সার্বভৌমত্বে আঘাত এলে জবাব দিতে প্রস্তুত থাকতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
১৩,ডিসেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ যুদ্ধ চায় না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সার্বভৌমত্বের ওপর কোনও আঘাত এলে তার সমুচিত জবাব দেয়ার মতো সক্ষমতা থাকতে হবে সশস্ত্র বাহিনীর। রোববার (১৩ ডিসেম্বর) সকালে মিরপুর সেনানিবাসে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের কোর্স সমাপনীর ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জোরপূর্বক রোহিঙ্গা পাঠালেও মিয়ানমারের সঙ্গে সংঘাতে যায়নি বাংলাদেশ। আমরা যুদ্ধ চাই না, আমরা শান্তি চাই। কেউ যদি আমাদের সার্বভৌমত্বে আঘাত দিতে আসে তার প্রতিঘাত করার মত সক্ষমতা আমাদের অর্জন করতে হবে। সেভাবেই আমাদের প্রস্তুত হতে হবে। শেখ হাসিনা আরও বলেন, মিয়ানমার থেকে ১০ লাখ রোহিঙ্গা এসেছে। আমরা তাদের সাথে এখনও সংঘাতে যাইনি। আলোচনা করে এটা সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। এই বোঝা দ্রুত সমাধান করতে হবে।
তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়ন সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির
১২,ডিসেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) খাতের উন্নয়ন সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। শনিবার রাজধানীর বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে- চতুর্থ ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস উদ্বোধনকালে রাষ্ট্রপতি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে এ কথা বলেন। ওই অনুষ্ঠানে এবারের ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবসের কার্যক্রম রাষ্ট্রপতি উদ্বোধন করেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রযুক্তি উন্নয়নের হাতিয়ার। তাই অনুকরণের পরিবর্তে আমাদের উদ্ভাবনের ওপর জোর দিতে হবে। তিনি বলেন, জিডিটাল বাংলাদেশের সুফল মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আমাদের নতুন ও পরিবর্তিত প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। আব্দুল হামিদ বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি হচ্ছে বর্তমান সময়ের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার। এর ফলে বিশ্বব্যাপী উন্নয়ন ও অগ্রগতির অপার সম্ভাবনার পাশাপাশি বহুমুখী চ্যালেঞ্জেরও সৃষ্টি হয়েছে। নতুন নতুন আবিষ্কারের ফলে প্রযুক্তি দ্রুত পরিরর্তিত হচ্ছে। এমনকি প্রযুক্তি এতোটাই দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে যে- এর ফলে অনেক প্রযুক্তি অচল হয়ে যাচ্ছে। তিনি সকল-ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধ এবং এ লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, আমাদের তথ্যপ্রযুক্তির ফলে সৃষ্ট সকল সুযোগকে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর পাশাপাশি এর অপব্যবহার রোধে সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। বুদ্ধিমত্তা ও নতুন প্রযুক্তির সাথে খাপ খাইয়ে নেয়ার সক্ষমতার দিক থেকে যুবসমাজকে যথেষ্ট দক্ষ ও উদ্যোগী উল্লেখ করে আব্দুল হামিদ বলেন, এজন্য, তাদের যথাযথ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হলে, তারা দেশকে কাক্সিক্ষত উন্নয়নের লক্ষ্যে পৌঁছে দিবে। কোভিড-১৯ মহামারীকালে ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস পালনের গুরুত্ব তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, মুজিব শতবর্ষে দাঁড়িয়ে আমাদের একইসাথে অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। দুনিয়া বদলে দেওয়া করোনা মহামারী মোকাবিলার পাশাপাশি দেশের অর্থনীতি সচল রাখতে সরকার নিরলস প্রয়াস চালাচ্ছে। তিনি বলেন, তথ্য প্রযুক্তির কল্যাণে করোনা মহামারীর এই কঠিন সময়ে দূরে থেকেও আমরা পরস্পর সংযুক্ত থাকতে পারছি। চতুর্থবারের মতো ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস উপযাপনের এই আয়োজন বিশেষ গুরুত্ব বহন করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে গ্রাম ও শহরের মধ্যে দূরত্ব হ্রাস পাচ্ছে। আব্দুল হামিদ বলেন, গত তিন বছর ধরে ১২ ডিসেম্বর ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস পালন করে আসছে আইসিটি ডিভিশন। এবার এর চতুর্থ আসর। