব্যক্তির ৩৫ কাঠার একটি প্লট যুবলীগের কার্যালয়ের নামে দখল, ওই জমির পাশেই জাকির হোসেনের সাত-আট কাঠার একটি প্লট দখল করেছিলেন। মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ডের পাশের ময়ূর ভিলার মালিক রফিক মিয়ার কয়েক কোটি টাকা দামের জমি দখল, পাবলিক টয়লেট নির্মাণের মাধ্যমে জমিটি দখল করা হলেও সেখানে পাঁচটি দোকান তুলে ভাড়া দিয়েছেন রাজিব। ঢাকা রিয়েল এস্টেটের ৩ নম্বর সড়কের ৫৬ নম্বর প্লট, চাঁদ উদ্যানের ৩ নম্বর রোডের রহিমা আক্তার রাহি, বাবুল ও মো. জসিমের তিনটি প্লটসহ অন্তত দশটি প্লট দখল করেছেন তিনি। মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ডের সামনে আল্লাহ করিম মসজিদ ও মার্কেটের নিয়ন্ত্রণও রাজীবের হাতে। অভিযোগ রয়েছে, মোহাম্মদপুর, বেড়িবাঁধ, বসিলা এলাকার পরিবহনে চাঁদাবাজি রাজীবের নিয়ন্ত্রণে। অটোরিকশা, লেগুনা, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও বাস থেকে প্রতিদিন কয়েক লাখ টাকা চাঁদা তোলে তার লোকজন। পাঁচ বছর ধরে এলাকার কোরবানির পশুর হাটের ইজারাও নিয়ন্ত্রণ করে আসছেন রাজীব।
দুদকে দুর্নীতি নেই সেটা বলতে পারবো না : দুদক চেয়ারম্যান
২০অক্টোবর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, দুর্নীতি দমন কমিশনে দুর্নীতি নেই সেটা বলতে পারবো না। দুর্নীতি যেমন আছে সেখানে জবাবদিহিতাও রয়েছে। তাই কমিটমেন্ট অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। দুর্নীতি ঘটার আগে যদি সেটা ধরতে পারি সেটাই হবে আসল উদ্দেশ্য। দুর্নীতি যদি ঘটেই যায় তাহলে আমাদের থাকার উদ্দেশ্য কি? তাই আগে থেকে দুর্নীতি ধরতে আমাদের সোচ্চার হতে হবে। আজ রোববার (২০ অক্টোবর) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে দুদক ও সিটিটিসির উদ্যোগে সপ্তাহব্যাপী যৌথ প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ইকবাল মাহমুদ বলেন, দুর্নীতি দমনে দুদকের প্রতি যে মানুষের প্রত্যাশা তা অনেকটা পূরণ করা সম্ভব হয় নাই, তবে অবস্থা পরিবর্তনের কমিশন আন্তরিকভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, দুদক একা নয়, জনগণ ও সরকারের সকল প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা ছাড়া দুর্নীতি সন্ত্রাস দমন সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, তদন্তকাজ ঠিক মতো যদি না হয় তাহলে অপরাধীরা সব সময় ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়। তাই যারা এ নিয়ে কাজ করবেন তাদের সব সময় আপডেট থাকতে হবে। সমালোচনা সব সময় সাদরে গ্রহণ করতে হবে। যদি সমালোচনা থাকে তাহলে জবাবদিহিতা থাকে। কর্মশালায় ডিএমপি কমিশনার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, দুর্নীতি সন্ত্রাস ও জঙ্গি দমন করা গেলে দেশের অনেক উন্নয়ন হবে। উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে দক্ষতা বৃদ্ধি করতে প্রশিক্ষণার্থীদের তাগিদ দেন ডিএমপি কমিশনার। তিনি বলেন, প্রযুক্তিগত বিষয় নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সাধারণ অপরাধগুলোর মধ্যেও প্রযুক্তিগত বিষয় নিয়ে কাজ করতে হয়। প্রযুক্তি সব সময় পরিবর্তন হয়। তাই যারা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন তারা সেগুলোর সঙ্গে আপডেট থাকবেন। লোভে পড়লে শুধুমাত্র অর্থ উপার্জন সম্ভব আর লোভে না পড়লে দেশের সব অর্জন সম্ভব।
