ভ্যাকসিন নিলেও মাস্ক পরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
২,ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: যতক্ষণ পর্যন্ত করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) বিশ্ব থেকে চলে না যাবে ততদিন পর্যন্ত সবাইকে মাস্ক পরে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যারা করোনার ভ্যাকসিন নেবেন তাদেরও তিনি মাস্ক পরে চলতে বলেছেন। করোনা ভাইরাস আরও একটু নিয়ন্ত্রণে এলে শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান। মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদের চলতি বছরের প্রথম অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ আহ্বান জানান। এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। এ অধিবেশনটি প্রত্যক্ষ করতে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সংসদ ভবনে আসেন এবং অধিবেশন প্রত্যক্ষ করেন বলেও স্পিকার জানান। সমাপনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, করোনা ভাইরাস এখন অনেকটা নিয়ন্ত্রণে। আরও কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলে শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে। শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান খুলে দিলে ছেলে-মেয়েরা লেখাপড়া করতে পারবে। করোনা ভ্যাকসিনের যখন গবেষণা শুরু হয় তখনই আমি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছিলাম কারা কারা গবেষণা করছে আগে থেকে ঠিক করে রাখার। ভ্যাকসিন বাজারে এলেই আমরা কিনবো। এর জন্য আমরা এক হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়ে রাখি। যখনই বাজারে আসে তখনই ক্রয় করি। করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে অনেকে কথা বলেছিলেন। আসলে ভ্যাকসিন এসে নিজেই তার উত্তর দিয়েছে। অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার তিন কোটি ডোজ ভ্যাকসিন আমরা ক্রয় করেছি। এই ভ্যাকসিন নেওয়ার পর খারাপ কোনো রিঅ্যাকশনের কথা শোনা যায়নি। তারপরও আমরা মনিটর করছি। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সারাদেশে সবাইকে ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হবে। এ নিয়ে দেশে প্রশংসা শুনিনি। কিন্তু জাতিসংঘের মহাসচিব প্রশংসা করেছেন। তিনি আরও বলেন, প্রথম কারা করোনা ভ্যাকসিন পাবেন সেটাও আমরা ঠিক করে ফেলেছি। করোনার ভ্যাকসিন যারা নিচ্ছেন তাদের এখনও মাস্ক পরে থাকতে হবে, সবসময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত বিশ্ব থেকে করোনা ভাইরাস না যায় ততক্ষণ পর্যন্ত মাস্ক পরে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদের অধিবেশন সমাপ্তি প্রসঙ্গে বলেন, করোনা মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সফলভাবে এই অধিবেশন পরিচালনা করা হয়েছে। মনে হচ্ছে আমি একটা বড় কারাগারে বন্দি আছি। সংসদ চলার সময় আমি অধিবেশনে আসি, ভালো লাগে। সংসদে এসে সবার সঙ্গে দেখা হয়।
শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হতে শেখাবো: দীপু মনি
২,ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, আমরা চাই আমাদের শিক্ষার্থীরা উদ্যোক্তা হবেন, শুধু চাকরি খুঁজে না। আমরা তাদের নানা ধরণের প্রশিক্ষণ দেবো, তাদের উদ্যোক্তা হতে শেখাবো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও চান আমাদের ছেলে-মেয়েরা উদ্যোক্তা হবে, নতুন নতুন কাজ তৈরি করবে। নিজেরা অন্য আরও দশজনকে চাকিরি দেবে। মঙ্গলবার সকালে গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার কেওয়া পূর্ব খণ্ড এলাকায় দেলোয়ার হোসেন দম্পত্তির মৌমিতা ফ্লাওয়ার্স ফুল-সবজির বাগান পরিদর্শনে গিয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় দেলোয়ার দম্পতির টিউলিপ, বিদেশি গোলাপ ফুল, ক্যাপসিকাম, স্ট্রবেরি বাগানসহ অন্যান্য কার্যক্রম পরিদর্শন করেন শিক্ষামন্ত্রী। পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী উপস্থিত সাংবাদিকদের আরও বলেন, দেলেয়ার দম্পতি বাগানে আধুনিক পদ্ধতিতে ফুল, ফল ও সবজির চাষ করছেন। তাদের উৎপাদিত ফসলগুলোতে বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। তারা ইতিমেধ্য এ ধরণের ফুল ও সবজি চাষে ৩০০ জন উদ্যোক্তা তৈরি করে দিয়েছেন। অনেককে প্রশিক্ষণও দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমাদের দেশে এমনিতেই মাটি এত উর্বর যে, তাতে ফুল চাষ করে বাজারজাত করার সম্ভাবনা রয়েছে। আর এ ফুল বিদেশে রপ্তানি করার সম্ভাবনা রয়েছে। এ দম্পতি যেভাবে উদ্যোক্তা তৈরি করে দিচ্ছেন আমি বিশ্বাস করি যে, সরকারি আরও সহযোগিতা পেলে নিশ্চয়ই উনারা এটাকে বিশাল আকারে নিয়ে যেতে পারবেন। দীপু মনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যার সরকার সবসময়ই উদ্যোক্তাদের পাশে আছে। কেউ নতুন কিছু করতে চাইলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাদের সহায়তা দেন, উৎসাহ দেন। দেশে এভাবে ফুল চাষ হলে আমরাও সবজির পাশাপাশি ফুলও রপ্তানি করতে পারবো ইনশাল্লাহ্। এ সময় শ্রীপুর পৌরসভার মেয়র আনিছুর রহমান, শ্রীপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল, গাজীপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাড. রিনা পারভীন, শ্রীপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাড. শামসুল আলম প্রধান, শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসলিমা মোস্তারী, শ্রীপুর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরে আলম মোল্লা, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক হুমায়ুন কবির হিমু, গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল আলম রবিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। প্রায় ৭ একর জমিতে কালার ক্যাপসিকাম, গ্রিন ক্যাপসিকাম, টিউলিপ ফুল, ওরিয়েন্টাল লিলি, ডাচ গোলাপ, দেশি গোলাপ, স্ট্রবেরি, জি-৯ কলাসহ বিভিন্ন ফুল-ফলের চাষ ও চারা তৈরি করেন দেলোয়ার হোসেন। দেলোয়ার হোসেন জানান, ২০০২ সাল থেকে নিজের কিছু জমিতে এসব চাষাবাদ শুরু করেন। পরে তা নিজের পাঁচ বিঘা ও লিজে নেয়া ১৫ বিঘা জমিতে সম্প্রসারণ করেন। সারাদেশে তিনি এসব চাষে তিনশ' জন উদ্যোক্তা তৈরি করেছেন। এসব চাষাবাদে কিছু সমস্যার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এ প্রকল্পে ব্যাংকগুলো পর্যাপ্ত লোন দেয় না। যে লোন পাওয়া যায় তাও চড়া সুদে। সরকার তাকে সহযোগিতা করলে ফুল-সবজি চাষ করে ভারত ও চীনের মতো হতে দুই থেকে তিন বছর সময় লাগবে।
নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি
২,ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সবার জন্য খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনের পাশাপাশি জনগণের নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। ভেজাল ও দূষণমুক্ত নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিতকরণে আমরা- নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ প্রণয়ন করে ২০১৫ সালে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করেছি। প্রতিষ্ঠানটি নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এরইমধ্যে প্রয়োজনীয় বিধি-বিধান প্রণয়নসহ জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি, ভেজাল ও দূষণ বিরোধী অভিযান পরিচালনা, বৈজ্ঞানিক গবেষণা কার্যক্রম ও দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে সফলভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে চতুর্থবারের ন্যায় জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস পালন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষে আমি সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা জানাই। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য টেকসই উন্নয়ন-সমৃদ্ধ দেশ, নিরাপদ খাদ্যের বাংলাদেশ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়ন করেছে এবং রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে দুর্বার গতিতে অগ্রসর হচ্ছে। বিশ্বে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল। করোনা মহামারির প্রেক্ষাপটে বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও দেশের অর্থনীতি দৃঢ় অবস্থানে আছে। তিনি বলেন, দেশের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের সরকার সার, বীজ ও সেচের সঙ্গে সঙ্গে কৃষিতে যান্ত্রিকীকরণের ওপর ব্যাপক জোর দিয়েছে। এতে করে খাদ্যের