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতিহার অনুযায়ী এবারের ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবসের প্রতিপাদ্য যদিও মানছি দূরত্ব, তবুও আছি সংযুক্ত। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবাষির্কী ও আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর একটা যুগসন্ধিক্ষণ হচ্ছে ২০২১ সাল। এই যুগসন্ধিক্ষণে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গঠনে আমাদের নিরলস প্রয়াস চালাতে হবে। ২০২১ সালের মধ্যে- ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে সফলতার পথ ধরে আমরা ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ গঠনের পথে আরও সাহস ও আত্মবিশ্বাসের সাথে এগিয়ে যেতে পারবো এ প্রত্যাশা করছি। রাষ্ট্রপতি আশা করেন, ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে জিডিটাল বাংলাদেশ গঠনের সফলতার পথ ধরে আমরা আরো সাহসিকতা ও আত্মবিশ্বাসের সাথে সামনে এগিয়ে যেতে পারব। অনুষ্ঠানে, ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে অসামান্য অবদান রাখার জন্য ১৫ ব্যক্তি, দল ও প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দেওয়া হয়। এছাড়া ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠানে শিশুশিল্পীদের একটি নাটিকার ভিডিও প্রদর্শন করা হয়। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ভিডিও বার্তায় অন্যান্যের মাঝে উপস্থিতি ছিলেন ডাক, টেলি যোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি একেএম রহমতুল্লাহ্, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এনএম জিয়াউল আলম এবং বঙ্গভবন সংশ্লিষ্ট সচিবগণ।
রাষ্ট্রের বিরোধিতা করার দুঃসাহস দেখাবেন না: আইজিপি
১২,ডিসেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাষ্ট্রের বিরোধিতা করার দুঃসাহস না দেখাতে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ। তিনি বলেছেন, আমার দেশের স্বাধীনতা, সংবিধান, রাষ্ট্র ও জনগণকে কেউ স্পর্শ করতে পারবে না। ১৮ কোটি মানুষ ও রাষ্ট্র মিলে আমরা সবকিছু মোকাবিলা করবো। রাষ্ট্র মহাপরাক্রমশালী। রাষ্ট্রের বিরোধিতা করার দুঃসাহস আপনারা দেখাবেন না। রাষ্ট্রের বিরোধিতা মানে হচ্ছে ১৮ কোটি মানুষের বিরোধিতা। শনিবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে শেরেবাংলা নগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতির পিতার সম্মান রাখবো মোরা অম্লান শীর্ষক প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুর ও ভাস্কর্যবিরোধীদের বিরুদ্ধে এ সমাবেশের আয়োজন করে সরকারি কর্মকর্তা ফোরাম। বেনজীর বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যে হামলা সংবিধান, রাষ্ট্র ও এদেশের জনগণের ওপরে হামলা। রাষ্ট্র এ হামলা আইন, বিধিবিধান অনুযায়ী কঠোর হস্তে মোকাবিলা করবে। পুলিশ প্রধান বলেন, বঙ্গবন্ধু মানেই হচ্ছে বাংলাদেশ। তিনি (বঙ্গবন্ধু) বাংলাদেশের সংবিধানের অংশ। বঙ্গবন্ধু আমাদের এ দেশ দিয়েছেন। পতাকা-মানচিত্র ও বাংলা ভাষাকে স্বীকৃতি দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা বারবার দেখতে পাচ্ছি, টেনে-হিঁচড়ে দেশকে পেছনে নিয়ে যাওয়ার প্রবণতা। দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে ১৮ কোটি মানুষ ঐক্যবদ্ধ। ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে এদেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ। দেশের মানুষের আলেমদের প্রতি শ্রদ্ধার কথা স্মরণ করে বেনজীর আহমেদ বলেন, দেশের মানুষের ঈমাম-আলেমদের প্রতি অনেক শ্রদ্ধা রয়েছে। আলেম, সুফি-সাধকরা এ অঞ্চলের ধর্ম প্রচার করেছেন। তারা কখনোই শক্তি বা তরবারি ব্যবহার করে ধর্ম প্রচার করেননি। ভালোবাসার মাধ্যমে তারা আল্লাহ তাআলার বাণী প্রচার করেছেন। হাজার হাজার, লাখ লাখ মানুষকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করেছেন। আইজিপি বলেন, ধর্মকে পুঁজি করে অনেকেই রাজনীতিতে জায়গা নিতে চান। দেশটাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মৌলবাদী তকমা দিতে চান। এই শ্রেণির মানুষরা কোন উদ্দেশ্যে কাজ করছেন। আমাদের দেশ তো মৌলবাদী দেশ না। বাংলাদেশ শান্তি প্রিয় দেশ। এক শ্রেণির মানুষ কার ইশারায়, কোন ইঙ্গিতে, কার লক্ষ্যে ও কোন এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য দেশকে মৌলবাদী তকমা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেলাল উদ্দিন আহমেদ।
জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
১২,ডিসেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামীকাল থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকায় সর্বসাধারণের প্রবেশ নিষেধ ঘোষনা করা হয়েছে। আজ এক তথ্যবিবরনীতে বলা হয়, মহান বিজয় দিবস ২০২০ উদযাপন উপলক্ষ্যে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য ১৩ থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকার অভ্যন্তরে সর্বসাধারণের প্রবেশ বন্ধ থাকবে। এছাড়াও ১৬ ডিসেম্বর প্রত্যূষে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ স্মৃতিসৌধ ত্যাগ না করা পর্যন্ত জাতীয় স্মৃতিসৌধে সর্বসাধারণের প্রবেশ বন্ধ থাকবে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। সূত্র-বাসস
জাতির পিতার সম্মান রক্ষায় সরকারি কর্মকর্তাদের প্রতিজ্ঞা
১২,ডিসেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সম্মান রক্ষায় প্রতিজ্ঞা করেছেন সরকারি কর্মকর্তারা। বঙ্গবন্ধুর কোনো রকমের অসম্মান হতে দেবেন না বলে জানিয়েছেন তারা। শনিবার সমাবেশের মাধ্যমে এই প্রতিজ্ঞা করেছেন বিসিএস ক্যাডার ও নন-ক্যাডার কর্মকর্তারা। জাতির পিতার সম্মান, রাখবো মোরা অম্লান এই স্লোগানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সরকারি কর্মকর্তা ফোরামের আয়োজনে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে সারা দেশের জেলা-উপজেলায় এই সমাবেশ করেন সরকারি কর্মকর্তারা। রাজধানীতে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস বলেন, আমরা আমাদের জীবদ্দশায় জাতির পিতার প্রতি কোনো রকমের অন্যায় ও অসম্মান হতে দেব না, এটাই হলো আজকের অঙ্গীকার। আমরা জনগণের সেবক। সংবিধানে জাতির পিতা রয়েছেন। আমাদের দায়িত্ব সংবিধানকে সমুন্নত রাখা। আমরা যদি থাকি, তাহলে জাতির পিতার অবমূল্যায়ন হওয়ার সুযোগ নেই। আমরা সমগ্র জাতির কাছে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে এসেছি, এ রকম কোনো ঘটনা হতে দেব না। তিনি বলেন, জয়বাংলা শব্দটি মুক্তিযুদ্ধের। এখন থেকে শব্দটি ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনে সরকারের কাছে অনুমতি চাওয়া হবে বলে জানান তিনি। সমাবেশে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও স্থানীয় সরকার বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাংবিধানিকভাবে জাতির পিতা হিসেবে স্বীকৃত। বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। স্বাধীনতাবিরোধী চক্র এখনো এই মহান নেতাকে অস্বীকার করে যাচ্ছে। তারা হুংকার দিয়ে যাচ্ছে যে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ করা যাবে না। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর ওপর কোনো রকমের আঘাত, কোনো অপমান মেনে নেয়া হবে না, সহ্য করা হবে না। সংবিধান ও রাষ্ট্রের ওপর আঘাত কঠোরভাবে মোকাবিলার ঘোষণা দিয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ বলেন, বঙ্গবন্ধু সংবিধানের অংশ। বঙ্গবন্ধু দেশ ও পতাকা দিয়েছেন, মানচিত্র দিয়েছেন। তার ওপর হামলা হলো সংবিধান ও রাষ্ট্রের ওপর হামলা, জনগণের ওপর হামলা। রাষ্ট্র অবশ্যই তার আইন-বিধির মাধ্যমে এটি কঠোর হস্তে মোকাবিলা করবে।
বুর্কিনা ফাসোর জাতীয় দিবসে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা
১২,ডিসেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বুর্কিনা ফাসোর জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশটির প্রেসিডেন্ট রচ মার্ক ক্রিশ্চিয়ান কাবোরে ও প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফ জোসেফ মেরি দাবিরিকে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ অভিনন্দন বার্তায় বলেন, বাংলাদেশ ও বুর্কিনা ফাসো দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক উভয় পর্যায়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক উপভোগ করছে। তিনি তার দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, আগামী বছরগুলোতে বন্ধুপ্রতিম দুটি দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আরও গতি অর্জন করবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বার্তায় বলেন, বাংলাদেশ ও বুর্কিনা ফাসোর মধ্যে পারস্পরিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিরাজ করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিদ্যমান সদিচ্ছা ও সমঝোতার বন্ধন আগামী দিনে দুই দেশের জনগণের অভিন্ন সমৃদ্ধির জন্য দুই সরকারের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে গভীরতা ও মাত্রায় আরও বৃদ্ধি পাবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বুর্কিনা ফাসোর প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য, সুখ এবং দীর্ঘজীবন এবং সেদেশের বন্ধুভাবাপন্ন জনগণের দীর্ঘস্থায়ী শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন।
সপ্তাহ পেরোলেই আসতে পারে শৈত্যপ্রবাহ
১১ডিসেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশে শৈত্যপ্রবাহ বইছে না। অথচ রাজধানীসহ সারাদেশে বেড়েছে শীতের অনুভূতি। মূলত দিনের তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় শীত বেড়েছে। আগামী চার-পাঁচদিন এমনই থাকবে। এর পর ৭-৮ দিনের মধ্যে শৈত্যপ্রবাহ আসতে পারে। আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সারাদেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা একদম নিচে নেমে এসেছে। বৃহস্পতিবার সিরাজগঞ্জের তাড়াশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুধু তাই নয়, দেশের মাত্র ৫টি অঞ্চল বাদে সারাদেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৯ থেকে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। আর বেশিরভাগ অঞ্চলের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৯ থেকে ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, সারাদেশেই শীতের অনুভূতি বেড়েছে। সূর্যের আলো পড়ছে না, দিনের বেলা তাপমাত্রা খুব কম থাকছে এ কারণে শীতের অনুভূতি বেড়েছে। শীত কিন্তু এখনও শুরু হয়নি। ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে তাপমাত্রা আসলে শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়। শৈত্যপ্রবাহ না বইলেও শীতের অনুভূতি বেড়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, আগামী ১৭ থেকে ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে শৈত্যপ্রবাহ চলে আসতে পারে। এদিকে আরও চার-পাঁচ দিন এ অবস্থাই থাকতে পারে। এর মধ্যে দেশের পশ্চিমাঞ্চলে হালকা বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে। সবমিলিয়ে শীতের অনুভূতি আরও বাড়তে পারে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কমলেও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা খুব একটা কমেনি। ফলে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য কমে এসেছে। যেমন ঢাকায় আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং গতকাল সূর্য উঠলেও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ২৩ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ, ঢাকায় সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার মধ্যে পার্থক্য মাত্র ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে সীতাকুণ্ডে ১৪ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল টেকনাফে, ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিকে শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে দুপুর পর্যন্ত সারাদেশের নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা থাকতে পারে এবং অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা থাকতে পারে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
