সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ নির্মূলে আরও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: রাষ্ট্রপতি
১৮,জানুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দুর্নীতি, মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নির্মূলে দল-মতের পার্থক্য ভুলে আরও ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশ ও জাতির অগ্রযাত্রাকে বেগবান করতে শত প্রতিকূলতার মধ্যেও সুশাসন সুসংহতকরণ, গণতন্ত্র চর্চা ও উন্নয়ন কর্মসূচিতে সর্বস্তরের জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকারের নিরবচ্ছিন্ন প্রয়াস অব্যাহত রয়েছে। সোমবার (১৮ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদের বছরের প্রথম অধিবেশনের (শীতকালীন) ভাষণে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির আগমনের ঘোষণা দিলে সশস্ত্র বাহিনীর একটি বাদক দল বিউগলে- ফ্যানফেয়ার বাজিয়ে রাষ্ট্রপতিকে সম্ভাষণ জানান। সংসদ কক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রবেশের পর জাতীয় সংগীত বাজানো হয়। সংসদে রাষ্ট্রপতির জন্য স্পিকারের ডান পাশে লাল রঙের চেয়ার সংরক্ষণ করা হয়। এ সময় অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত লিখিত ভাষণের সংক্ষিপ্ত অংশ সংসদে পাঠ করেন। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী নতুন বছরের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার বিধান রয়েছে। সে অনুযায়ী প্রতিবছরের মতো এবারও রাষ্ট্রপতি সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম ও উন্নয়ন তুলে ধরে ভাষণ দেন। রাষ্ট্রপতি তাঁর ভাষণে বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে দেশ থেকে দুর্নীতি, মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নির্মূলের লক্ষ্যে আমাদের আরও ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। আসুন, দল-মত-পথের পার্থক্য ভুলে ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে আমরা লাখো শহীদের রক্তের ঋণ পরিশোধ করি। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ দেশের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রবিন্দু। গণতন্ত্রায়ন, সুশাসন ও নিরবচ্ছিন্ন আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সব রাজনৈতিক দল, শ্রেণি ও পেশা নির্বিশেষে ঐকমত্য গড়ে তোলার সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য আমি উদাত্ত আহ্বান জানাই। স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, পরমতসহিষ্ণুতা, মানবাধিকার ও আইনের শাসন সুসংহতকরণ এবং জাতির অগ্রযাত্রায় সরকারি দলের পাশাপাশি বিরোধী দলকেও গঠনমূলক ভূমিকা পালন করতে হবে। আমি সরকারি দল ও বিরোধী দল নির্বিশেষে মহান জাতীয় সংসদে যথাযথ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানাই। ভাষণে রাষ্ট্রপতি অর্থনীতি, বাণিজ্য-বিনিয়োগ, খাদ্য-কৃষি, পরিবেশ-জলবায়ু, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাতে সরকারের কার্যক্রম ও সাফল্য তুলে ধরেন। এছাড়া দেশে আইনের শাসন সুসংহত ও সমুন্নত রাখা এবং সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে সরকারের কার্যক্রমের প্রশংসা করেন রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতি বলেন, সরকার সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে সব ক্ষেত্রেই অভূতপূর্ব অগ্রগতি অর্জন করেছে। সম্প্রতি সরকারের সবচেয়ে বড় অর্জন হলো সাফল্যের সঙ্গে করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরিভিত্তিতে দুই হাজার চিকিৎসক ও পাঁচ হাজার ৫৪ জন নার্সকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালগুলোতে ১০ হাজার ৫২৫টি সাধারণ বেড, ৬৬৬টি আইসিইউ এবং ৭৩টি ডায়ালাইসিস বেড, ৫৫৪টি ভেন্টিলেটর, ১৩ হাজার ৫১৬টি অক্সিজেন সিলিন্ডার, ৬৭৮ হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা এবং ৬৩৯টি অক্সিজেন কনসেনট্রেটরের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। করোনা টিকা দ্রুত সরকার দিতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, করোনা মহামারি মোকাবিলায় বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিকেলস লিমিটেড এবং ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট অব লাইফ সাইনসেস প্রাইভেট লিমিটেডের সঙ্গে তিন কোটি ডোজ ভ্যাকসিন সরাসরি ক্রয়ের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় সিএমএসডির মাধ্যমে জরুরিভিত্তিতে ভ্যাকসিন ক্রয় বাবদ ৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে দেওয়া হয়। আমি আশা করছি, সরকার খুব শিগগিরই দেশের জনগণকে করোনা টিকা দিতে পারবে। তিনি বলেন, সরকার সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার দক্ষতা ও উৎকর্ষসাধন এবং প্রাজ্ঞ রাজস্বনীতি ও সহায়ক মুদ্রানীতি অনুসরণের মাধ্যমে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। গত এক দশকে গড়ে ছয় দশমিক ছয় শতাংশ ও পর পর তিনবছর সাত শতাংশের ওপর প্রবৃদ্ধি অর্জনের পর বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আট দশমিক এক-পাঁচ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির এ ধারাবাহিক অর্জন বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে। করোনা মহামারিতে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি কিছুটা হ্রাস পেয়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ দশমিক দুই-চার শতাংশে। তবে একইসময়ে মাথাপিছু জাতীয় আয় আট দশমিক এক-দুই শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৬৪ মার্কিন ডলারে। জিডিপি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে রাখা সম্ভব হয়েছে। আইএমএফ-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২০ সালে সবচেয়ে বেশি জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করা শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ আরও বলেন, আমরা আজ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর দারপ্রান্তে। শান্তি, গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির যে পথে আমরা হাঁটছি, সে পথেই আমাদের আরও এগিয়ে যেতে হবে। এ বছর মধ্য-আয়ের দেশ হিসেবে আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করবো। তবে, আমাদের লক্ষ্য ২০৪১ সালে বিশ্বসভায় একটি উন্নত-সমৃদ্ধ দেশের মর্যাদায় অভিষিক্ত হওয়া। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জনগণের সর্বাত্মক অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমরা একটি কল্যাণমূলক, উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সক্ষম হবো।
২৫ জানুয়ারি করোনা টিকা আসবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
১৮,জানুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, আগামী ২৫ বা ২৬ জানুয়ারি দেশে সিরামের ভ্যাকসিনের প্রথম চালানটি আসবে। এর এক সপ্তাহ পরেই ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম শুরু করা হবে। ভ্যাকসিন দেয়ার জন্য ঢাকায় তিনশর মতো ভ্যাকসিন প্রয়োগ কেন্দ্র এবং ৪২ হাজার কর্মীকে প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, মহামারি করোনাভাইরাস সংক্রমনের দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে এসেছে। নতুন সংক্রমণ ও মৃত্যু কমে যাওয়ার পরিসংখ্যান এমন আভাস দিচ্ছে। সোমবার (১৮ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মিট দ্যা রিপোর্টার্স অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী আরও বলেন, দেশে সফলভাবে করোনা নিয়ন্ত্রণ করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করে চিঠি দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধের মতো ভ্যাকসিন দেয়ার কর্মসূচিতেও ভালো করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, আমাদের মাত্র একটি করোনা পরীক্ষার ল্যাব ছিল, বর্তমানে ২০০টি ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। বিশ্বব্যাপী লকডাউন থাকায় পিপিই সংকট ছিল। বর্তমানে আমরা পিপিই রফতানি করছি। সকল কিছু অজানা থাকায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শে করোনা চিকিৎসা পদ্ধতি সাত ধাপে পরিবর্তন করা হয়েছে। শুরুতে আমাদের কিছু ঘাটতি থাকলেও অব্যবস্থাপনা ছিল না। তবে বেসরকারিভাবে কিছু অনিয়ম হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, যারা বিদেশ যাচ্ছেন আমরা তাদের করোনা টেস্টের ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে কোটির বেশি মানুষ চিকিৎসা সুবিধা নিয়েছে। এটি আমাদের একটি সফল কার্যক্রম। করোনার মধ্যেও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন থেমে নেই। তিনি বলেন, দেশের পরীক্ষা স্থগিত থাকলেও মেডিকেল কলেজের সকল পরীক্ষা চলমান রয়েছে। চলতি বছরের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা এপ্রিলে আয়োজন করা হবে। বর্তমানে হাসপাতালে ৮০ শতাংশ সাধারণ বেড ও ৬০ শতাংশ আইসিইউ খালি রয়েছে। সারাদেশে ২ হাজার করোনা রোগী এবং ২০০ জন আইসিইউতে চিকিৎসা নিচ্ছে।
আজ সংসদ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি
১৮,জানুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইংরেজি নতুন বছরের একাদশ জাতীয় সংসদের একাদশ অধিবেশন বসতে যাচ্ছে আজ সোমবার। এই অধিবেশনে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। ইতোমধ্যে রাষ্ট্রপতির ভাষণটি মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদন পেয়েছে। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সাংবিধানিক ক্ষমতাবলে গত ৩০ ডিসেম্বর এই অধিবেশন আহ্বান করেন। রাষ্ট্রপতির ভাষণে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডসহ সাফল্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হবে বলে জানা গেছে। রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর বৈঠক মুলতবি করা হবে। এরপর রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব আনা হবে, সেই প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নেবেন সংসদ সদস্যরা। করোনার কারণে এবারও স্বাস্থ্যবিধি মেনে অধিবেশন পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। বয়স্ক ও অসুস্থ সংসদ সদস্যদের এবারও অধিবেশনে যোগদানের ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। অধিবেশনে যেসব সংসদ সদস্য যোগ দেবেন তারা প্রত্যেকে নতুন করে করোনার পরীক্ষা করিয়েছেন। যাদের করোনা পরীক্ষার ফল নেগেটিভ তারাই প্রথম বৈঠকে অংশ নিতে পারবেন। পরবর্তী কার্যদিবসগুলোতে আগের মতো পালা করে অংশ নেবেন সংসদ সদস্যরা। সংসদ অধিবেশন কাভারকারী সাংবাদিকদেরও করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে, যাদের করোনা নেই তারাই শুধু প্রথম বৈঠকের সংবাদ সরাসরি সংসদ ভবনে গিয়ে সংগ্রহ করতে পারবেন। বাকি কার্যদিবসগুলোর সংবাদ সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন দেখে সংগ্রহের অনুরোধ জানিয়েছে সংসদ সচিবালয়। রাষ্ট্রপতির ভাষণ ছাড়াও এই অধিবেশনে বেশ কয়েকটি বিল উত্থাপন ও পাস হওয়ার কথা রয়েছে। সাধারণত বছরের প্রথম অধিবেশন দীর্ঘ হয়। তবে