অপচয় এবং অনিরাপদতার ঝুঁকি হ্রাস পাচ্ছে। সুস্বাস্থ্য রক্ষায় আমাদের খাদ্যাভ্যাসে শাকসবজি, ফলমূল, মাছ, মাংস ও দুধের পরিমাণ বাড়ানোর পাশাপাশি এ সকল খাবারের নিরাপদতাও নিশ্চিত করতে হবে। বিশ্বায়নের যুগে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও পর্যটন শিল্পের বিকাশে খাদ্যের বহুমুখীতা এবং এর নিরাপদতার বিকল্প নেই। বিশেষ করে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে খাদ্যের নিরাপদতার ঝুঁকি ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই খাদ্য নিরাপদতার দিকে আমাদের সবাইকে অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। সরকার প্রধান বলেন, খাদ্য উৎপাদন হতে ভোগ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে খাদ্যের নিরাপদতা ও পুষ্টিমান বজায় রাখতে হবে। দেশের প্রতিটি মানুষ খাদ্যের নিরাপদতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তাই এ ক্ষেত্রে সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে একযোগে কাজ করতে হবে।
নিরাপদ খাদ্য দিবস আজ
২,ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস আজ মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি)। দিবসটিতে এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে টেকসই উন্নয়ন-সমৃদ্ধ দেশ, নিরাপদ খাদ্যের বাংলাদেশ। জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস পালনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য নিরাপদ খাদ্যপ্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করা। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) কার্যক্রম সর্বসাধারণকে অবহিতকরণ এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, আমদানি, প্রক্রিয়াকরণ, মজুত, সরবরাহ, বিপণন ও বিক্রয় সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম বিষয়ে সর্বস্তরে জনসচেতন বৃদ্ধিই এ দিবসের প্রধান লক্ষ্য। প্রতিবছরের ২ ফেব্রুয়ারি দিবসটি উপলক্ষে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ দেশব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এবারও সারা দেশের জেলাগুলোতে আলোচনা সভা ও র্যালি হবে। তবে রাজধানীতে মূল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে ১৮ ফেব্রুয়ারি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি ওই অনুষ্ঠানে যুক্ত থাকবেন বলে জানিয়েছে বিএফএসএ। ২০১৮ সালে দেশে প্রথমবারের মতো পালিত হয় নিরাপদ খাদ্য দিবস। ওই বছর সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিরাপদ খাদ্যের বিষয়ে সচেতন করে তোলার অংশ হিসেবে ২ ফেব্রুয়ারিকে জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। বিএফএসএর প্রতিষ্ঠার দিনটিকেই এই দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
এবার বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের মাধ্যমে টেলিভিশনের টিআরপি নির্ধারণ
১,ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দর্শকের ওপর ভিত্তি করে টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর টিআরপি নির্ধারণ এবং বিদেশি চ্যানেলের ক্লিনফিড পেতে কারিগরি সহায়তায় বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল) প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাংলামোটরে কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউয়ে বিএসসিএলের কার্যক্রম ও মনিটরিং সেন্টার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মাধ্যমে সম্প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর সম্প্রচারের মান পর্যবেক্ষণের জন্য বিএসসিএলের প্রধান কার্যালয়ে সম্প্রতি মনিটরিং সেন্টার স্থাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে মনিটরিং সেন্টারের পাশাপাশি স্যাটেলাইটের ভি-স্যাট প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলসমূহে মোবাইলফোনের বেইজ ট্রান্সসিভার স্টেশনে (বিটিএস) সংযোগ স্থাপন, এক টেলিফোন এক্সচেঞ্জ থেকে অন্য এক্সচেঞ্জে সংযোগ স্থাপন, ভিডিও সার্ভেলেন্স সিস্টেম পরিচালনা, বিজ্ঞাপন অপসারণপূর্বক বিদেশি টেলিভিশন (ক্লিন ফিড) সম্প্রচারসহ বিএসসিএলের বেশ কিছু উদ্ভাবনী সেবা প্রদর্শন করা হয়। এ সময় টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর অনুষ্ঠানের জনপ্রিয়তা নিরূপণের জন্য একটি গ্রহণযোগ্য রূপরেখা নিয়েও আলোচনা করা হয়। এ সময় বিএসসিএলের চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরীয়ার আহমেদ চৌধুরী, বিএসসিএলের পরিচালকরা এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে একটি বা দুইটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যারা টিআরপি নির্ধারণ করে তাদের প্রক্রিয়ায় অনেক নমুনা সংগ্রহের কথা বলা হলেও বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট কোম্পানি জানিয়েছে যে তারা মাত্র ১৬৪টি নমুনা সংগ্রহ করে সেখান থেকে টিআরপি দেয়, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। দেশের জনসংখ্যার নিরিখে কমপক্ষে ১০ হাজার নমুনা চলমানভাবে নিয়ে কাজ করলেই প্রকৃত চিত্রটা পাওয়া যাবে, অন্যথায় পাওয়া যাবে না উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ভারতে ৭০ থেকে ৮০ হাজার নমুনা কন্টিনিউয়াসলি কালেকশন করা হয় এবং সেভাবেই টিআরপি দেওয়া হয়। সেখানে সরকারের আওতাভুক্ত একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কয়েকটি সংযুক্ত সংস্থার মাধ্যমে টিআরপি নির্ধারণ করা হয়। ড. হাছান বলেন, আমাদের দেশে এখন যে অবৈজ্ঞানিক ও ভৌতিক পদ্ধতিতে টিআরপি দেওয়া হচ্ছে, সেখানে আমরা স্বচ্ছতা আনার চেষ্টা করছি। সেজন্য ইতোমধ্যেই একটা কমিটি হয়েছে, কমিটি বেশ কয়েকটা বৈঠক করেছে। আমরা খুব সহসা সমাধানে পৌঁছাবো এবং বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট কোম্পানি এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ টেকনিক্যাল সার্পোট দিতে প্রস্তুত আছে বলে জানিয়েছে। কীভাবে ১০ হাজার স্যাম্পল কন্টিনিউয়াসলি কালেকশন করা যায় সেই কারিগরি সহায়তা দিতে তাদের প্রস্তুতি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের খবর। সুতরাং এ ব্যাপারে আমরা খুব সহসা একটা সমাধানে আমরা পৌঁছাতে পারবো বলে আশা করছি। এসময় বিদেশি চ্যানেলের ক্লিনফিড বাস্তবায়নের বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের আইনানুযায়ী বিদেশি চ্যানেলগুলো কোনো ধরনের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করতে পারে না। বিদেশি চ্যানেলের মাধ্যমে বাংলাদেশি বিজ্ঞাপন প্রদর্শন আমরা বন্ধ করেছি। কিন্তু বিদেশের পণ্যের বিজ্ঞাপন এখনো প্রদর্শিত হচ্ছে। আইন কিন্তু সেটাকেও অনুমোদন করে না। এটা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে কাজ চলছে। আজকে বিএসসিএল জানালো, তারা প্রয়োজনে ক্লিনফিড তৈরি করে দিতে পারবে যদিও এ দায়িত্ব যারা লাইসেন্স নিয়েছে তাদেরই। বাংলাদেশে প্রদর্শনের জন্য যারা লাইসেন্স নিয়েছে সেই সংশ্লিষ্ট চ্যানেলের দায়িত্ব হচ্ছে এদেশের আইন অনুসরণ করে ক্লিনফিড পাঠানো বা ক্লিনফিড সম্প্রচারের ব্যবস্থা করা। বিদেশি চ্যানেলগুলোতে আইনানুযায়ী ক্লিনফিড চললে আমাদের যে টেলিভিশন শিল্পই শুধু উপকৃত হবে তা নয়, পত্র-পত্রিকা থেকে শুরু করে আমাদের পুরো গণমাধ্যমের সবাই উপকৃত হবে বলে যোগ করেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ২০১৯ সালের ২ অক্টোবর থেকে বাংলাদেশের সবকটি স্যাটেলাইট চ্যানেল বিদেশি স্যাটেলাইটের স্লট ভাড়ার পরিবর্তে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ব্যবহার করছে এবং এটি আমাদের গর্বের বিষয় যে আমাদের নিজস্ব স্যাটেলাইট আছে। বাংলাদেশের পতাকা সম্বলিত বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজকে জলে-স্থলে-অন্তরীক্ষে বাংলাদেশের বিজয় কেতন উড়ছে। আমাদের নিজস্ব স্যাটেলাইট টেলি-মেডিসিন, টেলি-এডুকেশন, ইন্টারনেট সেবাসহ আমাদের গণমাধ্যমের উন্নয়নের স্বার্থে আরও অনেক ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। টেলিভিশন সাংবাদিকদের বেতন ভাতা নিয়মিতকরণ সম্পর্কিত এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, আমরা কিছু ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে টেলিভিশনগুলো আগের চেয়ে ভালো অবস্থায় আছে। আমি অনুরোধ জানাবো সবাই যেন বেতন ভাতা সঠিকভাবে পরিশোধ করেন। আর আমরা আশা করছি, এটা খুব সহসা গণমাধ্যমকর্মী আইন পার্লামেন্টে নিয়ে যেতে পারবো। এটি যখন আইনের রূপান্তর হবে তখন সবার আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত হবে।
