পাঁচটি জাহাজে ভাসানচরের পথে ১৮০৪ রোহিঙ্গা
২৯ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দ্বিতীয় ধাপে চট্টগ্রাম থেকে ভাসানচরের পথে রওনা দিয়েছেন ১ হাজার ৮০৪ জন রোহিঙ্গা। পতেঙ্গা থেকে পাঁচটি জাহাজে করে তাদেরকে নতুন এই ক্যাম্পে নেয়া হচ্ছে। স্বেচ্ছায় যেতে ইচ্ছুক আগ্রহী এমন প্রায় সাড়ে চারশ পরিবারের এ সকল সদস্যদের সেখানে নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রোহিঙ্গা আশ্রয়ণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক নৌবাহিনীর কর্মকর্তা কমডোর আবদুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী। তিনি বলেন, আজ সকালে ভাসানচরে নিয়ে যেতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করে নৌবাহিনী। সকাল ৮টা থেকে এ সকল রোহিঙ্গাকে নৌবাহিনীর জাহাজে তোলা হয়। যা বিভিন্ন টেলিভশনে সরাসরি সম্প্রচারও করা হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সকাল ১০টার দিকে পাঁচটি জাহাজে করে ভাসানচরের উদ্দেশ্যে পতেঙ্গা ত্যাগ করে। এর আগে উখিয়ে মূল ক্যাম্প ছাড়াও পুরো ৩৪টি ক্যাম্প থেকে ভাসানচরে যেতে ইচ্ছুক রোহিঙ্গারা ট্রানজিট পয়েন্টে গত রোববার বিকেল থেকে আসতে শুরু করে। বাকিরা গতকাল সোমবার সকাল ও দুপুরে এসে পৌঁছায়। সেখান থেকে ৩০টি বাসে করে চট্টগ্রামে আনা হয়। প্রথম দফার ন্যায় এবারও উখিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠ এলাকা থেকে তিন দলে ভাগ করে বাসগুলো চট্টগ্রামে আসে। এবারও রোহিঙ্গাদের বহনকারী বাসগুলোর সামনে ও পেছনে র‌্যাব, পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া পাহারা দেখা গেছে। এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর প্রথম দফায় ১ হাজার ৬৪২ জন রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে নেয়া হয়। সেবার নৌবাহিনীর মোট আটটি জাহাজে করে নিয়ে যাওয়া হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, পর্যায়ক্রমে ১ লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে নিয়ে যাওয়া হবে। রোহিঙ্গাদের এই দলটি থাকবে সেখানকার অত্যাধুনিক আবাসন প্রকল্পে। এরই মধ্যে ভাসানচরে মজুদ করা হয়েছে তিন মাসের খাদ্যপণ্য। সরকারের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কার্যালয়ের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ সামছুদ্দৌজা বলেন, অর্থনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য সেখানে মহিষ, ভেড়া, হাঁস, কবুতর পালন করা হচ্ছে। আবাদ করা হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি। পরীক্ষামূলকভাবে ধান চাষও করা হচ্ছে। প্রকল্পটিতে যেন ১ লাখ ১ হাজার ৩৬০ শরণার্থী বসবাস করতে পারেন সে লক্ষ্যে গুচ্ছগ্রাম নির্মাণ করা হয়েছে। ১২০টি গুচ্ছগ্রামে ঘরের সংখ্যা ১ হাজার ৪৪০টি। তিনি বলেন, সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে ২৩১২ কোটি টাকা ব্যয়ে মোটামুটি ১৩ হাজার একর আয়তনের ওই চরে ১২০টি গুচ্ছগ্রামের অবকাঠামো তৈরি করে এক লাখের বেশি মানুষের বসবাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর আগে মালয়েশিয়া যেতে ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসা তিন শতাধিক রোহিঙ্গাকে সমুদ্র থেকে উদ্ধার করে ভাসানচরে নিয়ে রাখা হয়েছিল। এরপর গত ৫ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের শরণার্থী ক্যাম্প থেকে রোহিঙ্গাদের একটি প্রতিনিধি দলকে দেখার জন্য ভাসান চরে পাঠানো হয়। তারা ফেরার পর তাদের কথা শুনে রোহিঙ্গাদের একাংশ ভাসান চরে যেতে আগ্রহ প্রকাশ করে বলে জানান তিনি।
ধর্মব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: কৃষিমন্ত্রী