করোনার কারণে এই অধিবেশনও সংক্ষিপ্ত হবে। ১২ থেকে ১৪ কার্যদিবস অধিবেশন চলতে পারে বলে জানা গেছে। অবশ্য স্পিকার চাইলে অধিবেশনের মেয়াদ বাড়াতে বা কমাতে পারবেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী মুজিববর্ষ উপলক্ষে গত ৮ থেকে ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত সংসদের বিশেষ অধিবেশন বসে। এটি ছিল চলতি সংসদের দশম অধিবেশন। ১০ কার্যদিবসের ওই অধিবেশনে ৯ থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত ৫ কার্যদিবস বিশেষ অধিবেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। ওই অধিবেশনে মোট ৯টি সরকারি বিল পাস হয়।
পরিবার নিয়ে দেখা যায় এমন চলচ্চিত্র বানাতে হবে : প্রধানমন্ত্রী
১৭,জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলচ্চিত্র শিল্পী ও কলাকুশলীদের পাশে সব সময় আছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, মানুষকে সিনেমা হলমুখী করে তুলতে পরিবার-পরিজন নিয়ে দেখা যায় এমন চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে হবে। শিশুদের উপযোগী করে চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে হবে। আধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভালো সিনেমা নির্মাণের ব্যাপারে সরকার সর্বাত্মক সহায়তা করবে। রোববার (১৭ জানুয়ারি) জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৯ বিতরণী অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, চলচ্চিত্র শুধু শিল্পী ও কলাকুশলীদের জন্যই নয়, দেশের মানুষের ভাগ্যেন্নয়নের ক্ষেত্রেও অবদান রাখতে পারে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশের মানুষকে আরও উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি প্রজন্মের পর প্রজন্ম যেন বিজয়ের ইতিহাস জানতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রেখে চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে হবে। চলচ্চিত্র নির্মাণে তরুণ সমাজের এগিয়ে আসাকে ভালো লক্ষণ মন্তব্য করে সরকার প্রধান বলেন, তরুণ সমাজ বেশ এগিয়ে এসেছে। এটা আমাদের জন্য সত্যি খুব আনন্দের বিষয়। শিল্পটা সামনের দিকে আরও এগিয়ে যাবে। আমরা তো বৃদ্ধ হয়ে গেছি, আজ আছি তো কাল নেই, তরুণ সমাজের আগ্রহ বেড়েছে, তারা যে এগিয়ে এসেছে এটা আমাদের জন্য ভালো লক্ষণ। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে সনদ ও সম্মাননা তুলে দেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত, সামনে বৃষ্টির সম্ভাবনা
১৭,জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, আগামী ৪ দিনের শেষের দিকে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। দিনাজপুর, সৈয়দপুর, নীলফামারী, বগুড়া, নওগাঁ ও শ্রীমঙ্গল অঞ্চলের ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে শ্রীমঙ্গলে ৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রোববার (১৭ জানুয়ারি) সকালে আবহাওয়া অধিদফতর এসব তথ্য জানিয়েছে। সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং এটি উত্তরাঞ্চলের কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। দেশের দক্ষিণাঞ্চলে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং অন্য জায়গায় তা অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।
নির্বিঘ্নে চলা নিশ্চিতে ডিএমপির নিষেধাজ্ঞা
