আন্তর্জাতিক ৩৮ রুটে ফ্লাইট চলাচলের অনুমতি
০১,মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বর্তমানে অতি ঝুঁকিপুর্ণ বিবেচিত দেশসমূহ ব্যাতিত বিশেষ শর্তসাপেক্ষে শনিবার (১ মে) থেকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক ফ্লাইট সমূহের পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বেবিচক এ তথ্য জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে কভিড-১৯ সংক্রমণের হার বিবেচনায় ৩৮টি দেশে গমনাগমনের ওপর বিশেষ শর্ত আরোপ করে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের পক্ষ হতে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটসমূহ চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে এয়ার বাবল ফ্লাইটসমূহ স্থগিত রাখা হয়েছে এবং অতি ঝুঁকিপুর্ণ দেশসমূহের সঙ্গে সাময়িক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এবং ঝুকিপূর্ণ দেশসমূহ হতে আগত যাত্রীদের ১৪ দিনের 'প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন' বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, তালিকা বহির্ভূত দেশসমূহ থেকে আগত যাত্রীদের পিসিআর নেগেটিভ সনদ আনা সাপেক্ষে ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টিন কঠোরভাবে পালনের জন্য বলা হয়েছে। ব্যতিক্রম হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের তিনটি দেশ (কাতার, বাহরাইন ও কুয়েত) ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকায় থাকা সত্ত্বেও বর্তমানে চলমান তিন দিনের প্রতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন ব্যবস্থাপনা অনুসরণ করবেন। পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে বাকি ১১ দিন হোম কোয়ারেন্টিন অথবা আইসোলেশন থাকার জন্য বিবেচিত হবেন। এই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আটকে পরা অভিবাসী যাত্রীরা নিজ নিজ গন্তব্য বা কর্মস্থলে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন- উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে স্বাস্থ্যবিধি ও অন্যান্য শর্তসমূহ কঠোরভাবে বাস্তবায়ন ও নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়।
গণপরিবহন চালুর চিন্তা করছে সরকার
০১,মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, লকডাউনের পর জনস্বার্থের কথা বিবেচনায় রেখে সরকার ঈদকে সামনে রেখে গণপরিবহন চালুর ব্যাপারে চিন্তা ভাবনা করছে। শনিবার ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও বার্তায় এ তথ্য জানান। আন্দোলন, বিক্ষোভে না গিয়ে পরিবহন মালিক শ্রমিকদের ধৈর্য ধরারও আহ্বান জানান তিনি। সরকার ঈদ ও রমজানের কথা বিবেচনা করে এবং শ্রমজীবী মানুষ যারা দোকানপাট, শপিংমলে কাজ করেন তাদের কথা চিন্তা করে ইতোমধ্যেই লকডাউন শিথিল করা হয়েছে বলেও জানান সেতুমন্ত্রী।
মহান মে দিবস আজ
০১,মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহান মে দিবস আজ। দিনটি শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের রক্তঝরা দিন। ১৮৮৬ সালের এই দিনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের হে মার্কেটের শ্রমিকরা ৮ ঘণ্টা কাজের দাবিতে জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। ওইদিন তাদের আত্মদানের মধ্যদিয়ে শ্রমিক শ্রেণীর অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য শ্রমিকদের আত্মত্যাগের এই দিনকে তখন থেকেই সারা বিশ্বে মে দিবস হিসেবে পালন করা হচ্ছে। এবারের মে দিবসের প্রতিপাদ্য- মালিক-শ্রমিক নির্বিশেষ মুজিববর্ষে গড়বো দেশ। মহান মে দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। এছাড়া পৃথক পৃথক বানী দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন সংঘটনের নেতারা। এদিকে মহান মে দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শনিবার (১ মে) বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে শ্রমিক সমাবেশ, শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এ ছাড়া দিবস উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় পত্রিকাসমূহ বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে। বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার ও বেসরকারি টিভি চ্যানেলগুলো দিনটি উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠান ও টকশো সম্প্রচার করবে। দিবসটিকে ঘিরে একইসঙ্গে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকাগুলোতে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে। দিবসের প্রাক্কালে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান শ্রমজীবী মেহনতি মানুষকে মহান মে দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এদিকে স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে পয়লা মে কে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মে দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেন এবং সরকারি ছুটি ঘোষণা করেন। এরপর থেকে উক্ত দিনটি বাংলাদেশে জাতীয় ছুটি পালন করা হয়ে আসছে। তবে সমগ্র বিশ্বে এবার করোনা মহামারির কারণে জনসমাগমসহ সংশ্লিষ্ট বাইরের সকল কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। এদিকে মহান মে দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে পাঠানো এক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বার্তায় চলমান সংকটে কর্মহীন, খেটে খাওয়া, শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সমাজের সকল বিত্তবান ও স্বচ্ছল মানুষদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি।