২৮ডিসেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ধর্মব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। সোমবার (২৮ ডিসেম্বর) রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে বিজয় দিবস উপলক্ষে কৃষি মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ আহ্বান জানান। কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে এদেশের মুসলমান-হিন্দু- খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের মানুষ জীবনকে তুচ্ছ করে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। অথচ এ স্বাধীন দেশে ধর্মান্ধ ও ধর্মব্যবসায়ীরা ধর্মের নামে মানুষকে নির্যাতন করে, হত্যা করে। এসব ধর্মান্ধদের নির্মূল করতে আমাদের সবাইকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তিনি বলেন, ভাস্কর্য ভেঙে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে কোনো দিন মুছে ফেলা যাবে না। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের আলোকবর্তিকা তাঁর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে। প্রধানমন্ত্রীর বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও দূরদর্শিতায় করোনার মধ্যেও দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল ও শক্তিশালী অবস্থায় রয়েছে। যে কয়েকটি দেশে ইতিবাচক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হবে তার মধ্যে বাংলাদেশ রয়েছে। কিন্তু কিছু লোক নানা অজুহাতে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায়। দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে চায়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কৃষি সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক জ্যেষ্ঠ সচিব বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চেয়ারম্যান সাজ্জাদুল হাসান। সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রসারণ) মো. হাসানুজ্জামান কল্লোল। এছাড়া সভায় আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. এম এ সাত্তার মণ্ডল, বিএডিসির চেয়ারম্যান মো. সায়েদুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আসাদুল্লাহ, সাবেক মহাপরিচালক মো. হামিদুর রহমান, বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার, কৃষিবিদ বদিউজ্জামান বাদশা প্রমুখ।
ডিআইজি হলেন পুলিশের ১১ কর্মকর্তা
২৮ডিসেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পুলিশের অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক পদমর্যাদার ১১ কর্মকর্তা উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। রোববার (২৭ ডিসেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাদের ডিআইজি (গ্রেড-৩) পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. আলতাফ হোসেন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২৪ ডিসেম্বর সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ডের সভার নিম্নবর্ণিত সুপারিশ প্রধানমন্ত্রী ২৬ ডিসেম্বর সদয় অনুমোদন করেছেন। ডিআইজি পদে পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তারা হলেন- পুলিশ অধিদফতরের অতিরিক্ত ডিআইজি এসএম আক্তারুজ্জামান, মো. হায়দার আলী খান, মো. মনিরুল ইসলাম, মো. মাহবুবুর রহমান ভুইয়া ও মো. রুহুল আমিন, খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. হাবিবুর রহমান, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার মহা. আশরাফুজ্জামান ও বাসুদেব বণিক, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার আমেনা বেগম, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার মো. আজাদ মিয়া এবং Rabর পরিচালক (অতিরিক্ত ডিআইজি) বেগম আতিকা ইসলাম।
ভ্যাকসিন বিতরণে সরকারের যথাযথ প্রস্তুতি রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
২৮ডিসেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক, এমপি বলেছেন, জানুয়ারি শেষে অথবা ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ের মধ্যেই দেশে ভ্যাকসিন চলে আসবে। আগামী ৬ মাসে পর্যায়ক্রমে দেশের ৩ কোটি ভ্যাকসিন চলে আসবে। এই ভ্যাকসিন দেশের জনগণের মাঝে সুষ্ঠুভাবে বিতরণের জন্য সরকারের যথাযথ প্রস্তুতি রয়েছে। রোববার রাজধানীর মহাখালীস্থ ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে ২টি ভ্যাকসিন ল্যাব পরিদর্শন শেষে মিডিয়া ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা জানান। জাহিদ মালেক