জঙ্গিবাদে জড়াতে ইন্টারনেটে আকর্ষণীয় প্যাকেজ দেয়া হচ্ছে: মনিরুল ইসলাম
১৯অক্টোবর,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) প্রধান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেছেন, যাদের জঙ্গি সন্দেহে আটক বা গ্রেপ্তার করা হচ্ছে তারা আগেও কোনও না কোনোভাবে জঙ্গিবাদের সঙ্গে ছিল। কেউ কেউ নতুন করে র;্যডিকালাইজড হয়ে জঙ্গিবাদে জড়িয়েছে। জঙ্গিবাদের রিক্রুটার মটিভেটররা ইন্টারনেটে অ্যাট্রাকটিভ প্যাকেজ দিচ্ছে। আজ শনিবার (১৯ অক্টোবর) ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে ঢাকা পিস টক শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। মনিরুল ইসলাম বলেন, যারা মানসিকভাবে দুর্বল ও দেশপ্রেম নাই, মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধ নাই, মতাদর্শিক জায়গায় ধারণা নাই, জীবনের বাস্তবতা যারা মেনে নিতে পারে না, যারা শর্টকাট পথ খুঁজছে তারাই জঙ্গিবাদে জড়াচ্ছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হলি আর্টিসান হামলার পর জঙ্গিবাদবিরোধী কাজ বেশি হচ্ছে যা আগে খুব একটা ছিল না। আমাদের একটি জঙ্গিবাদবিরোধী অ্যান্টিবডি তৈরির কাজ করতে হবে। আমরা সবসময় গোয়েন্দা নজরদারিতে রাখার চেষ্টা করছি। অনেকেই গ্রেপ্তার হয়েছে। তাদের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা কোনও না কোনোভাবে অন্য কোনও জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে স্বীকার করেছে। এতটুকু নিশ্চিত করতে পারি জঙ্গিবাদ আর মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেয়া হবে না।
আবরার হত্যার চার্জশিট দ্রুত দেয়ার নির্দেশ
১৯অক্টোবর,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দ্রুত আবরার হত্যার চার্জশিট দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। শনিবার দুপুরে বিএফডিসিতে ইউসিবি পাবলিক পার্লামেন্ট আয়োজিত সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষে সরকার এগিয়ে চলছে শীর্ষক ছায়া সংসদের বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আবরারের পরিবার একটি স্বচ্ছ বিচার পাবে বলে আশা করেন তিনি। সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান নিয়মিত চলবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ক্যাসিনো ও টেন্ডারবাজি বড় বিষয় নয়, যেখানেই অনিয়ম ও দুর্নীতি সেখানেই অভিযান চলবে। এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, যেখানেই দুর্নীতি, অন্যায়, অবিচার দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী সেখানেই ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। দুর্নীতিবিরোধী এ অভিযানে তিনি কাউকে ছাড় দিচ্ছেন না।
শিশু নির্যাতনকারীদের কঠোর সাজা পেতে হবে : প্রধানমন্ত্রী
১৯অক্টোবর,শনিবার,স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিশু নির্যাতনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, আজকের শিশুরা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। শিশুদের প্রতি কোনো অন্যায়-অবিচার বরদাশত করা হবে না। যারা শিশু নির্যাতন করবে তাদের অবশ্যই সাজা পেতে হবে। কঠোর সাজা পেতে হবে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের উদ্যোগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে এ আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সমপ্রতি দেশব্যাপী শিশু নির্যাতনের কথা তুলে ধরে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, শিশুদের ওপর অত্যাচার বেড়েছে। বাবা হয়ে সন্তানকে হত্যা করছে অন্যকে ফাঁসানোর জন্য। কী এক মানসিকতা! এই ধরনের হীন মানসিকতা সমাজে বেড়ে চলেছে। শিশুদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, তোমাদের পাশে দরিদ্র ও প্রতিবন্ধী শিশু দেখলে তাদের অবহেলা করো না। কারণ তারাও তো তোমাদের মতোই মানুষ। এতে তাদের তো কোনো দোষ নেই। এটা অমানকিতা ও নিষ্ঠুরতা। সরকারের নেওয়া নানা উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের শিশুরা যাতে আধুনিক মনস্ক হয়ে গড়ে উঠতে পারে সেজন্য সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রত্যেকটি শিশুর জীবন যেন অর্থবহ হয়, আমরা সে ব্যবস্থা নিয়েছি। ছোটভাই রাসেলের স্মৃতিচারণ করে বড়বোন শেখ হাসিনা বলেন, প্রতিটা শিশুরই একটা ইচ্ছা থাকে, বড় হয়ে কী হবে! রাসেলেরও শখ ছিল, বড় হয়ে আর্মি অফিসার হবে। এ নিয়ে তার অনেক আগ্রহ দেখেছি। যখন গ্রামে যেত, সেখানে গিয়ে শিশুদের নিয়ে খেলতো। তার ভিতরে একটা দরদি মন ছিলো। এখন মাঝে মাঝে মনে হয়, বেঁচে থাকলে ৫৪ বছর বয়সে রাসেল কেমন হতো দেখতে! কিন্তু ঘাতকের নির্মম বুলেট কাউকে বাঁচতে দেয়নি।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফিফা সভাপতির সাক্ষাৎ
১৭অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। এর আগে ভোরে রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। বিমানবন্দরে নেমে তিনি বলেন, সবাইকে শুভ সকাল। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে আসতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। এ সফরটা আমার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেখুন বাংলাদেশ এখন বিশ্ব ফুটবলের রাজধানী, কারণটা খুবই পরিষ্কার ফিফা সভাপতি এখন ঢাকায়। আর সম্প্রতি বাংলাদেশ ফুটবল দলের পারফরম্যান্স সত্যিই চোখে পড়ার মতো। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন-বাফুফের আমন্ত্রণে একদিনের শুভেচ্ছা সফরে ঢাকায় ফিফা সভাপতি। এ সময় প্রথমবারের মতো ঢাকায় আসতে পেরে নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তিনি। সেইসঙ্গে সংক্ষিপ্ত এ সফরে এশিয়া অঞ্চলের ফুটবল উন্নয়নে বাফুফের সঙ্গে আলোচনার কথা জানান জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। কাতারে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হতে এখনও তিন বছর বাকি। এরইমধ্যে এশিয়া সফর করছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। তারই অংশ হিসেবে বাংলাদেশে আগমন। রাতভর অপেক্ষা : বৃহস্পতিবার রাত ১টা ১০ মিনিটে ঢাকায় আসার কথা থাকলেও মঙ্গোলিয়ায় বৈরি আবহাওয়ার কারণে প্রায় চার ঘণ্টা দেরিতে বাংলাদেশে পৌঁছান ফিফা বস। বিশ্বকাপ বাছাইয়ে কলকাতার সল্ট লেকে বাংলাদেশের দুর্দান্ত পারফনম্যান্স। সবমিলিয়ে দেশের ফুটবল অঙ্গনে যেন সুবাতাস বইছে। ঠিক তখনই ফিফা সভাপতির বাংলাদেশে আগমন। বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন ও ফিফার কাউন্সিল মেম্বার মাহফুজা আক্তার কিরণের প্রশংসা করে ইনফান্তিনো জানান, এ সফরে এশিয়া অঞ্চলের ফুটবল উন্নয়নের পাশাপাশি ফুটবলের ইতিবাচক নানা দিক নিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা হবে। দেখুন, খেলাধুলার দিক দিয়ে বাংলাদেশ অনেকটাই এগিয়ে যাচ্ছে। এখানকার মানুষ বেশ ক্রীড়াপ্রেমী। আশা করছি এশিয়া অঞ্চলের ফুটবল উন্নয়নের বাফুফের সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসু হবে। এর আগে ১৯৮০ সালে জোয়া হ্যাভিলেঞ্জ ফিফার প্রথম সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশে আসেন। এরপর ২০০৬ ও ২০১২ সালে ঢাকা সফরে এসেছিলেন ফিফার সাবেক সভাপতি সেপ ব্লাটার। এবার ফিফার সভাপতি হিসেবে চতুর্থবারের মতো বাংলাদেশে এলেন জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। প্রায় ১৬ ঘণ্টার সংক্ষিপ্ত সফর শেষে বৃহস্পতিবার বিকেলেই লাওসের উদ্দেশ্যে রওনা করবেন ফিফা বস।
আগামীতে ডিজিটাইল ডিভাইস রফতানিকারক দেশ হবে বাংলাদেশ
১৭অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শুধু উৎপাদক নয়, আগামীতে ডিজিটাইল ডিভাইস রফতানিকারক দেশ হবে বাংলাদেশ। এ লক্ষ্য অর্জনে দেশে ২৮টি হাইটেক পার্ক স্থাপনসহ তথ্য প্রযুতিখাতে দক্ষ জনবল গড়ে তুলতে আইটি ট্রেনিং সেন্টার ও আইসিটি ল্যাব প্রতিষ্ঠা করছে সরকার। বুধবার (১৬ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। আগামী ২০২০ সালে বাংলাদেশ ৫ বিলিয়ন ডলারের হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার ও তথ্য প্রযুক্তি সেবা রফতানি করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। পলক বলেন, দেশে প্রতিবছর পাঁচ কোটি স্মার্টফোন এবং চার লাখ ল্যাপটপ আমদানি করতে হয়। অথচ আমাদের এখানেই পাঁচ কোটি মধ্যবিত্ত গ্রাহক শ্রেণি রয়েছে যা একটি বিশাল মার্কেট। এমন অবস্থায় আমরা শুধু আমদানিকারক দেশ হিসেবে থাকতে চাই না। নিজেদের দেশে এসব ডিভাইস প্রস্তুত করে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করতে চাই। আমরা হতে চাই রফতানিকারক দেশ, ছড়িয়ে দিতে চাই মেইড ইন বাংলাদেশ। এজন্য যেসব খাতে কাজ করা দরকার সরকারি নীতি সেভাবেই প্রণয়ন করে কাজ করে যাচ্ছি আমরা। যুব উদ্যোক্তাদের সব স্বপ্ন পূরণ করতে চাই। এ লক্ষে স্টার্টআপের জন্য ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত বরাদ্দ রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সঙ্গে সম্পর্কিত ইমার্জিং টেকনোলজি নিয়ে গবেষণার জন্য প্রধানমন্ত্রী রেখেছেন ৫০ কোটি টাকা। মেলায় প্রদর্শিত ৩০টি উদ্ভাবনীর মধ্যে অনুষ্ঠানে তরুণদের শীর্ষ ১০ উদ্যোগকে মোট এক কোটি টাকার বঙ্গবন্ধু উদ্ভাবনী অনুদান তুলে দেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। এ সময় তিনি বলেন, বর্তমানের মেধাবী তরুণ প্রজন্ম বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নেবে। টানা তিন দিনের আয়োজন শেষে পর্দা নামলো ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো-২০১৯ এর। জাঁকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো দেশে প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই অনুষ্ঠান। পরে অ্যাওয়ার্ড নাইটের মধ্য দিয়ে শেষ হয় এ আয়োজন।

জাতীয় পাতার আরো খবর