১৬,জানুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ১৮ জানুয়ারি থেকে ১১তম জাতীয় সংসদের একাদশ অধিবেশন (২০২১ প্রথম) অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) অধিবেশন উপলক্ষে নির্বিঘ্নে চলা নিশ্চিতে কিছু নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এতে বলা হয়, ১৭ জানুয়ারি রাত ১২টা থেকে সকল প্রকার অস্ত্রশস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্য, অন্যান্য ক্ষতিকারক ও দূষণীয় দ্রব্য বহন এবং যে কোন ধরনের সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা, বিক্ষোভ প্রদর্শন ইত্যাদি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে যেসব এলাকায় নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকার কথা বলা হয়েছে সেগুলো হলো- ময়মনসিংহ রোডের মহাখালী ক্রসিং হতে পুরাতন বিমান বন্দর হয়ে বাংলামটর ক্রসিং পর্যন্ত, বাংলামটর লিংক রোডের পশ্চিম প্রান্ত হতে হোটেল সোনারগাঁও রোডের সার্ক ফোয়ারা পর্যন্ত, পান্থথের পূর্ব প্রান্ত হতে গ্রীণ রোডের সংযোগস্থল হয়ে ফার্মগেট পর্যন্ত, মিরপুর রোডের শ্যামলী মোড় হতে ধানমন্ডি-১৬ (পুরাতন-২৭) নং সড়কের সংযোগস্থল, রোকেয়া সরণীর সংযোগস্থল হতে পুরাতন নবম ডিভিশন (উড়োজাহাজ) ক্রসিং হয়ে বিজয় সরণীর পর্যটন ক্রসিং, ইন্দিরা রোডের পূর্ব প্রান্ত হতে মানিক মিয়া এভিনিউ এর পশ্চিম প্রান্ত, জাতীয় সংসদ ভবনের সংরক্ষিত এলাকা এবং এ সীমানার মধ্যে অবস্থিত সমুদয় রাস্তা ও গলিপথ। ১১তম জাতীয় সংসদের অধিবেশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ আদেশ বলবৎ থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে জোর দিয়েছে সরকার: পলক
১৬,জানুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেছেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা ও সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সরকার দক্ষ জনশক্তি তৈরির ওপর জোর দিয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বে বিগত বারো বছরে দেশে একটি শক্তিশালী তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) অবকাঠামো তৈরি হয়েছে। এর সুফল পাচ্ছে জনসাধারণ। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্লকচেইন, রোবোটিকসসহ থ্রিডি প্রযুক্তির ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু হয়েছে। শেখ হাসিনা ইনস্টিটিউট অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি গড়ে তোলা হচ্ছে। আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল(বিসিসি) মিলনায়তনে ডিজিটাল বাংলাদেশের একযুগ (বারো বছর) পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, আইসিটি অবকাঠামো গড়ে তোলার কারণে করোনা মহামারিকালে অনলাইন ,সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে অফিস-আদালত, চিকিৎসা সেবা, শিক্ষা ও ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনোদন এমনকি কোর্টের কার্যক্রমও চালু রাখা সম্ভব হচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার করোনা পোর্টাল, কোভিড ট্রেসার, কোভিড ১৯ ট্রাকার, ফুড ফর ন্যাশন, হেলথ ফর ন্যাশনসহ বিভিন্ন ডিজিটাল প্লাটফর্ম ব্যবহার করে করোনা মোকাবেলা করছে। পলক বলেন, বিগত বারো বছরে দেশে একটি শক্তিশালী আইসিটি ব্যাকবোন তৈরি হয়েছে,যা প্রায় গ্রাম এলাকা পর্যন্ত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সম্প্রসারণ ঘটিয়েছে। দেশের প্রায় ৩ হাজার ৮শ ইউনিয়ন এখন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কানেক্টিভিটির আওতায় এসেছে। ২০২১ সালের মধ্যে সবার জন্য ইন্টারনেট নিশ্চিত করা হবে। তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণা ও বাস্তবায়নের এক যুগ পূর্তি হচ্ছে চলতি বছরে। জাতীয় উন্নয়নে ডিজিটাল বাংলাদেশ মডেল সারা বিশ্বে সমাদৃত ও প্রশংসিত। ডিজিটাল প্লাটফর্মের আওতায় সরকার অফিসের কার্যক্রমে কাগজ ও কলমের ব্যবহার কমিয়ে আনার লক্ষ্যে ই-অফিস কার্যক্রম চালু করেছে এ কথা উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, এর