বলেন, ভ্যাকসিন প্রদানের জন্য আমাদের প্রশিক্ষিত জনবল রয়েছে, ভ্যাকসিন রাখার স্টোর প্রস্তুত করা হয়েছে, নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় রাখতে কোল্ডবক্স ব্যবস্থা পাকাপোক্ত করা হয়েছে। কিভাবে ভ্যাকসিন দেয়া হবে তার জন্য একটি গাইডলাইনও প্রস্তুত করা হয়েছে। যারা ভ্যাকসিন বিষয়ে সরকারের সমালোচনা করছে তারা সঠিক তথ্য না জেনেই কথা বলছে। ভারতে সিরাম ইনস্টিটিউট থেকে ভ্যাকসিন নেয়ার পাশাপাশি বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক কো-ভ্যাক্স ভ্যাকসিন পাওয়া প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী মে-জুন মাসের দিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক দেশের মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশের জন্য কো-ভ্যাক্স ভ্যাকসিন পাঠানো হবে। চলমান অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন এর পাশাপাশি কো-ভ্যাক্স ভ্যাকসিন চলে এলে দেশের প্রায় অধিকাংশ মানুষই ভ্যাকসিন পাবে। ১৮ বছরের নিচে, গর্ভবতী মহিলা ও বিদেশে থাকা নাগরিকদের পরিসংখ্যান উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশে বর্তমানে ১৮ বছরের নিচে রয়েছে প্রায় ৩৭ ভাগ মানুষ, ৩০ লাখের মতো মহিলা গর্ভবর্তী এবং প্রায় কোটি মানুষ বিদেশে থাকায় অক্সফোর্ড ও কোভ্যাক্স ভ্যাকসিন দিয়ে দেশের প্রায় সব মানুষেরই ভ্যাকসিন প্রাপ্তি ঘটবে। তবে, এসব কিছুর পরও মানুষকে অবশ্যই মাস্ক পরিধান অব্যাহত রাখতে হবে। ব্রিফিংকালে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মার্কিন সংবাদ মাধ্যম ব্লুমবার্গ কর্তৃক সম্প্রতি প্রকাশিত জরিপে বাংলাদেশের সাফল্য উল্লেখ করে জানান, কোভিড মোকাবেলায় বাংলাদেশ যে সফল হয়েছে সে কথা এখন কেবল আমরা নই, খোদ আমেরিকার সংবাদ মাধ্যম ব্লুমবার্গ গত ৪-৫ মাসের জরিপ শেষে বাংলাদেশকে কোভিড মোকাবেলায় বিশ্বব্যপি ২০তম ও দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে এক নম্বর দেশ হিসেবে কৃতিত্ব দিয়েছে। এটি আমাদের জন্য বিরাট স্বীকৃতি। এই জরিপ খোদ আমেরিকাই রয়েছে ৪০তম অবস্থানে, ইউকে রয়েছে ৩৯তম অবস্থানে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভারত, পাকিস্তান, ভুটান, শ্রীলংকা, মায়ানমারের ওপরে রয়েছে বাংলাদেশ। এই কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার, এই কৃতিত্ব দেশের চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের, এই কৃতিত্ব মিডিয়াসহ সকল করোনা যোদ্ধাদের। পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোঃ মাহাবুবুর রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসময় ল্যাবে কর্তব্যরত গবেষকদের কাছে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার খোঁজ-খবর নেন এবং পরামর্শ প্রদান করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে অভিন্ন নীতিমালা চান রাষ্ট্রপতি
২৭ডিসেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে যোগ্যদের নিয়োগ নিশ্চিত করতে অভিন্ন নীতিমালা প্রণয়ন করতে বলেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। রোববার (২৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বার্ষিক প্রতিবেদন ২০১৯ পেশ করতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে গেলে একথা বলেন রাষ্ট্রপতি। ইউজিসির বার্ষিক প্রতিবেদন গ্রহণকালে গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের বিষয়ে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, যোগ্য প্রার্থীরা যাতে নিয়োগ পায় তা নিশ্চিত করতে অভিন্ন নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। রাষ্ট্রপতি বলেন, শিক্ষা কোনো বাণিজ্যিক পণ্য নয়। তাই শিক্ষার গুণগত মান নিয়ে আপস করার কোনো সুযোগ নেই। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার্থীরা যাতে এগিয়ে যেতে পারে সেজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা কার্যত্রম সম্প্রসারণ ও এর গুণগত মান নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তিনি। সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে যেকোনো অনিয়ম দূরীকরণে জোরালো ভূমিকা রাখার জন্য ইউজিসিকে পরামর্শ দেন রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতি ইউজিসির সার্বিক কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন। সাক্ষাৎকালে ইউজিসি চেয়ারম্যান গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষার অগ্রগতিসহ কমিশনের সার্বিক কর্মকাণ্ড এবং বার্ষিক প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। করোনাকালে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে শিক্ষা কার্যক্রম যাতে অব্যাহত রাখতে পারে সেজন্য সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪২১৫০ জন শিক্ষার্থীকে মোবাইল কেনার জন্য ঋণ দেওয়া হয়েছে বলে ইউজিসি চেয়ারম্যান রাষ্ট্রপতিকে জানান। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহর নেতৃত্বে কমিশনের একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির কাছে কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন ২০১৯ পেশ করেন। এসময় অন্যদের মধ্যে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এসএম শামীম উজ জামান, প্রেস সচিব মো: জয়নাল আবেদীন এবং সচিব (সংযুক্ত) মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।
ধ্রুবতারা- উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
২৭ডিসেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে সদ্য যুক্ত হওয়া সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সম্বলিত সম্পূর্ণ নতুন ১ম ড্যাশ ৮-৪০০ ধ্রুবতারার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ রোববার বেলে ১২টার দিকে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এটির উদ্বোধন করেন তিনি। অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিভিআইপি টার্মিনালে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স নামটা দিয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সে সময় তিনি সংশ্লিষ্টদের নিয়ে লোগা তৈরি করেছিলেন। বিমানের উড়োজাহাজ বহরে ইতোমধ্যে যুক্ত হওয়া প্রতিটি উড়োজাহাজের নামকরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ ও কানাডা সরকারের মধ্যে জি-টু-জি ভিত্তিতে ক্রয়কৃত ৩টি ড্যাশ ৮-৪০০ উড়োজাহাজের মধ্যে ১ম টি হচ্ছে- ধ্রুবতারা। কানাডার প্রখ্যাত উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডি হ্যাভিল্যান্ড নির্মিত, চুয়াত্তর আসন বিশিষ্ট ড্যাশ ৮-৪০০ উড়োজাহাজটি পরিবেশবান্ধব এবং অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সমৃদ্ধ। নতুন উড়োজাহাজটি সংযোচিত হওয়ায় বিমান বহরে বিদ্যমান মোট উড়োজাহাজের সংখ্যা ১৯টি। এগুলোর মধ্যে ৪টি বোয়িং৭৭৭-৩০০ইআর, ৪টি বোয়িং ৭৮৭-৮, ২টি বোয়িং ৭৮৭-৯, ৬টি বোয়িং ৭৩৭ এবং ৩টি ড্যাশ ৮-৪০০ উড়োজাহাজ।
বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে আগেই মধ্যম আয়ের দেশ হতো : আমু
২৭ডিসেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য, ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু বলেছেন, বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে ৪০ বছর আগেই বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হতো। গতকাল সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ সোশ্যাল অ্যাক্টিভিস্ট ফোরাম আয়োজিত- বিজয়ের ৪৯ বছরে পাকিস্তানের চেয়েও সমৃদ্ধি, ঐতিহ্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে এগিয়ে বাংলাদেশ- শীর্ষক আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালে সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। আমু বলেন, ১৯৭২ সালে চট্টগ্রামের বেতবুনিয়ায় বঙ্গবন্ধু যে স্যাটেলাইটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন ৪০ বছর পর এর উৎক্ষেপণ হয়েছে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর থেমে যায় উন্নয়নের চাকা। স্বাধীনতার ৪৯ বছরের মধ্যে ৩৪ বছর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ছিল মূলত স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির হাতে। তারা দেশের উন্নয়নের জন্য কিছুই করার চেষ্টা করেনি। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে নিয়ে গেছেন তাঁর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মাত্র কয়েক বছরে এই যদি হয় উন্নয়নের চিত্র, তাহলে নিঃসন্দেহে বলা যায়, বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে এখন উন্নয়নশীল কিংবা মধ্যম আয়ের দেশ নয়, পৃথিবীর সব উন্নত রাষ্ট্রের কাতারে থাকত বাংলাদেশের নাম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমির হোসেন আমু শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।। সোশ্যাল অ্যাক্টিভিস্ট ফোরামের প্রধান সমন্বয়ক মুফতি মাসুম বিল্লাহ নাফিয়ীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সাবেক রাষ্ট্রদূত ড. নিম চন্দ্র ভৌমিক, ড. এ কে এম ইয়াকুব হোসেন, ড. বদরুজ্জামান ভুঁইয়া, আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল মতিন ভুঁইয়া, জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম এ জলিল, বাংলাদেশ ন্যাপের মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া, কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা বদিউল আলম বদি, সাংবাদিক মানিক লাল ঘোষ, ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান এম এ মোস্তাক, মাওলানা মহিউদ্দিন ফারুকী, মাওলানা ফজলে রাব্বী, মিজানুর রহমান মিজু, অধ্যক্ষ মোল্লা শহীদুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট দুলাল মিত্র, সাংবাদিক রাহাত হুসাইন প্রমুখ।
অভিনেতা কাদেরের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
২৬ডিসেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জনপ্রিয় অভিনেতা আব্দুল কাদেরের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) এক শোক বার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, সাবলীল ও স্বতঃস্ফূর্ত অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তিনি মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। প্রসঙ্গত, গুণী অভিনেতা আব্দুল কাদের শনিবার সকালে মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর। সকাল সোয়া ৮টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান বলে আবদুল কাদেরের পুত্রবধূ জাহিদা ইসলাম জেমি নিশ্চিত করেছেন। সম্প্রতি ক্যানসার ধরা পড়ার পর গত ২১ ডিসেম্বর অভিনেতা আব্দুল কাদেরের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। তার পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ২০ ডিসেম্বর চেন্নাইয়ের ভেলর শহরের মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে থেকে দেশে ফিরিয়ে এনে সরাসরি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় কাদেরকে। সেখানে করোনার পরীক্ষা করা হলে ২১ ডিসেম্বর তার ফলাফল পজিটিভ আসে। অসুস্থ বোধ করার পর গত ৮ ডিসেম্বর চেন্নাইয়ে নেয়া হয় আব্দুল কাদেরকে। সেখানে পরীক্ষার পর তার শরীরে অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসার শনাক্ত হয়, যা সংক্রমণের চতুর্থ স্তরে পৌঁছে গেছে বলে জানান চিকিৎসকরা। তবে গুরুতর শারীরিক দুর্বলতার কারণে এই অভিনেতাকে কেমোথেরাপি দিতে পারেননি চেন্নাইয়ের চিকিৎসকরা। আব্দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থার উন্নতির জন্য অপেক্ষায় ছিলেন তার পরিবারের সদস্যরা যাতে কেমোথেরাপির মাধ্যমে চিকিত্সা করা যায়। কিন্তু করোনা আক্রান্ত হওয়ায় কাদেরের জন্য পরিস্থিতি আেএরা জটিল হয়ে উঠে। আব্দুল কাদের অভিনীত নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে, মাটির কোলে, নক্ষত্রের রাত, শীর্ষবিন্দু, সবুজ সাথী, তিন টেক্কা, যুবরাজ, আগুন লাগা সন্ধ্যা, এই সেই কণ্ঠস্বর, আমার দেশের লাগি, সবুজ ছায়া, দীঘল গায়ের কন্যা, ভালমন্দ মানুষেরা, দূরের আকাশ, ফুটানী বাবুরা, এক জনমে, জল পড়ে পাতা নড়ে, ফাঁপড়, চারবিবি, সুন্দরপুর কতদূর, ভালোবাসার ডাক্তার, চোরাগলি, বয়রা পরিবার ইত্যাদি।

জাতীয় পাতার আরো খবর