মিয়ানমারে শান্তি ও স্থিতিশীলতা দেখতে চায় বাংলাদেশ
১,ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মিয়ানমারের রাষ্ট্রপতি উইন মিন্ট, ক্ষমতাসীন দলের নেত্রী অং সান সু চিসহ শাসক দলের শীর্ষ নেতাদের গ্রেফতারের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সরকার এক প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছে যে বাংলাদেশ মিয়ানমারে শান্তি ও স্থিতিশীলতা দেখতে চায়। সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ দৃঢ়তার সঙ্গে গণতান্ত্রিক নীতি অনুসরণ করে। আমরা আশা করি, মিয়ানমারে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং সাংবিধানিক ব্যবস্থা বহাল থাকবে। একই সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী হিসেবে আমরা মিয়ানমারে শান্তি ও স্থিতিশীলতা দেখতে চাই। আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নে অবিচল থেকেছি। এছাড়া বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদে এবং টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমারের সঙ্গে কাজ করে চলেছি। আশা করি, এসব প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অব্যাহত থাকবে। সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) ভোরে সেনাবাহিনী মিয়ানমারের রাষ্ট্রপতি উইন মিন্ট ও ক্ষমতাসীন দলের নেত্রী অং সান সু চিসহ শীর্ষ নেতাদের আটক করে দেশটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।
দক্ষ নেতৃত্বের অভাবে বিরোধী দলগুলো জনগণের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
৩১,জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গণতন্ত্রের জন্য শক্তিশালী বিরোধী দল থাকা জরুরি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দক্ষ নেতৃত্বের অভাবে বিরোধী দলগুলো জনগণের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন,এখন বিরোধী দল বলে যে দলগুলো রয়েছে তাঁদের নেতৃত্ব সেভাবে নেই বলে জনগণের আস্থা ও বিশ^াসটা তারা অর্জন করতে পারেনি। কিন্তু গণতন্ত্রের জন্য শক্তিশালী বিরোধী দল অবশ্যই দরকার। এতে কোন সন্দেহ নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর নামে একটি ওয়েবসাইট উদ্বোধন এবং জাতির পিতার ভাষণের ডিজিটাল সংকলন প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন। তিনি আজ বেলা সাড়ে ১১ টায় জাতীয় সংসদ সচিবালয় আয়োজিত- মুজিববর্ষের কার্যক্রম মুজিববর্ষ ওয়েবসাইট ২০২০-২১ এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অডিও ভাষণের ডিজিটাল সংকলনের উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে সংসদের ভূমিকা রয়েছে। কারণ, সংসদ এমন একটা জায়গা, যেখানে জনপ্রতিনিধিরা আসেন এবং জনগণের কথা বলার সুযোগ পান। সংসদের বিরোধী দলে থাকাকালিন তাঁদের কি ধরনের সমস্যার মোকাবেলা করতে হয়েছে সে সবের অভিজ্ঞতা তাঁর দল এবং তাঁর নিজের রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,যে কারণে আমরা কিন্তু আর সে ধরনের সমস্যার সৃষ্টি করিনা। স্পীকার ড.শিরীন শারমিন চৌধূরী এবং সংসদ সদস্য নাবিল আহমেদও অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে জাতির পিতা তীল তীল করে গড়ে তুলেছিলেন এবং এই দলের যখন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন তখন দলকে সুসংঘটিত করার জন্য মন্ত্রীত্ব ত্যাগ করেন । প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার দীর্ঘদিনের একটা লালিত স্বপ্ন ছিল, একদিন এই বাঙালিদের একটি জাতি হিসেবে স্বাতন্ত্রতা দেবেন এবং স্বতন্ত্র রাষ্ট্র করে দেবেন। তিনি তা করেও ছিলেন। কিন্তু জাতির দুর্ভাগ্য তাঁকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। তিনি বলেন, জাতির পিতার অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করে বাঙালির অর্থনৈতিক মুক্তি আনয়নের মাধ্যমে তাঁদের মুখে হাসি ফোটানোর লক্ষ্য নিয়েই তাঁর সরকার ও দল কাজ করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী ২০২০ সাল উদযাপন উপলক্ষ্যে আমরা যেসব কর্মসূচি নিয়েছি সে সবই জাতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এ উপলক্ষ্যে বৃক্ষ রোপন এবং সংসদের বিশেষ অধিবেশন আয়োজন উল্লেখযোগ্য। তিনি বলেন, আজকে মুজিববর্ষে ওয়েবসাইট চালু করা হলো। তাছাড়া ডাকটিকেট অবমুক্ত করা হয়েছে। সেইসাথে বঙ্গবন্ধুর ভাষণগুলো নিয়ে এখানে সংকলন প্রকাশিত হয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে তাঁর সরকার আরো কিছু কর্মসূচি নিয়েছে। করোনাপরিস্থিতির উন্নয়ন হলে সেসব কর্মসূচি বিস্তারিত ভাবে করা সম্ভব হবে। আর তাই মুজিববর্ষের কর্মসূচি তাঁর সরকার ২০২১ সালের ১৬ ডিসেম্বর, আমাদের বিজয় দিবস পর্যন্ত অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সুষ্ঠুভাবে সংসদ পরিচলনার জন্য স্পীকারকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন,আপনি অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে নিরপেক্ষভাবে এই সংসদকে পরিচালনা করছেন। যে কারণে আমাদের সংসদের ভাবমূর্তি আজ আন্তর্জাতিকভাবেও বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বারবার নির্বাচিত করায় জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, আমরা চাই দেশে গতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকুক এবং জাতির জন্য আমরা কাজ করার সুযোগ পাই।
সিনিয়র সচিব হলেন দুই জন
৩১,জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আরও দুজন সচিবকে সিনিয়র সচিব হিসেবে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। রোববার (৩১ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এই দুই কর্মকর্তাকে আগের কর্মস্থলেই সিনিয়র সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। সিনিয়র সচিব পদে পদোন্নতি পাওয়া দুই কর্মকর্তা হলেন- সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব মো. শহিদুজ্জামান ও কৃষি সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম। আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শহিদুজ্জামানের এবং ২ ফেব্রুয়ারি থেকে মো. মেসবাহুল ইসলামের এই পদোন্নতির আদেশ কার্যকর হবে। এই দুজনের পদোন্নতির ফলে প্রশাসনে সিনিয়র সচিবের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৩ জনে। সিনিয়র সচিবদের পদমর্যাদা মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও সচিবদের মাঝামাঝি। ২০১২ সালের ৯ জানুয়ারি তৎকালীন মহাজোট সরকার প্রশাসনে প্রথমবারের মতো সিনিয়র সচিব পদটি চালু করে।
বাংলাদেশের প্রশংসা করে জাতিসংঘ মহাসচিবের চিঠি
৩১,জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মিয়ানমারে নৃশংসতা ও নিপীড়ন থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা জনগণকে আশ্রয় দেয়ায় বাংলাদেশের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। সম্প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনকে লেখা এক চিঠিতে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। এর আগে জাতিসংঘ আশ্বাস দিয়েছিল, রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবর্তনের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে মিয়ানমারের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাবেন তারা। মহাসচিব সে প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে জানান, জাতিসংঘ সম্মিলিতভাবে সংকট নিরসনে বাংলাদেশের পাশে থাকবে এবং আন্তর্জাতিক সহায়তা জোরদার করবে। জাতিসংঘ মহাসচিব তার অফিসের কার্যক্রমকে সমর্থন করার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি রোহিঙ্গা সঙ্কটের টেকসই সমাধানের জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার লক্ষ্যে মিয়ানমারে তার বিশেষ দূতের সাথে বাংলাদেশের অব্যাহত সহযোগিতা কামনা করেছেন। এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেনের নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে তাকে চিঠি দিয়েছিলেন। সেখানে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন শুরু ও টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণের জন্য জাতিসংঘকে আহ্বান জানিয়েছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তার জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে এ চিঠি পাঠান জাতিসংঘ মহাসচিব।

জাতীয় পাতার আরো খবর