রেজিমেন্টাল পতাকা উত্তোলন করে বিজিবি দিবসের সূচনা
২০ডিসেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদর সফতরে রেজিমেন্টাল পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে বিজিবি দিবস-২০২০ এর উদযাপনের সূচনা হলো। রোববার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি সদর দফতরে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজিবির রেজিমেন্টাল পতাকা উত্তোলন করেন বিজিবি মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম। এরপর বিজিবির সীমান্ত গৌরব এ মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিজিবির ডিজি। মেজর জেনারেল সাফিনুল ইসলাম বলেন, প্রতিবার বিজিবি দিবস খুব জাঁকােলাভাবে উদযাপন করা হয়। এবছর করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির কারণে সীমিত আকারে দিবসটি পালন করছি আমরা। তিনি বলেন, মুজিববর্ষ উপলক্ষে বিজিবির পক্ষ থেকে ১০০ জেলেকে নৌকা দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে তাদের মাছ ধরার জন্য জাল দেওয়া হবে। দেশের জেলেরা দাদনের ফাঁদে পড়ে নিঃস্ব হয়ে যায়। জেলেরা যাতে দাদন থেকে মুক্ত হয়ে নিজেরা নিজেদের জীবিকা ধরে রাখতে পারে সেজন্য আমরা এ কর্মসূচি করেছি। সীমান্ত হত্যা বন্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এক প্রশ্নের জবাবে বিজিবি ডিজি সাফিনুল বলেন, সীমান্ত হত্যার বিষয়ে আমরা উভয় দেশের সঙ্গে আলোচনা করছি। সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোটায় আনতে আমরা কূটনৈতিকভাবে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। এছাড়াও সীমান্তবর্তী এলাকার জনগণকে জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে বিভিন্নভাবে সচেতন করে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে, যাতে তারা অবৈধভাবে সীমান্ত এলাকায় প্রবেশ না করেন। তিনি বলেন, সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোটায় আনতে হলে সীমান্তবর্তী এলাকার জনগণকে অর্থনৈতিকভাবে ও শিক্ষার মাধ্যমের উন্নত করে তোলা গেলে সীমান্ত হত্যা অনেকাংশে কমানো সম্ভব। বিজিবির সাফল্য ও ব্যর্থতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে সারা বিশ্বে টেকনোলোজির দিক দিয়ে এগিয়ে গেছে। সেই সঙ্গে বাংলাদেশও এগিয়ে যাচ্ছে। টেকনোলোজির সঙ্গে বিজিবিকে এগিয়ে নিতে হলে বাহিনীতে আধুনিক টেকনোলোজি স্থাপন করা প্রয়োজন। এছাড়াও বিজিবির সব সদস্যের প্রয়োজন টেকনোলোজিক্যাল প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা। আমাদের দেশের সীমানায় কিছু স্থানে এখনও অরক্ষিত রয়েছে। অরক্ষিত জায়গাতে বিওপি স্থাপন করা গেলেও সীমান্তে হত্যাসহ নানা অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।
সায়মা ওয়াজেদের উদ্যোগেই অন্ধকার থেকে আলোতে প্রতিবন্ধীরা
১৯ডিসেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আমাদের দেশে আগে প্রতিবন্ধীদের লুকিয়ে রাখা হতো। কিন্তু এখন বাবা-মা তাদের প্রতিবন্ধী সন্তানদের শিক্ষিত করে স্বাবলম্বী করার কথা ভাবেন। প্রধানমন্ত্রীর সুযোগ্য কন্যা সায়মা ওয়াজেদের বিশেষ উদ্যোগেই আজ প্রতিবন্ধীদের জন্য দেশে নানা কার্যক্রম গৃহীত হয়েছে। বিভিন্ন খাতে তারা ভাতা পাচ্ছেন, বিভিন্ন বিষয়ে পুরস্কার পাচ্ছেন, অন্ধকার থেকে আলোতে আসছেন। শনিবার (১৯ ডিসেম্বর ) ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে কৃষি, প্রতিবন্ধিতা ও করোনা বিষয়ে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান দ্য লেপ্রসি মিশন ইন্টারন্যাশনাল-বাংলাদেশ, ইকো কো-অপারেশন, নরেক ও বাংলাদেশ কৃষক লীগ পরিচালিত দুটি গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন ও কৃষি সাংবাদিকতায় সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তথ্যমন্ত্রী একথা বলেন। প্রতিবন্ধী কৃষকদের শারীরিক প্রতিবন্ধিতা জয় করে কৃষিতে অবদান রাখাকে অনুকরণীয় উল্লেখ করে মন্ত্রী তাদের অভিনন্দন জানান এবং এ নিয়ে যারা সংবাদ করেছেন ও যারা সাংবাদিকদেরও সম্মাননা দিয়েছেন তাদের সবাইকে সাধুবাদ জানান। তথ্যমন্ত্রী বলেন, গত পাঁচ দশকে জনসংখ্যা আড়াইগুণ হয়েছে আর প্রতি বছর ২ লাখ একর কৃষিজমি কমলেও কৃষি উৎপাদন বেড়েছে, যা বর্তমান সরকারের সময়োচিত পদক্ষেপের কারণেই সম্ভব হয়েছে। কৃষিজমি যাতে নষ্ট না হয় সেদিকে এবং নগর-কৃষি, ছাদ-কৃষির ওপরও জোর দেয়ার আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ কৃষক লীগের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দ, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম স্মৃতি, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মাঠ সেবা বিভাগের পরিচালক মাহফুজ হোসেন মৃধা, ইকো কো-অপারেশনের হেড অব প্রোগ্রামস মো. আবুল কালাম আজাদ এবং দি লেপ্রসি মিশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর সলোমন সুমন হালদার বক্তব্য রাখেন। তারা সম্প্রতি পরিচালিত গবেষণার বরাত দিয়ে জানান, দেশের শতকরা ৮৬ জন শারীরিক ও কুষ্ঠ প্রতিবন্ধী মানুষ প্রত্যক্ষভাবে কৃষির সঙ্গে জড়িত এবং করোনাকালে দেশের ৮৮ শতাংশ প্রতিবন্ধী মানুষের আয় কমে গেছে ও পারিবারিক ব্যয় সংকোচনের জন্য এ সময়কালে ২২ শতাংশ প্রতিবন্ধী মানুষ তাদের কন্যাসন্তানের বিয়ে দিয়েছেন। বাংলাদেশে কৃষিতে প্রতিবন্ধী মানুষের ভূমিকা এবং প্রতিবন্ধী মানুষের জীবন-জীবিকায় কোভিড-১৯ মহামারির প্রভাব সম্পর্কিত পৃথক দুটি গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে বলে জানান তারা। কৃষিতে প্রতিবন্ধী মানুষের অবদানভিত্তিক সংবাদের জন্য দ্য লেপ্রসি মিশন ইন্টারন্যাশনাল-বাংলাদেশের পক্ষে সাংবাদিকের হাতে পুরস্কার তুলে দেন তথ্যমন্ত্রী। আমাদের সময় পত্রিকার এম এইচ রবিন, দেশ রূপান্তরের মো. আবদুল্লাহ আল মামুন, বাংলাদেশ প্রতিদিনের নিজামুল হক বিপুল, ভোরের কাগজের শেখ মাহতাব হোসেন, বিজয় বাংলাদেশের মীর খায়রুল আলম এবং ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক রতন মালো সংবাদপত্র বিভাগে এবং চ্যানেল-২৪ এর হাসনাত রাব্বী, বাংলাদেশ টেলিভিশনের আফরিন জাহান, ডিবিসি টেলিভিশনের তাহসিনা সাদিক, যমুনা টেলিভিশনের রামিজ আহসান ও জিটিভির ফেরদৌস আরেফিন টেলিভিশন বিভাগে পুরস্কার পান।
জয়পুরহাটে বাস-ট্রেনের সংঘর্ষ, নিহত ১০
১৯ডিসেম্বর,শনিবার,জয়পুরহাট জেলা সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট,নিউজ একাত্তর ডট কম: জয়পুরহাটের রেলগেটে ট্রেন ও বাসের সংঘর্ষে ১০ জন নিহত হয়েছেন। জয়পুরহাট ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম নিহতদের সংখ্যার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় সারাদেশের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) সদরের পুরানপৈল রেলগেটে সকাল ৭ টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ৫ জন। জানা যায়, জয়পুরহাট থেকে ছেড়ে আসা হিলিগামী একটি বাস রেল ক্রসিং পার হওয়ার সময় রাজশাহীগামী উত্তরা এক্সপ্রেসের সঙ্গে সংঘর্ষ হলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় বাসটি দুমড়ে মুচড়ে গেছে। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন, বিজিবি এবং ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে। এই দুর্ঘটনায় আহতরা জয়পুরহাট আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি আছেন। দুর্ঘটনার পর থেকেই উত্তরাঞ্চলের ৮ জেলার সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।