অংশ হিসেবে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং সরকারি অফিসে কাজের গতিশীলতা ,স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা আনতে ই-নথি চালু করা হয়েছে। বর্তমানে ৮ হাজারেরও বেশি অফিসের প্রায় ৯০ হাজারেরও বেশি কর্মকর্তা ই-নথি ব্যবহার করছে। ফ্রিল্যান্সাররা গ্রামেগঞ্জে থেকেও বিদেশের সাথে ব্যবসা বাণিজ্য করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে। প্রযুক্তির কল্যাণে এখন শহর এবং গ্রামের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। ছয় হাজার ৭শ ৮০ টি ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে ৫৪ কোটি ৮৫ লাখ মানুষকে সেবা প্রদান করা হয়েছে। দেশে ৩৯ টি হাইটেক পার্ক/আইটি পার্ক গড়ে তোলা হচ্ছে। এরমধ্যে ৫ টির নির্মাণ শেষে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। দেশের কালিয়াকৈরে বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটিতে বিশ্বের ৭ ম ঞরবৎ-ওঠ ডেটা সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ষ্টার্টআপ ও উদ্বোধনী সংস্কৃতি গড়ে তোলার জন্য ৪৪ টি স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানের ১১৮ জন স্টার্টআপ প্রতিনিধিকে কো-ওয়ার্কিং স্পেস বরাদ্দ এবং ১৩৮ টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনোভেশন হাব গড়ে তোলা হয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। সংবাদ সম্মেলনে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতিম দেব, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ. বি. এম. আরশাদ হোসেনসহ বিভাগ ও এর অধীন বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সঞ্চালনা করেন এলআইসিটি প্রকল্পের পলিসি এডভাইজার সামি আহমেদ। বক্তারা বলেন,পাবলিক- প্রাইভেট ও পার্টনারশিপ কার্যক্রমের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এ জন্য এবং অবকাঠামোগত সুবিধা নিশ্চিত করতে তা উউনিয়ন পর্যন্ত মানুষের দোর গোঁড়ায় পৌছে দিতে কাজ করছে সরকার। ফলে দেশের ৬৪ জেলায় এর সুফল পেতে কাজ হচ্ছে।
তাপস-খোকনের ভুল বোঝাবুঝির অবসান হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী
১৬,জানুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাঈদ খোকন ও বর্তমান মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী তাজুল ইসলাম। শনিবার রাজধানীর কারওয়ানবাজারে ওয়াসা ভবনের বুড়িগঙ্গা হলে আয়োজিত- বিল কালেকশন অ্যাওয়ার্ড ২০১৯-২০২০ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। এসময় তাদের মধ্যে মতের অমিল রয়েছে, এবিষয়টি ভুল বোঝাবুঝি বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, তাপস ও সাঈদ খোকন দুইজন ভিন্ন মানুষ। স্বাভাবিকভাবেই দুজনের দৃষ্টিভঙ্গি কোথাও কোথাও পার্থক্য হতে পারে। আমরা আশা করি একটা সময়ের ব্যবধানে এই ভুল বোঝাবুঝির শেষ হয়ে যাবে। দুর্নীতির অভিযোগ উত্থাপিত হতেই পারে। কোথাও যদি দুর্নীতি হয় বা যদি দুর্নীতি পাওয়া যায় রাষ্ট্রের প্রচলিত আইন অনুযায়ী সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ডেঙ্গু ইস্যুতে নিজেদের সফল দাবি করে মন্ত্রী বলেন, এডিশ মশায় ডেঙ্গু রোগ হয়। গত বছরের অভিজ্ঞতাকে কাজ লাগিয়ে এবার কাজ করছি। আমাদের কার দায়িত্ব কী এটা আমরা প্রচার করেছি। আইইডিসিআর বলেছিলো, এ বছর ডেঙ্গু বেশি হবে। আমাদের কী করা দরকার আমরা সে কাজটা করেছি। জনগণ অংশগ্রহণ করেছে। তারা তাদের আঙিনায় যেখানে মশার প্রজনন হয় তা ধ্বংস করার জন্য কাজ করেছে। এ বছর আমি যে প্রতিবেদন পেয়েছি, তাতে একজন ডেঙ্গুতে মারা গেছেন। আরও তিনজন ডেঙ্গুতে মারা গেছেন। তবে তাদের ডেঙ্গুর সঙ্গে অন্য রোগও ছিলো। আমরা বলতে পারি আমরা তুলনামূলকভাবে সফল। পানি সরবরাহে ওয়াসার সফলতার কথা তুলে ধরেন মন্ত্রী। বলেন, আজ পানি সরবারহ নিশ্চিত হয়েছে। যা উৎপাদন হয়, তা চাহিদার চেয়ে বেশি। পাশাপাশি গুণগত মান অনেক ভাল। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসার পাশাপাশি ওয়াসা ও বিদ্যুতের সিস্টেম লস আগের তুলনায় কমেছে জানিয়ে তাজুল ইসলাম বলেন, আমাদের অর্জন নাই সেটা ঠিক না। আমরা অনেক সমস্যাকে সংকুচিত করে এনেছি। ঢাকার রাস্তায় ধীরে ধীরে রিকশা কমে যাচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, রাস্তায় ট্রাফিক অনেক বেশি। রিকশা আস্তে আস্তে কমে যাচ্ছে। এটা হচ্ছে আমাদের অর্থনৈতিক অবস্থা পরিবর্তনের একটা চিহ্ন। আমাদের নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ হবে। গ্রাহকদের থেকে বিল কালেকশনের কারণে ব্যাংকগুলোকে ধন্যবাদ জানান স্থানীয় সরকার মন্ত্রী। তিনি বলেন, আপনারা আমাদের গ্রাহকদের থেকে যে বিল কালেকশন করেন। যারা যত বেশি করেছেন তাদেরকে সম্মাননা দেয়া হচ্ছে। এটা করার জন্য ধন্যবাদ। ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী তাকসিম এ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ওয়াসার চেয়ারম্যান ড. ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা ও স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এবং ওয়াসা বোর্ডের সদস্য মোহাম্মদ ইব্রাহিম। তাকসিম এ খান বলেন, প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৪৭ হাজার মানুষ বসবাস করে। প্রতিদিন ২৬৪ কোটি লিটার পানি আমরা উৎপাদন করি। কোনো একটা শহরে একটা প্রতিষ্ঠান আর এতো উৎপাদন করে না। ওয়াসা তাদের আয় ব্যয়ের হিসাবে বিশ্বমানের প্রক্রিয়ার চেয়েও এগিয়ে গেছে জানিয়ে ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ওয়াটার ইউটিলিটির আয় ব্যায়ের যে হিসাব আছে, আন্তর্জাতিকভাবে সবচেয়ে ভালো যে অবস্থান সেটা হচ্ছে দশমিক ৬৫। অর্থাৎ ১০০ টাকা আয় হলে যেখানে ৬৫ টাকা খরচ হয়। কিছু দিন আগে আমরা সেটিকে দশমিক ৬২ এ নিয়ে এসেছি। যা বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় ভালো।
পোশাক খাত রক্ষায় ক্রেতাদের সুদৃষ্টি চাইলেন বাণিজ্যমন্ত্রী
১৬,জানুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা মহামারীতে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি পণ্য পোশাক খাতকে রক্ষায় বিদেশি ক্রেতাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। শনিবার বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডি আয়োজিত- রিকভারি অব দ্য অ্যাপারেল সেক্টর ফ্রম কোভিড-১৯ ক্রাইসিস, ইস অ্যা ভ্যালু চেইন বেইসড সল্যুশন পসিবল? শীর্ষক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান তিনি। একইসঙ্গে এই সঙ্কটকালে নতুন বাজার খুঁজতেও দেশের পোশাক শিল্প মালিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক সঙ্কট সামাল দিলেও এখন মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। এই ঢেউয়ে সঙ্কট আরও গভীরে পৌঁছেছে। এর ফলে ক্রেতারা এখন অর্ডারের পরিমাণ ও মূল্য কমিয়ে দিয়েছে। এতে সঙ্কট আরও বাড়ছে। ক্রেতাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ক্রেতারা যদি পোশাকের অর্ডার ঠিক রাখার পাশাপাশি মূল্যও কিছুটা বাড়িয়ে দেন, তাহলে এখাতের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে। দেশের শিল্পোদ্যোক্তাদের উদ্দেশে টিপু মুনশি বলেন, আমাদের নতুন নতুন বাজারে ঢুকতে হবে। যদি আমরা ঠিকমতো নতুন বাজারে ঢুকতে পারি, তাহলে হয়ত সঙ্কট কিছুটা কমতে পারে। তৈরি পোশাক খাতে সরকারের দেওয়া ঋণ সহযোগিতার সময় আরও বাড়ানো দরকার বলেও স্বীকার করেন তিনি।

জাতীয় পাতার আরো খবর