জাতীয় পরিষদ সদস্য দেলওয়ার হোসেনের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
১১ডিসেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দলের জাতীয় পরিষদ সদস্য দেলওয়ার হোসেন তালুকদারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। আজ এক শোক বার্তায় তিনি মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং তার শোক-সন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। উল্লেখ্য, দেলওয়ার হোসেন তালুকদার বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২ টা ৩০ মিনিটে নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন (ইন্না... রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। তিনি স্ত্রী, ১ ছেলে, ২ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।
প্রযুক্তিখাতে বিশ্বে জায়গা করে নেবে বাংলাদেশ: জয়
১১ডিসেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শুধু প্রযুক্তির ব্যবহার নয় বরং এর উৎপাদনেও বাংলাদেশ এগিয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক (আইসিটি) উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। এর জন্য গবেষণার ওপর নজর দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর) চলমান ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড-২০২০ এর দ্বিতীয় দিনে মিনিস্ট্রিয়াল কনফারেন্সে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে যোগ দেন সজীব ওয়াজেদ জয়। কনফারেন্সে কী-নোট স্পিকার এবং প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা। সজীব ওয়াজেদ বলেন, আমরা চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সেন্টার অব এক্সিলেন্স তৈরি করছি। নজর দেওয়া হচ্ছে গবেষণার ওপর। অন্যদের কাছ থেকে প্রযুক্তি নিয়ে ব্যবহার করার জন্য নয়। আমরা ভবিষ্যত প্রযুক্তিখাতে বিশ্বে নেতৃত্ব দিতে চাই। আর সেই প্রযুক্তি তৈরি হবে দেশেই। এটা স্বপ্ন নয়, এটাই হবে বাস্তবতা। ভবিষ্যতের বড় বড় প্রযুক্তির কিছু কিছু বাংলাদেশ থেকেই তৈরি হবে। তেমন পরিকল্পনা নিয়েই এগোচ্ছে বাংলাদেশ। গত এক দশক ধরে বাংলাদেশে ডিজিটাল রূপান্তরে নেওয়া নানা উদ্যোগ ও তার সুফল কীভাবে দেশ ও দেশের মানুষ পাচ্ছে তাও উঠে আসে এম্ব্রেসিং ডিজিটাল টেকনোলজিস ইন দ্য নিউ নরমাল শীর্ষক এই কনফারেন্সে। এ বিষয়ে নিজ বক্তব্যে ভবিষ্যৎ দিক নির্দেশনা তুলে ধরেন আইসিটি উপদেষ্টা। যেসব দেশ বাংলাদেশ থেকে ডিজিটাল রূপান্তরের দীক্ষা নিচ্ছে তাদেরকে নিয়েই ভবিষ্যত প্রযুক্তি বিশ্বে নেতৃত্বে দেওয়ার অঙ্গীকার করেন তিনি। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সভাপতিত্বে ডিজিটাল প্লাটফর্মে যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন শ্রীলঙ্কার মিনিস্ট্রি অব টেকনলোজি সেক্রেটারি জয়ন্ত ডি সিলভা, মালদ্বীপের কমিউনিকেশন, সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজির মিনিস্টার মোহাম্মদ মালেহ জামাল, নেপালের ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব অনিল কুমার সাহা, উইটসার সেক্রেটারি জেনারেল ড. জেমস পয়জন্ট। নওশের রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে সংযুক্ত ছিলেন, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর, ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) সভাপতি শমী কায়সার, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) সভাপতি শাহিদ-উল-মুনীর, বাক্কো সভাপতি ওয়াহিদুর রহমান শরিফ, আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব এনএম জিয়াউল আলম। ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড-২০২০ এর তিন দিনব্যাপী আয়োজনের বৃহস্পতিবার ছিলো দ্বিতীয় দিন। শুক্রবার (১১ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হবে এই আয়োজন। এবারের আসরের প্ল্যাটিনাম স্পন্সর দেশীয় ই-কমার্স মার্কেটপ্লেস ইভ্যালি ডট কম ডট বিডি।

জাতীয় পাতার আরো খবর