আদালতের কার্যক্রম ডিজিটাল করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
১৮ডিসেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ আদালতের সমস্ত কার্যক্রম ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করার ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট যেহেতু কোর্ট অব রেকর্ড সেহেতু এর সকল নথি এবং মামলা দায়ের থেকে রায় ঘোষণা পর্যন্ত সমস্ত কার্যক্রম ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত জরুরি। রাষ্ট্রপতি আজ বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট দিবস ২০২০ উপলক্ষে বঙ্গভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশ, জনগণ ও সংবিধানের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে বিচারক, আইনজীবী ও সংশ্লিষ্ট সকলে তাদের মেধা ও মনন প্রয়োগের মাধ্যমে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবেন। তিনি বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী। তাই, মনে রাখতে হবে একজন বিচারপ্রার্থীর ন্যায়বিচার পাওয়া তার অধিকার। আর নাগরিকের সে অধিকার নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। এখানে দয়া বা অনুকূল্যের কোন বিষয় নেই। সুপ্রিম কোর্ট পবিত্র সংবিধানের অভিভাবক। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে অত্যন্ত প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন আবদুল হামিদ। রাষ্ট্রপতি বলেন, সুপ্রীম কোর্ট সংবিধানের ৫ম ও ৭ম সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে। নানা বাধাবিপত্তি সত্ত্বেও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকান্ড ও যুদ্ধপরাধীদের বিচারের মাধ্যমে দেশে আইনের শাসন সুসংহত করতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখেছে। জাতির ক্রান্তিকালে যখনই প্রয়োজন হয়েছে, তখনই সুপ্রিম কোর্ট মানুষের মৌলিক মানবাধিকার ও সংবিধানকে রক্ষা করেছে এবং করে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আইনজীবীগণ বিচার ব্যবস্থার একটি অপরিহার্য অংশ। আইনজীবীদের সহায়তা ছাড়া বিচারের কাজ কিছুতেই অগ্রসর হতে পারে না। জ্ঞানের চর্চায় আইনজীবীগণ পূর্বের চেয়ে আরও এগিয়ে যাবেন এবং তাদের মেধা, প্রজ্ঞা, সততা ও আন্তরিকতা দিয়ে বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে সাহায্য করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমি নিজে একজন আইনজীবী হিসেবে জানি, বিচার কাজ কত কঠিন ও জটিল। বিচার কার্যক্রম পরিচালনায় একজন বিচারককে কতটা পরিশ্রম করতে হয়। সরকার বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে এবং বিচারকদের পেশাগত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। তিনি বলেন, বিচারকদের খেয়াল রাখতে হবে মামলার রায় হওয়ার পর রায়ের কপি পাওয়ার জন্য বিচারপ্রার্থীদের যেন আদালতের বারান্দায় দিনের পর দিন ঘোরাঘুরি করতে না হয়। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার অন্যতম হলো শান্তি ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সবার জন্য ন্যায়বিচারের সুযোগ তৈরি করা। একটা কথা মনে রাখতে হবে, বিরোধের মীমাংসা যথাযথভাবে না হলে আস্থার সংকট সৃষ্টি হবে। এই প্রক্রিয়া বারবার চলতে থাকলে রাষ্ট্র ও সমাজে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে মন্তব্য করেন আবদুল হামিদ। দেশের আদালতে আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল ও দুর্গত বিচারপ্রার্থীগণ মামলার শুরু থেকে নিষ্পত্তি হওয়া পর্যন্ত সকল আইনগত সহায়তা পাবে বলে আশা প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি এখন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বিশ্বব্যাপী মহামারি করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের এই সময়েও মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আদালতে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে বিচারপ্রার্থী জনগণের ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। এ জন্য তিনি এ কার্যক্রমের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহিদদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক-সমর্থক, বিদেশি বন্ধু, যুদ্ধাহত ও শহিদ পরিবারের সদস্যসহ সর্বস্তরের জনগণকে শ্রদ্ধা জানান। বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক, এমপি, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ, বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন, আইনজীবীবৃন্দ, গণমাধ্যমের প্রতিনিধিবৃন্দ এসময় বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে সুপ্রীম কোর্টের ইতিহাস নিয়ে একটি ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়।
সকল ধর্মের মর্মবাণী হচ্ছে মানব সেবা ও সম্প্রীতি স্থাপন : তথ্যমন্ত্রী
১৮ডিসেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, প্রকৃতপক্ষে সকল ধর্মের মর্মবাণী হচ্ছে মানব সেবার মাধ্যমে সৌহার্দ্যে ও সম্প্রীতি স্থাপন করা, মানুষের মঙ্গল করা। ধর্মের এই মর্মবাণী সকলে ধারন করতে পারলেই পৃথিবীতে কোন হানাহানি, মারামারি এবং অশান্তি আর থাকবে না। তিনি বলেন, আমাদের এই বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ক্ষেত্রে বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এই দেশে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ খ্রিষ্টান, বাঙালি, মগ, চাকমা সকল ধর্মের, সকল জাতির মানুষের যে সহাবস্থান এবং সাম্প্রদায়িক সম্পর্ক তা পৃথিবীতে বিরল। শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া সংঘরাজ ভিক্ষু সমিতি ও রাঙ্গুনিয়া উপজেলা বৌদ্ধ সমিতির সভাপতি এবং উপজেলার কেন্দ্রিয় সৈয়দ বাড়ি ধর্মচক্র বিহারের অধ্যক্ষ প্রয়াত বিমল জ্যোতি মহাস্থবিরের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া উদযাপন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের শেষ দিনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভার সংঘরাজ জ্ঞানশ্রী মহাস্থবির। অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ছিলেন রাঙ্গুনিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান স্বজন কুমার তালুকদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভার উপসংঘরাজ ধর্মপ্রিয় মহাস্থবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বিমান চন্দ্র বড়ুয়া, রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার মেয়র মো. শাহজাহান সিকদার, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ সদস্য কামরুল ইসলাম চৌধুরী, সুখবিলাস ফিসারিজ এন্ড প্লানটেশনের চেয়ারম্যান এরশাদ মাহমুদ, ধর্মসেন মহাস্থবির, মনিলাল তালুকদার, প্রসেনজিৎ তালুকদার। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র পাকিস্তান থেকে বেরিয়ে এসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে একটি অসম্প্রদায়িক রাষ্ট্র গঠিত হয়েছিল। আমাদের এই দেশে মাঝে মধ্যে সাম্প্রদায়িক বিষ বাষ্প মাথাছাড়া দিয়ে প্রভাব ফেলার চেষ্টা চালায়। কিন্তু আমাদের এই অসম্প্রদায়িকতা এই অপশক্তিকে সব সময় দমন করেছে। এখনও একটি সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠি আমাদের এই দেশকে, আমাদের সমাজকে হেয় করার চেষ্টা করে। তিনি বলেন, আমাদের এই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং সম্মিলিত শক্তির কাছে তারা অতীতে যেমন পরাভূত হয়েছে তেমনি বর্তমান এবং ভবিষ্যতেও পরাভূত হবে। আমাদের প্রথম পরিচয় আমরা বাঙালি। সকল ধর্মের মানুষের মিলিত রক্তস্রোতের বিনিময়ে এই বাংলাদেশ সৃষ্টি হয়েছে। সাম্প্রদায়িক অপশক্তির স্থান বাংলাদেশে হতে পারে না। তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিমল জ্যোতি মহাস্থবির বৌদ্ধ ধর্মের একজন ভিক্ষু ছিলেন। কিন্তু তিনি হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সব ধর্মের মানুষের প্রিয় একজন মানুষ ছিলেন। তিনি তার দয়া, মমতা ও ভালবাসা দিয়ে সমস্ত মানুষের ভালবাসা এবং শ্রদ্ধার পাত্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন। তার বর্ণাঢ্য জীবন থেকে সব ধর্মের মানুষের অনেক কিছু শেখার আছে। তিনি তার আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব দিয়ে সব ধর্মের মানুষকে সহজে আপন করে নিতে পারতেন।
১১ জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ
১৭ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজার ও নারায়ণগঞ্জসহ দেশের ১১টি জেলায় সরকার নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাগেরহাটের ডিসি মামুনুর রশিদকে কক্সবাজার ও বরগুনার ডিসি মুস্তাইন বিল্লাহকে নারায়ণগঞ্জের ডিসি হিসেবে বদলি করা হয়েছে। এর বাইরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক মোহাম্মদ মমিনুর রহমানকে চট্টগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর একান্ত সচিব হাবিবুর রহমানকে বরগুনা, জননিরাপত্তা বিভাগে সংযুক্ত উপসচিব মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানকে নড়াইল, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব এ এন এম ফয়জুল হককে বাগেরহাট। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উপসচিব অঞ্জনা খান মজলিস চাঁদপুর, স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের উপসচিব আনোয়ার হোসেন আকন্দকে লক্ষ্মীপুর, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক জসিম উদ্দিন হায়দারকে বরিশাল, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব ইয়াসমিন পারভীন তিবরিজিকে বান্দরবান, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব জাহাঙ্গীর হোসেনকে সুনামগঞ্জের ডিসি পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে চাঁদপুরের ডিসি মো. মাজেদুর রহমান খানকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব, বান্দরবানের ডিসি মোহাম্মদ দাউদুল ইসলামকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের উপসচিব এবং চট্টগ্রামের ডিসি মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেনকে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের উপসচিব পদে বদলি করা হয়েছে। লক্ষ্মীপুরের ডিসি অঞ্জন চন্দ্র পাল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব, কক্সবাজারের ডিসি মো. কামাল হোসেনকে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব এবং নারায়ণগঞ্জের ডিসি জসিম উদ্দিনকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উপসচিব, বরিশালের ডিসি এম এম অজিয়ার রহমানকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব, নড়াইলের ডিসি আঞ্জুমান আরাকে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব এবং সুনামগঞ্জের ডিসি মোহাম্মদ আব্দুল আহাদকে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন বিএনপি দেখেও দেখেনা: তথ্যমন্ত্রী