গণপরিবহন চালুর দাবিতে বিক্ষোভের ঘোষণা শ্রমিক ফেডারেশনের
৩০,এপ্রিল,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন এবং পণ্যবাহী গাড়ি চালুর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন। শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। এই দাবি আদায়ে আগামী ২ মে সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিল এবং ৪ মে সারাদেশে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী। তিনি বলেন, করোনা সংক্রমণ রোধে গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রেখেছে সরকার। এতে এই খাতের ৫০ লাখ শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছে। পরিবার পরিজন নিয়ে তারা দুর্বিষহ জীবন যাপন করছে। যার ফলশ্রুতি সড়ক পরিবহন শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে আসলে তার দায়দায়িত্ব বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন বহন করবে না। তিনি আরও বলেন, দেশের প্রায় ৭৫ ভাগ যাত্রী ও ৬৫ ভাগ পণ্য সড়ক পথে পরিবহন হয়ে থাকে। কিন্তু এখন গণপরিবহন ছাড়া দেশের সব মার্কেট, গার্মেন্ট, কলকারখানা, অফিস-আদালত খোলা রয়েছে। ফলে পরিবহন সঙ্কটে মানুষ সিএনজি অটোরিকশা, মাইক্রোবাসে গাদাগাদি করে যাতায়াত করছেন। সামাজিক দূরত্বের বালাই নেই। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে মোট আসনের অর্ধেক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন ও পণ্য পরিবহণ চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া সড়ক পরিবহন শ্রমিকদের আর্থিক অনুদান ও খাদ্য সহায়তা প্রদান করতে হবে। সারাদেশে বাস ও ট্রাক টার্মিনালগুলোতে পরিবহন শ্রমিকদের জন্য ১০ টাকায় ওএমএস এর চাল বিক্রির ব্যবস্থা করতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ছাদিকুর রহমান হীরু।
বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানাল ভারত
৩০,এপ্রিল,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনায় বিপর্যস্ত ভারতকে চিকিৎসা সরঞ্জাম দিয়ে সহযোগিতার প্রস্তাব দেয়ায় বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়েছে ভারত। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশন বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) এক টুইট বার্তায় বাংলাদেশকে এই ধন্যবাদ জানায়। একই সঙ্গে বাংলাদেশ-ভারত একসঙ্গে এই মহামারি জয় করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয় ভারতের পক্ষ থেকে। টুইট বার্তায় দূতাবাসের পক্ষ থেকে বলা হয়, ভারতের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করায় এবং করোনার বিরুদ্ধে ভারতের লড়াইয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়ায় ঢাকাকে ধন্যবাদ। ভারতকে জরুরি ভিত্তিতে বাংলাদেশ চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছে উল্লেখ করে এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ-ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক করোনাযুদ্ধে জয়ী হতে আমাদের সহযোগিতা করবে বলে আমরা আশাবাদী। এর আগে এদিন দুপুরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, করোনায় বিপর্যস্ত ভারতে জরুরি ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠাতে চায় বাংলাদেশ। ভারতে করোনা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতির প্রেক্ষাপটে দেশটির জনগণের জন্য জরুরি ভিত্তিতে ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। ভারতকে বাংলাদেশ সরকারের সহায়তার মধ্যে থাকছে প্রায় ১০ হাজার অ্যান্টিভাইরাল ইনজেকশন ও মুখে গ্রহণের ওষুধ, ৩০ হাজার পিপিই, কয়েক হাজার জিংক, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন সি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় ট্যাবলেট। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, করোনায় ভারতে মানুষের মৃত্যুতে বাংলাদেশ সরকার গভীর দুঃখ ও সমবেদনা প্রকাশ করেছে। এই সংকটময় সময়ে বাংলাদেশ তার ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী ভারতের পাশে আছে। ভারতের প্রতি বাংলাদেশ সংহতি জানাচ্ছে। মানুষের জীবন বাঁচানোর সম্ভাব্য সব উপায়ে সহায়তা দিতে বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে।
ঝড়বৃষ্টি নিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস
৩০,এপ্রিল,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিপাত বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। ফলে কিছুটা কমতে পারে দেশের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে আবহাওয়ার পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা এবং চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যস্থানে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। এই সময়ে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে ৩৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রাজারহাটে ১৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিকে, সীতাকুণ্ড, রাঙামাটি, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, রাজশাহী এবং পাবনা অঞ্চলসহ ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, খুলনা এবং বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এ তাপপ্রবাহ কিছু জায়গা থেকে প্রশমিত হতে পারে। আগামী পাঁচ দিনে আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন হতে পারে। ঢাকায় শুক্রবার সূর্যোদয় ভোর ৫টা ২৫ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬টা ২৭ মিনিটে।