১৭ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, গত একযুগে দেশের প্রতিটি মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন মির্জা ফখরুল সাহেবরা দেখেও দেখেননা। মন্ত্রী বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে তথ্যভবন মিলনায়তনে বাংলাদেশ সংবাদপত্র পরিষদ আয়োজিত প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সমসাময়িক প্রসঙ্গে একথা বলেন। তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য মোজাফফর হোসেন পল্টু সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন। বিএনপি মহাসচিবের সাম্প্রতিক মন্তব্য বিজয় মিললেও মুক্তি মিলেনি এর জবাবে মন্ত্রী বলেন, আসলে তারা (বিএনপি) সবসময় বিভ্রান্তির মধ্যে ভোগেন এবং তা থেকে মানুষকেও বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালান। উন্নয়নের বিষয়ে তাদেরকে আমি আইএমএফ এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের পরিসংখ্যান দেখার অনুরোধ জানাচ্ছি। বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ৬০০ ডলার থেকে ২ হাজার ৬৪ ডলারে উন্নীত হয়েছে এবং দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা মানুষের হার ৪১ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে- এগুলো পড়লে বিভ্রান্তি কেটে যাবে। অবশ্যই সমালোচনা করবেন কিন্তু নিজের বিভ্রান্তি থেকে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা কখনই দেশ ও জাতির জন্য শুভ নয়। বিএনপি মহাসচিবের অপর বক্তব্য বিএনপি শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে এর প্রেক্ষিতে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, প্রতিদিন সকালবেলা ফখরুল সাহেব একবার কথা বলেন, বিকেল বেলা রিজভী সাহেব আবার কথা বলেন। আর গয়েশ্বর বাবুও মাঝে মধ্যে কথা বলেন। তারা দিনে তিনবার সমালোচনা করেন আর বলেন যে, তাদের কথা বলার কোনো অধিকার নাই। মন্ত্রী বলেন, আমরা যখন বিরোধী দলে ছিলাম, একটি মিছিল বের করতে চাইলে আমাদের ওপর লাঠিপেটা করা হতো। বহু লাঠির বাড়ি আমার ঘাড়ে-পিঠে আছে, পল্টু ভাইয়েরও আছে। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই এদেশে গণতন্ত্রের যাত্রা অব্যাহত আছে। বিএনপি এই গণতন্ত্রকে নস্যাৎ করতে ২০১৩-১৪-১৫ সালে আগুন সন্ত্রাস চালিয়েছিল, নির্বাচন বর্জন করেছিল। আর ২০১৮ সালে নির্বাচনে অংশ নিয়েও নেয়নি, তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল গণতন্ত্রকে ব্যাহত করা। তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, দেশকে আরো এগিয়ে নিতে, ২০৪১ সাল নাগাদ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছে দিতে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ মানুষের মনন তৈরিতে, তৃতীয় নয়ন খুলে দেয়ার ক্ষেত্রে এবং দায়িত্বশীলদেরকে আরো দায়িত্ববান করার ক্ষেত্রে, সংবাদপত্র তথা গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, তাই আপনাদেরকে অনুরোধ জানাবো যারা আজকে দেশকে পিছিয়ে দিতে চায়, ভাস্কর্য নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করে দেশকে মধ্যযুগে নিয়ে যেতে চায় এবং তাদেরকে যারা আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়, সেই বিএনপিসহ তাদের দোসরদের বিরুদ্ধে আপনাদেরকে কলম ধরতে হবে, লিখতে হবে। ড. হাছান বলেন, যারা রাষ্ট্রকে পিছিয়ে দিতে চায়, যারা আমাদের সংস্কৃতি-কৃষ্টির ওপর আঘাত হানে, তাদেরকে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে দেশ জেগেছে। কারণ ক্ষমতায় থাকাকালে দুর্নীতি আর দু:শাসনে তারা বাংলাদেশের অগ্রগতির চাকাটাকে ঘুর্ণায়মান চাকায় পরিণত করেছিল। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার গতিশীল ও দূরদর্শী নেতৃত্বে তা ধাবমান চাকায় পরিণত করেছেন। ধাবমান এই উন্নতির চাকার গতিবেগ আরো বৃদ্ধি করে আমরা দেশকে স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছে দিতে চাই। এসময় দেশে গণমাধ্যমের বিকাশের ওপর আলোকপাত করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ১২ বছর আগে দৈনিক সংবাদপত্র ছিল ৪৫০টি, এখন সাড়ে ১২শ’। অর্থাৎ প্রায় তিনগুণ। টেলিভিশন ছিল ১০টি এখন ৩৫টি, একইভাবে অনলাইন মাধ্যম আইপিটিভি থেকে শুরু করে সমস্ত গণমাধ্যমের ক্ষেত্রে ব্যাপক বিপ্লব ঘটেছে। এটির পাশাপাশি কিছু সমস্যাও যুক্ত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই সমস্যাগুলো আমাদের সম্মিলিতভাবে মোকাবিলা করতে হবে। সংবাদপত্রের মান, সংবাদের গুণগতমান ধরে রাখা এবং যে কারো হাতে যেন সাংবাদিকতার পরিচয়পত্র না যায়, সে নিয়েও আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান তার বক্তৃতায় সংবাদপত্র তথা সমগ্র গণমাধ্যমের উন্নয়ন ও কল্যাণে সরকারের আন্তরিকতার কথা তুলে ধরেন। বিএসপি সভাপতি মো: শাহজালালের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক স.ম. গোলাম কিবরিয়া, বিএসপির সাধারণ সম্পাদক এমজি কিবরিয়া চৌধুরী ও যুগ্মসম্পাদক শেখ মঞ্জুর বারী মঞ্জু, বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম ইউনুস প্রমুখ। এর আগে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বিজয় দিবস উপলক্ষে চলচ্চিত্র প্রকাশনা অধিদপ্তর আয়োজিত আলোকচিত্র প্রদর্শনী উদ্বোধন করেন। পরে তিনি প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান এবং অধিদপ্তরের মহাপরিচালক স. ম. গোলাম কিবরিয়াসহ অতিথিদের সাথে নিয়ে প্রদর্শনীটি ঘুরে দেখেন।
জুনের মধ্যে শতভাগ বিদ্যুৎ
১৭ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, গ্রিড এলাকায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন হয়েছে। এটি মোট জনগণের ৯৮ শতাংশ। বাকি ২ শতাংশ পাহাড় বা চর এলাকায় বাকি। আগামী জুনের মধ্যেই দেশ শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় আসবে। বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর উত্তরায় রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) ট্রেনিং ইনস্টিটিউট ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়েছে, বড় বড় প্রকল্পের কাজ হচ্ছে। মাতারবাড়িতে প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলারের কাজ চলছে অথচ আমাদের জনবল সেখানে নেই। সেখানকার প্রায় প্রতিটি জনবল জাপান ও ফিলিপিনের। আমাদের দক্ষ জনশক্তির প্রয়োজন খুব বেশি। ভালো ম্যানেজমেন্টের অভাব রয়েছে। আমাদের পায়রা পাওয়ার প্ল্যান্টের কাজ শেষ হলেও সেটি চালানোর মতো দক্ষ জনশক্তি নেই। সব কর্মী দেশের বাইরে থেকে আসা। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা আশা করবো রিহ্যাব ট্রেনিং ইনস্টিটিউট কারিগরি কাজে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে কাজ করবে। আবাসন খাতে বিশৃঙ্খলার বিষয়ে তিনি বলেন, গ্রাহক টাকা দিয়ে বছরের পর বছর ঘুরেও প্লট বা ফ্ল্যাট বুঝে পাচ্ছেন না। গ্রাহকের এ হয়রানি দূর করতে দেশের আবাসন খাতকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে হবে। এ কাজে মূল ভূমিকা রাখতে পারে রিহ্যাব। এতে গ্রাহকদের হয়রানি কমবে আবার শৃঙ্খলাও তৈরি হবে। রিহ্যাব সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন কাজলের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন রিহ্যাব সিনিয়র সহ-সভাপতি নুরুন্নবি চৌধুরী শাওন, সহ-সভাপতি কামাল মাহমুদ প্রমুখ।

জাতীয় পাতার আরো খবর