বাস-ট্রাক মালিক সমিতির সংবাদ সম্মেলন: কাল থেকেই গণপরিবহন চালুর দাবি
২৯,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামীকাল থেকেই সারাদেশে গণপরিবহন চালু করে দেয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ বাস-ট্রাক মালিক সমিতি। আজ বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর গাবতলীতে সংগঠনটির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান সংগঠনটির চেয়ারম্যান রমেশ চন্দ্র ঘোষ। এদিকে গণপরিহন খুলে দেয়ার দাবিতে আজ একই সময়ে গাবতলী বাস টার্মিনালে সামনে মহাসড়ক অবরোধ করেন পরিবহন শ্রমিকরা। বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা প্রায় এক ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখলে মহাসড়কের দুইপাশে যানজট তৈরি হয়। পরে পুলিশ গিয়ে শ্রমিকদের সরিয়ে দিলে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসে। সংবাদ সম্মেলনে রমেশ চন্দ্র ঘোষ বলেন, গত ৫ এপ্রিল থেকে চলমান লকডাউনের কারণে সারাদেশে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। এরপর থেকেই বেকার হয়ে পড়েছেন প্রায় ৩০ লাখ পরিবহন শ্রমিক। টার্মিনালে, রাস্তায় অলস বসে আছে কোটি কোটি টাকার বাস। আয় রোজগার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিবহন শ্রমিকরা পরিবার-পরিজনকে নিয়ে চরম অর্থ কষ্টে দিন পার করছেন। বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মধ্যে পড়েছেন বাস মালিকরাও। বাস-ট্রাক মালিক সমিতির চেয়ারম্যান আরো বলেন, লকডাউনের এই সময়ে বাস বন্ধ থাকলেও সিএনজি, অটোরিকশা, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাসের মতো ছোট ছোট যানবাহনগুলো গাদাগাদি করে যাত্রী পরিবহন করছে। সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে বাস চালু করে দেয়া হলে যাত্রীদের আর গাদাগাদি করে যাতায়াত করতে হবে না। এতে যাত্রীদের মধ্যে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকিও কমবে। এ সময় লকডাউনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত বাস মালিকদের জন্য স্বল্প সুদে ৫ হাজার কোটি টাকা থোক বরাদ্দ দেয়ার জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন সমিতির জেনারেল সেক্রেটারি আবু রায়হান, অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল সেক্রোটারি শুভঙ্কর ঘোষ রাকেশ, কার্যনির্বাহী সদস্য হুমায়ুন কবির প্রমুখ।
ভারতে জরুরি ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠাবে বাংলাদেশ
২৯,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সহযোগিতার অংশ হিসেবে ভারতকে জরুরি ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম দিতে চায় বাংলাদেশ। করোনা সংক্রমণের বিস্তারে ভারতে মানুষের মৃত্যুতে বাংলাদেশ সরকার গভীর দুঃখ ও সমবেদনা প্রকাশ করেছে। আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বিজ্ঞপ্তিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় জানিয়েছে, ভারতে করোনা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতির প্রেক্ষাপটে দেশটির জনগণের জন্য জরুরি ভিত্তিতে ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। ভারতকে বাংলাদেশ সরকারের সহায়তার মধ্যে থাকছে প্রায় ১০ হাজার অ্যান্টিভাইরাল ইনজেকশন ও মুখে গ্রহণের ওষুধ, ৩০ হাজার পিপিই, কয়েক হাজার জিংক, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন সি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় ট্যাবলেট। বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, এই সংকটময় সময়ে বাংলাদেশ তার ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী ভারতের পাশে আছে। ভারতের প্রতি বাংলাদেশ সংহতি জানাচ্ছে। মানুষের জীবন বাঁচানোর সম্ভাব্য সব উপায়ে সহায়তা দিতে বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে। ভারতের জনগণের দুর্ভোগ যাতে লাঘব হয়, সে জন্য বাংলাদেশের জনগণ প্রার্থনা করছে। প্রয়োজনে ভারতকে আরও সহায়তা দিতে বাংলাদেশ আগ্রহী বলে জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।
সিনোফার্ম টিকার অনুমোদন দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর
২৯,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চীনের তৈরী করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন সিনোফার্ম টিকার অনুমোদন দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। আজ বৃহস্পতিবার অধিদপ্তরের এক সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবর রহমান এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, জরুরি ব্যবহারের জন্য এ অনুমোদন দেয়া হয়েছে। টিকা আনতে দুই দেশের সরকারের মধ্যে জি টু জি চুক্তি হবে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে টিকার প্রথম চালান আসতে পারে বলে জানা গেছে। তবে, আপাতত উপহারের পাঁচলাখ ডোজ আসবে। বাংলাদেশেও টিকা উৎপাদন হবে, এর দাম নির্ধারণ করবে সরকার। এর আগে গত ২৭ এপ্রিল রাশিয়ার স্পুটনিক-ভি টিকার জরুরি প্রয়োগের অনুমোদন দেয় সরকার।